Category: এক্সক্লুসিভ

  • খেজুর-চিনিসহ ১১ পণ্য রমজানে বাকিতে আমদানি করা যাবে

    খেজুর-চিনিসহ ১১ পণ্য রমজানে বাকিতে আমদানি করা যাবে

    ন্যূনতম মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগের পর এবার ৯০ দিনের বাকিতে রোজার পণ্য আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মশলা এবং খেঁজুর রয়েছে এ তালিকায়। সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, আসন্ন রমজানে পণ্যমূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৯০ দিনের বাকিতে ১১ পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া হলো। বিদেশি সরবরাহকারীর কাছে ওই পর্যন্ত বাকি রাখা যাবে। এ বিষয়ে অন্যান্য নির্দেশনা বহাল থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, রমজানের পণ্য আমদানিতে বড় শিল্প গ্রুপগুলোর যেন সমস্যা না হয়, এ জন্য শিগগিরই সাময়িক সময়ের জন্য একক গ্রাহকের ঋণসীমা তুলে দেওয়া হবে। এছাড়া ন্যূনতম মার্জিনের কথা বলা হলেও শূন্য মার্জিনে আমদানির নির্দেশনা দেওয়া হবে।

    এর আগে গত ৬ নভেম্বর চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যুনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি ঋণপত্র স্থাপনে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    এলসি মার্জিন হলো কোনো পণ্য আমদানিতে ন্যূনতম জমার পরিমাণ। সাধারণত কোনো পণ্যের এলসি খোলার নির্ধারিত সময় পর তা দেশে আসে। দেশের আসার পর কিছু প্রক্রিয়া শেষে অর্থ পরিশোধ করে পণ্য খালাস করতে হয়। সাধারণত এলসি খোলার সময় গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্ক বিবেচনায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ মার্জিন নেওয়া হয়। আমদানি কঠোর করতে নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু খাদ্য পণ্য, ওষুধসহ কয়েকটি ছাড়া ৭৫ থেকে শতভাগ মার্জিনের বিধান করা হয়েছিল। ডলারের সরবরাহ বাড়ায় এখন কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • মুনতাহা হত্যা কাণ্ডে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া কে কি বললেন

    মুনতাহা হত্যা কাণ্ডে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া কে কি বললেন

    নিখোঁজের ৭ দিন পর মিলেছে সিলেটের কানাইঘাটের ৬ বছরের শিশু মুনতাহার লাশ। শিশুটির সাবেক গৃহশিক্ষিকা, শিক্ষিকার মা ও নানি তিনজন মিলে তাকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলে।

    রোববার (১০ নভেম্বর) ভোরে মুনতাহার পুঁতে ফেলা মরদেহ তুলে পুকুরের পানিতে ফেলার সময় স্থানীয়রা গৃহশিক্ষিকার মা আলিফজান বিবিকে হাতেনাতে আটক করেন।

    কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল জানান, মুনতাহার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিবেশী মর্জিয়া আক্তার ও তার মা আলীফজান মিলে তাকে হত্যা করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, মুনতাহাকে অপহরণের পর ওইদিনই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ ঘরের পাশের একটি খালে কাদামাটিতে পুঁতে রাখা হয়। এরপর আলীফজান বেগম রোববার (১০ নভেম্বর) ভোরে লাশ সরানোর চেষ্টাকালে স্থানীয়রা দেখে ফেলেন। এ সময় স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় মর্জিয়া, তার মা ও নানিকে আটক করা হয়। এর মধ্যে আলীফজান ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।

    এদিকে মুনতাহা নিখোঁজের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ছবি শেয়ার করে অনেকেই সন্ধান চেয়েছেন। সেই কাতারে ছিলেন শোবিজের অনেক তারকা। তার মৃত্যুর খবর শুনে সবাই হতভম্ব। অনেকেই তার ছবিটি শেয়ার করে নিজেদের অনুভূতির কথা লিখছেন।

    অভিনেত্রী এলিনা শাম্মী মুনতাহার একটি ছবি ও শেয়ার করে তার ফেসবুকে লিখেছেন তিনজন হত্যাকারীর ছবি পোস্ট করে নিজের ফেসবুকে লিখেন, এদেরকে কি মানুষ বলা যায়? এতটুকু শিশুকে যারা খুন করে তাদের কীভাবে মানুষ বলি! তাহলে তারা আসলে কি! একজন নারী, যিনি একজন মা, সে কীভাবে এত নিষ্ঠুর হয়। আহা ফুটফুটে মুনতাহা, এমন গোলাপ কলি ফুটতে দিলো না দৈত্যের দল। বেহেশতী ফুল তুমি সেখানেই ফুটে থেকো। তবে দুনিয়াতে তুমি তোমার বাবা-মায়ের কাছে যে দোজখের আগুন ফেলে গেলে সে আগুন কোনো সান্ত্বনায় নিভবে জানি না। আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দিন।

    তিনি আরও বলেন, এই অপরাধীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। গায়ের জোড়ে, নিজের জিদ তেজ প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে যারা মানুষ খুন করে বা করতে চায় তারা মানষিক বিকারগ্রস্ত। তারা হিংস্র। হিংস্র প্রাণী যেমন লোকালয়ে রাখা যায় না, তাদের হয় জঙ্গলে অথবা লোহার সিকের বেষ্টনীতে রাখা হয়, এই মানুষদেরও আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি প্রদান করে আটকে রাখা উচিত। মাথাটা আউলা লাগছে, এই নিউজটা নেওয়া যাচ্ছে না।

    মডেল ও অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ মুনতাহা একটি ছবি শেয়ার করে তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘সকাল সকাল কাঁদলাম। আল্লাহ্ তুমি দুনিয়াতেই তার বিচার করো যে এই ফেরেশতার জীবন নিয়ে গেছে তার যেন কবর না হয়।’

    প্রসঙ্গত, রোববার (৩ নভেম্বর) সকালে মুনতাহাকে নিয়ে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফেরেন তার বাবা। পরে শিশুটি প্রতিদিনের মতো আশপাশের বাড়িতে শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। বিকেল ৩টার পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবার থেকে মুনতাহাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তারপর তাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি।

     

  • অবশেষে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর ‘মাস্টারমাইন্ড’ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    অবশেষে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর ‘মাস্টারমাইন্ড’ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আশুলিয়ায় ৪৬ জনকে গুলি করে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার মাস্টারমাইন্ড পুলিশ কর্মকর্তা এএফএম সায়েদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আশুলিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন।

    বুধবার (৩০ অক্টোবর) রাতে কক্সবাজার থেকে সায়েদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় পাঠানো হয়। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বর্তমানে সায়েদকে শাহবাগ থানায় রাখা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) তাকে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

    জানা গেছে, এতদিন গ্রেপ্তার আতঙ্কে গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।

    পুলিশ সূত্র জানায়, নিজেকে আড়াল করতে নানা কৌশল খাটিয়েও শেষ রক্ষা না হওয়ায় যেকোনো মুহূর্তে অবৈধ পথে দেশত্যাগের পরিকল্পনা করেন সায়েদ। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ইমিগ্রেশনসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে তার বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়। এরই জেরে গতকাল রাতে কক্সবাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ার মধ্যদিয়ে পতন ঘটে আওয়ামী লীগ সরকারের। সেদিন বিকেলে আশুলিয়ায় লাশের স্তূপে আরও লাশ তোলা এবং পরে পোড়ানোর একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে এলে সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

    পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র মতে, এএফএম সায়েদ ২০০৬ সালের ৫ মার্চ যশোর জেলা পুলিশ লাইনে এসআই পদে যোগ দেন। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের দাপটে এএফএম সায়েদ ঢাকা জেলায় একটানা চাকরি করেছেন ১০ বছর ১০ মাস ৬ দিন। এ সময়টাতে তিনি ঘুরেফিরে আশুলিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার, গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকা উত্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ২ উপদেষ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে

    প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ২ উপদেষ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে

    প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

    মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে আধা ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক হয়।

    বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমেদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা আমি জানি না।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মন্তব্য ঘিরে যখন বিতর্ক চলছে, সেই সময় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো।

  • আসিফকে কেন সাহসী বললেন জয়

    আসিফকে কেন সাহসী বললেন জয়

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন ‘বাংলা গানের যুবরাজ’খ্যাত গায়ক আসিফ আকবর। সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখির পাশাপাশি রাজপথেও ছিলেন সক্রিয়। শুধু তাই নয়, ছাত্রহত্যার প্রতিবাদ জানাতে নিজের ছেলেকে নিয়েও হাজির হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

     

    এদিন গণআন্দোলনে লাখও জনতার জমায়েতে আসিফ তাঁর ছেলেকে সামনে এগিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, ‘এই প্রজন্ম হারবে না। আমি আমার ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। তোমরা ওকে মেরে ফেলবে, মেরে ফেলো। যেভাবে ছাত্রদের মারা হচ্ছে, তা মানা যায় না। আমাদের একটাই দাবি—‘স্বৈরশাসকের পদত্যাগ চাই’।’

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন শোবিজের অনেক তারকা। সেই তালিকায় রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা-উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়ও। যিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নীরব থাকায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

    আসিফের সেই ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করে জয় লিখেছেন, ‘আমি ভিতু, আসিফ ভাই সাহসী। এ জন্যই চিরকাল আসিফ ভাই আমার চেয়ে অনেক বেশি সম্মান প্রাপ্য। আসিফ ভাই স্যালুট।’

    তবে জয়ের এই পোস্টেও নেটিজেনরা তাঁকে ছেড়ে কথা বলেননি। কেউ কেউ অভিনেতাকে উপদেশও দিয়েছেন। তাঁদের মন্তব্যগুলো অনেকটা এমন যে, চাটুকারিতা না করলে জয়ও সাহসী হতে পারতেন। তাই এগুলো বাদ দিয়ে জয়কে দেশ ও মানুষের কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন মন্তব্যকারীরা।

  • এবার সেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঊর্মির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    এবার সেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঊর্মির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    সদ্য সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাপসী তাবাসসুম ঊর্মিকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

     

    সোমবার (১৪ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এডিপি অনুবিভাগের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা দিয়ে চিঠিতে বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে তার আইডি ‘Tapashee Tabassum Urmi’ থেকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ায় তাকে চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

    তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে তাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

     

  • হারুন সকল গোপন তথ্য ফাঁস করে দিলেন

    হারুন সকল গোপন তথ্য ফাঁস করে দিলেন

    আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে খোঁজ নেই ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (সাবেক ডিবি প্রধান) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তার অবস্থান নিয়ে এক রকমের ধোঁয়াশ রয়েছে।

    অজ্ঞাত স্থান থেকেই ইউটিউব চ্যানেল নাগরিক টিভিতে কথা বলেছেন আলোচিত এই পুলিশ কর্মকর্তা। সেখানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান, আন্দোলন দমনে তার ভূমিকাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন। দাবি করেছেন— তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাকে মোয়া বানানো হচ্ছে।

    হারুন-অর-রশীদ বলেন, আমাকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। তখনো আমি চুপ ছিলাম। সরকার যখন বলল, সবাইকে কাজে যোগ দিতে। তখন আমি গত ৮ আগস্ট ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে তখনই যোগ দিতে নিষেধ করেন। আমাকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলেন। আমি যোগদান করতে গেছি। কিন্তু আমি যোগ দিতে পারিনি। দুই দিন পর দেখি আমার নামে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

    যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, কমিশনার ও আমাকে হুকুমের আসামি করা হয়। তখন আমি অবাক হলাম। আমি তো ডিবিতে কাজ করি। ডিবির কাজ হলো মামলা তদন্ত করা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিলে আমরা গ্রেপ্তার করি। মোহাম্মদপুরে তো আমি গিয়ে মারামারি করিনি, এটা তো আমার কাজ না।

    অতিরিক্ত কমিশনার কি মারামারি করতে যায়? আর ডিএমপিতে কমিশনারের পরে ৬ জন অতিরিক্ত কমিশনার। আমি হলাম ৬ নম্বর কমিশনার। সেখানে আমার নামে যখন মামলা হলো তখন তো একটু…। আবার বলা হলো মামলা হলেও সমস্যা নেই। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকলে গ্রেপ্তার করা হবে না। আমি মনে করলাম ভালো কথা।

    ভাবলাম জয়েন করব। পরের দিন দেখলাম একজন উপদেষ্টা বললেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জয়েন করেননি আপনারা তাদের ধরে নিয়ে আসেন। আমি তখন আরো অবাক হলাম। আমি যদি চাকরিতে জয়েন না করি তাহলে প্রসিডিং করবে। আর যোগ দিলে আমাকে দিয়ে জোর করে চাকরি করাবেন। এটা শোনার পরে আমার মনে হলো রিস্ক। মানে আমার লাইফ ঝুঁকির মধ্যে। এখন মানুষকে ধরে যেভাবে পেটানো, ডিম মারা হচ্ছে। যদি আমাকে…। আগে তো বাঁচতে হবে। আমি ইচ্ছাকৃতভাবে একটু চুপ আছি।

    ৫ আগস্টের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি-ভিডিও ছড়ায়, যেখানে দাবি করা হয় ছাত্র-জনতার হাতে গণপিটুনি খেয়েছেন হারুন অর রশীদ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেসবুক, ইউটিউবে নানা গুজব আছে। আপনারা মরার ছবিসহ নানা গুজব দেখেছেন। আমি এগুলো নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যারা এগুলো বলে তারা টাকা-পয়সা পাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ে। এগুলো গুজব।

    পুলিশ সদর দপ্তরের দেয়াল টপকে পালাতে গিয়ে ব্যথা পাওয়ার বিষয়ে সাবেক ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি পুলিশ সদর দপ্তরে যাইনি।’

    সরকারপ্রধান (শেখ হাসিনা) সবাইকে বিপদে ফেলে চলে গেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ বলেন, এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। আমি ছোট মানুষ। আমি ডিএমপির প্রধানও না, পুলিশের প্রধান না।

    আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমাকে মোয়া বানানো হচ্ছে। আমি কেন আলোচিত-এর একটাই কারণ যেখানে অপরাধ হয়েছে সেখানে আমি মানুষকে সেবা দিয়েছি। মানুষ যখন যে সমস্যায় পড়েছে তারা থানায় না গিয়ে ডিবিতে আসত। ডিবিতে আমার চাকরিজীবনে মানুষের উপকার করেছি। কারো ক্ষতি করিনি।

    অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি অনেক বড় বড় কাজ করেছি, তবে পুরস্কার পাইনি। আমি আমার বিবিকের তাড়নায় কাজ করেছি।

    দেশবাসী কেন আপনাকে ঘৃণা করে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি ১২ বছর চাকরি করেছি। আমার কোনো অন্যায় থাকলে আপনি আমাকে ছাড়তেন? তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? এখন আমি একটু অড পজিশনে পড়ে গিয়েছি, এখন যদি বলে হারুন খুব খারাপ… তাহলে আমি কী খারাপটা করেছি বলেন।

    আমি কার ক্ষতি করেছি? আমার কাছে যারা-যেসকল আসামিরা ছিল… এমনও বড় বড় বিএনপি নেতারা আমার কাছে গিয়েছিল.. তারা আমাকে বলতো আমার ফ্যামিলি প্রবলেম আছে, আমার ফ্যামিলি প্রবলেম সলভ করে দিও। এসব বিষয়ে আমি আরেকদিন কথা বলবো।

     

  • ডায়াবেটিস থেকে হতে পারে ত্বকের সমস্যা

    ডায়াবেটিস থেকে হতে পারে ত্বকের সমস্যা

    ডায়াবেটিক রোগীদের এক-তৃতীয়াংশ ভোগেন বিভিন্ন চর্ম বা ত্বকের সমস্যায়। কিছু ত্বকের সমস্যা বারবার হওয়ায় অনেক সময় ডায়াবেটিসের পূর্ব লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

    ত্বকের সমস্যা দেখা দিলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির উচিত দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। এবার আসুন ডায়াবেটিক রোগীর ত্বকের সমস্যা জেনে নিই।

    ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহ: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়াজনিত ত্বকের প্রদাহে ভোগেন। যেমন– ফোঁড়া, নখের ইনফেকশন, চোখের পাপড়ির প্রদাহ, সেলুলাইটিস ইত্যাদি। এগুলোর কোনো একটি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়া উত্তম।

    ডায়াবেটিক র‍্যাশ: ডায়াবেটিক রোগীদের ত্বক অনেক শুষ্ক থাকে। ধারণা করা হয়, তাদের ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়। ফলে ত্বক বেশি শুষ্ক থাকে। এ শুষ্ক ত্বকে লালচে র‍্যাশ উঠতে দেখা যায়।

    ডায়াবেটিক ব্লিস্টার: গরমকালে ডায়াবেটিক রোগীদের ত্বকে পানিমুখী ফুসকুড়ি বা ব্লিস্টার উঠতে দেখা যায়। অনেক সময় এসব ব্লিস্টারে পুঁজ জমে ক্ষত সৃষ্ট হতে পারে।

    ডায়াবেটিক ডার্মোপ্যাথি: অনেক ডায়াবেটিক রোগীর পায়ে কিছু কালো দাগ পড়তে দেখা যায়। আসলে ডায়াবেটিসের কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির পায়ের ছোট ছোট রক্তনালিতে রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটে। ফলে রক্তের জলীয় অংশ রক্তনালি থেকে বের হয়ে ত্বকের ঠিক নিচে জমা হয়। যার কারণে কিছু দাগ সৃষ্টি হয়। একেই বলা হয় ডায়াবেটিক ডার্মোপ্যাথি।

    ইরাপটিভ জান্থোম্যাটসিস: ইরাপটিভ জান্থোম্যাটসিস সাধারণত অনেকদিন ধরে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হয়ে থাকে। এটি এক ধরনের হলুদাভ শক্ত গোটা, যা হাত-পা, পিঠে হতে পারে। রোগীর কোলেস্টেরল বেশি থাকলেও এগুলো হতে দেখা যায়।

    ছত্রাক বা ফাঙ্গাসের সংক্রমণ: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায়ই ছত্রাক বা দাউদে আক্রান্ত হতে পারেন। যেমন ক্যান্ডিডা, রিং ওয়ার্ম বা ইস্ট নামক ছত্রাকের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়।

    নেকরোবায়োসিস লাইপয়ডিকা: এটি ডায়াবেটিক রোগীদের একটি বিশেষ ধরনের ত্বকের ক্ষত। এটি সাধারণত নারীদের বেশি দেখা যায়। এগুলো পায়ে বেশি হয়। এসব সাধারণত লালচে বাদামি রঙের এবং ছোট ছোট গুটি আকারের হয়ে থাকে।

    ত্বকের চুলকানি: ধারণা করা হয়, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত সঞ্চালন অনেক শ্লথ হয়ে যায়। ফলে ত্বকের শুষ্কতা বাড়তে থাকে। এ শুষ্কতার কারণে ত্বকে চুলকানি বাড়তে পারে।

    ত্বকের শুষ্কতার কারণে বেশির ভাগ ডায়াবেটিক রোগীর সমস্যা হয়ে থাকে। এ জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।

    লেখক: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

  • শেয়ার হস্তান্তর স্থগিত রাখতে এনবিআরের চিঠি

    শেয়ার হস্তান্তর স্থগিত রাখতে এনবিআরের চিঠি

    দেশের বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, এস আলম, নাসা, সামিট, ওরিয়ন ও থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের (নগদ লিমিটেড) মালিকানা হস্তান্তর স্থগিত রাখতে যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

     

    চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের আয়কর আইনের ২২৩ ধারার আওতায় এনবিআর কর ফাঁকি রোধে সম্পত্তির অন্তবর্তীকালীন অবরুদ্ধকরণ বা ক্রোকের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

    “চলমান তদন্ত অনুযায়ী, এই কোম্পানি সমূহের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগসহ আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।”

    এ কারণ দেখিয়ে ‘জনস্বার্থে’ এসব কোম্পানির শেয়ার স্থানান্তর (কেনা-বেচা ও দান) স্থগিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে যৌথমূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে পাঠানো চিঠিতে।

    গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসন অবসানের পর সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি আর্থিক খাত এবং বড় কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে তৎপর হয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসন। তখনই বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, সামিট, ওরিয়ন ও নাসার মালিকদের বিষয়ে অনুসন্ধানে নামে সিআইসি।

    বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিম এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের লেনদেনের তথ্য চেয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তখন চিঠিও পাঠায় আর্থিক খাতের এ গোয়েন্দা সংস্থা।

    বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে ক্ষমতার পালাবদলের পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও মঙ্গলবার রাতে ঢাকার গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এনবিআরের তরফ থেকে প্রথম অনুসন্ধান শুরু হয় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে। এনবিআরের আয়কর বিভাগের কর অঞ্চল-১৫ এর কমিশনার তাদের ব্যাংক হিসাব তলব করে চিঠি পাঠায় সব ব্যাংকে। সাইফুল আলমের পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ক্রেডিট কার্ডের তথ্যও চাওয়া হয় কর অঞ্চল থেকে।

    সে সময় ওই কর অঞ্চলের কমিশনার ছিলেন সিআইসির বর্তমান মহাপরিচালক আহসান হাবিব।

    এদিকে মোবাইলে আর্থিক সেবার কোম্পানি নগদ নিয়ে এনবিআরের কোনো দপ্তর থেকে এর আগে কোনো উদ্যোগ না থাকলেও বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে তৎপর হয়েছে।

    নানান অনিয়ম ও অভিযোগের ভিত্তিতে ২১ অগাস্ট নগদের পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক বসায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক বদিউজ্জামান দিদারকে। তাকে সহায়তা করতে ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    এরপর গত ১৭ সেপ্টেম্বর বর্তমান ব্যবস্থাপনাকে সহায়তা করতে ‘ম্যানেজমেন্ট বোর্ড’ নামের একটি পর্ষদ গঠন করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পাঁচ সদস্যের এ পর্ষদের চেয়ারম্যান করা হয় বিআইডিএসের সাবেক মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদকে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ করে দেওয়া প্রশাসক এবং তার সহায়ক দলকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিতে এ পর্ষদ গঠন করে দেওয়ার কথা বলা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে।

     

  • দেশের তারকারা উত্তরাঞ্চলে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    দেশের তারকারা উত্তরাঞ্চলে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

    টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রংপুরের চার জেলায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে অন্তত ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উত্তরাঞ্চলে বন্যায় পানিবন্দি পরিবারদের সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের তারকারা।

     

    সামাজিক মাধ্যমে অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘উত্তরাঞ্চলের চার জেলা লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও রংপুরের ২৫ হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি। আসুন আমরা ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লার মতো পানিবন্দি এই মানুষগুলোর পাশেও দাঁড়াই।’

    চিত্রনায়ক সাইমন সাদিকও বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি খুব খারাপ। যার যার সামর্থ অনুযায়ী উনাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

    প্রবাসী অভিনয়শিল্পী টনি ডায়েস বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন যেভাবে ফেনী -নোয়াখালী বাসি দের জন্য কাজ করেছেন। উত্তর দিকের রংপুর, লালমনিরহাটে যে গ্রাম গুলো প্লাবিত হয়েছে, লালমনিরহাট- কুড়িগ্রামে যে ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি তাদের উদ্ধার করা অতি জরুরি এর পাশাপাশি খাদ্যের ব্যবস্থা করা। আসুন এগিয়ে আসি একে অপরের বিপদে।’

    টনি ডায়েসের পোস্টটি শেয়ার দিয়েছেন আরেকজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী অপু করিম। তিনি এর মাধ্যমে বন্যার্ত্যদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিস্তার পানি রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর ফলে রংপুর ৪ উপজেলায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলাগুলো হচ্ছে-রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা ও হারাগাছসহ মিঠাপুকুরের কিছু অংশে পানি ঢুকে পড়ছে।