Category: এক্সক্লুসিভ

  • কোথায় হবে অনন্ত এবং রাধিকার বিয়ে জানলে অবাক হবেন !

    কোথায় হবে অনন্ত এবং রাধিকার বিয়ে জানলে অবাক হবেন !

    আর মাত্র কয়েক মাসের অপেক্ষা। তারপরই সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রাধিকা মার্চেন্ট এবং অনন্ত আম্বানি। ইতিমধ্যেই গুজরাটের জামনগরে তাদের প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে টানা এক সপ্তাহ ধরে। এবার পালা বিয়ের। আর তাই নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে যে কোথায় বসবে তাদের বিবাহ বাসর? লন্ডন, আবুধাবি না অন্যত্র? কী জানা যাচ্ছে?

    আগামী ১২ জুলাই সাতপাকে বাঁধা পড়বেন অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট। কিন্তু কোথায় গাঁটছড়া বাঁধবেন তারা? লন্ডন বাকি আবুধাবি? না না, এই দুটো জায়গার একটিতেও নয়। একটি পাপারাজ্জির প্রোফাইলে জানানো হয়েছে তারা তাদের নিজেদের শহর মুম্বাইতে বিয়ে করবেন। যদিও এখনো এ বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    যদিও এর আগে ইন্ডিয়া টুডের একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছিল রাধিকা এবং অনন্তের বিয়ে নাকি লন্ডনের স্টক পার্ক এস্টেটে হবে। নীতা আম্বানির মা নিজে নাকি এ বিয়ের অনুষ্ঠানের সবটা দেখভাল করছেন। জানানো হয়েছিল তাদের বিয়ের আমন্ত্রণপত্র নাকি ইতিমধ্যেই বলিউড তারকাদের পৌঁছে গিয়েছে। লন্ডনে বিয়ে হবে তাদের। বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে বিভিন্ন থিমের ওপর ভিত্তি করে। অনুমান করা হচ্ছে শাহরুখ খান, সালমান খান, গোটা বচ্চন পরিবার, রণবীর সিং, দীপিকা পাড়ুকোন, অনুশকা শর্মা, বিরাট কোহলি প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন। সেই রিপোর্টে বিয়ে লন্ডনে হবে জানানো হলেও, টাইমস নাওয়ের একটি রিপোর্টে আবার জানানো হয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আবুধাবিতে।

    প্রসঙ্গত চলতি বছরের মার্চে মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানি গুজরাটের জামনগরে ছোট ছেলে অনন্ত ও হবু বউমা রাধিকার জন্য তিনদিনের প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ১ মার্চ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত চলা জামনগর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোটা বিশ্বের গ্লোবাল আইকন, বলিউড এ-লিস্টার এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা।

    তারও আগে ২০২৩এর জানুয়ারিতে মুম্বাইয়ে তাদের পারিবারিক বাসভবন, অ্যান্টিলায় ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের উপস্থিতিতে একান্ত ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাগদান সেরেছিলেন অনন্ত এবং রাধিকা।

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রাজস্থানের নাথদ্বারার শ্রীনাথজি মন্দিরে অনন্ত-রাধিকার ‘রোকা’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। যে অনুষ্ঠানের মাধ্যে তারা গোটা বিশ্বের সামনে নিজেদের সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন।

    জানা যায়, অনন্ত এবং রাধিকা শৈশব থেকেই একে অপরকে চেনেন। তবে ২০১৮ সালে তাদের সম্পর্ক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। সেসময় ম্যাচিং পোশাক পরে একে অপরের সঙ্গে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন।

     

  • পদ্মশ্রী গ্রহণ করে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অনেক উচ্ছ্বসিত ও অনুপ্রাণিত

    পদ্মশ্রী গ্রহণ করে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অনেক উচ্ছ্বসিত ও অনুপ্রাণিত

    উপমহাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক ‘পদ্মশ্রী’ পদক গ্রহণ করেছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেন তিনি। রবীন্দ্রসংগীতের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা দিয়েছে ভারত সরকার। এদিন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানেঅনেক ভিড়ের মধ্যে যখন নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার দেখা হয়, তখন নরেন্দ্র মোদি তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘আপ ক্যায়সে হ্যায়?’ [আপনি কেমন আছেন?]। এ সময় তাদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়। পরে ভারতের প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নিয়ে পৃথক পোস্ট করা হয়। বাংলাদেশে রবীন্দ্রসংগীতে নিবেদিতপ্রাণ উল্লেখ করে শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।

