Category: ফুটবল

  • অভিনব পন্থায় আর্জেন্টিনার স্কোয়াড ঘোষণা, ফিরেছেন মেসি

    অভিনব পন্থায় আর্জেন্টিনার স্কোয়াড ঘোষণা, ফিরেছেন মেসি

    বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা পাকা করে ফেলেছে আগেই। তবুও বাছাইপর্বের শেষ দুই ম্যাচকে সামনে রেখে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। তবে এবার খেলোয়াড়দের নাম ঘোষণার ধরনে আনলো ব্যতিক্রমী ছোঁয়া।

    গত মার্চে আর্জেন্টিনার বাহিয়া ব্লাঙ্কা শহরে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারায় ১৬ জন। ঘরবাড়িহীন হন হাজারো মানুষ। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এবার স্কোয়াড ঘোষণা করেছে সেই শহরের সাধারণ মানুষ। কোনো তারকা বা ধারাভাষ্যকার নয়, বরং নানা বয়স ও পেশার মানুষদের মুখেই উঠে আসে লিওনেল স্কালোনির দল।

    আর্জেন্টিনার প্রাথমিক স্কোয়াড:

    গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ওয়াল্টার বেনিতেজ, জেরোনিমো রুলি, মারিয়ানো ট্রয়লো

    রক্ষণভাগ: ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্ডি, নাহুয়েল মোলিনা, লিয়েনার্দো বালের্দি, ভ্যালেন্টিন বার্কো, জন ফয়েথ, কেভিন লেমোনাকো, নিকোলাস তালিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা

    মধ্যমাঠ: লিয়েন্দ্রো পারেদেস, এনজো বারেনেচিয়া, এনজো ফার্নান্দেজ, এজাকুয়েল প্যালাসিওস, থিয়েগো আলমাদা, নিকো পাজ, রদ্রিগো ডি পল, জিওভান্নি লো সেলসো, ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো

    আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্টিনেজ, জিউলিয়ানো সিমিওনে, আনহেল কোরেয়া, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গঞ্জালেস

    আগামী ৬ জুন চিলির মাঠে ন্যাশনাল জুলিও মার্টিনেজ স্টেডিয়ামে খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। আর ১১ জুন নিজেদের ঘরের মাঠ বুয়েন্স এইরেসের মাস মনুমেন্তালে লড়বে কলম্বিয়ার বিপক্ষে।

    বিশ্বকাপ নিশ্চিত হলেও নিজেদের ছন্দ ঠিক রাখতে কোনো ছাড় দিতে নারাজ আলবিসেলেস্তেরা। এমন ভিন্নধর্মী উপায়ে স্কোয়াড ঘোষণা যেন জানান দেয়, মাঠের বাইরের দায়িত্ববোধেও তারা সমান সচেতন।

  • সৌদি ক্লাব ছেড়ে দিচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো?

    সৌদি ক্লাব ছেড়ে দিচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো?

    ফুটবলে স্বপ্নের মতো সময়টা হয়তো রিয়াল মাদ্রিদেই কাটিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। রেকর্ডের পর রেকর্ড আর পায়ের জাদুতে ইতিহাস গড়া এই পর্তুগিজ তারকা মাদ্রিদ ছেড়েছেন অনেক আগেই। এরপর জুভেন্টাস, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবের মতো বড় নামে খেললেও বেশিদিন থাকেননি।

    বর্তমানে সৌদি প্রো লিগে আল নাসরের জার্সিতে খেলছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ তারকার সৌদিতে পাড়ি জমানোর পরে নেইমার, করিম বেনজেমার মতো ফুটবলাররাও এ দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। গতে কয়েক মাস আগে নেইমার সৌদির ছাড়ার পর এবার রোনালদোও সৌদি থেকে সরে যাচ্ছেন।

    গতকাল সোমবার সৌদি প্রো লিগে আল ফাতেহর সঙ্গে আল-নাসরের ম্যাচ ছিল। দুই দফা এগিয়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হেরে যায় আল-নাসর। প্রথমার্ধে হেড থেকে ক্লাবের হয়ে ৯৯তম গোলটি করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত হার মানতে পারেন পর্তুগিজ তারকা।

    ম্যাচ শেষে সামাজিক মাধ্যমে রোনালদো লিখেছেন, ‘এই অধ্যায় শেষ। তবে গল্প? এখনও লেখা চলছে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

    রোনালদোর সেই পোস্ট ঘিরেই ফুটবলপাড়ায় চলছে তুমুল জল্পনা। বয়স ৪০ হলেও খুব শিগগিরই ফুটবল ছাড়ছেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। অন্তত আরও কিছু বছর খেলতে চান এই মহাতারকা। তবে কি সৌদি ক্লাবের সঙ্গে এখানেই ইতি টানছেন? উত্তরটা না জানালেও রোনালদোর সরে যাওয়ার গুঞ্জনই শোনা যাচ্ছে বেশি।

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মৌসুমে ২০ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তিতে সৌদি ক্লাব আল নাসরে নাম লিখিয়েছিলেন রোনালদো। আগামী জুনে শেষ হবে চুক্তির মেয়াদ। নতুন চুক্তি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বিশেষ আলাপ শোনা যায়নি।

     

  • ব্রাজিল দল থেকে বাদ নেইমার

    ব্রাজিল দল থেকে বাদ নেইমার

    ইকুয়েডর ও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের খেলাকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের ব্রাজিল দল ঘোষণা করেছে নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

    দলে ডাক পাননি তারকা ফুটবলার নেইমার। নেইমারের সঙ্গে দল থেকে বাদ পরেছেন রদ্রিগো। তবে আরেক সাবেক রিয়াল তারকা ক্যাসেমিরোকে ফেরানো হয়েছে স্কোয়াডে। ৩৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার প্রায় এক বছর পর ফিরলেন জাতীয় দলে।

    এছাড়া, মূলত তরুনদের উপর আস্থা রেখেই নতুন দল গড়া হয়েছে। লিও ওস্তিজ, ভ্যান্ডারসনদের পাশাপাশি মিডফিল্ডের প্রায় প্রত্যেকেই তরুণ মুখ। স্ট্রাইকিং জোনেও মার্তিনেলি, কুনিয়াদের রেখেছেন কোচ।

    আগামী ৬ জুন ইকুয়েডর ও ১১ জুন প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল।

     

  • এবার নেইমারকে ছাড়াই ব্রাজিলের দল সাজালেন কিংবদন্তি কোচ

    এবার নেইমারকে ছাড়াই ব্রাজিলের দল সাজালেন কিংবদন্তি কোচ

    নতুন অধ্যায় শুরু করলেন ইতালিয়ান কিংবদন্তি কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে গতকাল সোমবার (২৬ মে) প্রথমবারের মতো দল ঘোষণা করেন তিনি। আর তাতেই চমক। এবার অভিজ্ঞদের ফেরার পাশাপাশি কিছু তারকা বাদ পড়েছেন, আবার নতুন মুখও জায়গা পেয়েছেন স্কোয়াডে।

    ক্যাসেমিরো ও রিচার্লিসনের প্রত্যাবর্তনের পাশাপাশি নেই জায়গা নেইমার ও রদ্রিগোর। আনচেলত্তির এই ঘোষণা ঘিরে ফুটবল দুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়।

    ফরোয়ার্ড লাইনে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও ম্যাথিউস কুনিয়ার জায়গা পাওয়া অবধারিত ছিল। সঙ্গে এস্তেভাও উইলিয়াম ও অ্যান্তোনি আছেন ডন কার্লোর ব্রাজিল দলে।

    ব্রাজিলের দল: গোলরক্ষক: অ্যালিসন বেকার (লিভারপুল), বেন্তো (আল নাসর), হুগো সৌজা (করিস্থিয়ান)।

