Category: ফুটবল

  • এবার বার্সার নাটকীয় জয়ে মাদ্রিদের স্বপ্নভঙ্গ

    এবার বার্সার নাটকীয় জয়ে মাদ্রিদের স্বপ্নভঙ্গ

    নাটকীয় উত্তেজনা আর একের পর এক পাল্টাপাল্টি আক্রমণের শেষে, জুলস কুন্দের শেষ মুহূর্তের গোলে এল ক্লাসিকো ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোপা দেল রে’র শিরোপা ছিনিয়ে নিল বার্সেলোনা। পেদ্রির গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর মাদ্রিদ ম্যাচে ফিরে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও চুয়ামেনির দুর্দান্ত গোলে, তবে বার্সা ফেরান তোরেসের মাধ্যমে সমতা আনে। অতিরিক্ত সময়ে কুন্দের জয়সূচক গোলেই শেষ হাসি হাসে হান্সি ফ্লিকের দল।

    জুলস কুন্দের অতিরিক্ত সময়ে করা দুর্দান্ত গোলের মাধ্যমে সেভিয়ায় রিয়াল মাদ্রিদকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোপা দেল রে শিরোপা জয় করলো বার্সেলোনা। নাটকীয় এই ক্লাসিকোতে ৯০ মিনিটে ২-২ গোলে সমতা থাকার পর, যখন ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ানোর সম্ভাবনা ছিল, তখন ২২ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে পাঠান বার্সেলোনার ফরাসি ডিফেন্ডার কুন্দে।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে বার্সা ছিল স্পষ্টভাবে এগিয়ে থাকা দল। পুরো হাফে রিয়ালকে নাকানি চুবানি খাইয়ে লামিন ইয়ামালের কাটব্যাক থেকে পেদ্রি প্রথম স্পর্শেই দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামা কিলিয়ান এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদকে প্রাণ ফিরিয়ে দেন। তিনি একটি ফ্রি-কিক থেকে পোস্টের সাহায্যে দুর্দান্তভাবে গোল করে সমতা ফেরান। এরপর আরদা গুলেরের কর্নার থেকে হেডে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন অরেলিয়ান চুয়ামেনি।

    কিন্তু বার্সেলোনা সহজে হার মানার পাত্র নয়। ইয়ামালের লম্বা পাস ধরে গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়াকে কাটিয়ে গোল করেন ফেরান তোরেস, আবারও সমতা ফেরান তারা।

    ইনজুরি টাইমে বার্সেলোনা মনে করেছিল তারা পেনাল্টির মাধ্যমে ম্যাচ জয় করতে যাচ্ছে। রাফিনহার ওপর রাউল অ্যাসেনসিওর ট্যাকলকে ঘিরে পেনাল্টির সিদ্ধান্তও এসেছিল। তবে দীর্ঘ ভিএআর চেকের পর রেফারি সিদ্ধান্ত বদলে রাফিনহাকে ডাইভিংয়ের জন্য হলুদ কার্ড দেন।

    ফলে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানেই কুন্দে তার মৌসুমের চতুর্থ গোল করে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন। এদিকে ম্যাচের শেষদিকে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। কিলিয়ান এমবাপ্পে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে সরানোর চেষ্টা করলে রেফারি তার বিরুদ্ধে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন। এতে রিয়াল বেঞ্চ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং আন্তোনিও রুডিগার মাঠে ছুটে আসেন। রুডিগার রেফারির দিকে কিছু ছুঁড়ে মারার অভিযোগে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন।

    এরই সাথে শেষ হয় ২০১৪ সালের পর প্রথম কোনো বড় টুর্নামেন্টে হওয়া ক্লাসিকো ফাইনাল, যেখানে বার্সেলোনা উচ্ছ্বাসে ভাসল আর মাদ্রিদ হতাশায় ডুবল।

  • মেসির ম্যাজিক চলছেই !

    মেসির ম্যাজিক চলছেই !

