Category: ফুটবল

  • এবারের কোপা আমেরিকায় মেসি-ডি মারিয়া থাকছে আর্জেন্টিনার দলে

    এবারের কোপা আমেরিকায় মেসি-ডি মারিয়া থাকছে আর্জেন্টিনার দলে

    ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১০ জুন ও গুয়েতামালার বিপক্ষে ১৪ জুন প্রীতি ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ওই দুই প্রীতি ম্যাচ ও ২১ জুন শুরু হওয়া কোপা আমেরিকার জন্য ২৯ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার দলে আছেন অভিজ্ঞ লিওনেল মেসি, ডি মারিয়া, নিকোলাস ওটামেন্ডিরা।

     

     

    দলটির বেশ ক’জন ফুটবলার ইনজুরিতে আছেন। তাদের মধ্যে নাহুয়েল মলিনা, মার্কোস আকুইনা, এনজো ফার্নান্দেজ অন্যতম। তাদের নিয়েই দল ঘোষণা করেছেন আর্জেন্টিনার কোচ।

    তবে এই প্রাথমিক দল থেকে শেষ পর্যন্ত বাদ পড়বেন তিনজন ফুটবলার। আর্জেন্টিনার গোলবারে প্রথম পছন্দ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তার সঙ্গে দলে আছেন ফ্রাঙ্কো আরমানি ও জেরোমিনো রুল্লি। তবে আটালান্টায় দারুণ মৌসুম কাটানো হুয়ান মুসো বাদ পড়েছেন।

    রক্ষণে লিওনার্দো বেলার্ডি জায়গা পেয়েছেন। আছেন তরুণ ভ্যালেন্টিন বার্কো। মিডফিল্ডে গুইদো রদ্রিগেজ, জিওভন্নি লো চেলসো এবং এক্সিকিয়েল প্যালাসিওস জায়গা পেয়েছেন। দলে বড় চমক বলতে হবে ইতালির ক্লাব মোনজায় খেলা ১৯ বছরের তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ভ্যালেন্টিন কারবোনিকে।

    আর্জেন্টিনার কোপা আমেরিকার দল: গোলরক্ষক: ফ্রাঙ্কো আরমানি, জেরেমিনো রুল্লি, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

    ডিফেন্ডার: গঞ্জালো মন্টিয়েল, নাহুয়েল মলিনা, লিওনার্দো বেলার্ডি, ক্রিস্টিয়ানো রোমেরো, জার্মান পেজেল্লা, লুকাস কুয়ার্টা, নিকোলাস ওটামেন্ডি, লিয়ান্দ্রো মার্টিনেজ, মার্কোস অ্যাকুইনা, নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকো, ভ্যালেন্টিন বার্কো।

    মিডফিল্ডার: গুইদো রদ্রিগেজ, লিয়ান্দ্রো পারদেস, ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো ডি পল, এক্সিকুয়েল প্যালাসিওস, এনেজো ফার্নান্দেজ, জিওভান্নি লো চেলসো, ভ্যালেন্টিন কারবোনি।

    ফরোয়ার্ড: ডি মারিয়া, লিওনেল মেসি, অ্যাঞ্জেল কোরেইরা, আলেজান্দ্রো গার্নাচো, নিকোলাস গঞ্জালেস, লওতারো মার্টিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ।

  • অবাক করা দামে বিক্রি হল মেসি-বার্সা চুক্তির সেই ‘ন্যাপকিন পেপার’

    অবাক করা দামে বিক্রি হল মেসি-বার্সা চুক্তির সেই ‘ন্যাপকিন পেপার’

    স্পেনের ক্লাব বার্সেলোনার হাত ধরে ফুটবল বিশ্বে পা রেখেছিলেন লিওনেল মেসি। ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনার ট্রায়ালেই ক্লাবের নীতিনির্ধারকদের নজর কাড়েন ক্ষুদে এই ফুটবলার। এরপর ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হঠাৎ বার্সার ক্রীড়া পরিচালক কার্লোস রেক্সাস মেসির পরিবারকে দুপুরের খাবারের নিমন্ত্রণ জানালেন। সেখানেই বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল লিওনেল মেসির।

     

     

    সেদিন রেস্তোরাঁর সামান্য এক টুকরো ন্যাপকিন পেপারে (হাত ও মুখ মোছার কাগজ) প্রাথমিক চুক্তি সই হয়েছিল বার্সেলোনা ও ক্ষুদে মেসির। সেই ‘ন্যাপকিন পেপার’ এতদিন ছিল বার্সার মিউজিয়ামে। মেসির সঙ্গে বার্সেলোনার চুক্তির সেই ন্যাপকিনটি এবার নিলামে উঠেছে। যার ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ পাউন্ড। বাংলাদেশী টাকায় ৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

    কাতার বিশ্বকাপে যে জার্সি পরে খেলেছিলেন মেসি, তা নিলামে উঠেছিল। বিপুল অর্থে বিক্রি হয়েছে আর্জেন্টাইন তারকার ৬টা জার্সি। ন্যাপকিন চুক্তির দাম আরও বেশি হবে সেটিই স্বাভাবিক, হয়েছেও তাই। শুক্রবার ব্রিটিশ অকশন হাউস বোনহামসের মাধ্যমে বিক্রি হয়ে গেল সেই মেসি-বার্সেলোনার ঐতিহাসিক প্রথম চুক্তির প্রমাণপত্র। দাম উঠেছে ৯ লাখ ৬৫ হাজার ডলার। বাংলাদেশ মুদ্রায় যার পরিমাণ ১১ কোটি ২৯ লাখ ৯৩ হাজার ২০১ টাকা।

    বার্সেলোনার হয়ে টানা ১৭ বছর খেলেছেন মেসি। ৭৭৮টি ম্যাচ খেলে ৬৭২ গোল করেন ক্লাবটির ইতিহাসের সেরা এই ফুটবলার। জিতেছেন ১০টি লা লিগা, ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এখনও ক্লাবের সমর্থকরা ভুলতে পারেনি তাকে। প্যারিস ঘুরে এখন ইন্টার মায়ামিতে খেলছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

    মেসির সেদিনের সেই চুক্তিপত্রে লেখা ছিল, ‘বার্সেলোনায় ১৪ ডিসেম্বর, ২০০০ সালে মিনগেলা, হোরাশিও আর বার্সার ক্রীড়া পরিচালক কার্লোস রেক্সাসের উপস্থিতিতে পূর্ণ দায়িত্বের সঙ্গে নির্দিষ্ট অঙ্কে লিওনেল মেসিকে সই করানোর ব্যাপারে একমত হওয়া গেল।’

     

  • ম্যানসিটির , স্পার্সদের হারিয়ে শিরোপার একপ্রকার নিশ্চিত করল

    ম্যানসিটির , স্পার্সদের হারিয়ে শিরোপার একপ্রকার নিশ্চিত করল

    লিগের শেষ ম্যাচে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা সুরাহা হবে। এটা কাগজ-কলমের হিসাব। বাস্তবতা হলো- টটেনহ্যামের মাঠ থেকে ২-০ গোলে জিতে শিরোপা এক প্রকার নিশ্চিত করে ফেলেছে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি।

    ঘরের মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধে সিটিজেনদের আটকে রেখেছিল টটেনহ্যাম। পুরো সময় তাদের আটকে রাখতে পারলে অর্থাৎ ম্যাচে সমতা হলেই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে ফেবারিট হয়ে যেত আর্সেনাল। কিন্তু ম্যাচের ৫১ মিনিটে আর্লিং হালান্ড গোল করে স্পার্সদের সঙ্গে গানারদের হৃদয় ভাঙেন।

    যোগ করা সময়ে হালন্ড দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটিও করেন। তার ওই গোল আসে পেনাল্টি থেকে। এ নিয়ে ৩৭ লিগ রাউন্ড শেষে ম্যানসিটির পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৮৮। সমান ম্যাচে আর্সেনালের পয়েন্ট ৮৬। লিগের শেষ রাউন্ডে ফোডেন-হালান্ডরা ঘরের মাঠে ওয়েস্টহামের মুখোমুখি হবে। শেষ ম্যাচে আর্সেনাল নিজেদের মাঠে এভারটনের বিপক্ষে খেলবে।

  • কি কারণে নেইমারকে ছাড়াই কোপায় যাচ্ছে ব্রাজিল

    কি কারণে নেইমারকে ছাড়াই কোপায় যাচ্ছে ব্রাজিল

    চোটের সঙ্গে লড়াই শেষে সদ্যই ব্রাজিল থেকে সৌদি আরবে ফিরেছেন নেইমার জুনিয়র। হালকা অনুশীলন শুরু করলেও এখনই সৌদি প্রো লিগে আল হিলালের হয়ে মাঠে নামা হচ্ছে না তার। এরমধ্যেই ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড আরও একটি দুঃসংবাদ পেলেন। তাকে ছাড়াই কোপা আমেরিকায় খেলতে যাচ্ছে ব্রাজিল।

    কোপা আমেরিকার এবারের আসর শুরু হতে বাকি আর মাস দেড়েক। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের এই লড়াইয়ের জন্য সবার আগে স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। কোচ দরিভাল জুনিয়র এই দলে বড় চমক দিয়েছেন।

    নিয়মিত সবাই স্কোয়াডে থাকলেও ২৩ জনের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো এবং টটেনহামের স্ট্রাইকার রিচার্লিসন। এছাড়া দরিভালের জায়গা হয়নি সৌদির আল-হিলালের হয়ে খেলা নেইমার জুনিয়রের। তাকে ছাড়াই কোপা আমেরিকায় খেলতে যাচ্ছে ব্রাজিল। তবে দীর্ঘদিন পর চোট থেকে সেরে উঠা অ্যালিসন বেকারকে রেখেছেন কোচ দরিভাল। তরুণ সেনসেশন এন্ড্রিকও দলে জায়গা করে নিয়েছেন।

    ২০ জুন যুক্তরাষ্ট্রে বসবে কোপা আমেরিকার এবারের আসর। ২৫ জুন কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিলের কোপা মিশন শুরু হবে। যেখানে গ্রুপ পর্বে ৩টি ম্যাচ খেলবে সেলেসাওরা। গ্রুপ ডি-তে তাদের সঙ্গী কলম্বিয়া, প্যারাগুয়ে ও কোস্টারিকা। কোপার আগে ৯ ও ১৩ জুন যথাক্রমে মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

     

  • ২২০০ কোটি টাকা এ বছর মেসির মায়ামির সম্ভাব্য আয়

    ২২০০ কোটি টাকা এ বছর মেসির মায়ামির সম্ভাব্য আয়

    লিওনেল মেসি যোগ দেয়ার পর স্বপ্নের মতো সময় পার করছে ইন্টার মায়ামি। এক বছরের কম সময়ের মধ্যে মাঠ ও মাঠের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল পরাশক্তিতে পরিণত হয়েছে ক্লাবটি। গত বছরের জুনে লিওনেল মেসির আগমনের ঘোষণার পরই শুরু হয় ইন্টার মায়ামির বদলে যাওয়া। ‘মেসি-ম্যানিয়া’ কেবল শুধু মায়ামিকেই নয়, বদলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল-জগৎকেও। দর্শকদের আগ্রহ বাড়ার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও এখন শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে মেজর লীগ সকারের (এমএলএস) ক্লাবগুলো। তবে সবচেয়ে বেশি লাভ হচ্ছে মেসির ক্লাব মায়ামির। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি কীভাবে ইন্টার মায়ামির ফুটবল-বাণিজ্যের চিত্র বদলে দিয়েছেন, তা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ক্লাবটির জেনারেল ডিরেক্টর হাভিয়ের আসেনসি। তিনি জানিয়েছেন, মেসির আগমন ক্লাবের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে এবং চলতি বছর ক্লাবটি প্রায় ২০ কোটি ডলার আয় (টার্নওভার) করবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২২০০ কোটি টাকা। আসেনসি বলেছেন, ‘মেসি আসার পর আমাদের প্রত্যাশিত আয় ৬ কোটি ডলার থেকে বেড়ে এখন ১২ কোটি ৫০ লাখ থেকে ১৩ কোটি ডলারে পৌঁছে গেছে।

    এ বছর আশা করি আমরা ২০ কোটি ডলারের বেশি আয় করতে পারব।’ মেসি আসার পর দর্শকদের পাশাপাশি পৃষ্ঠপোষকদের আগ্রহের কেন্দ্রেও ইন্টার মায়ামি। এরই মধ্যে অ্যাপল, অ্যাডিডাস, হেনিক্যান, রয়্যাল ক্যারিবিয়ানসহ বেশ কিছু বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করেছে ক্লাবটি। সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটি বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ভিসাও যুক্ত হয়েছে মায়ামির সঙ্গে। আসেনসি বলেছেন, ‘আমরা সেই অংশীদারদের খুঁজছি, যারা আমাদের অন্য আরেকটি স্তরে নিয়ে যাবে। যেখানে নিশ্চিতভাবে রয়্যাল ক্যারিবিয়ান এবং জেপি মরগান চেজের মতো প্রতিষ্ঠানও আছে।’ মেসির আসার পর ফোর্ট লডারডেল এমএলএসের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে ফেলেছে বলেও জানিয়েছেন আসেনসি। ব্যাপারটিকে তিনি মেসির মতো তারকার শক্তি হিসেবেই দেখছেন। এ ছাড়া মেসির আগমনের পর মায়ামির টিকিট বিক্রি, মার্চেন্ডাইজিংসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন এসেছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, আয়ে ইন্টার মায়ামি এখন ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোকেও টেক্কা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আসেনসিও। তিনি বলেন, ‘আমি বার্সেলোনায় ১১ বছর ছিলাম। আমি সেখানে প্রধান বাণিজ্যিক অফিসার হিসেবে কাজ করেছি। লিও (মেসি) যখন খেলোয়াড় হিসেবে ছিল, তখনো আমি সেখানে ছিলাম। ইন্টার মায়ামি প্রাক-মৌসুম সফরে যে আয় করেছে, তা পেশাদার ফুটবল ক্লাব যে আয় করে, তার চেয়ে বেশি। এখানে বেশ কিছু নির্ণায়ক আছে। যেমন ইউরোপের বড় ক্লাবগুলো একই সময়ে সফর করে, যেটা হচ্ছে গ্রীষ্মে। আমরা সেটা করতে পারি জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে, যখন অন্যরা করতে পারে না। লিও নিশ্চিতভাবেই এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। মেসি না থাকলে আমরা এখন যে আলাপ করছি, তারও কোনো অস্তিত্ব থাকত না।’

     

  • বায়ার্নকে হারিয়ে নাটকীয় জয়ে, ফাইনালে রিয়াল

    বায়ার্নকে হারিয়ে নাটকীয় জয়ে, ফাইনালে রিয়াল

    আরও একটি চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনাল, রিয়ালের আরও একটি নাটকীয় জয়। বায়ার্নের বিপক্ষে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নদের আজকের ম্যাচের জন্য এটাই বোধহয় সঠিক বিশ্লেষণ। ৮৭ মিনিট পর্যন্ত ১ গোলে পিছিয়ে থাকা রিয়াল ৩ মিনিটের ব্যবধানে সেটা শোধ করে আবার লিডও নিলো। এরপর বাকি সময় সেটা ধরে রেখে জয়ের সঙ্গে নিশ্চিত করে চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনাল।

    আজ ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে ২-১ গোলে হারায় রিয়াল। আলফানো ডেভিস বায়ার্নকে এগিয়ে নেওয়ার পর জোড়া গোল করে রিয়ালকে জেতান হোসেলু। এর আগে বায়ার্নের মাঠে ২-২ গোলে ম্যাচটি ড্র হয়। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনাল নিশ্চিত করে রিয়াল। আগামী ১ জুন ওয়েম্বলিতে ফাইনালে রিয়ালের প্রতিপক্ষ আরেক জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।

     

  • হারল পিএসজি,১১ বছর পর ফাইনালে ডর্টমুন্ড

    হারল পিএসজি,১১ বছর পর ফাইনালে ডর্টমুন্ড

    ঘরের মাঠে আক্রমণ,বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য দেখাল পিএসজি। তবে খেলার বিপরীতে হামেলসের গোলে আরও এগিয়ে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।ম্যাচে ফিরতে শেষ দিকে মরিয়া চেষ্টা করে গেল লুইস এনরিকের দল।তবে এদিন যেন ভাগ্য সহায় ছিলনা ফরাসি জায়ান্টদের।নির্ধারিত সময়ের শেষ দশ মিনিটে পিএসজি খেলোয়াড়দের নেওয়া শট ক্রসবারে লাগল তিনবার।এমবাপে-দেম্বেলেদের কোন চেস্টায় যেন এদিন সফল হলনা।আর তাতে আরও একবার হৃদয় ভাঙল প্যারিসিয়ানদের।

    পার্ক দে প্রিন্সেসে বরুশিয়ার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লীগ সেমিফাইনালের দ্বিতীয় রাউন্ডও ১-০ ব্যবধানে হেরেছে পিএসজি।সমতায় প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জার্মান দলটিকে স্মরণীয় জয় এনে দেওয়া গোলটি করেন ম্যাটস হামেলস।

    এর আগে ঘরের মাঠে প্রথম লেগে ১-০ গোলে জয় পেয়েছি বরুশিয়া।দুই লেগ মিলিয়ে ২-০ ব্যবধানে জিতে ১১ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিল ডর্টমুন্ড।

     

    ২০১২-১৩ মৌসুমের সেই ফাইনালে লন্ডনের ওয়ম্বেলিয়েই সেই ফাইনালে ডর্টমুন্ড ২-১ গোলে হেরেছিল স্বদেশি ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের কাছে।রিয়ালের বিপক্ষে কাল বায়ার্ন জয় পেলে চ্যাম্পিয়নস লীগে আরও একটি ‘অল জার্মান ফাইনাল’ দেখবে ফুটবলপ্রেমীরা।আগামী ১ জুন এবারের ফাইনালও অনুষ্ঠিত হবে সেই ওয়েম্বলিতেই।

    অন্যদিকে ৩০ টি শট আর ৭০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে গোল দেখা পাওয়া পিএসজির আরও একবার চ্যাম্পিয়নস লীগ হয়ে রইল আক্ষেপের নাম।এ নিয়ে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিল প্যারিসিসিয়ানরা। ২০১৯-২০ মৌসুমে হেরেছে ফাইনালেও।

     

  • আজ রাত একটায় রিয়াল-বায়ার্নের ফাইনালের লড়াই

    আজ রাত একটায় রিয়াল-বায়ার্নের ফাইনালের লড়াই

    ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের টিকেট পেতে লড়াইয়ে নামবে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ ও লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। সেমিফাইনালের ফিরতি লেগের ম্যাচে বাংলাদেশ সময় আজ রাত একটায় রিয়ালের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নব্যুতে মুখোমুখি হবে দু’দল। এরআগে প্রথম লেগের ম্যাচে বায়ার্নের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এবার ঘরের মাঠে নুন্যতম ব্যবধানে জয় পেলেই স্বপ্নের ফাইনালে পৌছে যাবে কার্লো আনচেলত্তির দল।

    প্রথম লেগের ম্যাচে নিজেদের মাঠে এগিয়ে থেকেও জয় পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। যদিও সেই ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিলো রিয়াল। ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোলে প্রথমার্ধে ১-০ তে লিড নিয়েছিলো তারা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দারুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দুই গোল আদায় করে নেয় বায়ার্ন। আজিজ সানে আর হ্যারি কেইনের গোলে ৮২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিলো বায়ার্ন মিউনিখ। খেলার ৮৩ মিনিটে আবারো রিয়ালকে ম্যাচে ফেরায় ভিনিসিয়াস। তার পেনাল্টি গোলে প্রতিপক্ষের মাঠে হার এড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ। ক’দিন আগে লা লিগার শিরোপা জিতেছে আনচেলত্তির শিষ্যরা।

    তাই এম্যাচে মাঠে নামার আগে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই থাকবে ভিনিয়াস জুনিয়ররা। অন্যদিকে বুন্দেস লিগায় এবার লিগ শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার পাশাপাশি বায়ার্নের সময়টা খুব ভালো যাচ্ছেনা। আক্রমনভাগে একমাত্র আজিজ সানে ছাড়া নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেনা মুসিয়ালা , মুলার ও হ্যারি কেইন। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ আছে দারুন ফর্মে। যদিও কোর্তয়ার জায়গায় এ ম্যাচেও গোলবারে সামলাবে লুনিন।

    আগের ম্যাচের শুরুতেই ইনজুরিতে পড়ার কারনে খেলতে পারেনি কোর্তয়া। তার জায়গায় গোলবারে ভালোই করেছে লুনিন। তবে এমুহুর্তে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর আক্রমানভাগ হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদের। ব্রাজিলিয়ান ভিনিসিয়াস জুনিয়র রয়েছে সুপার ফর্মে। তার কল্যাণেই প্রথম লেগের ম্যাচে হার এড়িয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পাশাপাশি রদ্রিগো-বেলিংহামও প্রতিপক্ষের ত্রাস হয়ে ওঠেছে। ওদিকে রুডিগার ও নাচো রক্ষণভাগে রিয়ালের অতন্দ্র প্রহরী। দু’দলের পরিসংখ্যানে দিকে তাকালেও রিয়াল মাদ্রিদকেই এগিয়ে এম্যাচে এগিয়ে রাখতে হবে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এপর্যন্ত ২৭ বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল।

