Category: ফিচার

  • আইএমএফ রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা কমালো

    আইএমএফ রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা কমালো

    চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ২০.১০ বিলিয়ন থেকে কমিয়ে ১৪.৭৬৯ বিলিয়ন ডলার করতে সম্মত হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এর ফলে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ পেতে বাংলাদেশের আর কোনো বাঁধা থাকলো না। ঋণের তৃতীয় কিস্তিতে ১.১৫২ বিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ। আইএমএফের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, বর্তমানে প্রকৃত রিজার্ভ আছে ১৫ বিলিয়ন ডলার। ফলে আইএমএফের নতুর লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দেশে রিজার্ভ কিছুটা বেশি আছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ কীভাবে তার রিজার্ভ বাড়াবে সে বিষয়ে একটি পরিকল্পনা দিয়েছে আইএমএফ।

    সূত্র জানায়, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা ১৪.৮৮৫ বিলিয়ন ডলার এবং ডিসেম্বর শেষে এ লক্ষ্যমাত্রা ১৫.৩০০ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৫ সালের মার্চ শেষে ১৬.৬০১ বিলিয়ন ডলার এবং জুন শেষে তা ১৯.৪৪০ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এদিকে বাংলাদেশ আইএমএফ ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত দাতা সংস্থাটির ডেভেলপমেন্ট মাইক্রোইকোমিক্স ডিভিশনের প্রধান ক্রিস পাপাগেওর্জিউ। বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

    আইএমএফ প্রতিনিধিদল জানায়, বাংলাদেশের ঋণের পরবর্তী কিস্তি পেতে কোনো সমস্যা হবে না। ঋণদাতা তাদের বোর্ড মিটিংয়ের পর তৃতীয় কিস্তি ছাড় করবে। এরই মধ্যে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর উপায় নিয়ে কাজ করবে সরকার।

    ক্রিস পাপাগেওর্জিউ বলেছেন, আইএমএফের তৃতীয় কিস্তির ঋণ পেতে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল।

    এখন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাতা সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।
    আইএমএফ প্রতিনিধিদল প্রধান বলেন, আইএমএফ-সমর্থিত কর্মসূচির আওতায় গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত সংস্কার করেছে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে পেট্রোলিয়াম পণ্যের জন্য ফর্মুলাভিত্তিক জ্বালানি মূল্য সমন্বয় নীতি তারা বাস্তবায়ন করেছেন। মূল্যস্ফীতিসহ নানা সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বিনিময় হার পুনর্বিন্যাসে বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে আইএমএফ।

    আমরা অনুমান করছি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯.৪ শতাংশ হবে। তবে কঠোর নীতির মিশ্রণ এবং বৈদেশিক খাদ্য ও দ্রব্যমূল্য কমার কারণে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমে ৭.২ শতাংশ হবে।

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার অংশ হিসেবে আইএমএফ গত বছরের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। ঋণ অনুমোদনের পরপরই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেয়ার কথা রয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন দেয় আইএমএফের বোর্ড।

     

  • জানলে অবাক হবেন বৃষ্টির সময় কই মাছ মাটিতে উঠে আসে কেন?

    জানলে অবাক হবেন বৃষ্টির সময় কই মাছ মাটিতে উঠে আসে কেন?

    বর্ষাকালে অর্থাৎ আষাঢ়-শ্রাবণের সময় অনেকেই হয়তো একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন যে, যখন প্রচন্ড বৃষ্টি বা বজ্রপাত হয়, তখন আশেপাশের পুকুর, খাল-বিল থেকে কই মাছ মাটিতে উঠে আসে।

    জীবন্ত কই মাছ মাটির ওপর লাফালাফি করে। এই ঘটনাকে গ্রামের মানুষ বলে ‘মাছ উজানো’। উজান হলো স্রোতের বিপরীত দিকে যাওয়া। কেন এমন হয়? নিশ্চয়ই প্রশ্নটা আপনার মনেও এসেছে। ইন্টারনেট কিংবা খুব বেশি বইতে এই বিষয়ে তেমন কোনো তথ্য নেই। এই বিষয়ে জানতে হলে প্রথমে ট্যাক্সিস সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