    সেই সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মদিনে বন্যার কণ্ঠে গাওয়া ভজন‘বৈষ্ণব জন তো তেনে কাহিয়ে’র কথাও স্মরণ করা হয় পোস্টে। এদিকে পদ্মশ্রী পদক পেয়ে উচ্ছ্বসিত বন্যা। পুরস্কার পেয়ে বন্যা বলেন, ‘যে কোনো প্রাপ্তি আনন্দের। পদ্মশ্রীর মতো পুরস্কার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমি খুবই রোমাঞ্চিত, আনন্দিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে পুরস্কারটি আমার কাছে ভীষণ গর্বের। শুধু রবীন্দ্রসংগীত নয়; আমাকে সংগীতের জন্য দেওয়া হয়েছে এই পুরস্কার। আমার জন্য ভালো লাগার ব্যাপার যেমন, তেমনি অন্যরাও ভীষণ অনুপ্রাণিত হবে। বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে এখন দারুণ সব কাজ হচ্ছে। নতুন নতুন ছেলেমেয়েরা আসছে গানের জগতে।’

    বন্যা আরও বলেন, ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ থেকে অনেকেই ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দেশের অনেক লোক এখানে বসবাস করেন। তাদের অনেকেই অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এ ভালোবাসা ভোলার নয়। মনটা আনন্দে ভরে গেছে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর পাঁচ গুণী ব্যক্তিকে পদ্মবিভূষণ, ১৭ জনকে পদ্মভূষণ ও ১১০ জনকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে ভারত সরকার। যার মধ্যে ছিলেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

    এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। তারও আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। আর ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী। শুধু পদ্মশ্রী নয়; ভারতের আরও কিছু পদক উঠেছে বন্যার ঝুলিতে। পেয়েছেন ‘বঙ্গভূষণ’ও। কলকাতার নজরুল মঞ্চেতাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি বিভাগ থেকে ২০১৩ সালে পেয়েছেন ‘সংগীত সম্মান পুরস্কার’।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুর জেলায়। বন্যা প্রথমে ছায়ানট, পরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষা ও পড়াশোনা করেছেন। পড়েছেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতেও।রবীন্দ্রসংগীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তনের ওপর শিক্ষা লাভ করেছেন।রবীন্দ্রসংগীত প্রচার ও প্রসারে ১৯৯২ সালে সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারা’ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্য বিভাগের অধ্যাপক ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন। তিনি শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্রসংগীতের তালিম নেন।

    শিক্ষাগুরু হিসেবে পেয়েছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন, শৈলজারঞ্জন মজুমদার, শান্তিদেব ঘোষ, গোরা সর্বাধিকারী, মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায়, অশেষ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান তিনি। এ ছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক, সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, আনন্দ সংগীত পুরস্কারসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গুণী এ কণ্ঠশিল্পী।

     

  • দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি, সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন

    দেশে ইন্টারনেটে ধীরগতি, সাবমেরিন কেবল বিচ্ছিন্ন

    দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলটি সিঙ্গাপুর থেকে ৪৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে আকস্মিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে কেবলের মাধ্যমে কুয়াকাটা-সিঙ্গাপুর অভিমুখী সব ট্রাফিক বর্তমানে বন্ধ আছে। কুয়াকাটায় সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবল পুনরায় মেরামত করে চালু না হওয়া পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেটের গতি ধীর থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)।

    শনিবার বিএসসিপিএলসির মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) সাইদুর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে সাবমেরিন কেবলটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সি-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে কেবলটি মেরামত করে দ্রুত পুনঃসংযোগের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    কক্সবাজারের সি-মি-উই-৪ সাবমেরিন এবং আইটিসি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া অব্যাহত আছে। সি-মি-উই-৫ এর বিচ্ছিন্নকৃত উলে­খযোগ্য পরিমাণ ব্যান্ডউইথ সি-মি-উই-৪ ক্যাবলে শিফটিং করা হচ্ছে। তবে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবল পুনরায় মেরামত করে চালু না হওয়া পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি ধীর থাকতে পারে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসসিপিএলসি।

    বিএসসিপিএলসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ বলেন, সিমিউই-৫ দিয়ে দেশে এক হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ হয়। এর পুরোটাই এখন বন্ধ আছে। আমরা চেষ্টা করছি সিমিউই-৪ (প্রথম সাবমেরিন কেবল) দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করতে। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল ব্রেক করায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকরা ইন্টারনেটের এ ধীরগতি পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

    ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, গ্রাহকরা আমাদের ফোন করে ইন্টারনেটে ধীরগতির অভিযোগ করছেন। আমরা বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করছি।

     

  • দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ ৫০ বছরের মধ্যে একবারই ঘটে !

    দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ ৫০ বছরের মধ্যে একবারই ঘটে !

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের পূর্ণ সূর্যগ্রহণটি ৭ দশমিক ৫ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এতো দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ ৫০ বছরের মধ্যে একবারই ঘটে।

    আবার ২১৫০ সালে এই বিরল সূর্যগ্রহণের দেখা মিলবে।

    সূর্যগ্রহণের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক হলো ঘটনার সময়। সূর্যের ১১ বছরের ঘটনাচক্রের চূড়ান্ত পর্যায়ের সঙ্গে সূর্যগ্রহণটি মিলে যাবে। অর্থাৎ এ সময় সৌর ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণে আরও বেশি সৌর কলঙ্ক এবং করোনা (সূর্যের বাইরের শ্বেত অংশ) দেখা যাবে।
    তবে পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে পূর্ণগ্রাস এই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, বিরল
    এ ঘটনা শুধু যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা থেকে দেখা যাবে।

    ৭ দশমিক ৫ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী এ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ওকলাহোমা, আরকানসাস, মিসৌরি, ইলিনয়, কেনটাকি, ইন্ডিয়ানা, ওহাইও, পেনসিলভানিয়া, নিউইয়র্ক, ভার্মন্ট, নিউ হ্যাম্পশায়ার ও মেইন অঙ্গরাজ্যে। মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত সৈকত শহর মাজাটলানের কাছে দর্শক ভালোভাবে পূর্ণগ্রাস গ্রহণ উপভোগ করতে পারবেন।

    বিজ্ঞানীদের মতে, গত ৫০ বছরের মধ্যে এবারে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দীর্ঘতম। সর্বশেষ ১৯৭৩- এ রকম দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ দেখা গিয়েছিল।

    সূর্যগ্রহণের ঘটনাটি নাসা সরাসরি সম্প্রচার করবে। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশাবলের মতে, ইস্টার্ন স্ট্যান্ডার্ড টাইম অনুযায়ী আজ স্থানীয় সময় দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নাসা এই ঘটনা লাইভ সম্প্রচার করবে। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে ৮ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত দেখা যাবে। এই ঘটনার লাইভ স্ট্রিম নাসার ইউটিউব চ্যানেলে ও নাসাপ্লাস ওয়েবসাইটে সম্প্রচার করবে।

     

  • শুরু হলো কেএনএফের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান

    শুরু হলো কেএনএফের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান

    ব্যাংক ও অস্ত্র লুটকে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে আর্থিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। এদিকে গতকাল শুক্রবার থেকে ব্যাংক ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় জড়িত সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করছে। কেএনএফ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্ত্রাসীদের দমনে পাহাড়ে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের মত সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হবে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

    এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, কেএনএফের হামলার ঘটনা কিন্তু ছোট কোন ঘটনা নয়। সূদরপ্রসারী হামলার লক্ষ্য হিসাবে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। কেএনএফ বম সম্প্রদায়ভুক্ত। একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। এদের সদস্য সংখ্যা খুবই কম। এর আগে র‍্যাব ও যৌথ বাহিনী অভিযানে চালিয়ে তাদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়। তারা পাশের দেশে পালিয়ে যায়। তারা বলেন, শান্তি আলোচনার নামে এই কেএনএফের সদস্যরা পাহাড়ে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। অর্থ আদায়ের এই পরিকল্পনায় শান্তি কমিটির একাধিক সদস্য রয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থ সংগ্রহের জন্য তারা ব্যাংকে হামলা চালিয়েছে। আগেই এই কেএনএফকে নির্মূল করার দরকার ছিলো। কিন্তু তা করা হয়নি। এই কেএনএফের সঙ্গে মিয়ানমার ও ভারতের মিজোরামসহ কয়েকটি রাজ্যের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে। এরা বান্দরবানের দুর্গম এলাকা দিয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই হামলার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আজ শনিবার বান্দরবান যাবেন। তার সফরসঙ্গী হবেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশের আইজি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বান্দরবানের রুমা ও থানচি এলাকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন।

    আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পাহাড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নির্মূলে যৌথ বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানের পাশাপাশি গোয়েন্দা তত্পরতা অব্যাহত থাকবে। টার্গেট পরিপূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। কোন অবস্থাতেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে মাথাচারা দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মজিবুর রহমান বলেন, ‘শান্তি কমিটির অযোগ্যতার কারণেই এই হামলার ঘটনা। আলোচনার নামে একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে পাহাড়ে। কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যায়নি কখনো। তাদেরকে নির্মূল করতে অস্ত্রের ভাষায় কথা বলতে হবে। একদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর গুলি করে অন্যদিকে আলোচনার কথা বলে সমাধান পাওয়া যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করতে হবে পাহাড়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে।’

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। পাহাড়িদের একটি গোষ্ঠী সর্বাধিক সুযোগ সুবিধা পেয়ে দেশ-বিদেশে লেখাপড়া করে দেশে এসে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এরা মাথাচাড়া দিয়ে যাতে উঠতে না পারে সেজন্য সেনাবাহিনীর ক্যাম্পগুলো পুনর্বহাল করতে হবে। এছাড়া শান্তি চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ এসেছে। পাহাড়িরা সুযোগ-সুবিধা পাবে, আর বাঙালিরা পাহাড়ে অবহেলিত থাকবে এটা কোনভাবেই হতে পারে না। সংবিধানের সকলের জন্য সমান সুযোগের কথা বলা হয়েছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম অধিকার ফোরামের সভাপতি মইনুদ্দিনও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী সিকদার বলেন, পাহাড়ে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এই কুকি চিনকে শান্তি আলোচনার নামে পাত্তা দেওয়া ঠিক হয় নাই। শান্তি আলোচনার নামে তারা এই হামলা করার সুযোগ নিয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কোন সুযোগ নাই। এই ঘটনায় পার্বত্য এলাকায় ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে পর্যটনসহ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নামবে। ২০২২ সালে কুকি চিনের আস্তানা নজরে আসে। এরপরই যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের আস্তানা ধ্বংস করে দেয়। এদের বিরুদ্ধে ওই সময়ে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার দরকার ছিলো।

    তিনি বলেন, ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে সরকারের আলোচনায় বসার সুযোগ নাই। এই আলোচনার সুযোগে তারা পার্শ্ববর্তী দুটি দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। শান্তির নামে তারা পাহাড়ে অর্থ সংগ্রহে নেমেছে। চিহ্নিত এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে দমন করতে হবে। নইলে এ ধরনের অনেক ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর জন্ম হবে। তারা একইভাবে সরকারকে শান্তি আলোচনায় বসতে বাধ্য করবে। ১৯৯৭ সালে একবারই শান্তি চুক্তি হয়েছে। এরপর পাহাড়ে আর কোন শান্তি আলোচনা চলতে পারে না। ব্যাংক লুটের সময় সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে একটি গুলিও ছোড়া হয়নি। অথচ ওই সময় এদের দমনে পাল্টা গুলি চালানো দরকার ছিলো। এই দেশ থেকে এদের বিতাড়িত করতেই হবে।

     

  • রমজানে সহজে পাপমুক্ত হওয়া যায়

    রমজানে সহজে পাপমুক্ত হওয়া যায়

    মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। নবি-রাসূল ছাড়া কেউই নিষ্পাপ নয়। তবে পাপের ওপর অবিচল থাকা শয়তানের কাজ। মুমিন কখনো অপরাধ করে তাওবাহীন থাকতে পারে না। পাপমুক্ত জীবন গঠনের লক্ষ্যে তাওবা-ইসতিগফারে সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে আসে মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার মাস হওয়ায় স্বভাবতই রোজাদারের প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে এ মাসে নিজেকে সহজে পাপমুক্ত রাখা যায়। রমজানে আল্লাহতায়ালা তার প্রিয় বান্দার জন্য ক্ষমা, করুণা ও মুক্তির ডালি সাজিয়ে প্রতীক্ষা করেন, কখন বান্দা তার কাছে ক্ষমা চাইবে- সঙ্গে সঙ্গে তিনি ক্ষমা করবেন।

    রমজানের পবিত্র দিনে বান্দা যখন কৃত পাপ থেকে তাওবা করেন, তখন তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয় বলে কুরআন-হাদিসে বহুবার উল্লেখ করা হয়েছে। এজন্য রমজানে বেশি বেশি তাওবা ও ইসতিগফার ছিল নবি, সাহাবি ও বুজুর্গদের আমল।

    হাদিস শরিফে এসেছে, ‘গুনাহ থেকে তওবাকারী নিষ্পাপ ব্যক্তির মতো।’ (বুখারি) আল­াহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করও, নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। ফলে তিনি (আল্লাহ) তোমাদের প্রতি সুষম বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। আর তোমাদের সম্পদে প্রাচুর্য ও সন্তানে বরকত দেবেন এবং তোমাদের জন্য বাগবাগিচা পানির ফোয়ারায় শোভিত করবেন।’ (সূরা নুহ, আয়াত: ১০-১২)

    ‘তাওবা’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো ফিরে আসা। কোনো ভুলত্রুটি, অপরাধ বা পাপ কাজ থেকে ফিরে আসাকে শরিয়তের পরিভাষায় তাওবা বলা হয়। হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.) যে তওবা করেছিলেন, তা হলো- ‘হে আমাদের রব! আমরা জুলুম করেছি, আমাদের নফসের প্রতি, আপনি যদি ক্ষমা ও দয়া না করেন, আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।’ (সূরা আরাফ, আয়াত: ২৩) অন্য হাদিসে এসেছে- ‘সকল আদম সন্তান পাপী, আর পাপীদের মধ্যে উত্তম হলো তাওবাকারীরা।’ (মুসলিম ও তিরমিযি)

    তাওবা কবুল হওয়ার জন্য সাধারণত তিনটি শর্ত রয়েছে। প্রথম শর্ত, বান্দাকে গুনাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত, বান্দাকে কৃত গুনাহর জন্য আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হতে হবে। তৃতীয় শর্ত, আবারও গুনাহ না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হতে হবে। চতুর্থ শর্ত, অপরাধ যদি কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়, তাহলে আগে সেই ব্যক্তির কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। যেমন- কেউ যদি অন্যায়ভাবে কারও ধন-মাল বা বিষয়-সম্পত্তি জোরজবরদস্তি দখল করে নেয়, তবে তা ফেরত দিতে হবে। কারও প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিলে অপরাধীকে নির্দিষ্ট শাস্তি ভোগ করতে হবে, নতুবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি থেকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। এমনকি কারও অনুপস্থিতিতে গিবত করলে সে ব্যাপারেও ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। অন্যথায় আল্লাহতায়ালা তাওবা কবুল করবেন না।

    সিয়াম সাধনায় নিমগ্ন মুমিন মুত্তাকিদের উচিত রমজানে তাওবা ও ইসতিগফারের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া। কৃত অপরাধের জন্য নিজের মধ্যে অনুশোচনাবোধ সৃষ্টি করে আল্লাহতায়ালার কাছে বিগত দিনের গুনাহখাতা থেকে কায়মনে ক্ষমা চাওয়া। তাহলে অবশ্যই আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করবেন। তাওবা করার পর শয়তানের বা নফসের প্ররোচনায় তাওবা ভঙ্গ হয়ে গেলে করুণাময় আল্লাহতায়ালার কাছে বার বার তাওবা করা যায়। তাওবা ভঙ্গ হয়ে গেলে মানুষ সাধারণত আবার তাওবা করতে লজ্জাবোধ করে বা অনেকে তাওবা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

