Category: ফুটবল

  • মেসির আর্জেন্টিনা ফাইনালে, যা বললেন

    মেসির আর্জেন্টিনা ফাইনালে, যা বললেন

    আরও একটি জয়ে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন লিওনেল মেসি। কানাডাকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে নিলেন আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরা ফুটবলার বললেন, তার দল যা করে চলেছে তা অবিশ্বাস্য, ফাইনাল ম্যাচ নিয়েও সচেতন আছেন তিনি।

     

    বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে নিউ জার্সির মেট লাইফ স্টেডিয়ামে কানাডাকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকেট পায় আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে হুলিয়ান আলভারেজের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুল করেন মেসি।

    সবশেষ আট আসরে ষষ্ঠবারের মতো কোপা আামেরিকার ফাইনালে জায়গা করে নেয় বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়নরা। এখন তাদের সামনে সুযোগ স্পেনের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা তিনটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতা।

    ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন মেসি। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার এই দলটা যা করে চলেছে তা অবিশ্বাস্য। এই জয়ের পর ফাইনালে আমাদের আরও বেশি উজাড় করে দিতে হবে যেটা আমরা সবসময় করে থাকি।‘

    ‘অনেক বেশি তাপমাত্রায় এবারের কোপার আসরটা কঠিন, খুব কঠিন…ফাইনাল ম্যাচ নিয়ে আমি সচেতন। জানি এটা শিরোপার শেষ লড়াই। আমি এটাকে শতভাগ উপভোগ করি।’

    বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার সকালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়ার মধ্যে বিজয়ী দল।

  • দ্বিগুণ ব্যবধানে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    দ্বিগুণ ব্যবধানে ফাইনালে আর্জেন্টিনা

    প্রথমার্ধে দলকে এগিয়ে নিলেন হুলিয়ান আলভারেজ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন লিওনেল মেসি। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে কানাডাকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠে গেল আর্জেন্টিনা।

     

    বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে নিউ জার্সির মেট লাইফ স্টেডিয়ামে কানাডাকে ২-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। সবশেষ আট আসরে ষষ্ঠবারের মতো কোপা আামেরিকার ফাইনালে জায়গা করে নিল বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়নরা।

    স্পেনের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা তিনটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের হাতছানি মেসি-দি মারিয়াদের সামনে। ২০২১ কোপা আমেরিকা জয়ের পর ২০২২ বিশ্বকাপও জিতেছে আর্জেন্টিনা। এবারও লাতিন আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে শিরোপা ঘরে রেখে দেওয়ার সুযোগ স্কালোনির দলের সামনে।

    ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ের আগে ও পরে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল স্পেন।

    ম্যাচের ২২তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দে পলের থ্রু বল পেয়ে একজনকে কাটিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষককেও পরাস্ত করেন হুলিয়ান আলভারেজ। চলতি কোপা আমেরিকায় দ্বিতীয় ও সবমিলিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে আলভারেসের এটি নবম গোল।

    ডিয়েগো ফোরলান, রোমারিও ও মেসির পর চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে গোল করলেন ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড।

    বিরতি থেকে ফিরে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে বেশি সময় নেয়নি লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের ৫১তম মিনিটে দারুণ দলীয় আক্রমণে কানাডার রক্ষণে ভীতি ধরায় তারা। আক্রমণ পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেনি তারা। অনেকটা ফাঁকায় বল পেয়ে যান এনসো ফের্নান্দেস। তার শটে আলতো ছুঁয়ে দেন মেসি। তাতেই বল দিক পাল্টে গোলরক্ষকের মুখে লেগে জালে জড়ায়।

    চলতি কোপা আমেরিকায় এটিই আর্জেন্টিনা অধিনায়কের প্রথম গোল। সবমিলিয়ে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে ১৪তম। এনিয়ে কোপা আমেরিকার ভিন্ন ৬টি আসরে জালের দেখা পেলেন আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ১০৯ গোলের মালিক।

     

    ব্রাজিলের জিজিনিও–র পর কোপা আমেরিকার ইতিহাসে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি আলাদা টুর্নামেন্টে গোল করলেন মেসি।

    খানিক পর ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন আলভারেজ। কিন্তু ডান প্রান্ত থেকে দি মারিয়ার দারুণ পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেন তরুণ এই ফরোয়ার্ড।

    শেষ দিকে উজ্জ্বীবিত ফুটবল খেলে কানাডা। বল দখলে এই অর্ধে আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়ে ছিল তারা। বেশ কয়েকটি দারুণ সুযোগও তৈরি করা দলটি ম্যাচের শুরুতেই খেলেছে দারুণ, কিন্তু পায়নি জালের দেখা।

    ৬৮ মিনিটে আরও পায়ের চোটে মাঠ ছাড়েন কানাডা তারকা আলফোন্সো ডেভিস। ম্যাচের ৮৯ থেকে ৯০ মিনিটে গোল করার দুটি সুযোগ পেয়েছে কানাডা। ৮৯ মিনিটে বদলি নামা তানি ওলুয়াসারির বক্সের মাথা থেকে নেওয়া শট দুর্দান্তভাবে পা দিয়ে ঠেকান আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। খানিক পর হেডে গোলের দারুণ সুযোগ নষ্ট করে কানাডা।

    ৭৭তম মিনিটে একসাথে তিন পরিবর্তন আনেন আর্জেন্টিনা কোচ। দি মারিয়ার জায়গায় নিকোলাস গনসালেস, অ্যালেক্সিস ম্যাচ অ্যালিস্টারের পরিবর্তে এসেকুয়েল পালাসিওস ও আলভারেসের পরিবর্তে লাওতারো মার্তিনেসকে নামান স্কালোনি। তাতেও খেলায় গতি বাড়েনি। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে ফাইনালে ওঠার আনন্দ নিয়ে মাঠ ছাড়ে লা আলবাসিলেস্তেরা।

    বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার সকালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়ার মধ্যে বিজয়ী দল।

    আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় মুখোমুখি হবে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়া।

  • এবার সেমিফাইনালে খেলার কৌশল বদলালেন স্কালোনি

    এবার সেমিফাইনালে খেলার কৌশল বদলালেন স্কালোনি

    ইকুয়েডরের বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্স চোখ খুলে দিয়েছে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির। বুঝে গেছেন কোপার শিরোপা জিততে হলে এই পারফরম্যান্সে কাজ হবে না।

     

    আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে সেমিফাইনালে কানাডার বিপক্ষে একাদশের পাশাপাশি স্কালোনি বদল আনবেন রণকৌশলেরও।
    আর্জেন্টিনার মূল মনোনিবেশ কানাডার বিপক্ষে সেমিফাইনালকে ঘিরে। আগামী বুধবার (১০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কোপা আমেরিকার সেমিতে কানাডার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

    এ জন্য নতুন রণকৌশল ভাবছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। এর আগে আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডাকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মেসিরা। সে ম্যাচে ৪-৩-৩ ফরমেশনে দলের রণকৌশল সাজিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কোচ। গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচেও একই ফরমেশনে খেলেছিল দল।

    পেরুর বিপক্ষে স্কালোনি ডাগআউটে না থাকলেও ফরমেশন ছিল একই। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ৪-৩-৩ এর বদলে ৪-৪-২ ফরমেশনে একাদশ সাজান তিনি। আক্রমণে লিওনেল মেসির সঙ্গে ছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ।

    সেমিফাইনালে আবারও ৪-৩-৩ ফরমেশনে রণকৌশল সাজাতে পারেন আর্জেন্টাইন কোচ। উদ্বোধনী ম্যাচের মত মেসির সঙ্গে আক্রমণের দায়িত্বে থাকতে পারেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া ও জুলিয়ান আলভারেজ। ফলে শুরুর একাদশে নাও থাকা হতে পারে চলতি আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা লাউতারো মার্তিনেজ।

    গোলপোস্টের নিচে বরাবরের মতো অতন্দ্র প্রহরী হয়ে থাকবেন এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। রক্ষণে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পাশে থাকতে পারেন নাহুয়েল মোলিনা এবং নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকো। তবে শতভাগ সুস্থ না হওয়ায় আলাদাভাবে অনুশীলন করেছেন লেফটব্যাক মার্কোস আকুনা।

    মিডফিল্ডে রদ্রিগো ডি পল এবং অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের জায়গা এক প্রকার নিশ্চিত। দুজনই কোয়ার্টারে ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। এনজো ফার্নান্দেজের পরিবর্তে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে খেলানো হতে পারে কানাডার বিপক্ষে।

    একাদশে জায়গা করে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন জিওভানি লো সেলসো এবং এক্সকুয়েল পালাসিওস।

    আশ্চর্যজনক হলেও ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেলানো হয়নি ডি মারিয়াকে। তবে কানাডার বিপক্ষে একাদশে ফিরবেন এই উইঙ্গার। মেসির ইনজুরি স্কালোনির মাথা ব্যথার কারণ। তবে মেসির সিদ্ধান্ত তিনি খেলবেন।

    আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ (৪-৩-৩)

    গোলকিপার : এমিলিয়ানো মার্তিনেজ

    রক্ষণভাগ : নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকো \ মার্কাস আকুনা

    মাঝমাঠ : রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ \ লিয়ান্দ্রো পারেদেস, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার

    আক্রমণভাগ : লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ \ জুলিয়ান আলভারেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া।

  • কোপা আমেরিকার সেমিতে যে জার্সি পরে খেলবেন মেসিরা

    কোপা আমেরিকার সেমিতে যে জার্সি পরে খেলবেন মেসিরা

    আর মাত্র দুই জয়! এরপরই আবারও কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের উল্লাসে মেতে উঠবে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। এই দুই ম্যাচের একটি আবার অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ, কানাডার বিপক্ষে।

     

    যাদের গ্রুপ পর্বে হারানোর স্মৃতি এখনো উজ্জ্বল। লাতিন মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের আসরের প্রথম সেমিফাইনাল মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ সময় বুধবার (১০ জুলাই) সকাল ৬টায়। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে কানাডা ও আর্জেন্টিনা।

    এর আগে এই মাঠে গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে চিলির বিপক্ষে খেলেছিলেন মেসিরা। সে ম্যাচে ডান পায়ের মাংস পেশিতে চোট পান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। খেলতে পারেননি পেরুর বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে।

    প্রথম সেমিতে পুনরাবৃত্তি হয়েছে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচের। গ্রুপ-এ’র প্রথম ম্যাচে মুখোমুখো হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও কানাডা। সে ম্যাচে প্রথমার্ধে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের রুখে দিয়েছিল আলফানসো ডেভিসের দল।

    পরে দ্বিতীয়ার্ধে জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে কোপায় শুভসূচনা করে আর্জেন্টিনা। সে ম্যাচে চিরচেনা হোম জার্সি পরে খেলেছিলেন আর্জেন্টাইনরা। ফাইনালে উঠার লড়াইয়েও সেই চিরচেনা আকাশী-নীল এবং সাদা জার্সি পড়ে মাঠে নামবেন মেসিরা।

    সঙ্গে থাকবে সাদা শর্টস এবং সাদা মোজা। কানাডার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও একই জার্সি পড়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা।

    এদিকে শুরু উদ্বোধনী ম্যাচে পুরো টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত খেলা চার ম্যাচের সবগুলোতে এই হোম জার্সি পড়ে মাঠে নেমেছিলেন ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে থাকা আর্জেন্টাইনরা।

    অন্যদিকে প্রথম অংশ গ্রহণে লাতিন মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের আসরের শেষ চারে জায়গা করে নেওয়া কানাডা রয়েছে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ৪৮ নম্বরে।

    প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লাল রংয়ের জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন কানাডিয়ানরা। সেমিফাইনালেও সেই একই জার্সি পরে খেলতে নামবে কানাডা।

     

  • পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলার ঘোষণা দিলেন রোনালদো !

    পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলার ঘোষণা দিলেন রোনালদো !

    ইউরো থেকে যন্ত্রণার বিদায় সত্ত্বেও ফুটবল ছাড়ছেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবলার খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ব্রিটিশ একটি ট্যাবলয়েড জানিয়েছে, ঘনিষ্ঠ মহলে পর্তুগিজ এ তারকা ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।

     

    ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারে পরাজিত হওয়া কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই রোনালদো জানিয়ে দিয়েছিলেন, এটাই তাঁর শেষ ইউরো। তবে তখন তিনি অবসর কিংবা আগামী বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে কিছু বলেননি। পর্তুগালের বর্তমান কোচ রবার্তো মার্টিনেজের সঙ্গে রোনালদোর সম্পর্ক বেশ ভালো। এবারের ইউরোতে ফর্মে না থাকার পরও প্রতিটি ম্যাচে কোচ তাঁকে প্রথম একাদশে খেলিয়েছেন। ইউরোতে প্রতি ম্যাচে গড়ে ৯৭ মিনিট করে খেলেছেন রোনালদো। তার পরও দেড় যুগের ক্যারিয়ারে এ প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্টে গোল করতে ব্যর্থ হলেন পর্তুগিজ এ তারকা।