    ডিফেন্ডার: অ্যালেক্সসান্দ্রো (লিলি), বেরালদো (পিএসজি), মার্কুইনোস (পিএসজি), দানিলো (ফ্লামেঙ্গো), লিও অর্টিজ (ফ্লামেঙ্গো), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), কার্লোস আগুয়েস্তো (ইন্টার মিলান), ওয়েলসলি (ফ্লামেঙ্গো), ভ্যান্ডারসন (মোনাকো)।

    মিডফিল্ডার: আন্দ্রিয়েস পেরেইরা (ফুলহ্যাম), ব্রুনো গিমারেজ (নিউক্যাসল), আন্দ্রে সান্তোস (স্ট্রাসবার্গ), ক্যাসেমিরো (ম্যানইউ), এদেরসন (আটালান্টা), জেরসন (ফ্লামেঙ্গো)।

    ফরোয়ার্ড: এস্তেভাও (পালমেইরাস), অ্যান্তোনি (রিয়াল বেটিস), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), ম্যাথিউস কুনিয়া (উলভস), ভিনিসিয়াস (রিয়াল মাদ্রিদ), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), রিচার্লিসন (টটেনহ্যাম)।

     

  • এবার ৮ মিনিটের ব্যবধানে গোল-এসিস্ট করে মিয়ামিকে বাঁচালেন মেসি

    এবার ৮ মিনিটের ব্যবধানে গোল-এসিস্ট করে মিয়ামিকে বাঁচালেন মেসি

    ৮৭ মিনিট পর্যন্ত ইন্টার মিয়ামি পিছিয়ে ৩-১ ব্যবধানে। অনেক সমর্থকরা তখন ধরেই নিয়েছিলেন এই ম্যাচেও হারের কষ্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হবে মিয়ামিকে। লিওনেল মেসি মাঠে আছেন বলে আবার কেউ কেউ অধীর আগ্রহে স্বস্তিদায়ক কিছু দেখার অপেক্ষা করছিলেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

    অবশেষে মিয়ামির ত্রাণকর্তা রূপে বরাবরের মতোই আবির্ভূত হলেন মেসি। ৮ মিনিটের মধ্যে দুর্দান্ত ফ্রি-কিক গোলের সঙ্গে এক এসিস্টও করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এতে প্রমাণিত হলো, কেন মেসিকে বড় মুহূর্তের খেলোয়াড় বলা হয়।

    শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়মিত খেলায় ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে গোল আর এসিস্ট করে মিয়ামিকে ৩-৩ গোলে ড্র এনে দিয়েছেন মেসি। এতে গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট পেয়েছে মিয়ামি। তাছড়া এমএলএসে শেষ ৭ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে হারায় এই ড্র মিয়ামির অনেক জরুরি ছিল।

    অন্যদিকে এই ড্রয়ে টানা তিন ম্যাচের জয়রথ থামলো ফিলাডেলফিয়ার। তবে তারা টানা ৯ ম্যাচে অপরাজিত।

    ২-০ গোলে এগিয়ে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে ফিলাডেলফিয়া। স্বাগতিকদের প্রথম গোল আসে ৭ মিনিটে। কাই ওয়াগনারের কর্নার থেকে গোল করেন কোয়িন সুলিভান। এরপর ৪৪ মিনিটে ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের হেড থেকে আসা বলে মিকােল উরে হালকা স্পর্শ করে বল বাড়িয়ে দেন তাই বারিবোর দিকে। মিয়ামি গোলরক্ষক অস্কার উস্তারিকে পরাস্ত করে গোল করেন বারিবো।

    মিয়ামির প্রথম গোল আসে ৬০ মিনিটে। নোয়া অ্যালেনের ক্রস থেকে তাদেও আলেন্দে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান (২-১)। ৭৩ মিনিটে আবারও গোল করে ফিলডেলফিয়াকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বারিবো।

    ৮৭ মিনিটে চিরচেনা স্টাইলে ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত গোল করে ব্যবধান ৩-২ এ নামিয়ে আনেন মেসি। এতে মিয়ামির একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়।

    ম্যাচের শেষাংশে তুমুল আক্রমণ শুরু করে মিয়ামি। ৯৫ মিনিটে সেগোভিয়া ডি-বক্সের বাইরে থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে বল পাঠান ফিলাডেলফিয়ার জালে। তাকে এসিস্ট করেন মেসি। ফলে ৩-৩ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে মিয়ামি।

    গত বছরের সাপোর্টারস শিল্ড জয়ী মিয়ামি পরবর্তী ম্যাচে বুধবার রাতে মন্ট্রিয়ালকে স্বাগত জানাবে ফোর্ট লডারডেলে।

     

  • ১৭ বছরের ট্রফিখরা কাটিয়ে ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম

    ১৭ বছরের ট্রফিখরা কাটিয়ে ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম

    ব্রেনান জনসনের প্রথমার্ধে করা একমাত্র গোলই শিরোপা ভাগ্য নির্ধারণ করে দিলো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইউরোপা লিগে চ্যাম্পিয়ন হলো টটেনহ্যাম। পাশাপাশি আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগেও জায়গা করে নিয়েছে তারা।

    ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটলো টটেনহ্যামের। ২০০৮ সালে লিগ কাপ জয়ের পর এটি স্পার্সের প্রথম শিরোপা এবং ১৯৮৪ সালের পর প্রথম ইউরোপিয়ান ট্রফি। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে চারটি ম্যাচেই জয় পেল লন্ডনের ক্লাবটি, যা ক্লাব ইতিহাসে ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো পূর্ণ মৌসুমে চার জয়ের রেকর্ড।

    ৪২তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন জনসন। ম্যানইউর ডিফেন্সের ভুলে জনসন ও লুক শ মিলে বলটিকে অনানার হাত ফসকে জালে জড়ান।

    ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের রাসমুস হজলান্ড দ্বিতীয়ার্ধে একটি সেরা সুযোগ পেলেও মিকি ভ্যান ডে ভেন দুর্দান্তভাবে গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করেন। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে লুক শ’র হেডও গুগলিয়েলমো ভিকারিওর দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায় স্পার্স।

    এই জয় টটেনহ্যামের কোচ আঞ্জে পোস্টেকগ্লুর জন্য বড় স্বস্তি এনে দেয়। প্রিমিয়ার লিগে ২১টি পরাজয়ের মধ্যে দিয়ে মৌসুমে ১৭তম স্থানে থাকা দলটির জন্য এটি এক ঐতিহাসিক উত্থান। ৫৯ বছর বয়সী গ্রিক-অস্ট্রেলিয়ান কোচের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও এই শিরোপা তার অবস্থান শক্ত করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য এটি আরেকটি হতাশার দিন। প্রিমিয়ার লিগ টেবিলের ১৬তম স্থানে থাকা দলটি এবার ইউরোপীয়ান ফুটবলের বাইরে থাকতে পারে, যা কোচ রুবেন আমোরিমের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

     

  • মেসির ডাকে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ডি মারিয়া!

    মেসির ডাকে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ডি মারিয়া!

    লিওনেল মেসির ডাকে সাড়া দিয়ে একে একে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দিয়েছেন তার তিন সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ—লুইস সুয়ারেজ, সের্হিও বুসকেতস ও জর্দি আলবা। দলটির কোচের দায়িত্বে আছেন তার আরেক স্বদেশি সাবেক সতীর্থ হাভিয়ের মাশ্চেরানো।

    এবার মিয়ামির জার্সিতে দেখা যেতে পারে মেসির প্রিয় বন্ধু আনহেল দি মারিয়াকেও। দ্য টাইমস জানিয়েছে, মিয়ামি দি মারিয়াকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে মিয়ামিতে বাড়িও দেখে এসেছেন এই আর্জেন্টাইন।

    গত বছর কোপা আমেরিকা জিতে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া এই আর্জেন্টাইন গ্রেট শনিবার রাতে পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকায় নিজের দ্বিতীয় অধ্যায়ের সমাপ্তি টানার ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টাইন তারকা বলেছেন, ‘দীর্ঘ একটি বছর শেষে এভাবে শেষ করাটা খুব কষ্টের। এই জার্সিতে এটা ছিল আমার শেষ লিগ ম্যাচ। এ জার্সি পরতে পেরে গর্বিত।’

    দীর্ঘ একটি বছর শেষে এভাবে শেষ করাটা খুব কষ্টের। এই জার্সিতে এটা ছিল আমার শেষ লিগ ম্যাচ। এ জার্সি পরতে পেরে গর্বিত।

    আগামী রোববার স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে পর্তুগিজ কাপের ফাইনালের পর আর বেনফিকার জার্সিতে দেখা যাবে না ৩৭ বছর বয়সি দি মারিয়াকে। শোনা যাচ্ছে, ফ্রি এজেন্ট হিসাবে তিনি যোগ দিতে পারেন ইন্টার মিয়ামিতে। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৬ বছর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়লেও ক্লাব ফুটবলে কখনো একসঙ্গে খেলা হয়নি মেসি ও দি মারিয়ার।

  • আগুনে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ব্রাজিলের বিশ্বকাজয়ী ফুটবলার

    আগুনে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ব্রাজিলের বিশ্বকাজয়ী ফুটবলার

    নিজ বাড়িতে অগ্নি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গা পুড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা সাবেক ডিফেন্ডার লুসিও। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমে লুসিওর দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার স্ত্রী মারিলিয়া ফার্গিয়ারিনি। স্থানীয় সময় শুক্রবার বায়োইথানল চালিত একটি জৈবিক চিমনি বিস্ফোরণের পর ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই লুসিওর শরীরে আগুন ধরে যায়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। বেশ কিছু সময় অচেতন ছিলেন তিনি।

    হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, লুসিওর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তিনি জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন। তার দগ্ধ অংশগুলোতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    ২০২০ সালে ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া লুসিও ২০০২ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন। ক্লাব ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন বেয়ার লেভারকুসেন, বায়ার্ন মিউনিখ, ইন্টার মিলান এবং জুভেন্টাসের মতো বড় ক্লাবে। ইন্টার মিলানে থাকাকালীন সময়ে তিনি সিরি আ, কোপা ইতালিয়া, চ্যাম্পিয়নস লিগ, সুপারকোপা ইতালিয়া ও ক্লাব বিশ্বকাপ জেতেন। বায়ার্নের হয়ে জিতেছেন তিনটি বুন্দেসলিগা শিরোপা।

  • Untitled post 11389

    পর্তুগালের বয়সভিত্তিক দলে রোনালদো ‍জুনিয়রের অভিষেক

    স্টিয়ানো রোনালদোর দেখানো পথেই হাঁটছে রোনালদো জুনিয়র। বাবার মতোই ৭ নম্বর জার্সি গায়ে চাপায়। এবার গায়ে চাপালো পর্তুগালের জার্সি। পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৫ দলে আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) অভিষিক্ত হয়েছে সিআরসেভেনের বড় ছেলে রোনালদো জুনিয়র

    জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে পর্তুগিজ যুবারা জিতেছে ৪-১ গোলে। ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছে রোনালদো জুনিয়র। ক্রোয়েশিয়ায় চলছে ভ্লাৎকো মার্কোভিচ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ১৩ থেকে ১৮ মে চলবে বয়সভিত্তিক দলের টুর্নামেন্টটি।

    টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পর্তুগাল দলের সঙ্গী হন রোনালদো জুনিয়র। গতকাল প্রথমবারের মতো অনুশীলন করে পর্তুগাল স্কোয়াডের সতীর্থদের সঙ্গে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিস্টিয়ানোর মা ও জুনিয়রের দাদি মারিয়া দলোরেস। ম্যাচের দিনও নাতির খেলা মাঠে বসে উপভোগ করেছেন তিনি।

    রোনালদো জুনিয়রের সামনে সুযোগ ছিল পাঁচটি আলাদা দেশের জাতীয় দলকে বেছে নেওয়ার। তবে ইংল্যান্ড, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কেপ ভার্দে নয়, কিংবদন্তি বাবার বিখ্যাত ৭ নম্বর জার্সি গায়ে দিয়ে নেমেছেন পর্তুগিজদের হয়ে। যাকে ঘিরে আগামীর পর্তুগাল স্বপ্ন দেখতেই পারে।

    জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে পর্তুগিজ যুবারা জিতেছে ৪-১ গোলে। ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছে রোনালদো জুনিয়র। ক্রোয়েশিয়ায় চলছে ভ্লাৎকো মার্কোভিচ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ১৩ থেকে ১৮ মে চলবে বয়সভিত্তিক দলের টুর্নামেন্টটি।

    টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পর্তুগাল দলের সঙ্গী হন রোনালদো জুনিয়র। গতকাল প্রথমবারের মতো অনুশীলন করে পর্তুগাল স্কোয়াডের সতীর্থদের সঙ্গে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ক্রিস্টিয়ানোর মা ও জুনিয়রের দাদি মারিয়া দলোরেস। ম্যাচের দিনও নাতির খেলা মাঠে বসে উপভোগ করেছেন তিনি।

    রোনালদো জুনিয়রের সামনে সুযোগ ছিল পাঁচটি আলাদা দেশের জাতীয় দলকে বেছে নেওয়ার। তবে ইংল্যান্ড, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কেপ ভার্দে নয়, কিংবদন্তি বাবার বিখ্যাত ৭ নম্বর জার্সি গায়ে দিয়ে নেমেছেন পর্তুগিজদের হয়ে। যাকে ঘিরে আগামীর পর্তুগাল স্বপ্ন দেখতেই পারে।

     

  • ৯-০! রোনালদোকে ছাড়াই আল নাসরের ইতিহাস গড়া জয়

    ৯-০! রোনালদোকে ছাড়াই আল নাসরের ইতিহাস গড়া জয়

    সৌদি প্রো লিগে সোমবার প্রিন্স হাতলুল বিন আবদুলআজিজ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে আল আখদুদের বিপক্ষে ৯-০ গোলের রেকর্ড জয় তুলে নিলো আল নাসর, সেটা আবার দলের সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ছাড়াই!

    লিগ শিরোপা দৌড়ে ছিটকে পড়লেও এই জয়ে আল নাসর পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে, ৩১ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ এখন ৬৩ পয়েন্ট।

    এই ম্যাচটি ক্লাবটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে রেকর্ডে ঠাঁই করে নিয়েছে। এর আগে তাদের সর্বোচ্চ জয় ছিল গত মৌসুমে আবহা ক্লাবের বিপক্ষে ৮-০ গোলের ব্যবধান।

    অধিনায়ক রোনালদো ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন না। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, কোচ স্টেফানো পিওলি শারীরিক ক্লান্তির কারণে তাকে বিশ্রাম দিয়েছেন। তবে তার অনুপস্থিতি আল নাসরের দাপট কমাতে পারেনি।

    ১৬তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোল করেন আইমানইয়াহিয়া। এরপর জন ডুরান ও মার্সেলো ব্রোজোভিচ ম্যাচের ৩০ মিনিটের মধ্যেই স্কোরলাইন ৩-০ করেন।

    প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সাদিও মানে পেনাল্টি থেকে নিজের প্রথম গোলটি করেন, প্রথমার্ধে আল নাসরের লিড দাঁড়ায় ৪-০।

    বিরতির পরপরই ডুরান নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। এরপর মানে পরপর তিনটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এবং ম্যাচে নিজের গোল সংখ্যা দাঁড় করান চার।

    ম্যাচের শেষদিকে মোহাম্মদ মারান আরেকটি পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরলাইন করেন ৯-০।

    এই জয়ের মাধ্যমে আল নাসর দেখিয়ে দিল, দলের নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় রোনালদোর অনুপস্থিতিতেও তারা বিপক্ষ দলকে পুরোপুরি ছারখার করতে সক্ষম।