Category: শিল্প ও সাহিত্য

  • লিগ্যাল নোটিশ পেলো সঙ্গীতশিল্পী আলী হাসান

    লিগ্যাল নোটিশ পেলো সঙ্গীতশিল্পী আলী হাসান

    নানা-নাতি গানের “বর্তমানের কোর্টে বিচার চলে নোটে “ গানের লাইনটি আদালত অবমাননাকর হওয়াই সঙ্গীতশিল্পী – আলী হাসানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে ।

     

    আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ই-জুন ২০২৪ ইং রবিবার একটি ইউটিউব চ্যানেলে সঙ্গীত শিল্পী আলী হাসান ও মারজুক রাসেলের একটি গানের ১ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর গানের যে লাইনটি ” বর্তমানের কোর্টে বিচার চলে নোটে “ গানের এ লাইনটিতে আদালত অবমাননা করার শামিল হয় , এবং দেশের বিচার ব্যবস্থা ও আদালতের প্রতি সাধারন মানুষের ভুল ধারনা বা ভ্রান্ত ধারনা উদ্ভব হইয়াছে ।

    ১৯ -০৬-২০২৪ ইং তারিখে সঙ্গীত শিল্পী আলী হাসান গ্রাম-পাগলা-ডাকঘর –চিতাশাল-১৪২১-থানা ফতুল্লা-জেলা নারায়নগন্জ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় ।

    উল্লেখিত নোটিশে বলা হয়েছে আগামী ১৫ দিনের মধ্য উক্ত গানের লাইনটি বাদ পূর্বক অনলাইন লাইভে এসে সাধারন মানুষের কাছে ক্ষমা প্রার্থ্না করে ভুল স্বীকার করবেন ।

    তাহলে না হলে বাংলাদেশের আইনে , তাহার বিরুদ্ধে আদালতে মোকাদ্দমা রজু করতে বাধ্য হবো

    এ বিষয়ে লিগ্যাল নোটিশ কারী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট ফাহিম হাসনাঈন জজ কোর্ট শেরপুর । তাহার সাথে কথা হলে তিনি বলেন “সঙ্গীত শিল্পী আলী হাসান গানের” বর্তমানের কোর্টে বিচার চলে নোটে “ লাইনটিতে দেশের বিচার ব্যবস্থা অত্যান্ত অবমাননা কর এবং আইনের প্রতি সাধারন মানুষ আস্থা হারানোর সম্ভবনা রয়েছে ।

    শেরপুর জেলা জজ আদালতের বিভিন্ন আইনজীবীদের সাথে কথা বলে জানাযায় “সঙ্গীত শিল্পী আলী হাসান গানের” বর্তমানের কোর্টে বিচার চলে নোটে “ গানের কথাগুলিতে আদালতের বিচার ব্যবস্থা কে অবমাননা কর মনে হয়েছে এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্য উক্ত গানের লাইনটি বাদ পূর্বক অনলাইন লাইভে এসে সাধারন মানুষের কাছে ক্ষমা প্রার্থ্না করে ভুল স্বীকার করবেন । অন্যথায় তাহার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা রজু করা হবে ।

     

  • সোনারগাঁওয়ে শিল্পাচার্য জয়নুলের মৃত্যুবার্ষিকী ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

    সোনারগাঁওয়ে শিল্পাচার্য জয়নুলের মৃত্যুবার্ষিকী ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এসময় লোকজ কারুশিল্পের ভুবন-ঐতিহ্যের গৌরব ও সময়ের সংকট শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের বড়সর্দার বাড়ি ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

     

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. আমিনুর রহমান সুলতান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ-আল-কায়সার ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ।

    সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধপাঠ করেন কারুশিল্প অনুরাগী ও পরিচালনা বোর্ডের সদস্য চন্দ্র শেখর সাহা ।

    এর আগে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ফাউন্ডেশন চত্বরে ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের উন্মুক্ত প্রদর্শনীর ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেন।

  • পদ্মশ্রী গ্রহণ করে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অনেক উচ্ছ্বসিত ও অনুপ্রাণিত

    পদ্মশ্রী গ্রহণ করে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অনেক উচ্ছ্বসিত ও অনুপ্রাণিত

    উপমহাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক ‘পদ্মশ্রী’ পদক গ্রহণ করেছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেন তিনি। রবীন্দ্রসংগীতের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা দিয়েছে ভারত সরকার। এদিন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানেঅনেক ভিড়ের মধ্যে যখন নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার দেখা হয়, তখন নরেন্দ্র মোদি তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘আপ ক্যায়সে হ্যায়?’ [আপনি কেমন আছেন?]। এ সময় তাদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়। পরে ভারতের প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নিয়ে পৃথক পোস্ট করা হয়। বাংলাদেশে রবীন্দ্রসংগীতে নিবেদিতপ্রাণ উল্লেখ করে শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।

    সেই সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মদিনে বন্যার কণ্ঠে গাওয়া ভজন‘বৈষ্ণব জন তো তেনে কাহিয়ে’র কথাও স্মরণ করা হয় পোস্টে। এদিকে পদ্মশ্রী পদক পেয়ে উচ্ছ্বসিত বন্যা। পুরস্কার পেয়ে বন্যা বলেন, ‘যে কোনো প্রাপ্তি আনন্দের। পদ্মশ্রীর মতো পুরস্কার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমি খুবই রোমাঞ্চিত, আনন্দিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে পুরস্কারটি আমার কাছে ভীষণ গর্বের। শুধু রবীন্দ্রসংগীত নয়; আমাকে সংগীতের জন্য দেওয়া হয়েছে এই পুরস্কার। আমার জন্য ভালো লাগার ব্যাপার যেমন, তেমনি অন্যরাও ভীষণ অনুপ্রাণিত হবে। বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে এখন দারুণ সব কাজ হচ্ছে। নতুন নতুন ছেলেমেয়েরা আসছে গানের জগতে।’

    বন্যা আরও বলেন, ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ থেকে অনেকেই ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দেশের অনেক লোক এখানে বসবাস করেন। তাদের অনেকেই অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এ ভালোবাসা ভোলার নয়। মনটা আনন্দে ভরে গেছে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর পাঁচ গুণী ব্যক্তিকে পদ্মবিভূষণ, ১৭ জনকে পদ্মভূষণ ও ১১০ জনকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে ভারত সরকার। যার মধ্যে ছিলেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

    এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। তারও আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। আর ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী। শুধু পদ্মশ্রী নয়; ভারতের আরও কিছু পদক উঠেছে বন্যার ঝুলিতে। পেয়েছেন ‘বঙ্গভূষণ’ও। কলকাতার নজরুল মঞ্চেতাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি বিভাগ থেকে ২০১৩ সালে পেয়েছেন ‘সংগীত সম্মান পুরস্কার’।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুর জেলায়। বন্যা প্রথমে ছায়ানট, পরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষা ও পড়াশোনা করেছেন। পড়েছেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতেও।রবীন্দ্রসংগীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তনের ওপর শিক্ষা লাভ করেছেন।রবীন্দ্রসংগীত প্রচার ও প্রসারে ১৯৯২ সালে সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারা’ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্য বিভাগের অধ্যাপক ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন। তিনি শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্রসংগীতের তালিম নেন।

    শিক্ষাগুরু হিসেবে পেয়েছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন, শৈলজারঞ্জন মজুমদার, শান্তিদেব ঘোষ, গোরা সর্বাধিকারী, মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায়, অশেষ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান তিনি। এ ছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক, সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, আনন্দ সংগীত পুরস্কারসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গুণী এ কণ্ঠশিল্পী।

     

  • হিলিতে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপি পণ্য প্রদর্শর্নী ও পিঠা উৎসব

    হিলিতে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপি পণ্য প্রদর্শর্নী ও পিঠা উৎসব

    মোকছেদুল মমিন মোয়াজ্জেম, হিলি (দিনাজপুর) : নিজ হাতের তৈরি বাহারি স্বাদের পিঠা,রকমের তৈরি পোষাক নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো দিনাজপুরের হিলিতে দিন ব্যাপি নারী উদ্যোক্তাদের পিঠা উৎসব ও পণ্য প্রদর্শনী। ঘরে ঘরে নারী উদ্যোক্তা তৈরী করতেই এমন মেলার আয়োজন করেছেন বলে জানান আয়োজকরা।

    শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উইমেনস এন্ড ই কমার্স ট্রাস্ট দিনাজপুরের আয়োজনে হাকিমপুর সরকারী ডিগ্রি কলেজ মাঠে এর আয়োজন করা হয়। এরপর দুপুর ১২ টায় এর উদ্বোধন করেন হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও অমিত রায়। এসময় সেখানে হাকিমপুর থানা ওসি (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত আলী, উইমেনস এন্ড ই-কমার্স ট্রাস্টে দিনাজপুরের কো-অর্ডিনেটর রেহেনা খাতুন রত্নাসহ হাকিমপুর, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ ও ফুলবাড়ীর নারী উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন। মেলায় ১৯ টি স্টল অংশ গ্রহন করেন।

    মেলায় কেউ নিয়ে এসেছেন নিজ হাতের তৈরি বিভিন্ন রকমের ও বাহারি স্বাদের শীতকালীন পিঠা, কেউবা নিয়ে এসেছেন হাতের তৈরি বিভিন্ন রকমের তৈরী পোষাক। নারী উদোক্তাদের অংশ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে কলেজ প্রাঙ্গনে মিলন মেলায় পরিণত হয়। অংশগ্রহণ করতে পেরে খুশি সংশ্লিষ্টরা।

    দিনাজপুর কো-অর্ডিনেটর ইউমেনস ও ই-কমার্স ট্রাস্ট এর মোছাঃ রেহেনা খাতুন রত্না বলেন, ঘরে ঘরে নারী উদ্যোক্তা তৈরি করার জন্য আজকেই এই আয়োজনা করা হয়েছে। আজকে আমরা হাকিমপুর উপজেলা দিয়ে শুরু করেছি। নারী যেন বসে না থাকে সবাই যেন এই কাজ করে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যায় সেই লক্ষে আমরা জেলার ১৩টি উপজেলার প্রত্যকেটি গ্রামে গ্রামে যাবো।

    আর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্জলের ঘরে ঘরে নারী উদ্যোক্তা তৈরি হোক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা পর্যাক্রমে জেলার দক্ষিণ দিনাজপুর অঞ্চলের বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও ফুলবাড়ীতে এমন আয়োজন করবো।

    হাকিমপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার অমিত রায় বলেন, এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। নারীর ক্ষমতায়নে এমন উদ্যোগে সবধরণের সহয়োগীতা উপজেলা প্রশাসন থেকে করা হবে।

  • নতুন পেশা হিসেবে ব্যবসাজেই বেছে নিলেন পরীমণি

    নতুন পেশা হিসেবে ব্যবসাজেই বেছে নিলেন পরীমণি

    শোবিজের অনেকেই যুক্ত আছেন ব্যবসার সঙ্গে। এবার পরীমণিও হাঁটলেন সেই পথে। নতুন পেশা হিসেবে ব্যবসাজেই বেছে নিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে পরী নিজেই নিশ্চিত করেছেন খবরটি।

    তিনি বলেন, আসলে অনেক আগে থেকেই আমার ব্যবসা করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু কি কিসের বিজনেস শুরু করবো তাই ভাবছিলাম। অবশেষে অনেক ভেবে আর সবদিক বিবেচনা করে প্রসাধনীর পণ্যের ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ঢুকলেই অনেকেই দেখি অনেক ব্যবসা করছে। সেগুলোর মাঝে মেয়েদের প্রসাধনীর পণ্যের ব্যবসা বেশ তুঙ্গে। অনেকেই বেশ ভালো পণ্য বিক্রি করছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় একটু কম দামে অনেকেই ব্যান্ডের পণ্য অনলাইন থেকে ক্রয় করছে। সেক্ষেত্রে দেখা যায় তারা আসলে প্রতারিত হচ্ছে। কেননা ব্যান্ডের পণ্য বলে বিক্রি হচ্ছে ক্লোন পণ্য। যা আসলে আমাদের স্কিনের জন্য বেশ ক্ষতিকর। আর তাই স্কিন ভালো রাখতে অরজিনাল ব্যান্ডের পণ্য নিয়ে বাজারে আসছি।

    ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পেয়েছে পরীমণি অভিনীত শর্ট ফিল্ম ‘বুকিং’। এটি পরিচালনবা করেছেন মিজানুর রহমান আরিয়ান। এতে পরীর বিপরীতে ছিলেন এবিএম সুমন।

    এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে পরীমণির ‘ডোডোর গল্প’ সিনেমাটি। এতে তার বিপরীতে আছেন সাইমন সাদিক। এর পরিচালক রেজা ঘটক। এছাড়া একাধিক ছবির কাজ রয়েছে তার হাতে।

     

  • আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব

    আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব

    ইকবাল হোসাইন রুদ্র : পিঠা উৎসব আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শীত এলেই ঘরে ঘরে শুরু হতো পিঠা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া আর নগরায়নের ফলে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী রকমারি পিঠা। বাঙালির এই পিঠা উৎসবের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে রাজধানীর আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে বনার্ঢ্য পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন।

    অনুষ্ঠানে হরেক রকমের পিঠার পসরা নিয়ে বিভিন্ন স্টল সাজান কলেজের শিক্ষার্থীরা। স্টলগুলোতে পুলি পিঠা, চিতাই পিঠা, ভাপা পিঠা, জামাই পিঠা, নকশি পিঠা, পাটিসাপটা, দুধ চিতই, গোলাপ পিঠা, ঝাল পিঠা, পদ্ম সেমাইসহ নাম না জানা অসংখ্য পিঠাপুলির আয়োজন ছিল।

    সকাল ১০ টায় ফিতা কেটে পিঠা উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন, আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. আফিকুর রহমান, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলামসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

    পিঠা উৎসবে বিভিন্ন ধরনের গ্রামীন পিঠা-পুলির পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভুটানসহ কয়েকটি দেশের পিঠা স্থান পায় স্টলগুলোতে। অতিথিরা প্রতিটি স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং পিঠার স্বাদ উপভোগ করেন।

    অনুষ্ঠানে আসা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, পিঠা শুধু খাবার নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ুক সবার প্রাণে।

    আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, পিঠা উৎসব বাঙ্গালীদের হাজার বছরের সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ গ্রামের পিঠা-পুলির আমেজকে ফুটিয়ে তুলতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। এই উৎসবের কারণে আমরা আমাদের গ্রামের সেই পিঠা-পুলির ঘ্রাণ নিতে পারছি-স্বাদ নিতে পারছি।

    আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান বলেন, শীত এলেই গ্রামে পিঠা-পুলির ধুম লেগে যেত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে তা খুব একটা দেখা মেলেনা। পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অঞ্চলের পিঠা-পুলি সম্পর্কে জানতে পারে। একইসাথে তাদের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন আরো সুদৃঢ় হয়।

    পিঠা উৎসবে আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও ফাতেমা নার্সিং কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বড় পরিবর্তন দিয়ে শিক্ষাবর্ষের যাত্রা শুরু

    বড় পরিবর্তন দিয়ে শিক্ষাবর্ষের যাত্রা শুরু

    বছরের প্রথম দিনটি আনন্দেই কেটেছে শিশুদের। খালি হাতে স্কুলে এসে নতুন মলাটের বই পাওয়া কতটা আনন্দের, তা শিশুদের হাসিমুখ দেখলে প্রমাণ মেলে। সারিবদ্ধভাবে স্কুলে এসে শিক্ষকদের কাছ থেকে বই নিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, এই দিনের জন্য তারা বার্ষিক পরীক্ষার পর থেকেই অপেক্ষা করছিল।

    অন্যদিকে চলতি শিক্ষাবর্ষে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিন শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হয়েছে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে। চলতি শিক্ষাবর্ষে যে চারটি শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হলো তার মধ্যে নবম শ্রেণিও রয়েছে, যে শ্রেণিতে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার।

    এর আগে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সবাই অভিন্ন বিষয় পড়ত। আর নবম শ্রেণিতে গিয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা নামে আলাদা বিভাগে পড়তে হতো। নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক আর বাণিজ্য নামে পৃথক কোনো বিভাগ বিভাজন নেই। নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী নতুন নিয়মে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে ১০টি অভিন্ন বিষয় পড়তে হবে।