    রিয়ালের ১২ জয়ের বিপরিতে বায়ার্ন জিতেছে ১১ ম্যাচ। চার ম্যাচ অমীমাংসিত থেকেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ের ক্ষেত্রেও সবার চেয়ে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। এপর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বাধিক ১৪টি শিরোপা জিতেছে তারা। সবশেষ ২০১৭/১৮ মৌসুমে কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি হয়েছিলো বায়ার্ন মিউনিখ।

    সেবার দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলে এগিয়ে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিলো রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম লেগে বায়ার্নের মাঠে ২-১ গোলে জেতার পর ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছিলো তারা। সবকিছু ছাপিয়ে দু’দলের জম্পেস লড়াই দেখার অপেক্ষায় পুরো ফুটবল বিশ্ব।

  • আজ রাতে ফাইনালে পিএসজি না ডর্টমুন্ড

    আজ রাতে ফাইনালে পিএসজি না ডর্টমুন্ড

    উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ২০২৩-২৪ মৌসুমে প্রথম দল হিসেবে কারা ফাইনালে খেলবে সেটার ফয়সালা হবে আজ রাতে ফ্রান্সের প্যারিসের পার্ক দ্য প্রিন্সেস স্টেডিয়ামে। বিখ্যাত এই স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন (পিএসজি) ও জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১টায়। সরাসরি সম্প্রচার করবে সনি টেন ২ চ্যানেল।

    ইদুনা পার্কে জয় মেলেনি। ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছে পিএসজিকে। তবে হারলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে যাওয়ার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী দলটির কোচ লুইস এনরিকে। ঘরের মাঠে দ্বিতীয় লেগে জিতেই লক্ষ্য পূরণ করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্প্যানিশ কোচ। এবার গ্রুপ পর্বেও দেখা হয়েছে দল দুটির। সেবার ডর্টমুন্ডের মাঠে থেকে ১-১ ড্র করে ফিরলেও নিজেদের মাঠে পার্ক দ্য প্রিন্সেসে তারা জিতেছিল ২-০ গোলের ব্যবধানে। সেই ফলাফলই আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে প্যারিসিয়ানদের।

    এ ছাড়াও প্যারিসের পরাশক্তিরা আত্মবিশ্বাস পাচ্ছেন ২০২০ সালের ফলাফলেও। ফাইনাল খেলার পথে সেবার ইদুনা পার্কে ১-২ ব্যবধানে হারলেও নিজেদের মাঠে ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল পিএসজি। তাতে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকে পরের রাউন্ডে উঠেছিল ফরাসি জায়ান্টরাই। যদিও ফাইনালে শেষ পর্যন্ত আরেক জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ১-০ গোলে হেরে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার শিরোপা জয় করা হয়নি পিএসজির। প্যারিস ফিরতি লেগের ম্যাচের আগে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে বলেন, আমি নিশ্চিত আমরা যোগ্যতা অর্জন করব।

    এর আগে গত ১ মে জার্মানির সিগনাল ইদুনা পার্কে সেমির প্রথম লেগে পিএসজিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে খেলার দৌড়ে এগিয়ে আছে ডর্টমুন্ড। প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথম লেগে হারলেও ঘরের মাঠে জিততে আত্মবিশ্বাসী পিএসজি। অন্যদিকে ছেড়ে কথা বলতে নারাজ ডর্টমুন্ডও। তারাও প্যারিসে এসেছে না হারার মানসিকতা নিয়ে। হার এড়াতে পারলেই ফাইনালের রঙিন মঞ্চে উঠে আসবে ডর্টমুন্ড। সেটা সম্ভব হলে ১ জুন লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শিরোপা লড়াইয়ে তারা খেলবে রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যে অপর সেমির বিজয়ী দলের বিরুদ্ধে।

    ঘরের মাঠে আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে খেলব। এবারের মৌসুমে এই প্রথম আমরা ঘরের মাঠে আমাদের দ্বিতীয় লেগ খেলব। আমাদের হারানোর কিছু নেই। আশা করি আমরা কাক্সিক্ষত ফলাফল পাব। নিজেদের চেনা মাঠে স্বাগতিক সমর্থকরাই তাদের জয়ের রশদ জোগাবেন বলে বিশ্বাস করেন স্প্যানিশ কোচ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইদুনা পার্কে পরিবেশ চমৎকার ছিল। বিশেষ করে আমাদের তিন হাজার সমর্থক।

    ফিরতি লেগে ব্যাপারটা আলাদা হবে। আমাদের তিন হাজার ভক্ত রাতে গান গাওয়া বন্ধ করেনি। সেখানে প্যারিসে পঞ্চাশ হাজার দর্শক থাকবে। আমরা একবারও বল হারাব না। আমরা যোগ্যতা অর্জন করব। নিজেদের গর্বিত করাই আমাদের উদ্দেশ্য।
    হেরে গেলেও প্রথম লেগের ফলাফলে হতাশ নন এনরিকে। বলেন, এটাই ফুটবল।

  • মায়ামিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মেসি

    মায়ামিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মেসি

    প্রতি মুহূর্তে চোখে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ পড়ার বিরক্তি, প্রতি সপ্তাহে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্নায়ুক্ষয়; এসব থেকে দূরে থাকতেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়েছেন মেসি। কিন্তু ফুটবলের সঙ্গে জীবনজুড়ে যাওয়া মেসি সেখানেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে আলো কেড়ে চলেছেন।

    গত রোববার যেমন মেসির দল ইন্টার মায়ামি ৬-২ গোলে ন্যাশভিলকে হারিয়েছে। ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন মেসির সাবেক বার্সা সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ। তবে সবচেয়ে বেশি আলো কেড়েছেন মেসিই। তিনি পাঁচ গোলে সহায়তা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লিগে এক ম্যাচে যা সর্বোচ্চ গোল করানোর রেকর্ড।

    বিশ্বকাপজয়ী এই বাজির বুড়ো ঘোড়ায় ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করেছে ইন্টার মায়ামির আর্থিক কাঠামোও। ৬০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক কাঠামোর ক্লাবটি ১২৫-১৩০ মিলিয়ন ডলার আয়ের রেকর্ড গড়েছে। ২০২৪ সালে ২০০ মিলিয়ন ডলার আয়ের প্রত্যাশা করছে ইন্টার মায়ামি।

    ফ্রি এজেন্টে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি মেসিকে পেলেও বছরে সব মিলিয়ে তাঁকে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো বেতন দিতে হচ্ছে। লিওর সতীর্থ হিসেবে লুইস সুয়ারেজ, সের্গিও বুসকেটস ও জর্ডি আলবা ইন্টার মায়ামিতে এসেছেন। তাদের বেতন বাবদও খরচ করতে হচ্ছে বছরে প্রায় ১০ মিলিয়ন ইউরো। বাস্কেটবল, টেনিস যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান খেলা হওয়ায় ফুটবলে এত অর্থ খরচের ঝুঁকিই নিতে হয়েছে ডেভিড বেকহামদের।

    তবে মেসি মায়ামিতে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফলোয়ার বাড়েনি ক্লাবটির, আয়-রোজগারও বেড়েছে চক্রবৃদ্ধি হারে। গত মৌসুমে আর্থিক ও মিডিয়া অগ্রগতির বিবেচনায় ইন্টার মায়ামি ছিল বিশ্বের সেরা ক্রমবর্ধমান ক্লাব।

    এর পেছনে অবশ্য ক্লাবটির ব্যবস্থাপক জাভিয়ের অ্যাসেনসির বড় অবদান আছে। ১১ বছর বার্সার প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে মেসির প্রভাব কতটা বড় হতে পারে, তা আঁচ করতে পেরেছিলেন।

    জাভিয়ের তাই বলেছেন, ‘মেসি আপনার দলকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাবে। এই অগ্রগতিতে আমরা খুশি। এখানকার ফুটবল এগিয়ে যাবে এমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। আরও উন্নতিতে চোখ আমাদের। ইন্টার মায়ামি এখন প্রাক-মৌসুম থেকে বিশ্বের যে কোনো ক্লাবের চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করার ক্ষমতা রাখে।’