    উলামায়ে কেরাম বলেন, এটাও নফস ও শয়তানের ধোঁকা। রহমতের সাগর অসীম দয়ালু দাতা আল্লাহতায়ালা তার প্রিয় বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়ার প্রতীক্ষায় থাকেন। তিনি তো একমাত্র ক্ষমাশীল। আল্লাহতায়ালা মোবারক এ মাসে আমাদের একনিষ্ঠ তাওবা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    লেখক : প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মারকাযুত তারবিয়াহ বাংলাদেশ, আলমনগর, সাভার, ঢাকা।

     

  • বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপটিকে মারা হলো

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপটিকে মারা হলো

    গহিন বন আমাজনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ গ্রিন অ্যানাকোন্ডা পাওয়ার খবর বের হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই সাপটিকে গুলি করে মেরেছে শিকারিরা।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত আমাজনের বনিতো গ্রামের ফরমোসো নদীতে ২৪ মার্চ গুলিবিদ্ধ মরা অ্যানাকোন্ডা পাওয়া যায়।

    বিশেষজ্ঞরা জানান, সাপটি গাড়ির টায়ারের মতো মোটা ছিল। ২৬ ফুট লম্বা ও ৪৪০ পাউন্ড ওজনের সাপটির মাথা ছিল মানুষের মাথার সমান।

  • বিস্ময়কর যুবক নিজের গায়ের চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানানো !

    বিস্ময়কর যুবক নিজের গায়ের চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানানো !

    মাতৃভক্তির অনন্য নজির গড়লেন এক যুবক। নিজের শরীরের চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানালেন। তারপর সেই জুতা নিজ হাতে মায়ের পায়ে পরিয়ে দিলেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর বাসিন্দা রৌনক গুর্জর মাকে ভালোবেসে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

    জানা যায়, অতীতে অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রৌনক গুর্জর। একবার পুলিশের গুলিও খেয়েছিলেন। পায়ে গুলি লেগেছিল তার। সেই পায়ের ওপরের অংশ থেকেই কিছুটা চামড়া অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে বের করে নেন। নিজের সেই চামড়া নিয়ে যান মুচির কাছে। গোটা প্রক্রিয়ার কথা বাড়িতে কাউকে জানতেও দেননি তিনি।

    নিজের চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা নিজ হাতে মায়ের পায়ে পরিয়ে দেওয়ার পর রৌনক গুর্জর খোলাসা করেন, কী দিয়ে আসলে জুতাটি তৈরি করা হয়েছে। সন্তানের মুখে সেই কথা শুনে কেঁদে ফেলেন বৃদ্ধা। সেখানে মা এবং ছেলের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়।

    মূলত, রামায়ণ থেকে মাতৃভক্তির এই অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতীয় এই যুবক। রৌনক গুর্জর বলেন, তিনি রামায়ণের ভক্ত। রোজ একবার করে রামায়ণ পাঠ করেন। রাম তার আদর্শ। সেই গ্রন্থ পাঠ করেই মায়ের জন্য কিছু করার ইচ্ছা জাগে তার মনে। সেই মতো নিজের চামড়া দিয়ে মায়ের জুতা তৈরির পরিকল্পনা করেন।

  • কে সে যার প্রেমে মরিয়া ছিলেন ঐশ্বরিয়া?

    কে সে যার প্রেমে মরিয়া ছিলেন ঐশ্বরিয়া?

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। যার রূপ-গুনে মুগ্ধ ছিলেন হাজারো তরুণ-যুবক। কিন্তু এই অভিনেত্রী কি না একজনের প্রেমে মরিয়া ছিলেন। কে সেই পুরুষ?