    ট্যাক্সিস একটা টার্ম; যার অর্থ প্রাণীর দিকমুখিতা। সহজভাবে বললে, বিভিন্ন পরিবেশে (যেমন তাপ, চাপ, আলো, শব্দ) প্রাণীর ছুটে চলা। যখন বিভিন্ন পরিবেশের দিকে প্রাণী ছুটে চলে, তখন তাকে পজেটিভ ট্যাক্সিস বলা হয়। কই মাছের ট্যাক্সিস হলো পজিটিভ ট্যাক্সিস।

    কোনো প্রাণী স্রোতের দিকে চললে তাকে রিওট্যাক্সিস বলে। যা এক প্রকার পজিটিভ ট্যাক্সিস। বৃষ্টি হলে পুকুর বা নদীতে পানি বেড়ে যায়। তখন স্রোতের দিকে কই মাছ চলতে শুরু করে; বিষয়টিকে অনেকেই নতুন পানিতে যাওয়া বলে থাকেন। আর কই মাছের পাখনা বেশ শক্ত. তাই তারা মাটির উপরেও নড়াচড়া করতে পারে।

    আরেকটি কারণও আছে অবশ্য। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হলে পুকুর বা জলাশয়ের পানিতে অক্সিজেন এবং খাবারের ঘাটতি তৈরি হয়। কই মাছ বৃষ্টির পানি পাওয়ায় সে অক্সিজেন ও খাবারের জন্য স্রোতের সঙ্গে রিওট্যাক্সিসে সাড়া দেয়। শুধু কই-ই নয়; শিং, মাগুর, গুতুম মাছও বৃষ্টির সময় স্রোতের দিকে এবং পুকুর পাড়ে উঠে আসে।

     

  • একি কান্ড দেরিতে স্কুলে আসায় শিক্ষিকাকে মারধর অধ্যক্ষের !

    একি কান্ড দেরিতে স্কুলে আসায় শিক্ষিকাকে মারধর অধ্যক্ষের !

    ভারতের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মারধর করেছেন একই স্কুলের এক শিক্ষিকাকে। প্রতিষ্ঠানে দেরিতে আসার অভিযোগে ওই শিক্ষিকাকে মারধর করেন প্রধান শিক্ষিকা। ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

    ভারতের আগ্রার সেগানা গ্রামের একটি প্রাক-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে।

    স্কুলের অধ্যক্ষাকে শুধু শিক্ষিকা গুঞ্জন চৌধুরীকে লাঞ্ছিত করতেই দেখা যায়নি, তার জামাকাপড়ও টেনে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ তোলা হয় গুঞ্জন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। ভিডিওতে দেখা যায়, অধ্যক্ষার হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করছিলেন ওই শিক্ষিকা; কিন্তু প্রধান শিক্ষিকা তার জামা টেনে ধরে রেখেছিলেন। মারধরের সময় প্রধান শিক্ষিকার ড্রাইভারও এগিয়ে আসেন এবং তাদের আলাদা কারার চেষ্টা করেন। কিন্তু ড্রাইভারও ওই শিক্ষিকার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন।

    মারামারির সময় পেছন থেকে কেউ বলে ওঠেন, ‘ঘটনা ভিডিও করা হচ্ছে। ম্যাডাম আপনি অভদ্র আচরণ করছেন। এই আচরণ কি আপনার জন্য শোভনীয়?’ মারধরের সময় ওই শিক্ষিকা আহত হয়েছেন বলে ক্যামেরার সামনে দাবি করেন তার অন্য এক সহকর্মী।

    অনলাইন ডেস্ক

  • বলিউডে গানের অভিষেক হচ্ছে আসিফ আকবরের

    বলিউডে গানের অভিষেক হচ্ছে আসিফ আকবরের

    দেশের পুরুষ কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে জেমসের পর বলিউড ছবির গানে অভিষেক ঘটেছে ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’খ্যাত গায়ক আসিফ আকবরের। বৃহস্পতিবার (২ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি নিজেই এ কথা জানান।

    ফেসবুক পোস্টে আসিফ আকবর লিখেন, ‘মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার অভিষেক ঘটেছে। প্রিয় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি। ভালোবাসা অবিরাম।’

    এর দুদিন আগে তিনি তার ফেসবুকে লিখেন, ‘আজকে রেকর্ডিং ছিল বিখ্যাত যশরাজ স্টুডিওতে। এ আর রেহমান স্যারের স্টুডিও দেখে এবং সেখানে কাজ করার সুযোগ পেয়ে মন ভালো হয়ে যায়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘যশরাজ স্টুডিওতে কাজ করে মনে হচ্ছিল—সমুদ্রের মধ্যে আমি সামান্য ডিঙ্গি নৌকার মতো ভেসে আছি। এই ঘোর কাটতে সময় লাগবে।’

    জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান আসিফ আকবর। এর আগে ২৪ এপ্রিল লেবানন থেকে একটি গানের শো করে দেশে ফেরেন বাংলা গানের যুবরাজ’খ্যাত এই গায়ক।

    এর আগে নগর বাউল’খ্যাত গায়ক জেমস ‌দরদভরা কণ্ঠে ‘ভিগি ভিগি’, ‘আলবিদা’ ও ‘চাল চালে’ গান গেয়ে বলিউড কাঁপিয়েছেন। এবার সেই কণ্ঠের তালিকায় যোগ হলেন আসিফ আকবর।

     

  • সাকিব কেন ফোন ফেলে দিল জায়েদ খানের

    সাকিব কেন ফোন ফেলে দিল জায়েদ খানের

    বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। সুইমিংপুলের পাশে দাঁড়িয়ে সম্ভবত ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন তিনি। তাঁর ঠিক পাশেই দাঁড়ানো চিত্রনায়ক জায়েদ খান। হঠাৎ দেখা যায়, সাকিব তাঁর হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি সুইমিংপুলের পানিতে ছুঁড়ে ফেলেন। তারপর বিরক্তি নিয়ে হেঁটে চলে যান।

    জনকণ্ঠের ডিজিটালে প্রচার হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, জায়েদ খানের সঙ্গে সেলফি তুলছেন সাকিব। এরপর মুখে বিরক্তির ছাপ ফুটিয়ে তুলে মুঠোফোন ছুড়ে মারেন সুইমিং পুলের পানিতে। এরপর হেঁটে যান সামনের দিকে।

    কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাকিবের এমন আচরণে হতভম্ব জায়েদ খান। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। জনকণ্ঠের এই ভিডিওটি এখন পর্যন্ত ভিউ হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ। কমেন্টে করেছে শতশত।

    ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সাকিবের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি হঠাৎ যখন তিনি পানিতে ছুঁড়ে ফেলেন। তখন একেবারে হতভম্ব হয়ে যান জায়েদ খান। ভিডিওটি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে ছুঁড়ে ফেলা ফোনটি জায়েদ খানের।

    এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন জায়েদ। নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, নাম্বার ওয়ান বলেই কি ফোন ফেলে দেবে? শিগগিরই সব জানাবো, তারপর আপনারাই বিচার কইরেন।

    আরও ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সে কারণেই হয়তো জায়েদ খানের ওপর চটেছেন সাকিব আল হাসান। অবশেষে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে হাতে থাকা ফোনটি পানিতে ছুঁড়ে মারেন।

    ভিডিওটি ঠিক কোন জায়গায় ধারণ করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে ভিডিওটির বিশ্লেষণে অনুমান করা যায়, সেটি কোনো রিসোর্ট কিংবা হোটেলের সুইমিংপুল হতে পারে। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে, ব্যক্তিগত কাজে গিয়ে সেখানে সাকিবের সঙ্গে জায়েদ খানের দেখা হয়। তখন একে ওপরের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের মাঝেই ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