    বিভাগ বিভাজন তুলে দেওয়া নিয়ে নানা মত থাকলেও সরকার সেই সব মত বিবেচনায় নেয়নি। ২০০৫ সালেও এভাবে বিভাগ বিভাজন তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। কিন্তু হাতে গোনা দু-একজন শিক্ষাবিদের আপত্তির কারণে সরকার ঐ উদ্যোগ থেকে সরে এসেছিল।

    বই উত্সব: গতকাল দেশব্যাপী আনন্দ উৎসবের মধ্যেই নতুন বই বিতরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। কোথাও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আবার কোথাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। এর বাইরে স্কুলগুলো নিজ উদ্যোগে উৎসবের আয়োজনে বই বিতরণ করে। কোথাও শ্রেণিকক্ষে আবার কোথাও স্কুলের মাঠে প্যান্ডেল টানিয়ে বই বিতরণ করতে দেখা গেছে।

    মাধ্যমিক স্তরে বই বিতরণের জন্য কেন্দ্রীয় কোনো আয়োজন না থাকলেও প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণের জন্য ছিল এমন আয়োজন। মাধ্যমিক স্তরের বই বিতরণে শিক্ষামন্ত্রীকে প্রধান অতিথি করে কুমিল্লার স্কুলে কেন্দ্রীয় বই বিতরণ উৎসবের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে এমন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন আপত্তি জানিয়েছিল।

    গতকাল সকালে প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি রাজধানীর মিরপুরের ন্যাশনাল (সকাল-বিকাল) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধান অতিথি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন বই শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নতুন বছরের উপহার। নতুন বই শিশুকে উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করে। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ শিশুকে বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে। বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠা শিশুর মনোজগতে বিস্ময় তৈরি করে। শিশুমনের এই আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহে বই বিতরণের সূচনা। সময়ের পরিক্রমায় এটি এখন বই উত্সবে পরিণত হয়েছে।

    বর্তমান সরকার ২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাক্রম অনুসরণে সব ক্যাটাগরির বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন পাঠ্যবই প্রদান করে আসছে। শিশুদের মধ্যে পাঠ্যবই আকর্ষণীয় করার জন্য ২০১২ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যবই হোয়াইট পেপার, কভার পৃষ্ঠা, হিট থার্মাল পারফেক্ট বাইন্ডিংসহ চার রঙের পাঠ্যবই মুদ্রণ করা হচ্ছে। ২০১৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরিমার্জিত কারিকুলাম অনুযায়ী প্রাথমিক স্তরর পাঠ্যবই মুদ্রণ করা হচ্ছে।

    চলতি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৭ হাজার ৬৩০ জন। আর বই ছাপা হচ্ছে মোট ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি। প্রথম, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপানো হয়েছে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩ হাজার ৪২৩ কপি বই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৬ লাখ ১ হাজার ২৭৪টি। প্রাক প্রাথমিকের জন্য ৬১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৮ কপি বই ছাপা হয়েছে।

    ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৮ কপি, সপ্তম শ্রেণির ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৭ হাজার কপি, অষ্টম শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৭১ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৩ কপি বই ছাপা হচ্ছে।

    গতকাল প্রাথমিকের সব শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সব বই পেলেও অষ্টম ও নবম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী সব বই পায়নি। এই বইগুলো এখনো ছাপা হচ্ছে। চলতি মাসের মধ্যেই সব বই পাবে বলে জানিয়েছেন প্রেসের মালিকেরা।

  • জাবি ভর্তি পরীক্ষায় ‘সেকেন্ড টাইম’ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল

    জাবি ভর্তি পরীক্ষায় ‘সেকেন্ড টাইম’ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ করেছে। ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে আবেদন করতে পারবেন।

    সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলমের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২২-২৯ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ২২, ২৫, ২৭, ২৮ ও ২৯ তারিখে ভিন্ন ভিন্ন ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

    তিনি বলেন, ১৪ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আগের বছরের মতো এ বছরও সেকেন্ড টাইমারদের জন্য বহাল থাকছে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ।