Category: ফুটবল

  • আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আড়ালে নাটকীয়তা চলছে: মির্জা আব্বাস

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আড়ালে নাটকীয়তা চলছে: মির্জা আব্বাস

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আড়ালে দেশে সাজানো নাটকীয়তা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, একটি অজনপ্রিয় দল শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশে বিএনপিকে হেয় করছে। এমনকি অনেক উপদেষ্টা যারা দেশের নাগরিক না তারাই দেশ পরিচালনা করছেন।

    এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘোষিত (ডিএমপি) নিষিদ্ধ এলাকায় এনসিপির বিক্ষোভ করার ঘটনায় সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

    সোমবার (১২ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাবেক সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন পিন্টুর স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।

    বিএনপির এই নেতা বলেন, নাসির উদ্দিন পিন্টুকে আজ যেভাবে স্মরণ করা হচ্ছে, তাতে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এই নাসির উদ্দিনদের মতো হাজারো নেতাকর্মীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই আজকের এই বিএনপি।

    সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগে লাগাতার আন্দোলনকে নাটক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, কোনো অপকর্মের আগে শেখ হাসিনাও মানুষের দৃষ্টি সরাতে এমন কৌশল অবলম্বন করতেন। বিএনপি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিরোধিতা না করলেও একটি অজনপ্রিয় দল শুধু রাজনৈতিক উদ্দেশে বিএনপিকে হেয় করছে।

    তিনি বলেন, যারা আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে চায় তারা দেশ ও জনগণের শত্রু। কারণ আওয়ামী লীগকে বিএনপি কখনো আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। ১৭ বছর যাদের কাছে নির্যাতিত হয়েছে বিএনপি তাদের পুনর্বাসন করবে এটি যারা বলে তারা বিএনপিকে হিংসা করে।

    তাছাড়া, প্রশাসনে বিএনপি নিধন করে আওয়ামী-জামায়াতপন্থিদের স্থলাভিষিক্ত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা আব্বাস।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, অনেক উপদেষ্টা যারা দেশের নাগরিক না তারাই দেশ পরিচালনা করছেন। মনে হচ্ছে ঔপনিবেশিক শাসন চলছে দেশে। এদিকে ভিআইপি ট্রিটমেন্ট নিয়ে দেশ ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। অথচ সরকার নাকি কিছু জানে না। তারা কী জানে?

    ‘করিডোর নিয়ে জামায়াত-এনসিপি কেউ কথা বলছে না’

    সেন্টমার্টিন, সাজেক নিয়ে এনসিপি কেন কথা বলছে না- দলটির কাছে এমন প্রশ্ন রেখে মির্জা আব্বাস বলেন, বিশ্বের ডিকশনারিতে মানবিক করিডোর বলে কিছু নেই। একেকটা নাম দিয়ে এসব বানানো হচ্ছে। আমরা কেন সেন্টমার্টিন যেতে পারব না? আমি এনসিপির ভাইদের বলতে চাই আপনারা এ বিষয় নিয়ে কথা বলেন না কেন? দেশ ভালো অবস্থানে নেই। আবার আমরা শুনতে পাচ্ছি মানবিক করিডোর দেওয়া হবে। কেন কার স্বার্থে করিডোর? জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া কোনো করিডোর দেওয়ার অধিকার এই সরকারের নেই।

    মির্জা আব্বাস আরও বলেন, দেশে সন্দেহভাজন বিদেশিদের আগমন বেড়েছে। বিভিন্ন মিশন চালু হচ্ছে। সব অপকর্ম ইচ্ছাকৃতভাবে করছে সরকার। সরকার কারও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছে। এটি দেশপ্রেমিক সরকার নয়।

    এসময় মানবিক করিডোর নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের নীরবতা তুলে ধরে বিস্ময় প্রকাশ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। বিএনপি ছাড়া করিডোর নিয়ে কেউ কথা বলছে না। জামায়াত, চরমোনাই কেউ কথা বলছে না। বিএনপিকে শেষ করতে পারলেই আওয়ামী লীগের মতো দেশ লুটেপুটে খাওয়া যাবে।

    নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ পিন্টু স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে সংগঠনের আহ্বায়ক সাইদ হাসান মিন্টুর সভাপতিত্বে এই আয়োজনে আরও উপস্থিতি ছিলেন ওলামা দলের মাওলানা শাহ মো. নেছারুল হক প্রমুখ।

     

  • মৌসুমের শেষ এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনাকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী আনচেলত্তি

    মৌসুমের শেষ এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনাকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী আনচেলত্তি

    অবস্থা যা দাঁড়িয়েছে তাতে চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। লোপা দেল রে তে বার্সেলোনার কাছে হেরে শিরোপা খোয়াতে হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকেও নিশ্চিত হয়েছে বিদায়। বাকি আছে শুধু লিগ শিরোপা। তাতেও শীর্ষে থাকা বার্সার চেয়ে পিছিয়ে আছে চার পয়েন্টে। তবে শেষ সুযোগ আছে রিয়ালের।

    লিগে মৌসুমের শেষ এল ক্লাসিকো অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল। বার্সেলোনাকে এই ম্যাচে হারাতে পারলে রিয়ালের সামনে সুযোগ থাকবে লিগ জিতে নেওয়ার। এমন ম্যাচে মাঠে নামার আগে নিজেদের আত্মবিশ্বাসী থাকার কথাই জানিয়েছেন আনচেলত্তি।

    ইতালিয়ান এই কোচ মৌসুম শেষেই বিদায় নেবেন রিয়াল মাদ্রিদ থেকে। এর আগে বার্সেলোনার বিপক্ষে শেষ এল ক্লাসিকো। আনচেলত্তি বলেন, “দল ভালো করছে, নিজেদের করণীয় কাজের দিকে মনোযোগী এবং রোমাঞ্চ নিয়ে (ক্লাসিকোর) অপেক্ষায় আছে। আমাদের অনেক কিছু যেমন পাওয়ার আছে, হারানোরও আছে। এই লড়াইয়ে জেতার জন্য আমরা আত্মবিশ্বাসী। বার্সেলোনার বিপক্ষে খেলা ম্যাচগুলো কঠিন, কিন্তু আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, জিততে পারবো।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের ঠিকভাবে কাজ করতে হবে। বার্সেলোনা প্রতিপক্ষের ওপর একের পর এক আক্রমণ চালাতে অভ্যস্ত। কিন্তু কোনো দলই নিখুঁত নয়। এটা এমন একটি ম্যাচ যেখানে পাওয়ার অনেক কিছু যেমন আছে, হারানোরও আছে। জিততে হলে সবকিছু ভালোভাবে করতে হবে, রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি আক্রমণেও ভালো হতে হবে। একটি পরিপূর্ণ ম্যাচ খেলতে হবে।”

    ইতালিয়ান এই কোচ আরও বলেন, “(এই ম্যাচের জন্য) খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করা কঠিন কিছু নয়। কারণ এটা এমন একটা ম্যাচ যেটার জন্য তারা তারা ইতিমধ্যেই অনুপ্রাণিত হয়ে আছে এবং দারুণ আত্মবিশ্বাসী।”

     

  • সালাহর চোখে কে এগিয়ে, মেসি না ম্যারাডোনা

    সালাহর চোখে কে এগিয়ে, মেসি না ম্যারাডোনা

    ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের চলমান মৌসুম এখনো শেষ হয়নি। তবে এরই মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হয়ে গেছে। শিরোপা নিশ্চিত করে নিয়েছে লিভারপুল। ফলে আর্নে স্লটের শিষ্যরা মৌসুম শেষ না হলেও বেশ নির্ভারই রয়েছে।

    এদিকে লিভারপুল তারকা মোহাম্মদ সালাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, লিওনেল মেসি না ডিয়েগো ম্যারাডোনা, কাকে তিনি সেরা ভাবেন? মেসির দিকেই ঝুঁকেছেন ‘মিশরের রাজা’। এমনকি নিজে এবং মেসির মধ্যে একজনকে বেছে নিতে বললেও সালাহ নিজের চেয়েও এগিয়ে রেখেছেন মেসিকেই!