    ফ্রান্সের কাছে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে পরাজয়ের পর গত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নীরবতা ভাঙেন রোনালদো। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা আরও চেয়েছিলাম। আমাদের আরও বেশি প্রাপ্য ছিল। আমাদের জন্য, আপনাদের প্রত্যেকের জন্য, পর্তুগালের জন্য।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনারা আমাদের যা দিয়েছেন এবং আমরা এখন পর্যন্ত যা অর্জন করেছি, এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমি নিশ্চিত মাঠ ও মাঠের বাইরে এই উত্তরাধিকারকে অবশ্যই সম্মান করা হবে। আরও অর্জনের জন্য ধারাবাহিকভাবে একসঙ্গে আমরা কাজ করে যাব।’

    ইউরো থেকে ছিটকে যাওয়ার পর কোচ মার্টিনেজও বলেছিলেন, দেশের হয়ে রোনালদো শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। এর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদোর খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত। তার মানে, ৪১ বছর বয়সে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবেন তিনি। ২০০৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয় রোনালদোর। এখন পর্যন্ত ২১২ ম্যাচ খেলে ১৩০ গোল করেছেন তিনি। যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি জাতীয় দলের হয়ে ২০১৬ সালে ইউরো জিতেছিলেন। বিশ্বকাপ জয়ের জন্য আরেকটা চেষ্টা করতে চান তিনি।

  • তাহলে কি নেইমারের ইনজুরিই ব্রাজিলের বাজে খেলার কারণ

    তাহলে কি নেইমারের ইনজুরিই ব্রাজিলের বাজে খেলার কারণ

    ইনজুরি জর্জরিত ক্যারিয়ার নেইমারের। এর আগেও একাধিকবার ইনজুরিতে পড়েছেন তিনি। তাকে ছাড়া মানিয়ে খেলতে হয়েছে তার ক্লাব ও জাতীয় দলকে। তবে নেইমারের এবারের ইনজুরির ধাক্কা বড় হয়েই এসেছে সেলেকাওদের জন্য। যেন জিততেই ভুলে গেছে দলটি।

     

    কাতার বিশ্বকাপের পর আল হিলালে যোগ দিয়ে ইনজুরিতে পড়েন নেইমার। এরপর তাকে ছাড়া সাত ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। এর মধ্যে তিন ম্যাচে হেরেছে সেলেকাওরা, ড্র করেছে তিনটিতে। জয় পেয়েছে মাত্র এক ম্যাচে।

    এই সাত ম্যাচে ব্রাজিল গোল হজম করেছে সাতটি। গোল করতে পেরেছে ছয়টি। অর্থাৎ ম্যাচ প্রতি .৮৫ গোল পেয়েছে দলটি। এমনকি সাত ম্যাচের চারটিতে কোন গোলই করতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বকাপ ও নয়বারের কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়নরা।

    নেইমারকে ছাড়া অবশ্য ব্রাজিল আগেও খেলেছে। তবে দলটির অবস্থা এতো খারাপ হয়নি। কাতার বিশ্বকাপেও তাকে ছাড়া সহজে ম্যাচ জিতেছে দল। আবার ২০১৯ সালের কোপা আমেরিকায় নেইমারকে ছাড়া চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তিতের ব্রাজিল।

     

  • মেসি আগামী বছরের শুরুতে বাংলাদেশে আসতে পারেন !

    মেসি আগামী বছরের শুরুতে বাংলাদেশে আসতে পারেন !

    কাতার বিশ্বকাপের পর বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন ‘বাজপাখি’ খ্যাত আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। কলকাতা-বাংলাদেশ মিলিয়ে বিশ্বকাপ জয়ী গোলরক্ষকের ওই সফর নিয়ে ছিল বেশ উচ্ছ্বাস। এরপর ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী রোনালদিনহো কলকাতা ও বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন।

     

    তাদের বাংলাদেশে আনার কারিগর ছিলেন ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। এবার কলকাতা ও বাংলাদেশে সর্বকালের সেরা ফুটবলার খ্যাত লিওনেল মেসিকে আনার জোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। আগামী বছরের শুরুতেই ঢাকায় পা পড়তে পারে লিও’র।

    ইন্টার মায়ামিতে খেলা লিওনেল মেসিকে কলকাতা ও বাংলাদেশে আনতে কথা-বার্তা শুরু করেছেন শতদ্রু। কলকাতার সংবাদ মাধ্যম জি-২৪ ঘণ্টা জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে মেসির বাবা হোর্হে মেসির সঙ্গে গিয়ে দেখা করে এসেছেন শতদ্রু। মেসির সঙ্গে কথাও হয়েছে তার।

    দুই পক্ষের মধ্যে খুব ইতিবাচক কথা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমটি। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরের শুরুতে মেসিকে কলকাতা ও ঢাকায় এনে বড় ধামাকা দিতে পারেন ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু। সঙ্গে চমক হতে পারেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তাকেও মেসির সঙ্গে কলকাতা ও ঢাকা সফরে আনার চেষ্টা চলছে।

    মেসি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনার হয়ে কোপা আমেরিকা খেলছেন। গত মৌসুমের কোপা আমেরিকা জয়ী ও কাতারে বিশ্বকাপ জয়ী মেসির দল এরই মধ্যে আসরের সেমিফাইনালে উঠে গেছে। আগামী ১৫ জুন কোপার ফাইনাল মাঠে গড়াবে। এরপরই মেসি কলকাতা-ঢাকা সফরে আসবেন কিনা, আসলে কবে আসবেন ওই ঘোষণা দেবেন শতদ্রু।

  • ইংল্যান্ড টাইব্রেকারে সুইসদের হৃদয় ভেঙে সেমিতে

    ইংল্যান্ড টাইব্রেকারে সুইসদের হৃদয় ভেঙে সেমিতে

    আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের শট জালে জড়াতেই উল্লাসে মেতে ওঠে ইংল্যান্ড। টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে উঠেছে তারা। ইংল্যান্ডের পক্ষে টাইব্রেকারে গোল করেন পালমার, বেলিংহাম, সাকা, টনি ও আর্নল্ড। ম্যানুয়েল আকাঞ্জির নেওয়া সুইসদের প্রথম শটটিই ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক পিকফোর্ড। এর পর ফ্যাবিয়ান সার, শাকিরি ও আমদোনি গোল করলেও হার ঠেকাতে পারেননি। নির্ধারিত সময় খেলা ১-১ গোলে ড্র ছিল। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে কোনো গোল না হওয়ায় খেলা টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয়।

     

    অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের ওপর দিয়ে আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেয় সুইজারল্যান্ড। তাদের বদলি মিডফিল্ডার জাকি আমদোনির শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড। জাদরান শাকিরির কর্নার পোস্টে লেগে মাঠে ফিরে আসে। এর পর সিলভান উইলমারের শটও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম দিকে ইংল্যান্ডের ডেক্লান রাইস দারুণ শট নিয়েছিলেন। কিন্তু সুইস গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেন। বেলিংহামের শট গোলরক্ষক ধরে নেন।

    প্রায় মাঝমাঠে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়া ম্যাচে ৭৫ মিনিটে গোল করেন সুইজারল্যান্ডের স্ট্রাইকার ব্রিল এম্বোলো। দু’দল বেশ সতর্কতার সঙ্গে খেলছিল বলে মনে হচ্ছিল, ইংল্যান্ডের পক্ষে এ ম্যাচে ফেরা আর সম্ভব নয়। কিন্তু গোল হজমের পরই একসঙ্গে তিনজন খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। তখন বক্সের বাইরে থেকে আচমকা বাঁ পায়ে দারুণ এক শট নেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড বোকায়ো সাকা। কোনাকুনি সে শটটি সুইস গোলকিপারকে হতবাক করে দিয়ে জালে চলে যায়। নতুন করে যেন প্রাণ ফিরে পায় ইংলিশ শিবির।

    প্রথমার্ধে দু’দলই রক্ষণের দিকে বেশি মনোযোগী থাকায় কেউ পোস্টে শট নিতে পারেনি। ইংল্যান্ড ৫টি ও সুইজারল্যান্ড ১টি প্রচেষ্টা নিয়েছিল অবশ্য। কিন্তু সেগুলো পোস্টে রাখতে পারেনি। ইংল্যান্ডের প্রায় সব আক্রমণের উৎস ছিল সাকা। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বেশ কয়েকটি ক্রস বাড়িয়েছেন তিনি। এর মধ্যে প্রথমার্ধের শেষ দিকে সুইজারল্যান্ডের দু’জন ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে কোবি মাইনুকে বল বাড়িয়েছিলেন সাকা। মাইনু শটও নিয়েছিলেন। কিন্তু সুইস মিডফিল্ডার শাকা অসামান্য তৎপরতায় সেটি ব্লক করে দেন।

     

  • টাইব্রেকারে হেরে ব্রাজিলের বিদায়, সেমিতে উরুগুয়ে

    টাইব্রেকারে হেরে ব্রাজিলের বিদায়, সেমিতে উরুগুয়ে

    কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল-উরুগুয়ে ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ব্রাজিলকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো উরুগুয়ে। এতে শেষ আটেই বিদায় নিতে হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

     

    প্রথম টাইব্রেকার নিতে আসেন ফেদে ভালভার্দে। কোনো ভুল করেননি তিনি। বামপ্রান্তে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অ্যালিসন বেকারও। কিন্তু বলের নাগাল পাননি। ব্রাজিল প্রথম শটটাই মিস করে, এডার মিলিতাওয়ের শট ফিরিয়ে দেন উরুগুয়ে গোলরক্ষক সার্জিও রকেট। উরুগুয়ে দ্বিতীয় শটেও সফল হয়। আন্দ্রেস পেরেইরা ব্রাজিলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন দ্বিতীয় শট নিতে এসে।

    তৃতীয় শটেও গোল পায় উরুগুয়ে, ব্রাজিল আবার মিস করে। ফলে অনেকটা ছিটকেই যায় পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু অ্যালিসন উরুগুয়ের চতুর্থ শট ফিরিয়ে ব্রাজিলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিও হতাশ করেননি। কিন্তু পঞ্চম শট নিয়েই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয় উরুগুয়ে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় ব্রাজিল।

    ম্যাচের ৯০ মিনিটের পুরোটা সময় দুই দলই লড়াই করেছে সমান তালে। কার্ড জটিলতায় মাঠের বাইরে ছিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন ১৭ বছর বয়সী তরুণ স্ট্রাইকার এন্ড্রিক ফেলিপ। বড় ম্যাচে তার ভূমিকা দেখার অপেক্ষায় ছিল ব্রাজিলভক্তরা, তবে মাঠের খেলায় তিনি সেভাবে নজর কাড়তে পারেননি তিনি।

    ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় ডারউইন নুনিয়েজ সুযোগ পেয়েছিলেন উরুগুয়ের হয়ে লিড নেওয়ার। তবে তিনি হেড দেওয়ার চেষ্টায় ঠিকমতো মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। ব্রাজিলও বড় সুযোগ মিস করে ২৮ মিনিটে। এন্ড্রিকের বাড়ানো বল ডি বক্সের ভেতর পেতে পারতেন রাফিনহা। কিন্তু এই সেলেসাও উইঙ্গার বলের কাছেই পৌঁছাতে পারেননি। উরুগুয়ে বিপদমুক্ত হয়ে একটু পরই পাল্টা আক্রমণে যায়। কিন্তু নুনেজের হেড চলে যায় গোলপোস্টের ওপর দিয়ে।

    গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ‍ওঠে দুই দলই। ৪৭ মিনিটে ভালো সুযোগ পেয়েছিল উরুগুয়ে। ফেডরিকো ভালবার্দের দূরপাল্লার শট সহজেই প্রতিহত করেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। এরপর ৫২ মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণ করে উরুগুয়ে। ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ে শট করেন ডারউইন নুনেজ। তবে, দানিলোর গায়ে লেগে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৫৬ মিনিটে আরাউহো ডি-বক্সের বেশ খানিকটা দূর থেকে শট করলেও তা লক্ষ্যে ছিল না। ৬২ মিনিটে ভালবার্দের দূরপাল্লার আরেকটি শট বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে হতাশ হতে হয় উরুগুয়ের সমর্থকদের।

    ৭৪ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় উরুগুয়ে। বল নিয়ে দৌড়াতে থাকা রদ্রিগোকে পেছন থেকে পায়ে ট্যাকেল করেন নাহিতান নান্দেজ। প্রথমে তাকে হলুদ কার্ড দেন রেফারি। কিন্তু ভিএআর রিভিউয়ের পর লাল কার্ড দেখিয়ে নান্দেজকে মাঠছাড়া করেন রেফারি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ করে ব্রাজিল। ৮৪ মিনিটে এন্ড্রিকের গড়ানো শট সহজেই তালুবন্দী করেন উরুগুয়ের গোলরক্ষক সার্জিও রোচেত। ৮৬ মিনিটে ফ্রি-কিকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায় ভালবার্দে। তবে, বারের ওপর দিয়ে মেরে দেন তিনি।

    নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল করতে পারেনি কোনও দলই। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৪-২ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে উঠে গেল উরুগুয়ে। সেমিফাইনালে উরুগুয়ের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া। এ ম্যাচের আগে হওয়া আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে পানামাকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে তারা।

     

  • কলকাতায় শাকিব খান বুবলীকে নিয়ে যা বললেন

    কলকাতায় শাকিব খান বুবলীকে নিয়ে যা বললেন

    শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘তুফান’। শুক্রবার (৫ জুলাই) ভারতে মুক্তি উপলক্ষে কলকাতার সাউথ সিটি মলে হয়েছে রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো। সেখানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন শাকিব।

     

    চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী ‘তুফান’ দেখেছেন কি না, দেখে থাকলে তার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল- এমন প্রশ্নও করা হয় অভিনেতাকে। সবটা দারুণভাবে সামলে নিয়েছেন শাকিব খান। মাইক্রোফোন নিয়ে কতক্ষণ মুচকি হাসেন তিনি। প্রশ্নের জবাবে মজা করে বলেন, কোনো রি-অ্যাকশন নেই। আর কে দেখেছে, আমি ঠিক…. এই বলে থেমে যান শাকিব।

    শাকিবের জবাবে উপস্থিত সবাই হেসে ওঠেন তবে, মিমি চক্রবর্তী বারবার তার পাশেরজনকে জিজ্ঞেস করেছেন, বুবলী কে?

    এরপর এক প্রশ্নের জবাবে শাকিব খান বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে বাংলা সিনেমার যাত্রা শুরু হয়েছে গেলো বছর ‘প্রিয়তমা’, ‘সুরঙ্গ’র মত সিনেমা দিয়ে। যা ‘তুফান’-এ এসে ব্যাপকতা বোঝা গেছে। ৬-৭টি দেশে কোনোরকম পোস্টার ছাড়াই শো হাউসফুল গিয়েছে। ইংল্যান্ডের মত দেশে হিন্দিসহ অন্য ছবির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলা সিনেমা সেরা চার-এ চলে এসছে। এটাই প্রমাণ করে আমাদের বাংলা সিনেমা কতটা এগিয়ে যাচ্ছে।

    এসময় খানিকটা মজার ছলে শাকিব বলেন, ‘হাজার কোটি ঘরে যেতে আমাদের খুব বেশি দেড়ি নেই। একদিন শীর্ষ ধনী অভিনেতাদের তালিকায় আমরাও থাকবো। এক কিংবা দুইয়ে না থাকলেও তো সেরা পাঁচে থাকবো। এভাবে যদি সিনেমা প্রতি ২৫ শতাংশ করে চাই তাহলে কয়েক বছরের মধ্যে সেটা হয়ে যাবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ‘তুফান’ সিনেমার নির্মাতা রায়হান রাফী, নায়িকা মিমি চক্রবর্তী, প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল ও ‘তুফান’র ইন্টারন্যাশনাল ডিসট্রিবিউটর ও এসভিএফের প্রযোজক মহেন্দ্র সনি।

    ‘তুফান’ অ্যাকশন ধাঁচের সিনেমা। তুফানে যেখানে নব্বই দশকের একজন গ্যাংস্টারের চরিত্রটি অভিনয় করেছেন শাকিব খান। এ সিনেমায় আরও আছেন গুণী অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘তুফান’-এ শাকিব খান ও চঞ্চল ছাড়াও অভিনয় করছেন মিমি চক্রবর্তী, নাবিলা, মিশা সওদাগর গাজী রাকায়েত, সালাহউদ্দিন লাভলু, শহীদুজ্জামান সেলিম প্রমুখ।