Category: এক্সক্লুসিভ

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাসেলস ভাইপার নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিলেন

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাসেলস ভাইপার নিয়ে জরুরি নির্দেশনা দিলেন

    হাসপাতালগুলোতে রাসেলস ভাইপারের এন্টিভেনম পর্যাপ্ত পরিমাণ মজুদ রাখার এবং কোন অবস্থাতেই এন্টিভেনমের স্টক খালি না থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। শনিবার দেশের সব স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

     

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে সারাদেশের সিভিল সার্জন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকসহ দেশের সমগ্র স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    এতে মন্ত্রী দেশের বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালকদের সঙ্গে সাপের দংশন ও রাসেলস ভাইপার নিয়ে কথা বলেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নেন।

    সামন্ত লাল সেন বলেন, রাসেলস ভাইপার নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি জনগণকে বলব, আপনারা আতঙ্কিত হবেন না। রাসেলস ভাইপারের যে এন্টিভেনম সেটা আমাদের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ আছে। আমি পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছি, কোন অবস্থাতেই এন্টিভেনমের ঘাটতি থাকা যাবে না।

    বৈঠকে মন্ত্রী এবিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করার জন্য প্রচার প্রচারণার উপর জোর দেন। এছাড়া বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের নিজ নিজ এলাকার সংসদ সদস্যদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করার তাগিদ দেন।

    বৈঠকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ডা. রুবেদ আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • দুদিনের রেকর্ড ৩ ঘণ্টায় ভাঙল

    দুদিনের রেকর্ড ৩ ঘণ্টায় ভাঙল

    ফিমেল ৪’র প্রিমিয়ার প্রদর্শনীর পর ধারণা করা গিয়েছিল মুক্তির পর এটি আলোচনা তৈরি করবে। শুধু আলোচনাতে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ব্যবসায়িকভাবেও মাত্র দুদিনে সাফল্যের হাতছানি দেখাচ্ছে জনপ্রিয় নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত এই কনটেন্টটি।

    ‘ফিমেল-৪’ প্রযোজনা সংস্থা মাত্র ২৪ ঘণ্টার বঙ্গ একটি হিসেবে জানিয়েছে, মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ২লাখের দর্শক ২০ টাকা করে সাবক্রাইবের মাধ্যমে দেখছেন। পেইড ওয়াচ টাইম এসেছে দেড় কোটি মিনিট। আরও চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, ১০০-এর বেশি দেশ থেকে দর্শক ‘ফিমেল ৪’ দেখছেন। সেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখছেন।

    এর আগে বঙ্গ-তে ‘অসময়’ বানিয়েছিলেন কাজল আরেফিন অমি। তিনি বলেন, ‘অসময়’ ২দিনে যে রেকর্ড করেছিল, এবার ৩ ঘণ্টায় তাই করলো ‘ফিমেল ৪’। দেশ বিদেশ থেকে ২ লাখের বেশি দর্শক শুধুমাত্র রিলিজের প্রথম ৩ ঘণ্টার। আজ দুপুর পর্যন্ত আরও ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি দেশ-বিদেশের দর্শক সাবক্রাইব করে দেখেছেন।

    ”আমার আত্মবিশ্বাস ছিল মানুষ দেখবে, তবুও রিলিজের আগেও কেন জানি নার্ভাস লাগছিল। কিন্তু বঙ্গ থেকে যখন আমাকে অল্প সময়ের রেকর্ড ব্রেক রেজাল্ট জানায়, তখন থেকে আমি রিল্যাক্স ফিল করছি। কনটেন্ট যারাই দেখছে ৮০ মিনিট বিনোদিত হচ্ছেন। আমি সবসময় এই দর্শকদের জন্য কাজ করে যেতে চাই, বিনোদিত করতে চাই।”