    ভিডিওটির পারিপার্শ্বিক পরিবেশ দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি শুটিংয়ের অংশ হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অংশ নাকি অন্য কোনো ধরনের শুটিং তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।

    যদিও এই ঘটনার রেশ ধরে এখনো তাদের কেউই প্রকাশ্যে কথা বলেননি। সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।

  • টাইটানিকের সোনার ঘড়ি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি

    টাইটানিকের সোনার ঘড়ি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি

    টাইটানিক জাহাজে সবচেয়ে ধনী যাত্রী ছিলেন মার্কিন ধনকুবের জ্যাকব অ্যাস্টর। তিনি একটি সোনার ঘড়ি পরতেন। তাঁর ব্যবহৃত সেই ঘড়ি যুক্তরাজ্যে নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে।

    গত শনিবার (২৭ এপ্রিল) ইংল্যান্ডে ঘড়িটি নিলামে তুলেছিল হেনরি অ্যালড্রিজ অ্যান্ড সন নামের একটি সংস্থা। সেখানে এটি বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ডে (১৪ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ কোটি টাকা।

    এক মার্কিন ক্রেতা নিলামে বিপুল এই অর্থের বিনিময়ে ঘড়িটি কিনে নিয়েছেন। নিলাম পরিচালনাকারী সংস্থা জানিয়েছে, টাইটানিক ট্র্যাজেডির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বস্তুর বিক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে এটি একটি রেকর্ড।

    ১৯১২ সালের এপ্রিলে বরফের চূড়ার সঙ্গে ধাক্কা লেগে টাইটানিক যখন ডুবে যায়, তখন বহু যাত্রীর সঙ্গে প্রাণ হারান জন জ্যাকব অ্যাস্টরও। কিন্তু ওই জাহাজ থেকে বেঁচে যান তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী ম্যাডেলিন।

    নিলামকারী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক অ্যান্ড্রু অ্যালড্রিজ বলেন, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর থেকে ঘড়িটি বিক্রির জন্য নিলাম শুরু হয়। হেনরি অ্যালড্রিজ অ্যান্ড সনের ধারণা ছিল, নিলামে হয়তো এক থেকে দেড় লাখ পাউন্ড দাম উঠবে সোনার ঘড়িটির। কিন্তু তাদের প্রত্যাশা ছাপিয়ে রীতিমতো ১০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ঐতিহাসিক এই বস্তু।

    টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পর জ্যাকব অ্যাস্টরের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। সে সময় সেখান থেকে ঘড়ি ছাড়াও সোনার বোতাম, হীরার আংটি, অর্থ ও পকেটে রাখার ছোট বই উদ্ধার করা হয়। এগুলো পরে অ্যাস্টরের ছেলে ভিনসেন্ট উত্তরাধিকার সূত্রে পান। তিনি ঘড়িটি ঠিক করান, যাতে তা ঠিকমতো চলতে পারে। ১৯৩৫ সালে ভিনসেন্ট ঘড়িটি জন জ্যাকব অ্যাস্টরের নির্বাহী সচিব চতুর্থ উইলিয়াম ডবিনের ছেলের নামকরণে উপহার হিসেবে দেন। ঘড়িটি ১৯৯০–এর দশক পর্যন্ত অ্যাস্টর পরিবারের কাছেই ছিল। পরে এটি নিলামে উঠলে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তা কিনে নেন। পরে এটি বিভিন্ন জাদুঘরে প্রদর্শন করা হয়। তিনিই এর বর্তমান মালিক হিসেবে ঘড়িটি নিলামে তোলেন।

    অ্যালড্রিজ বলেন, সময়ের পরিক্রমায় লাখ লাখ মানুষ ঘড়িটি দেখেছেন, যা সত্যিই অসাধারণ। শনিবারের এই নিলামে জ্যাকব অ্যাস্টরের সোনার বোতাম ও পকেট বুকটিও ছিল।