    ফরাসি ম্যাগাজিন লেকিপেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালাহ বলেন, “ম্যারাডোনা না মেসি? মেসি। সালাহ না মেসি? মেসি। আমি মেসির পক্ষেই থাকব।”

    ২০২০ সালের নভেম্বরে ম্যারাডোনার মৃত্যু হলেও ‘আর্জেন্টিনার সর্বকালের সেরা ফুটবলার কে?’ এই বিতর্ক এখনও থামেনি। অনেকেই যেমন মেসিকে এগিয়ে রাখেন, তেমনই অনেকে এখনো ‘এল পেলুসা’ ম্যারাডোনার নামই বলেন।

    খেলার মাঠে ম্যারাডোনা ছিলেন ভয়ংকর এক আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের জন্য বিখ্যাত হলেও, তিনি ছিলেন একজন দুর্দান্ত গোলদাতা ও প্লেমেকার।

    ম্যারাডোনা খেলেছেন নাপোলি, বার্সেলোনা, সেভিয়া এবং বোকা জুনিয়র্সের হয়ে। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩৪৬ ম্যাচে করেছেন ১৫৯ গোল, করিয়েছেন ১০৭টি গোল। ক্লাবের হয়ে যেমন সাফল্য পেয়েছেন, জাতীয় দলের হয়েও জিতেছেন অনেক কিছু। বিশেষ করে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জয়, আর নাপোলির হয়ে ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে স্কুডেট্টো জয় তাকে কিংবদন্তি বানিয়ে দিয়েছে।

    অন্যদিকে, লিওনেল মেসিকে অনেকেই বলেন ‘সর্বকালের সেরা ফুটবলার’। তার খেলার কৌশল, ডিফেন্স চূর্ণ করে দেওয়ার ক্ষমতা, আর অ্যাটাকে সৃষ্টিশীলতা এখনো দুনিয়াজুড়ে প্রশংসিত।

    ৩৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড এখন খেলছেন মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির হয়ে। ক্লাব ক্যারিয়ারে মেসির গোলসংখ্যা ৭৫৩টি, সঙ্গে আছে ৩৬০টি অ্যাসিস্ট। মোট খেলেছেন ৯২৮টি ম্যাচ।

    মেসি আর্জেন্টিনার হয়েও জিতিয়েছেন ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ। আছে ৮টি ব্যালন ডি’অরসহ অসংখ্য ব্যক্তিগত ও দলীয় অর্জন।

     

  • সাত গোলের থ্রিলারে বার্সাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে ইন্টার

    সাত গোলের থ্রিলারে বার্সাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে ইন্টার

    সান সিরোতে রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ইতিহাস গড়ল ইন্টার মিলান। বার্সেলোনার বিপক্ষে ৪-৩ গোলের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৬ ব্যবধানে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইতালিয়ান জায়ান্টরা।

    নাটকীয় এই ম্যাচে একাধিকবার পাল্টেছে ম্যাচের মোড়, আর শেষ হাসি হেসেছে স্বাগতিক ইন্টার।

    প্রথম লেগে বার্সার মাঠে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল ইন্টার। ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল তারা। ২১তম মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার। এরপর ৪৫তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে হাকান কালহানোগলু ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অফসাইডের কারণে তৃতীয় গোল বাতিল হয় ইন্টারের।

    তবে এরপরই শুরু হয় বার্সার প্রত্যাবর্তন। ৫৪ ও ৬১ মিনিটে গার্সিয়া এবং দানি ওলমোর গোলে সমতায় ফেরে তারা। শেষ সময়ে রাফিনহার গোলে ৩-২-এ এগিয়েও যায় কাতালানরা। তবে ইনজুরি টাইমে আকারবির গোলে ৩-৩ সমতায় ফেরে ইন্টার। অতিরিক্ত সময়ের ৯৯ মিনিটে ডেভিড ফ্রাত্তেসির গোলে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

    ম্যাচজুড়ে বল দখল ও শটের দিক থেকে এগিয়ে ছিল বার্সা। ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে ২২টি শট নেয় তারা, যার ১০টি ছিল লক্ষ্যে। তবে ইন্টারের গোলরক্ষক ইয়ান সমারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গোলবঞ্চিত হয় বার্সা। সাতটি সেভ করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন তিনি।

    ম্যাচ শেষে সমার বলেন, ‘আমরা অসাধারণ ম্যাচ খেলেছি। ইয়ামালের শেষ শটটা বাঁচানো সবচেয়ে মনে রাখার মতো। অনেক দল ৩-২ তে পিছিয়ে পড়ে হাল ছেড়ে দিত, কিন্তু আমরা ফিরে এসেছি।’

    ইন্টার উইঙ্গার ডেনজেল ডুমফ্রাইস বলেন, ‘আবারও অবিশ্বাস্য ম্যাচ। সাত গোল, সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমরা ফাইনালে, আমি গর্বিত।’

  • অবশেষে এমবাপ্পের জোড়া গোলে রিয়ালের কষ্টার্জিত জয়

    লা লিগার ৩৪তম ম্যাচে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় তুলে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই জয়ে বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান চারে ফিরিয়ে আনল মাদ্রিদের দলটি।

    সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রোববার (৪ মে) খেলার শুরু থেকেই রিয়াল আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে আরদা গুলারের দারুণ গোলে এগিয়ে যায় লস ব্লাঙ্কোস।

    এরপর ৩৮তম মিনিটে এমবাপ্পের প্রথম গোল রিয়ালকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ৪৭তম মিনিটে আরদা গুলারের নিখুঁত ক্রসে এমবাপ্পে গোল করে ব্যবধান বাড়ান।

    তবে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি সেল্টা ভিগো। ৬৮ মিনিটে হাভিয়ের রদ্রিগেজ এবং ৭৫ মিনিটে উইলিয়ট সোয়েডবার্গের গোলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি।

  • অবশেষে গোল পেলেন মেসি, জয়ে ফিরলো মিয়ামি

    অবশেষে গোল পেলেন মেসি, জয়ে ফিরলো মিয়ামি

    যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিউইয়র্ক রেড বুলসকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিয়ামি। এতে টানা তিন হারের পর জয়ে ফিরেছে এমএলএসের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। মিয়ামির হয়ে সর্বশেষ গোলটি করেছেন মেসি।

    আজ রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৫টায় ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলের চেজ স্টেডিয়ামে আক্রমণভাগে আক্ষরিক অর্থেই ঝড় তোলে মিয়ামি। নবম মিনিটে ফাফা পিকল্ট প্রথম গোল করেন।

    এরপরে ৩০ মিনিটে ডিফেন্ডার মার্সেলো উইগানড দ্বিতীয় গোল করেন। ৩৯ মিনিটে গোল করে মিয়ামিকে ৩-০ গোলে এগিয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। টানা ৯ ম্যাচের গোলখরা কাটান উরুগুয়ে তারকা।

    সুয়ারেজের গোল নিয়ে মিয়ামি মাচেরানো বলেন, ‘লুইস সুয়ারেজের গোলমুখে ফেরাটা আমাদের আনন্দ দিয়েছে। কারণ আমরা জানি স্ট্রাইকাররা গোল থেকেই আত্মবিশ্বাস পায়।’

    হাফটাইমের ঠিক আগে এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মোটিং একটি গোল শোধ দেন রেড বুলসের পক্ষে। তবে ৬৭ মিনিটে মেসির করা মৌসুমের নবম গোলে আবারও ব্যবধান বাড়ায় মিয়ামি (৪-১)।

    এই জয়ের ফলে ইন্টার মিয়ামি পূর্বাঞ্চলীয় কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ স্থানে উঠে আসে এবং আগামী সপ্তাহে মিনেসোটা ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে তারা।

    অন্যদিকে রেড বুলস (৪-৪-৩, ১৫ পয়েন্ট) এখন পর্যন্ত চলতি মৌসুমে অ্যাওয়ে ম্যাচে জয় পায়নি।

    এই ম্যাচের আগে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ সেমিফাইনালে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের কাছে দুটি লেগেই হেরেছিল মিয়ামি। এতে তাদের প্রথম মহাদেশীয় শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যায়। দুই লেগের মাঝে মাচেরানোর দল এমএলএসেও প্রথমবারের মতো হেরেছিল এফসি ডালাসের বিপক্ষে, ৪-৩ ব্যবধানে।

    ম্যাচ শেষে মাচেরানো বলেন, ‘আমি মনে করি ইতিমধ্যে অনেক হতাশা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি হতাশ আমি নিজে, টেকনিক্যাল স্টাফ ও খেলোয়াড়রা। কারণ আমরা ফাইনালে পৌঁছাতে পারিনি। তবে আমাদের শিখতে হবে। আমি মনে করি ভবিষ্যতে ফলাফল ভিন্ন হলে সেটিই আমাদের শিক্ষা হবে।’

    ‘রোমও দু’দিনে তৈরি হয়নি। বাস্তবতা হলো প্রত্যাশা অনেক বেশি, আর আমি এতে সমস্যা দেখি না। তবে ক্লাবের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। আজ আমরা এখানে এমএলএসে মনোযোগ দিতে এসেছি, শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে। এরপর আছে ক্লাব বিশ্বকাপ ও লিগস কাপ’-যোগ করেন মাচেরানো।

     

  • দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে বার্সেলোনার জয়, লা লিগার শীর্ষে ফ্লিকের দল

    দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে বার্সেলোনার জয়, লা লিগার শীর্ষে ফ্লিকের দল

    লা লিগার চলতি মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের দুই মেরুর দল বার্সেলোনা ও রেয়াল ভাইয়াদলিদের লড়াইয়ে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা। শনিবার রাতে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা, যা তাদের লিগের শীর্ষস্থানে আরও সুসংহত করেছে।

    ইভান সানচেসের ষষ্ঠ মিনিটের ভাগ্যবান গোলে এগিয়ে যায় অবনমন নিশ্চিত হওয়া ভাইয়াদলিদ। তার দূরপাল্লার শট ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহোর পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ভয়ংকর হয়ে ওঠে, যা ঠেকাতে ব্যর্থ হন ইনজুরি কাটিয়ে ২২২ দিন পর মাঠে ফেরা অধিনায়ক গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন।

    প্রথমার্ধজুড়ে বল দখলের দিক থেকে দাপট দেখালেও (৮২%) ভাইয়াদলিদের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি বার্সেলোনা। লক্ষ্যে মাত্র তিনটি শট নিতে সক্ষম হয় তারা, যেগুলোও সহজেই সামলান গোলরক্ষক ফেরেইরা।

    দ্বিতীয়ার্ধে রাফিনিয়া ও ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের আগমনে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫৪তম মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে গোলরক্ষকের ভুলে বল পেয়ে যান রাফিনিয়া। বুক দিয়ে বল নামিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় শটে জাল খুঁজে পান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড, ম্যাচে ফেরে সমতা।

    মাত্র ছয় মিনিট পর ফের্মিন লোপেস অসাধারণ এক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। জেরার্দ মার্তিনের পাস পেয়ে ডি বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত শটে জাল কাঁপান তিনি।

    শেষদিকে দুই দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলমুখে সফল হতে পারেনি। এক্তর ফোর্তের শট পোস্টে লেগে ফিরলে হতাশ হয় বার্সা, আবার লাতাসার শট দুর্দান্তভাবে ঠেকান টের স্টেগেন। ৮৭তম মিনিটে রাফিনিয়ার ফ্রি কিকও ফিরিয়ে দেন ফেরেইরা।

    এই জয়ে ৩৪ ম্যাচে ২৫ জয় ও চার ড্রয়ে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ কম খেলে দ্বিতীয়স্থানে থাকা রেয়াল মাদ্রিদের সংগ্রহ ৭২ পয়েন্ট।

    এই ম্যাচে জয় পাওয়াটা বার্সার জন্য কেবল তিন পয়েন্টই নয়, বরং চ্যাম্পিয়নশিপ দৌড়ে মনোবল বাড়ানোরও বড় এক মুহূর্ত।

  • হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে দুই রানে চেন্নাইকে ধরাশায়ী বেঙ্গালুরুর

    নাটকীয় শেষ ওভারে একের পর তিন দুরন্ত ইয়র্কার দিলেন যশ দয়াল। একসময়ের ক্রিকেটবিশ্বের বেস্ট ফিনিশার মহেন্দ্র সিং ধোনিও পারলেন না দয়ালের বলকে পরাস্ত করে দলকে ম্যাচ জেতাতে। অপর প্রান্তে রবীন্দ্র জাদেজা ৪৫ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকেও জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারলেন না দলকে।

    শেষ ওভারে চেন্নাইয়ের দরকার ছিলো ১৫ রান। হাতে ছিলো ৬ উইকেট। যশ দয়ালের নাটকীয় ওভারে শেষ বলে ৪ রান দরকার পড়লেও সেটা আর নিতে পারেনি চেন্নাই। ৪৫ বলে ৮ চার আর ২ ছক্কায় ৭৭ রানে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৫ উইকেটে ২১১ রানে থামে চেন্নাই।

    এদিকে শনিবার (৩ মে) বেঙ্গালুরুর মাঠে বড় রান তাড়ায় মূল গতিটা দিয়েছিলেন চেন্নাই ওপেনার আয়ুশ এমহাত্রে। কিন্তু তার ৪৮ বলে ৯ চার আর ৫ ছক্কায় ৯৪ রানের ইনিংসটি গেছে বিফলে। এর আগে শুরুটা করছিলেন বিরাট কোহলি, শেষটা রোমারিও শেফার্ড। সবমিলিয়ে ৫ উইকেটে ২১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

    বিরাট কোহলি, সাদা বলের ক্রিকেটে এক চ্যাম্পিয়নের নাম। তিনি চাইলে একশ স্ট্রাইকরেটে দলকে বাঁচিয়ে খেলতে পারেন, আবার দলের প্রয়োজনে হয়ে যেতে পারেন মারকুটে টি২০ ব্যাটার। ১৮৭ প্লাস স্ট্রাইকরেটে ৩৩ বলে ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস বের হয়ে এলো বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে। যে ইনিংসে সমান ৫টি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন এই ব্যাটার।

    ঘরের মাঠে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কোহলির সঙ্গে উড়ন্ত সূচনা করেন জ্যাকব বেথেল। ৬৯ বলে ৯৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তারা। ৩৩ বলে ৮ চার আর ২ ছক্কায় ৫৫ করে সাজঘরে ফেরত যান বেথেল। কোহলি করেন ৩৩ বলে ৬২।

    ভালো শুরু করেও অবশ্য ধরে রাখতে পারেননি দেবদূত পাডিক্কেল। ১৫ বলে একটি করে চার-ছক্কায় ১৭ করে আউট হন তিনি। এরপর রানের গতি কমে যায় বেঙ্গালুরুর। অধিনায়ক রজত পাতিদার ১৫ বলে ১১ আর জিতেশ শর্মা ফেরেন ৮ বলে মাত্র ৭ করে।

    ১৮ ওভার শেষে বেঙ্গালুরুর রান ছিলো ৫ উইকেটে ১৫৯। ১৯তম ওভারে খলিল আহমেদের ওপর চড়াও হন রোমারিও শেফার্ড। একটি নো বলসহ এক ওভারেই ৩৩ রান খরচ করেন এই পেসার। শেফার্ড হাঁকান চার ছক্কা আর দুই বাউন্ডারি। শেষ ওভারে মাথিসা পাথিরানাকেও দুটি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন শেফার্ড। ১৪ বলে পূরণ করেন ফিফটি।

    শেষ পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে থেমে যায় চেন্নাই, মাত্র ২ রানের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে একপ্রকার অঘোষিত বিদায় নিয়েছে চেন্নাই। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান করা চেন্নাই সুপার কিংস ১১ ম্যাচ খেলে মাত্র ২ ম্যাচে জয় পেয়েছে।

  • আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কারা?

    আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ কবে, প্রতিপক্ষ কারা?

    বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের লাতিন অঞ্চলে এখনও বাকি চার ম্যাচ। ইতোমধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপের মূলপর্ব নিশ্চিত হয়েছে আর্জেন্টিনার। বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জন্য বাকি ম্যাচগুলো নিজেদের ঝালাই করে নেওয়ার। তবে, গুরুত্ব যেমনই থাকুক, ভক্তদের কাছে আবেদন কমে না কোনোভাবেই। বরং, তারা অপেক্ষায় থাকে আকাশী-সাদাদের ম্যাচ দেখতে

    আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের বরাতে জানা গেছে, আগামী দুই ম্যাচে লিওনেল মেসিরা মুখোমুখি হবে চিলি ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে। ৫ জুন আলবিসেলেস্তেরা খেলবে চিলির বিপক্ষে। কলম্বিয়ার সঙ্গে লড়াইটা ১০ জুন।

    দুটি ম্যাচেই মেসিরা খেলবেন ঘরের মাঠে। চিলির সঙ্গে ম্যাচটি হবে সান্তিয়াগোর স্তাদিও মাদ্রে স্টেডিয়ামে। কলম্বিয়াকে আতিথ্য দেবে আর্জেন্টিনা ও পুরো দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম স্তাদিও মনুমেন্টালে।

    গত মার্চের শেষ সপ্তাহে সুপার ক্ল্যাসিকোতে ব্রাজিলকে উড়িয়ে দিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৪-১ গোলের জয়ে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের প্রথম দল হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

    কনমেবল অঞ্চলের বাছাইপর্বে ১৪ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্জেন্টিনা। ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ইকুয়েডর আছে দ্বিতীয় স্থানে। সমান ২১ পয়েন্ট নিয়ে পরের তিনটি স্থানে আছে যথাক্রমে উরুগুয়ে, ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে।

     

  • চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্যর্থ, উয়েফার অন্য প্রতিযোগিতায় ইংলিশ ক্লাবের দাপট

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্যর্থ, উয়েফার অন্য প্রতিযোগিতায় ইংলিশ ক্লাবের দাপট

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে পিএসজির কাছে আর্সেনাল হারলেও উয়েফার অন্য দুই টুর্মামেন্টে ভালো করেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। উয়েফা ইউরোপা লিগ ও কনফারেন্স লিগের শেষ চারে খেলা তিন ইংলিশ ক্লাবের তিনটিই পেয়েছে বড় জয়ের দেখা।

    বৃহস্পতিবার (১ মে) রাতে সান মামেসে খেলতে নেমেছিল চলতি মৌসুমে ভুগতে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে, মাঠে নেমেই পুরনো চেহারায় ফেরে দলটি। স্বাগতিক অ্যাথলেতিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে তুলে নেয় ৩-০ গোলের দারুণ জয়।
    অথচ প্রিমিয়ার লিগে এই দলটিই সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে জয়বঞ্চিত। এই সময়ে মাত্র দুটি ম্যাচ ড্র করে দুই পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে রুবেন আমোরিমের দল। লিগ টেবিলের ১৪ নম্বরে আছে তারা।
    একই কথা বলা চলে টটেনহাম হটস্পারকে নিয়েও। লিগে ক্লাবটির অবস্থান ১৬তম। শেষ আট ম্যাচে জয় মাত্র একটিতে, একটিতে ড্র। বাকি ছয়টিই হেরেছে তারা। ইউরোপা লিগের সেমিফাইনালে উঠে অবশ্য অসাধারণ জয় পেয়েছে দলটি। নরওয়ের ক্লাব বোদোগ্লিমৎকে হারিয়েছে ৩-১ ব্যবধানে।
    এদিকে, সুইডিশ ক্লাব ইউগোর্ডেনের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয় তুলে কনফারেন্স লিগের ফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেছে চেলসি।
    আগামী সপ্তাহে ঘরের মাঠে ফিরতি লেগের ম্যাচ খেলবে চেলসি ও ইউনাইটেড, আর টটেনহাম খেলবে অ্যাওয়ে ম্যাচ। প্রথম লেগে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ফাইনালে পৌঁছাতে তিন দলের কারও খুব বেশি বেগ পাওয়ার কথা নয়।