    ফিমেল ৪ মুক্তির আগে অযাচিত একটি বিষয় নিয়ে সমালোচনায় পড়েছিলেন অমি। অনেকে তার এই কনটেন্ট বয়কটের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু মুক্তির পরের চিত্রটি ঠিক উল্টো। অমি বলেন, আমাকে কি বলেছিল আমি আসলে ভুলে গিয়েছি। ঈদের দিন রাত দশটা পর্যন্ত টেনশনে ছিলাম। এরপর বঙ্গের সিইও ফয়েজ ভাই আমাকে প্রথম ৩ ঘণ্টার আপডেট জানালে স্বস্তি পাই। সত্যি কথা বলতে, আমি এখন সব ভুলে গিয়েছি যে কে কিভাবে আমাকে কি মন্তব্য করেছিল।

    বঙ্গের চিফ কনটেন্ট অফিসার মুশফিকুর রহমান বলেন, অল্প সময়ে হোটেল রিল্যাক্সের চেয়ে চারগুণ এবং অসময়ের চেয়ে দুই গুণ বেশি দর্শক ফিমেল ৪ দেখছে। আমরা দর্শকদের ধন্যবাদ জানাই। উৎসবের এই মৌসুমে দর্শকরা এমন পপুলার কনটেন্টকে পে করে দেখে আমাদের নতুন কাজে অনুপ্রাণিত করে যাচ্ছেন।

    এর আগে ফিমেল-এর তিন কিস্তি এসেছিল ইউটিউবে। এবার এলো ওটিটিতে। সেখানে দর্শকরা ব্যাপকভাবে সাড়া দিলেন। এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ, মারজুক রাসেল, শরাফ আহমেদ জীবন, পাভেল, শিমুল, সুমন পাটোয়ারি, শিবলু মৃধা, ইরেশ যাকের, নীলাঞ্জনা নীলা প্রমুখ।

     

  • এবারের হজ্বে মৃত্যু বেড়ে ৯০০, নিখোঁজ অনেকে

    এবারের হজ্বে মৃত্যু বেড়ে ৯০০, নিখোঁজ অনেকে

    পবিত্র হজ পালনে গিয়ে তীব্র তাপদাহে অসুস্থ হয়ে এবার এখনও পর্যন্ত ৯২২ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬০০ জনই মিশরের নাগরিক, যা এক দিন আগে ছিল ৩২৩। এখনও পর্যন্ত একক দেশ হিসেবে মৃতের সংখ্যায় সর্বোচ্চ মিশরের হজযাত্রী। খবর এএফপির।

    এ দিকে বহু হজযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে। তিউনিসিয়ার নাগরিক মোহাম্মদ জানান, তার স্ত্রী মাবরুকা বিনতে সালেম শুশানা শনিবার আরাফাত পর্বতে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষের পর থেকে নিখোঁজ। তিনি আরও বলেন, গুশানা বৃদ্ধা নারী এবং খুব গরম অনুভব করছিল। আমি সব হাসপাতালে তার খোঁজ করেছি। এখন পর্যন্ত আমার কোনো খোঁজ পাইনি।

    এদিকে প্রাথমিকভাবে নিখোঁজ হজযাত্রীর সংখ্যা ৮০ জন সৌদি আবারের হজ কর্তৃপক্ষকে তালিকা দেয় জর্ডান। এর মধ্যে ২০ জনকে খুঁজে পাওয়া গেছে বলে পরে জানায় জর্ডান।

    এশীয় এক কূটনীতিক বলেন, প্রায় ৬৮ ভারতীয় হজযাত্রী নিহত হয়েছেন। নিখোঁজের তালিকায় রয়েছে অনেকে। এ কূটনীতিক আরও বলেন, কিছু মৃত্যু প্রাকৃতিক কারণে হয়েছে। আর কিছু আবহাওয়ার কারণে।

    চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • কাবা শরীফে গিলাফের ইতিহাস

    কাবা শরীফে গিলাফের ইতিহাস

    আজ ৬ জিলহজ। কালো গিলাফে ঢাকা আল্লাহর ঘর খানায়ে কা’বা এখন মজনু হাজিরা মৌমাছির মতো আঁকড়ে রেখেছেন। কাছে কিংবা দূর থেকে এ গিলাফের দৃশ্য দেখার সৌন্দর্য অপরূপ। হাদিস শরীফে আছে, তন্ময়চিত্তে সেদিকে তাকিয়ে থাকাও সাওয়াবের কাজ। গিলাফে কা’বা আল্লাহর ঘরের প্রতি উত্তম সম্মান প্রদর্শনের উজ্জ্বল নিদর্শন।

     

    আল্লাহর ঘরকে সাজানোর ব্যাপারে এটি হচ্ছে বান্দাহর আপ্রাণ প্রচেষ্টার বাস্তব নজির। কা’বা শরীফের গিলাফের ইতিহাস খোদ কা’বা শরীফের ইতিহাস থেকেই শুরু হয়েছে। কিছুসংখ্যক ওলামার মতে, স্বয়ং হযরত ইসমাঈল (আ) নিজেই কা’বা শরীফের গিলাফ পরিয়েছিলেন। অবশ্য অন্য এক ঐতিহাসিক বর্ণনায় বলা হয় যে, ইয়েমেনের শাসক তৃতীয় তুব্বা’ কা’বা শরীফে প্রথম গিলাফ পরান।

    মক্কায় খোযাআ’ গোত্রের শাসনামলে, ইয়েমেনের শাসক ১ম তুব্বা’ সৈন্য সামন্ত নিয়ে কা’বা শরীফ ধ্বংস করতে এসে নিজেই ধ্বংস হয়। এর পর দ্বিতীয় তুব্বা’ কা’বা শরীফ ধ্বংস করতে এসে কোরাইশদের হাতে পরাজিত হয়। তারপর ৩য় তুব্বা’ যাকে ‘তুব্বা আল হোমায়রী’ও বলা হয়, সে কা’বা শরীফ ধ্বংসের উদ্দেশ্যে এবং এর ধনভা-ার আত্মসাতের জন্য অগ্রসর হয়।

    কিন্তু সে এবং তার সৈন্যরা হঠাৎ করে প্রচ- তুফানের সম্মুখীন হয় এবং অগ্রাভিযানে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তারপর তারা কঠিন রোগ- শোকে আক্রান্ত হয়। এটি ছিল আল্লাহর গজব। তার সঙ্গে যে ধর্মযাজক ছিল সে বাদশাকে ওই অভিযান বন্ধের পরামর্শ দেন এবং কা’বা শরীফকে সম্মান প্রদর্শন করা, এর তাওয়াফ করা ও নিজ মাথা মুড়ানোর উপদেশ দেয়।

    এরপর বাদশাহ ওই পরামর্শ মেনে নেন এবং মক্কায় ছয়দিন পর্যন্ত অবস্থান করে। তিনি ওই সময় খুবই সুন্দর এবং সর্বোচ্চ মানের কাপড় সংগ্রহ করে গিলাফ তৈরি করে কা’বা শরীফের গায়ে পরিয়ে দেন। এ জন্যই তুব্বা’ আল-হোমায়রীকে কা’বা শরীফে প্রথম গিলাফ পরানোকারী বলা হয়। – (মক্কা শরীফের ইতিকথা, এএনএম সিরাজুল ইসলাম)।

    জাহেলিয়াতের যুগে বহু লোক কা’বা শরীফে গিলাফ পরিয়েছেন। তারা এটাকে দীনি ওয়াজিব মনে করত। মক্কা বিজয়ের পর রাসূলুল্লাহ (স.) কা’বা শরীফে গিলাফ পরানোর কাজকে বহাল রাখলেন। একজন মহিলা কা’বা শরীফে সুঘ্রাণযুক্ত ধোঁয়া দেওয়ার সময় গিলাফে আগুন ধরে গিলাফটি পুড়ে যায়। তখন নবী করীম (স.) ইয়েমেনী কাপড় দ্বারা কা’বা শরীফের গিলাফ লাগান।
    সৌদি সরকারের শাসন শুরুর পর বাদশাহ আবদুল আজিজ আল-সউদ ১৩৪৬ হিজরির মহরম মাসে মক্কায় একটি বিশেষ গিলাফ নির্মাণ কারখানা প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেন। ওই বছরের মাঝামাঝি গিলাফ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। মক্কায় এটাই ছিল প্রথম কা’বার গিলাফ তৈরির প্রচেষ্টা। বর্তমানে খাঁটি প্রাকৃতিক সিল্ক দিয়ে কা’বার গিলাফ তৈরি করা হয়।

    সিল্ককে কাল রং দিয়ে রঙিন করা হয়। পরে এতে জাকা পদ্ধতিতে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূূলুল্লাহ, আল্লাহু জাল্লা-জালালুহু, সুবহানাল্লাহ ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আজিম- এরূপ বাণীসমূহের নক্সা আঁকা হয়। গিলাফের উচ্চতা ১৪ মিটার। এর ওপরের তৃতীয়াংশে ৯৫ সেন্টিমিটার চওড়া নির্মিত বেল্টে (বন্ধনীতে) সংযুক্ত ত্রৈ-আক্ষরিকভাবে কুরআনের আয়াত লেখা হয়।

    বন্ধনীতে ইসলামী কারুকার্য খচিত একটি ফ্রেম থাকে। বন্ধনীটি সোনার প্রলেপ দেওয়া রূপালী তারের মাধ্যমে এমব্রয়ডারি করা হয়। এই বন্ধনীটি কা’বা শরীফের চারদিকেই পরিবেষ্টিত থাকে। বন্ধনীর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ৪৭ মিটার এবং তা ১৬টি টুকরায় বিভক্ত। বন্ধনীটির নিচে প্রতি কোনায় সুরা ইখলাসকে গোলাকার চতুর্ভূজ বৃত্তের মধ্যে ইসলামী ডিজাইনের প্রতিফলন ঘটিয়ে লেখা হয়।
    বন্ধনীর নিচে পৃথক পৃথক ফ্রেমে ৬টি কুরআনের আয়াত লেখা হয়। ওইগুলোর মধ্যে ব্যবধান সৃষ্টির জন্য মাঝখানে মোমবাতির আকারে ‘ইয়া হাইয়ু-ইয়া-কাইয়ুমু’ অথবা ‘ইয়া রাহমানু-ইয়া রাহীমু’ কিংবা ‘আলহামদুলিল্লাহ হি রাব্বিল আ’লামীন’ কথাগুলো লেখা থাকে। বন্ধনীর নিচে সবগুলো লেখা সংযুক্ত ত্রি-আক্ষরিকভাবে অংকিত।

    এতে উপযুক্ত এমব্রয়ডারি করা হয় এবং এর ওপর সোনা ও রূপার চিকন তার লাগানো হয়। সৌদি শাসনামল থেকেই এ গিলাফের কারুকার্যে স্বর্ণের ব্যবহার শুরু হয়। এ ছাড়াও এতে ১১টি নক্সা করা মোমবাতির প্রতিকৃতি আছে। এগুলো কা’বার চার কোণে লাগানো আছে।
    প্রত্যেক বছর জিলহজ মাসের ৯ তারিখে কা’বা শরীফের গায়ে নতুন গিলাফ পরানো হয়। সেদিন হজের দিন। হাজিরা সব আরাফাতের ময়দানে থাকে এবং মসজিদে হারামে মুসল্লির সংখ্যা থাকে খুবই কম। বর্তমানকালে হজ উপলক্ষে এবং স্বয়ং হজের দিনই ওই গিলাফ লাগানো হয়। হাজিরা আরাফাত থেকে ফিরে এসে কা’বা শরীফের গায়ে নতুন গিলাফ দেখতে পান।

    গিলাফ নির্মাণ কারখানায় গিলাফ তৈরির পর কা’বা শরীফের গায়ে পরানোর আগে কারখানার পক্ষ থেকে তা কা’বা শরীফের চাবি রক্ষক তথা বনি শায়বা গোত্রের মনোনীত কা’বা শরীফের সেবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তার অনুমোদনক্রমে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় গিলাফ লাগানো হয়।

    হজের কয়েকদিন আগ থেকেই কা’বার গিলাফের নিচু অংশ ওপরের দিকে তুলে দেওয়া হয় এবং এতে কা’বা শরীফের দেওয়ালের বাইরের অংশ দেখা ও ধরা যায় আর ভক্তদের হাত থেকে গিলাফকে হিফাজত করা সম্ভব হয়। আল্লাহপাক আমাদের সকলকে সে হৃদয়কাড়া কালো গিলাফ স্পর্শ করে চোখ জুড়ানোর তাওফিক দিন।

     

  • মাস তিনেক না ঘুরতেই সুর পাল্টালেন ডিপজল

    মাস তিনেক না ঘুরতেই সুর পাল্টালেন ডিপজল

    প্রযোজক ও অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল এতদিন দেশের প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি সিনেমা চালানোর বিপক্ষে ছিলেন। দিয়েছিলেন আন্দোলনের ঘোষণাও। গেল এপ্রিলে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক’র দায়িত্ব নেওয়ার পরও ডিপজল জানান, হিন্দি সিনেমা আমদানি ঠেকানোর চেষ্টা করবেন তিনি।

     

    সেই সময় ডিপজল বলেছিলেন, ‘আমরা তো হিন্দি সিনেমা আমদানির পক্ষে না। হিন্দি সিনেমা যেন আমদানি না হয় সেই চেষ্টা করব। হিন্দি সংস্কৃতি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির জন্য খারাপ। হিন্দি সিনেমার আমদানি অব্যাহত থাকলে মুখ থুবড়ে পড়বে দেশীয় চলচ্চিত্র।’

    মাস তিনেক না ঘুরতেই সুর পাল্টালেন ডিপজল। অবস্থান নিলেন হিন্দি সিনেমার পক্ষে। জানালেন, হল বাঁচানোর জন্য হিন্দি সিনেমা দেশে আসলে অসুবিধা নেই। সম্প্রতি রাজধানীর নয়া পল্টনের একটি হোটেলে প্রদর্শক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ও সংগঠনের ওয়েবসাইট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব মতামত দেন ডিপজল।

    শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডিপজল বলেন, আমি সবসময় আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কথা চিন্তা করি। হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ক্ষতিকর, তবে এখন হলও বাঁচাতে হবে। তাই আপাতত সবার সঙ্গে আমিও একমত, হিন্দি সিনেমা আসুক। একইসঙ্গে আমাদেরও ভালো মানের সিনেমা নির্মাণের বিকল্প নেই।

    এক প্রশ্নের জবাবে ডিপজল বলেন, আমাদের ইন্ডাস্ট্রি বাঁচাতে সিনেপ্লেক্সসহ অন্তত ৫০০ স্ক্রিন দরকার। আমি বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। এরমধ্যে হেমায়েতপুরে মাল্টিস্টোরেড বিল্ডিং হবে সেখানে মাল্টিপ্লেক্স চালু হবে। ঈদের পরই এ কাজ শুরু হবে। এছাড়া ইতোমধ্যেই ‘পর্বত’ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে, সেখানে তিনটি স্ক্রিন হবে। দুই বছর পর ‘এশিয়া’তেও মাল্টিপ্লেক্স চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছি। সব মিলিয়ে আশা করছি, দেশে ভালো সিনেমা নির্মাণ হলে হলও দ্রুত বেড়ে যাবে।

  • দৈনন্দিন কি করলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকে

    দৈনন্দিন কি করলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকে

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে কেবল শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যও ভালো রাখাটাও প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে। শরীরের অন্যান্য অংশের মতো, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

     

    শারীরিক কার্যকলাপের গুরুত্ব: ব্যায়াম শুধু শরীরের জন্যই নয় মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী। নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ মস্তিষ্কে রক্ত ​​​​প্রবাহ বাড়ায়, নতুন নিউরনের বৃদ্ধিকে উত্সাহিত করে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। জার্নাল অফ আলঝেইমার ডিজিজে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপে যুক্ত থাকেন তাদের স্মৃতিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কম থাকে। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ব্যায়াম করুন। যেমন-হাঁটা বা সাইকেল চালানো।

    স্বাস্থ্যকর খাবার খান : আমরা যা খাই তা আমাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ফলমূল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। মাছ, অলিভ অয়েল, বাদামও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এসব খাবার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি কমায়।

    মস্তিষ্কেরও যথেষ্ট বিরতি প্রয়োজন : স্মৃতিশক্তি, সমস্যা সমাধান এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো মস্তিষ্কের ফাংশনগুলির জন্য ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময়, মস্তিষ্ক স্মৃতিকে একত্রিত করে এবং বিষাক্ত পদার্থগুলিকে পরিষ্কার করে। গবেষণা অনুসারে, প্রাপ্তবয়স্কদের ভালোভাবে কাজ করার জন্য প্রতি রাতে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। ঘুম ভালো না হলে মস্তিষ্কের বিশ্রাম হয় না। এর ফলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এজন্য ঘুমের একটি রুটিন তৈরি করুন।

    মস্তিষ্ক সচল রাখার চেষ্টা করুন : মস্তিষ্ককে সচল রাখতে নানা ধরনের কাজে মস্তিষ্ককে যুক্ত রাখুন । বিভিন্ন কার্যকলাপ যেমন- ধাঁধা মেলানো, বই পড়া, নতুন ভাষা শেখা, বাদ্যযন্ত্র বাজানো মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উদ্দীপক কার্যকলাপে নিযুক্ত থাকা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে।

    মেডিটেশন : মেডিটেশন মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উপর একটি বড় প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত এই অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে, মনের নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে। ফ্রন্টিয়ার্স ইন সাইকোলজিতে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত মেডিটেশন স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ কারণে প্রতিদিন মেডিটেশনের অভ্যাস করুন, কয়েক মিনিটের জন্য হলেও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

     

  • ১৯ জুন থেকে নতুন সূচিতে ব্যাংক লেনদেনও অফিস কার্যক্রম চলবে

    ১৯ জুন থেকে নতুন সূচিতে ব্যাংক লেনদেনও অফিস কার্যক্রম চলবে

    ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ঈদুল আজহার পর ১৯ জুন থেকে নতুন সময়সূচিতে ব্যাংকে লেনদেন ও অফিস কার্যক্রম চলবে। রোববার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন (ডিওএস) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

     

    ডিওএস পরিচালক মাসুমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সার্কুলারে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির অনুবর্তনে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত আগামী ১৯ জুন থেকে ব্যাংকগুলোতে সকাল ১০টা থেকে লেনদেন শুরু হবে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    আর অফিস কার্যক্রম শুরু হবে সকাল ১০টায়। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। তবে আগের মতোই শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

    বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হয় সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকগুলোর অফিস চলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়, সমুদ্র/স্থল/বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থিত ব্যাংকের শাখা/উপশাখা/বুথসমূহ সার্বক্ষণিক চালু রাখার বিষয়ে ২০১৯ সালের ৫ জুলাই জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নম্বর ২৪ এর নির্দেশনা বলবৎ থাকবে।

    ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এদিকে ঈদুল আজহার ছুটির পর ১৯ জুন থেকে সরকারি অফিসও নতুন সময়সূচিতে চলবে। ওইদিন থেকে আগের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    গত ৩ জুন মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের পর ৬ জুন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    এতে বলা হয়, আগামী ১৯ জুন (পবিত্র ঈদুল আজহার পরবর্তী প্রথম কর্মদিবস) থেকে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সরকার নির্ধারণ করলো।

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবে শখ ও সানন্দা’র মতবিনিময় ও গাছ বিতরণ

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবে শখ ও সানন্দা’র মতবিনিময় ও গাছ বিতরণ

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ফেসবুক গ্রুপ ‘শখ ও সানন্দা’র আয়োজনে গতকাল শনিবার সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শখ ও সানন্দা’র ফাউন্ডার অ্যাডমিন ও গ্রুপ ক্রিয়েটর মুনমুন রহমান।

     

    আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের উপদেষ্টা কবি ও সিনিয়র সাংবাদিক বজলুর রায়হান, কবি ও কলামিস্ট অধ্যক্ষ করীম রেজা, দৈনিক বাংলাদেশের আলোর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও বাংলাদেশ পর্যটন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আনজুমান আরা শিল্পী। এ সময় সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মোক্তার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল হুসাইন, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান, নির্বাহী সদস্য মনির হোসেন, সদস্য কামরুল ইসলাম পাপ্পু, সালাউদ্দিন, শখ ও সানন্দা’র সিনিয়র অ্যাডমিন মাহফুজা ইয়াসমিন কল্পনা, অ্যাডমিন আল হাসান রিয়াজ ও আতিকুর রহমানসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শখ ও সানন্দা’র পক্ষ থেকে প্রেস ক্লাব নেতাদের হাতে গাছের চারা, সম্প্রীতি স্মারক তুলে দেয়া হয়।

    ‘শখ সাহিত্য সৃজন ও ভ্রমণের বন্ধনে আমরা’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনের পক্ষ থেকে সকালে সোনারগাঁও পানাম সিটিতে বৃক্ষ রোপণ ও লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পরিদর্শন করা হয়।

  • স্মার্টফোনে গরম অনুভূত হলে কি করবেন

    স্মার্টফোনে গরম অনুভূত হলে কি করবেন

    সারাবিশ্বেই তাপদাহের প্রভাব অনুভূত। বাইরে চলাফেরায় বাড়ছে যন্ত্রের উত্তাপ। কমবেশি সবাই পকেটে স্মার্টফোন বহন করেন। কিছুটা সময় পকেটে থাকলেই স্মার্টফোনের গরম অনুভূত হয়। বাড়ে ঝুঁকি। সার্কিট গলে জটিল হতে পারে ফোনের ভেতরের যন্ত্রচক্র।

     

    উচ্চমাত্রার তাপে গরম হয়ে বিকল হতে পারে ব্যাটারি। গরমকালে স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারে প্রয়োজন কিছুটা বাড়তি যত্ন। তাই কয়েকটা বিষয়ে অবশ্যই নজর রাখতে হবে। তা না হলে ঘটতে পারে চরম অঘটন। বিপদ এড়াতে মেনে চলতে হবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

    চারদিকে বাড়ছে গরম। ঠিক এমন সময়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইসে বিশেষ খেয়াল না রাখার অর্থ ঝুঁকির হাতছানি। চারপাশে তাপমাত্রা যখন বেশি থাকে, তখন ডিজিটাল গ্যাজেটের তাপমাত্রা হয় স্পর্শকাতর। বাইরের আবহে দীর্ঘক্ষণ স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করলে বা সচল রাখলে তা খুব দ্রুতই গরম হয়ে যায়। গবেষণা বলছে, চার্জযোগ্য ডিভাইসের মধ্যে স্মার্টফোনে ঝুঁকির আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। কারণ স্মার্টফোন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সচল থাকে। সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ একে আরও বেশি বিশ্রামহীন করে। ফলে নানামুখী ঝুঁকির উৎপত্তি হয়। নিজে থেকে বাড়তি সচেতন না হলে ঘটতে পারে বিপত্তি। বাড়তি গরমে ফেটে যেতে পারে ব্যাটারি। তাই স্মার্টফোন গরমের বিষয়ে সব সময় যত্নশীল হওয়া জরুরি।

    ডিভাইস গরমে কী করবেন

    সারাদিনে বেশিক্ষণ বা অযথা ফোন চার্জে রাখবেন না। প্রতিটি ব্র্যান্ড ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে তা কতক্ষণ চার্জে দিতে হয়। তাই হ্যান্ডসেট বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময় দুই থেকে চার ঘণ্টার বেশি চার্জ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। চার্জ দিয়ে ফোনে কথা বলবেন না। চারদিকে এখন তাপমাত্রা এমনিতেই উতপ্ত। চার্জে থাকা অবস্থায় ডিভাইস এমনিতেই গরম হয়। ওই সময়ে যদি ফোনে কথা বলা হয়, তাতে ব্যাটারির ওপর নিশ্চিতভাবেই বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়।
    ভুলে কাজের ব্যস্ততায় রোদের স্পর্শে ফোনকে না রাখাই শ্রেয়। কিংবা এমন কোথাও আছেন, যেখানে রোদ, হয়তো ভুলে হাতের মধ্যে ফোনটা রেখে দিলেন। এমন পরিস্থিতি থেকেও সচেতন থাকতে হবে। স্মার্ট ডিভাইসে ব্যবহৃত লিথিয়াম ব্যাটারি রোদের স্পর্শে বাড়তি উত্তপ্ত ছড়ায়।

    ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন মনে হলে দ্রুতই এর পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। অবহেলা করা যাবে না কোনোভাবেই। যথাযথ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়ে তখন দ্রুত ব্যাটারি বদলে নিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, ফোনের পেছনে কিছু অংশে তরলসদৃশ (ফ্লুইড) কিছু পদার্থ বেরিয়ে আসে। সচেতন হয়ে দেরি না করে ডিভাইসের পরীক্ষা-নিরীক্ষা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করবেন।
    টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাহলে বহু সমস্যা থেকে ভোগান্তি না বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি। ডিভাইস পুরোপুরি বন্ধ করে বা ইন্টারনেট সংযোগমুক্ত করে বিশ্রাম দিতে হবে।

    গরম ডিভাইস দ্রুত ঠান্ডা আবহে নিতে হবে। উল্লিখিত পরামর্শ মেনে চললে গরমে ডিভাইস ঝুঁকি অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

  • অভিনেত্রী ইসলামের প্রতি অনুরাগী হয়ে শোবিজ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন

    অভিনেত্রী ইসলামের প্রতি অনুরাগী হয়ে শোবিজ ছাড়ার ঘোষণা দিলেন

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিনেমা জগতের অনকে নায়ক-নায়িকা ইসলামের প্রতি অনুরাগী হয়ে শোবিজ ছেড়ে দিয়েছেন। তারা নতুন জীবন শুরু করেন। এবং সুখিও হয়েছে। অনেকে আবার শোবিজ ছেড়ে বিয়ে করে সংসারি হয়েছেন। এবার পাকিস্তানি এক অভিনেত্রী ইসলামের প্রতি ভালোবাসা থেকে অভিনয় ছেড়ে দিলেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন বাকী জীবন ইসলামী ধারায় কাটাবেন।

     

    জানা যায়, জিও এন্টারটেইনমেন্ট’র জনপ্রিয় ড্রামা সিরিয়াল ‘বেচারি কুদসিয়া’তে আনায়া এবং ‘মেরে হাম নশীনে’ ডা: আইমা শাহরিয়ার চরিত্রে অভিনয় করা জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী মোমাল খালিদ উসমান ইসলামের প্রতি অনুরাগী হয়ে শোবিজ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সম্প্রতি ডেইলি জংগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। উর্দু সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে এ ঘোষণা দেন এই অভিনেত্রী।

    একইসাথে ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা তার নতুন ছবিগুলোতে তাকে হিজাব পরিহিত দেখা গেছে। এমনই একটি ছবির পোস্টে কমেন্ট করে একজন জিজ্ঞেস করেছেন- আপনি কি আর দ্বিতীয়বার নাটকে ফিরবেন? তার প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, এখন থেকে আমি আর নাটকে কাজ করব না। ২৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী ২০০৮ সালে জিও টিভির ড্রামা সিরিয়াল ‘সেলফিশ’ দিয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন।

    জানা গেছে, ২০১৫ সালে অভিনেত্রী মোমাল খালিদ গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হন। তখন তার বাগদত্তা শাহজেব নিহত হন।

    অভিনেত্রী তার বাগদত্তের সাথে ভ্রমণ করছিলেন, ঘটনাক্রমে তার গাড়িটি অন্য একটি গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনাটি এতটাই মারাত্মক ছিলো যে, গাড়ি চালাতে থাকা তার বাগদত্তা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে ২০১৭ সালে অভিনেত্রী মোমাল খালিদ উসমান প্যাটেল নামের এক যুবকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে আছে।