     

  • এবার মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে আরও ৬ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ

    এবার মোবাইল ইন্টারনেট গতিতে আরও ৬ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ

    মোবাইল ইন্টারনেট গতির সূচকে আরও ৬ ধাপ পিছিয়ে ১১২তম অবস্থানে নেমে এসেছে বাংলাদেশ। স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্সের সবশেষ মার্চ মাসের সূচকে এমনটি উঠে এসেছে। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে তালিকায় বাংলাদেশ ছিল ১০৬তম। এই সূচকে মূলত একটি দেশে ইন্টারনেট সেবার মান কেমন, তাই ফুটে ওঠে।

    এতে দেখা গেছে, মোবাইল ইন্টারনেটের পাশাপাশি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সূচকেও বাংলাদেশের অবনতি হয়েছে। ফেব্রুয়ারির তুলনায় জানুয়ারিতে ১ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৮তম।

    অন্যদিকে, প্রতিবেশী দেশ ভারত মোবাইল ইন্টারনেটে ১৬তম অবস্থানে রয়েছে। এই ইন্টারনেট সেবায় মিয়ানমার, জিম্বাবুয়ে, ইরাক ও নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলো বাংলাদেশের ওপরে অবস্থান করছে।

    সূচক অনুসারে, মার্চে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোডের গড় গতি পাওয়া গেছে ২৪ দশমিক ৫৯ এমবিপিএস। পাশপাশি আপলোডের স্পিড ছিল ১১ দশমিক ৫৩ এমবিপিএস। এছাড়া ব্রডব্যান্ডে ডাউনলোডের গতি ছিল ৪৪ দশমিক ২৫ এমবিপিএস। যেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারতে ডাউনলোডের গড় গতি ১০৫.৮৫ এমবিপিএস।

    এদিকে, মোবাইল ইন্টারনেট গতি সূচকে শীর্ষে অবস্থান করছে মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশ। ৩১৩.৩০ এমবিপিএস গতি নিয়ে কাতার ১ নম্বরে, ২৯৬ এমবিপিএস গতি নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ২ নম্বরে এবং ২২৮.৬৪ এমবিপিএস গতি নিয়ে কুয়েত তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স নিজেদের স্পিডটেস্ট অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া লাখ লাখ ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স সম্পর্কে ধারণা দেয়।

     

  • কোথায় হবে অনন্ত এবং রাধিকার বিয়ে জানলে অবাক হবেন !

    কোথায় হবে অনন্ত এবং রাধিকার বিয়ে জানলে অবাক হবেন !

    আর মাত্র কয়েক মাসের অপেক্ষা। তারপরই সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রাধিকা মার্চেন্ট এবং অনন্ত আম্বানি। ইতিমধ্যেই গুজরাটের জামনগরে তাদের প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে টানা এক সপ্তাহ ধরে। এবার পালা বিয়ের। আর তাই নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে যে কোথায় বসবে তাদের বিবাহ বাসর? লন্ডন, আবুধাবি না অন্যত্র? কী জানা যাচ্ছে?

    আগামী ১২ জুলাই সাতপাকে বাঁধা পড়বেন অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট। কিন্তু কোথায় গাঁটছড়া বাঁধবেন তারা? লন্ডন বাকি আবুধাবি? না না, এই দুটো জায়গার একটিতেও নয়। একটি পাপারাজ্জির প্রোফাইলে জানানো হয়েছে তারা তাদের নিজেদের শহর মুম্বাইতে বিয়ে করবেন। যদিও এখনো এ বিষয়ে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    যদিও এর আগে ইন্ডিয়া টুডের একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছিল রাধিকা এবং অনন্তের বিয়ে নাকি লন্ডনের স্টক পার্ক এস্টেটে হবে। নীতা আম্বানির মা নিজে নাকি এ বিয়ের অনুষ্ঠানের সবটা দেখভাল করছেন। জানানো হয়েছিল তাদের বিয়ের আমন্ত্রণপত্র নাকি ইতিমধ্যেই বলিউড তারকাদের পৌঁছে গিয়েছে। লন্ডনে বিয়ে হবে তাদের। বিয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান হবে বিভিন্ন থিমের ওপর ভিত্তি করে। অনুমান করা হচ্ছে শাহরুখ খান, সালমান খান, গোটা বচ্চন পরিবার, রণবীর সিং, দীপিকা পাড়ুকোন, অনুশকা শর্মা, বিরাট কোহলি প্রমুখ উপস্থিত থাকবেন। সেই রিপোর্টে বিয়ে লন্ডনে হবে জানানো হলেও, টাইমস নাওয়ের একটি রিপোর্টে আবার জানানো হয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আবুধাবিতে।

    প্রসঙ্গত চলতি বছরের মার্চে মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানি গুজরাটের জামনগরে ছোট ছেলে অনন্ত ও হবু বউমা রাধিকার জন্য তিনদিনের প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ১ মার্চ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত চলা জামনগর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোটা বিশ্বের গ্লোবাল আইকন, বলিউড এ-লিস্টার এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা।

    তারও আগে ২০২৩এর জানুয়ারিতে মুম্বাইয়ে তাদের পারিবারিক বাসভবন, অ্যান্টিলায় ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের উপস্থিতিতে একান্ত ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাগদান সেরেছিলেন অনন্ত এবং রাধিকা।

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রাজস্থানের নাথদ্বারার শ্রীনাথজি মন্দিরে অনন্ত-রাধিকার ‘রোকা’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। যে অনুষ্ঠানের মাধ্যে তারা গোটা বিশ্বের সামনে নিজেদের সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন।

    জানা যায়, অনন্ত এবং রাধিকা শৈশব থেকেই একে অপরকে চেনেন। তবে ২০১৮ সালে তাদের সম্পর্ক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। সেসময় ম্যাচিং পোশাক পরে একে অপরের সঙ্গে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন।

     

  • পদ্মশ্রী গ্রহণ করে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অনেক উচ্ছ্বসিত ও অনুপ্রাণিত

    পদ্মশ্রী গ্রহণ করে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা অনেক উচ্ছ্বসিত ও অনুপ্রাণিত

    উপমহাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক ‘পদ্মশ্রী’ পদক গ্রহণ করেছেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেন তিনি। রবীন্দ্রসংগীতের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা দিয়েছে ভারত সরকার। এদিন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানেঅনেক ভিড়ের মধ্যে যখন নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার দেখা হয়, তখন নরেন্দ্র মোদি তাঁকে প্রশ্ন করেন, ‘আপ ক্যায়সে হ্যায়?’ [আপনি কেমন আছেন?]। এ সময় তাদের মধ্যে কুশল বিনিময় হয়। পরে ভারতের প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নিয়ে পৃথক পোস্ট করা হয়। বাংলাদেশে রবীন্দ্রসংগীতে নিবেদিতপ্রাণ উল্লেখ করে শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।

    সেই সঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মদিনে বন্যার কণ্ঠে গাওয়া ভজন‘বৈষ্ণব জন তো তেনে কাহিয়ে’র কথাও স্মরণ করা হয় পোস্টে। এদিকে পদ্মশ্রী পদক পেয়ে উচ্ছ্বসিত বন্যা। পুরস্কার পেয়ে বন্যা বলেন, ‘যে কোনো প্রাপ্তি আনন্দের। পদ্মশ্রীর মতো পুরস্কার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমি খুবই রোমাঞ্চিত, আনন্দিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে পুরস্কারটি আমার কাছে ভীষণ গর্বের। শুধু রবীন্দ্রসংগীত নয়; আমাকে সংগীতের জন্য দেওয়া হয়েছে এই পুরস্কার। আমার জন্য ভালো লাগার ব্যাপার যেমন, তেমনি অন্যরাও ভীষণ অনুপ্রাণিত হবে। বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে এখন দারুণ সব কাজ হচ্ছে। নতুন নতুন ছেলেমেয়েরা আসছে গানের জগতে।’

    বন্যা আরও বলেন, ‘পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ থেকে অনেকেই ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দেশের অনেক লোক এখানে বসবাস করেন। তাদের অনেকেই অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এ ভালোবাসা ভোলার নয়। মনটা আনন্দে ভরে গেছে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর পাঁচ গুণী ব্যক্তিকে পদ্মবিভূষণ, ১৭ জনকে পদ্মভূষণ ও ১১০ জনকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে ভারত সরকার। যার মধ্যে ছিলেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

    এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। তারও আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। আর ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী। শুধু পদ্মশ্রী নয়; ভারতের আরও কিছু পদক উঠেছে বন্যার ঝুলিতে। পেয়েছেন ‘বঙ্গভূষণ’ও। কলকাতার নজরুল মঞ্চেতাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি বিভাগ থেকে ২০১৩ সালে পেয়েছেন ‘সংগীত সম্মান পুরস্কার’।

    রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৩ জানুয়ারি রংপুর জেলায়। বন্যা প্রথমে ছায়ানট, পরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষা ও পড়াশোনা করেছেন। পড়েছেন বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতেও।রবীন্দ্রসংগীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পা ও কীর্তনের ওপর শিক্ষা লাভ করেছেন।রবীন্দ্রসংগীত প্রচার ও প্রসারে ১৯৯২ সালে সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সুরের ধারা’ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্য বিভাগের অধ্যাপক ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন। তিনি শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্রসংগীতের তালিম নেন।

    শিক্ষাগুরু হিসেবে পেয়েছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন, শৈলজারঞ্জন মজুমদার, শান্তিদেব ঘোষ, গোরা সর্বাধিকারী, মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায়, অশেষ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান তিনি। এ ছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদক, সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড, আনন্দ সংগীত পুরস্কারসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গুণী এ কণ্ঠশিল্পী।

     

  • বুবলী শাকিব সম্পর্কে মজার কিছু তথ্য দিলেন

    বুবলী শাকিব সম্পর্কে মজার কিছু তথ্য দিলেন

    এই ঈদে বাংলা চলচ্চিত্রের সুপার স্টার খ্যাত শাকিব খানের রাজকুমার। একই সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছে বুবলী অভিনীত ‘দেয়ালের দেশ’ ও ‘মায়া’ সিনেমা।

    ছবির প্রচারণার পাশাপাশি তিনি হাজির ছিলেন টেলিভিশন অনুষ্ঠানগুলোতে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে শাকিব কী খেতে পছন্দ করেন- তা তিনি জানিয়েছেন। এর আগে অপুও জানিয়েছিলেন এই অভিনেতার পছন্দের খাবারের কথা।

    ওই বেসরকারি টেলিভিশনের উপস্থাপক বুবলীকে প্রশ্ন করেন- তরকারিতে লবণ কম হওয়ার জন্য কখনো বকা খেয়েছেন শাকিব খানের কাছে। উত্তরে বুবলী বলেন, ‘না। আমার রান্না খুব পছন্দ করেন।’ এরপরই উপস্থাপক জানতে চান, বুবলীর হাতের কোন রান্নাটি শাকিব খানের প্রিয়? উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘হাঁসের মাংসটা খুব পছন্দ করে।’

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এছাড়া একটা ছোট চিংড়ি আমি ফ্রাই করি, ওটাও খুব পছন্দ করেন। উনি আসলে যখন খান, প্রচুর খেতে পছন্দ করেন। আবার যখন দেখা যায় ডায়েট করছেন, একদমই ক্রাস ডায়েটে চলে যান। দেখা যায়, এক সপ্তাহের মধ্যেই ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন।’

    সম্প্রতি অপু বিশ্বাসও জানান, শাকিব খান তার হাতের মোরগ পোলাও খেতে পছন্দ করেন।