    আর দুই মাস পর লিওনেল মেসি পা দেবেন ৩৮ বছর বয়সে। না, বুট জোড়া তুলে রাখার চিন্তা নেই তার। রাখবেনই বা কেন? এই বয়সে এসেও দলের মূল ভরসা তিনি। চোটের সঙ্গে নিত্য লড়াই চলছে তার। লড়াই শেষে যখন ফিরছেন, মাঠে দেখাচ্ছেন নিজের ঝলক। বলা চলে, মেসি ম্যাজিক চলছেই।

    কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপেই যেমন আরও একবার দেখালেন নিজের ঝলক। আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) পিছিয়ে পড়েও জেতালেন ইন্টার মায়ামিকে। মেসির জোড়া গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে এলএএফসিকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে মায়ামি। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমি ফাইনালে উঠেছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি।

    প্রথম লেগে এলএ-র মাঠে ১-০ গোলে হেরেছিল মায়ামি। দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে ৯ মিনিটে গোল হজম করে তারা। পিছিয়ে পড়ে ২ গোলের ব্যবধানে। অ্যারন লংয়ের গোল স্বপ্ন দেখাচ্ছিল এলএকে। কিন্তু মায়ামির একজন মেসি আছেন, যিনি ভিন্ন গল্প লিখতে মুখিয়ে ছিলেন।

    ৩৫ মিনিটে প্রথম গোল করেন মায়ামি অধিনায়ক। মেসির সেই গোলে আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় দল। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ সমতায়। বিরতি থেকে ফিরে মায়ামিকে এগিয়ে নেন ফেদেরিকো রেদোনদো। আর ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে আর্জেন্টাইন মহাতারকা গোল করে মায়ামিকে এনে দেন ৩-১ ব্যবধানের জয়। তাতে অন্ধকার দূর করে সেমির দেখা পায় তারা।

    বয়সের ভারে নুয়ে পড়া নয়, বরং মেসি জ্বলজ্বল করছেন আপন আলোতে। নিজেকে প্রমাণের কিছু নেই। নির্ভার মেসি তাই সুযোগ পেলেই পুরোনো জাদু দেখান চেনা ঘাসে।

  • এবার রিয়ালকে বিধ্বস্ত করে ইতিহাস গড়ল আর্সেনাল

    এবার রিয়ালকে বিধ্বস্ত করে ইতিহাস গড়ল আর্সেনাল

    গোল হজমের পর হতভম্ব রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা, অন্যদিকে বাঁধভাঙা উল্লাসে মাতোয়ারা আর্সেনালের সমর্থকরা। গতকাল মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দিনগত রাত ১টায় এমিরেটস স্টেডিয়ামে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্সেনাল। এই অভাবনীয় জয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন ডেকলান রাইস, যিনি সরাসরি দুটি ফ্রি-কিক থেকে গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে নতুন এক কীর্তি স্থাপন করেছেন।

    ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্সেনাল। যদিও প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপ্পে একটি সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির আগে রাইসের একটি হেড এবং মার্তিনেল্লির শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন রিয়ালের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া।

    তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র পাল্টে যায়। ৫৮তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্সেনাল। স্পট কিকে অসাধারণ এক বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন ডেকলান রাইস। ঝাঁপিয়েও সেই বলের নাগাল পাননি কোর্তোয়া। ওয়েস্ট হাম ও আর্সেনালের জার্সিতে ৩৩৯ ম্যাচ খেলার পর এই প্রথম সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে গোল করলেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার।

    রাইসের জাদু এখানেই থামেনি। ৭০তম মিনিটে আবারও ফ্রি-কিক পায় আর্সেনাল এবং আবারও সেই রাইস। এবার আরও জোরালো শটে বল জড়িয়ে দেন রিয়ালের জালে। গোলটি এতটাই অপ্রত্যাশিত ছিল যে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড হতভম্ব হয়ে মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    মাত্র ১২ মিনিটের ব্যবধানে দুটি দৃষ্টিনন্দন ফ্রি-কিক গোল হজম করার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। এই সময়ের মধ্যে কোর্তোয়া এবং বেলিংহাম আরও একটি গোল হজম করা থেকে বাঁচান দলকে।

    ডেকলান রাইস চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে সরাসরি দুটি ফ্রি-কিক থেকে গোল করার অনন্য নজির স্থাপন করলেন। এর আগে রিভালদো, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার এবং হাকিম জিয়েশ এই কৃতিত্ব অর্জন করলেও তাদের গোলগুলো নকআউট পর্বের ম্যাচে ছিল না।

    তবে রাইসের জোড়া গোলের পরেও আর্সেনালের আক্রমণ থামেনি। ৭৫তম মিনিটে লুইস-স্কেলির বাড়ানো বল জালে ঠেলে দিয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মাইকেল মেরিনো। এরপর বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মিকেল আর্তেতার দল।

    এই পরাজয় রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বড় ধাক্কা। বিশেষ করে ঘরের মাঠে ৩-০ গোলে হার তাদের সেমিফাইনালে ওঠার পথ কঠিন করে তুলেছে। আগামী ১৬ এপ্রিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এই কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগ। সেখানে আর্সেনালের এই দাপট রিয়াল মাদ্রিদ কীভাবে সামাল দেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

  • অবশেষে ভক্তদের উন্মাদনা, নতুন মাইলফলকে নাম লেখালেন হামজা

    অবশেষে ভক্তদের উন্মাদনা, নতুন মাইলফলকে নাম লেখালেন হামজা

    হামজা জ্বরে এখনো ভুগছে বাংলাদেশ ফুটবল। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বড় নামও হামজা দেওয়ান চৌধুরী। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা এ ফুটবলার বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই ভক্তদের উন্মাদনা বুঝতে পেরেছেন। বিমানবন্দরে পা রাখা থেকে বাড়ি পৌঁছা, প্রেস কনফারেন্স, অনুশীলন- সবখানেই ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন এই প্রবাসী ফুটবলার।

    গত ২৫ মার্চ ভারতের বিপক্ষে অভিষেক হয় হামজার। অভিষেক ম্যাচেই হামজার কল্যাণে ভারতকে তাদের ঘরের মাঠে রুখে দিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে হামজা বন্দনা বেড়েছে কয়েক গুণ।

    শুধু মাঠের উন্মাদনায় নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হামজাকে নিয়ে মেতেছেন ভক্তরা। বাংলাদেশের হয়ে হামজার অভিষেকের এক মাসও হয়নি। এই সময়েই ফেসবুকে তার অনুসারী সংখ্যা এক মিলিয়ন বা দশ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। নতুন মাইলফলকে নাম লিখিয়ে ভক্তদের ধন্যবাদ দিতে এতটুকু কুণ্ঠাবোধ করেননি এই মিডফিল্ডার।

    ফেসবুকে সমর্থনের জন্য ভক্তদের উদ্দেশ্যে হামজা লিখেছেন, ‘ফেসবুকে এক মিলিয়ন ফলোয়ার, আলহামদুলিল্লাহ। সমর্থনের জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি খুবই আনন্দিত।’

    হামজা ফেসবুকে খুব বেশি যে সরব থাকেন, তা কিন্তু নয়। গত বছরের ৮ অক্টোবর তিনি ফেসবুকে নিজের নামে পেজ খুলেছেন। এরপরও খুব বেশি আপডেট দিতেন না। তবে এবার বাংলাদেশে আসার পর নিজের ছেলেবেলার বেশ কিছু ছবি দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন হামজা। এরপর খেলার ছবি ও ভিডিওর দেখা মিলেছে হামজার ফেসবুক পেইজে।

     

  • মেসি, নেইমারের কাছে শেখা কৌশলেই সফল

    মেসি, নেইমারের কাছে শেখা কৌশলেই সফল

    মাঠ ও মাঠের বাইরে লম্বা সময় একসঙ্গে কাটিয়েছেন তারা। বার্সেলোনা ছেড়ে একসঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে গিয়েও। তাই দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বও লম্বা সময়ের। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের হয়ে মুখোমুখি হলেও বন্ধুত্বে চির ধরেনি। শুধু যে বন্ধু হিসেবে তারা একে অপরকে সঙ্গ দিয়েছেন তা নয়, বরং নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও একে অপরকে সহায়তা করেছেন।

    ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের এখনো জেতা হয়নি বিশ্বকাপ ট্রফি। কিন্তু আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি নিজ ক্যারিয়ারে জিতেছেন প্রায় সব ট্রফিই। তবে মেসির এই সাফল্যের পেছনে অবদান আছে নেইমারের। সম্প্রতি ‘পডপাহ’ নামে এক পডকাস্টে এমনটাই জানিয়েছেন নেইমার।

    ওই পডকাস্টে নেইমার বলেছেন, মেসিকে বিশেষ একটি জায়গায় দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করেছেন তিনি। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বলেন, পেনাল্টি কিক নেওয়ার ব্যাপারে তার কাছ থেকে শিখেছিলেন মেসি।

    পেনাল্টি নিতে বরাবরই দুর্দান্ত নেইমার জুনিয়র। শুধু কার্যকারিতার দিক থেকেই নয়, স্টাইলের দিক থেকেও বাকিদের চেয়ে বেশ এগিয়ে আছেন সান্তোস তারকা। ট্রান্সফরমার্কেটের হিসাবে, এখন পর্যন্ত ১০৬টা পেনাল্টি নিয়ে ৮৮টিতে গোল করেছেন নেইমার, মিস করেছে ১৮টি। অন্যদিকে মেসি ১৪২টি পেনাল্টি নিয়ে ১১১টি গোল করলেও মিস করেছেন ৩১টি। যার অনেকগুলোই ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে। ২০১৬ কোপা আমেরিকা ফাইনালেই যেমন টাইব্রেকার শট মিস করেছিলেন মেসি।

    নিজের পেনাল্টি নেওয়ার দক্ষতা বাড়াতে একসময় নেইমারের কাছ থেকে পরামর্শও নিয়েছিলেন মেসি। বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন তারকার অনুরোধ নিয়ে নেইমার বলেছেন, ‘আমি মেসিকে পেনাল্টি নেওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করেছি। সে আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘তুমি কীভাবে এমন পেনাল্টি নাও?’

    মেসির কাছ থেকে সাহায্যের অনুরোধ শুনে বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। সে সময় কী মনে হয়েছিল তা ব্যাখ্যা করে নেইমার বলেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছিল (মেসির অনুরোধ শোনার পর) তুমি কি পাগল? তুমি মেসি! যদি আমি সেটা করতে পারি, তবে তুমিও করতে পারবে।’

    এরপরও অবশ্য মেসিকে সময় নিয়ে নিজের কৌশল ঠিকই শিখিয়ে দিয়েছিলেন নেইমার। যা পরে অনুশীলনের সময় চর্চাও করেছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। নেইমারের দেওয়া এ তথ্য বুঝিয়ে দিচ্ছে, সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হয়েও মেসি শেখার জন্য কতটা ক্ষুধার্ত ছিলেন। নিজের উন্নতির জন্য কতটা উন্মুখ ছিলেন।

    ক্যারিয়ারজুড়ে বিভিন্ন সময় পেনাল্টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছিল মেসিকে। চাপের মুখে বিশ্বকাপ বা চ্যাম্পিয়নস লিগে পেনাল্টি নিয়ে যেমন প্রশংসিত হয়েছেন, তেমনি বিভিন্ন সময় মিস করে সমালোচিতও হয়েছিলেন। তবে ক্যারিয়ারের পরের দিকে স্পট কিকে বেশ উন্নতি দেখান মেসি। হয়তো নেইমারের পরামর্শই বদলে দিয়েছিল তাকে।

     

  • অবশেষে ফাইনালের মিশনে মাঠে নামছে বার্সা

    অবশেষে ফাইনালের মিশনে মাঠে নামছে বার্সা

    নিউজিল্যান্ড সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ আগেই হাতছাড়া করে ফেলেছে পাকিস্তান। ওয়ানডে সিরিজও শুরু করেছে তারা হারের তেতো স্বাদ হজম করে। সিরিজ সমতায় ফিরতে বুধবার হ্যামিল্টনে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে কিউইদের মোকাবিলা করবে ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল।

    ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে কোচ পেপ গার্দিওলার ম্যানসিটিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে লেস্টার সিটি। আর লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ড জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নিজেদের ঝালাই করে নিয়েছে এভারটন। কোপা দেল রের সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে

    অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে মোকাবিলা করবে বার্সেলোনা। আর কোপা ইতালিয়ায় থাকবে মিলান ডার্বি।

     

  • এবার ড্র করেও ফাইনালে রিয়াল

    এবার ড্র করেও ফাইনালে রিয়াল

    কোপা দেল রের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই হলো রিয়াল মাদ্রিদ ও রিয়াল সোসিয়েদাদের মধ্যে৷ এই লড়াইয়ে জেতেনি কেউ, ড্র হয়েছে ৪-৪ গোলে৷ তবে প্রথম লেগের জয়ের ওপর দাঁড়িয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

    প্রথম লেগে সোসিয়েদাদের মাঠ থেকে ১-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছিল রিয়াল। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনালের টিকিট কেটেছে তারা। আরেক সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে বুধবার (২ মার্চ) দিবাগত রাতে মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা ও অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। আসন্ন ম্যাচের জয়ী দলের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামবে রিয়াল।

    সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের ১৬তম মিনিটে বারেনজিয়ার গোলে এগিয়ে যায় সোসিয়েদাদ। ১৪ মিনিট পর রিয়ালকে ম্যাচে ফেরান এদ্রিক। প্রথমার্ধে আর কোনো দল জালের দেখা পায়নি৷ ৭২ মিনিটে দাভিদ আলাভার আত্মঘাতি গোলে ফের এগিয়ে যায় সোসিয়েদাদ। ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ তখনও বাকি। ৮০ মিনিটে অতিথিদের হয়ে স্কোরলাইন ৩-১ করেন ওইয়ারজাবাল৷ অবশ্য স্বাগতিকদের সমতায় ফিরতে বেশি সময় লাগেনি।