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ছোটবেলা থেকেই রূপে-গুনে এগিয়ে ছিলেন ঐশ্বরিয়া। সৌন্দর্যের পাশাপাশি দারুণ মেধাবীও ছিলেন তিনি। স্কুলে পড়ার সময়েও তার মেধার ছাপ ছিল সকল ক্ষেত্রে। যে কারণে এক শিক্ষিকার পরামর্শ শুনে মডেলিং দুনিয়ায় পা রাখেন। এরপরই জীবন পাল্টে যায় তার।

    বিশ্বসুন্দরী হওয়ার আগেই অনেক প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছেন ঐশ্বরিয়া। তার মন জেতার জন্য রীতিমতো লড়াই করতেন পুরুষেরা। তবে অভিনেত্রী নাকি একজনকে বেশ পছন্দ করতেন। যার জন্য তাকে অন্তর্জালে লড়াই করতে হত অভিনেত্রী মণীষা কৈরালার সঙ্গে! কে ছিলেন সেই পুরুষ, যার মন পাওয়ার প্রতিযোগিতা চলেছিল এই দুই সুন্দরীর মাঝে?

    সেই ব্যক্তির নাম রাজীব মুলচান্দানি। ঐশ্বরিয়ার ক্যারিয়ারের শুরুতে তার সঙ্গেই প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। রাজীব ছিলেন সে সময়ের বেশ নামকরা ফটোগ্রাফার। যিনি ঐশ্বরিয়ার একাধিক ফটোশুট করেছেন। তখনই নাকি রাজীবকে মনে ধরে নায়িকার।

    মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতা জেতার আগের ঘটনা। রাজীবকে নিয়ে সেসময় রীতিমতো টানাটানি চলত অভিনেত্রীদের মাঝে। বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী মণীষা কৈরালার সঙ্গেও বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন রাজীব। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে তার মেলামেশা বেড়ে যাওয়াকে ভালোভাবে নেননি তিনি। দুই সুন্দরীর মধ্যে তৈরি হয় বিবাদ।

     

  • ভারতীয় ৩ ফুট উচ্চতার তরুণ চিকিৎসক হলেন

    ভারতীয় ৩ ফুট উচ্চতার তরুণ চিকিৎসক হলেন

    উচ্চতা কোনো প্রতিবন্ধকতা নয়। এটি আবারও প্রমাণ করলেন ভারতীয় তরুণ গণেশ বারাইয়া। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেছেন তিনি। খবর এএনআইয়ের।

    প্রতিবেশী ভারতের গুজরাট রাজ্যের বাসিন্দা ২৩ বছর বয়সী গণেশ। আর দশজনের মতোই সুস্থ–স্বাভাবিক হলেও তার উচ্চতা মাত্র ৩ ফুট। উচ্চতাই তার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। কিন্তু সব বাধাই অতিক্রম করেছেন এই মেধাবী।

    কয়েক বছর আগে তিনি যখন এমবিবিএসে ভর্তির জন্য আবেদন করেছিলেন, তখন উচ্চতাকে কারণ দেখিয়ে তা খারিজ করেছিল ভারতের মেডিকেল কাউন্সিল। কিন্তু নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি। সাহায্যের জন্য ছুটে গিয়েছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে। জেলা কালেক্টর ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীরও দ্বারস্ত হয়েছেন গণেশ।

    তাদের পরামর্শে মেডিকেল কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন গুজরাট হাইকোর্টে। কিন্তু রায় তার পক্ষে আসেনি। এতেও দমে যাননি গণেশ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন সুপ্রিম কোর্টে। ২০১৮ সালে শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায় খারিজ করেন। ফলে বাধা কেটে যায় আর প্রথম সাফল্য পান তিনি।

    এর পরের বছরই সরকারি একটি কলেজে এমবিবিএসে ভর্তি হন গণেশ। বর্তমানে গুজরাটের ভাবনগর শহরের স্যার টি হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

    গণেশ এখন প্রতিদিনই মানুষের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। উচ্চতা নিয়ে তেমন কোনো সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

    গণেশ বলেন, ‘যখনই কোনো রোগী আমাকে দেখেন, প্রথমে একটু চমকে যান। তারপর অবশ্য তারা আমাকে স্বাভাবিকভাবেই নেন। আর আমিও তাদের প্রথমে কনফিউজ হয়ে যাওয়াটা মেনে নিই। তারা আমার সঙ্গে বেশ ভালো ও ইতিবাচক আচরণ করেন। চিকিৎসা পেয়ে খুশিও হন তারা।’