    ৮২ ও ৮৬ মিনিটে বেলিংহাম ও চৌমেনি গোল করলে স্কোরলাইন ৩-৩ হয়। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ফের গোল করেন ওইয়ারজাবাল। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ গোলে সমতা টানে সোসিয়েদাদ। তাতেই ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই বাজিমাত করে রিয়াল। ১১৫তম মিনিটে গুলেরের কর্নার থেমে হেডে গোল করেন রুডিগার। ন্যূনতম ব্যবধানে এগিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হয় জায়ান্টদের।

  • এবারের ঈদ বার্তায় ফিলিস্তিনকে সমর্থন করলেন হামজা

    এবারের ঈদ বার্তায় ফিলিস্তিনকে সমর্থন করলেন হামজা

    দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের সমর্থন করে এর আগেও আলোচনায় এসেছিলেন হামজা চৌধুরী। পবিত্র ঈদুল ফিতরেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে ভুলেননি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই প্রবাসী তারকা ফুটবলার।

    ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে তিনটি ছবি পোস্ট করেছেন হামজা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বাঁ হাতে একটি ব্রেসলেট পরে আছেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। কালো ফিতার ব্রেসলেটটিতে লকেট আকারের ফিলিস্তিনের ছোট পতাকা যুক্ত আছে। এটা যে গাজায় ইসরাইল হামলার প্রতি হামজার প্রতিবাদ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এর আগে ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক ভিডিও বার্তায় হামজা বলেন, ‘সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের সবার সঙ্গে শিগগিরই দেখা হবে।’

  • রিয়ালের সামনে ফাইনালের মিশন

    রিয়ালের সামনে ফাইনালের মিশন

    শিহরণের রেণু ছড়িয়ে দিতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এ দিন মাঠের লড়াইয়ে নামবে আর্সেনাল। নিজেদের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে গানারদের প্রতিপক্ষ ফুলহ্যাম। আর নটিংহ্যাম ফরেস্টের মাঠ সফরে যাবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কোপা দেল রের ফাইনালের টিকিট কাটতে শেষ চারের ফিরতি লেগে রিয়াল মাদ্রিদ মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়েদাদের।

     

  • হামজা পুরো উপমহাদেশের জন্য ইতিবাচক

    হামজা পুরো উপমহাদেশের জন্য ইতিবাচক

    গত এক সপ্তাহ হামজা চৌধুরীতে বুঁদ হয়ে ছিল পুরো বাংলাদেশ। হামজার মাপের ফুটবলার কেবল বাংলাদেশেই নয়, নেই গোটা দক্ষিণ এশিয়াতে। যদি পরিধি বাড়িয়ে এশিয়ার পর্যায়ে নেওয়া হয়, সেখানেও হামজা অন্যতম সেরা। এমন একজনকে পাওয়া দেশের ফুটবলের দল তো বটেই, ইতিবাচক পুরো উপমহাদেশের জন্যই।

    ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব শেষ করে আজ বুধবার (২৬ মার্চ) দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। বিমানবন্দরে জাতীয় দলের ম্যানেজার আমের খান জানান, হামজার অন্তর্ভুক্তি পুরো উপমহাদেশকে উপকৃত করবে।

    আমের খান বলেন, ‘হামজার অন্তর্ভুক্তি আমাদের জন্য একটা বড় প্রাপ্তি। শুধু আমাদের জন্য না, হামজার আসাটা আমি মনে করি পুরো উপমহাদেশের জন্য ভালো দিক হয়েছে। এরকম মানের ফুটবলার আসলে হয়তো ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের ফুটবলটা উন্নত হবে। ভারতেও দর্শকরা (বাংলাদেশি) হামজা হামজা বলে প্রতিধ্বনি তুলেছিল।’

    দলের সঙ্গে দেশে ফিরলেও আগামীকাল ইংল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেবেন হামজা। পরদিন শুক্রবার ম্যাচ আছে শেফিল্ড ইউনাইটেডের। গত ১৭ই মার্চ মা, স্ত্রী, সন্তান ও ভাইসহ মোট ৯ জনকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ২৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার। আগামী ১০ জুন ঘরের মাঠে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফের দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার।