Category: ফুটবল

  • মেসির কাছে অটোগ্রাফ চাওয়ায় রেফারিকে শাস্তি

    মেসির কাছে অটোগ্রাফ চাওয়ায় রেফারিকে শাস্তি

    কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে স্পোর্টিং কানসাস সিটির বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। গত বুধবার রাতের (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল) সেই ম্যাচের চূড়ান্ত বাঁশি বাজানোর পরপরই লিওনেল মেসির কাছে অটোগ্রাফের জন্য ছুটে যান রেফারি মার্কো আন্তেনিও অর্টিজ নাভা।

    কনকাকাফের আচরণবিধির সাথে বিষয়টি না যাওয়ায় ওই রেফারির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কনকাকাফ।

    মেসির কাছে যখন যান, তখন মনে হয়েছিল ম্যাচের স্মারক হিসেবে তার জার্সি চেয়েছিলেন আন্তেনিও। যদিও পরে স্পষ্ট হয়, রেফারি আসলে পরিবারের একজন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সদস্যের জন্য অটোগ্রাফ চেয়েছিলেন, তবে এই পদক্ষেপ কনকাকাফ কর্মকর্তাদের আচরণবিধির পরিপন্থী।

    বিষয়টি তদন্তের পর কনকাকাফের একজন মুখপাত্র জানায়, ‘গত রাতে স্পোর্টিং কানসাস সিটি এবং ইন্টার মিয়ামি সিএফের মধ্যে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজানোর পরপরই রেফারি মার্কো আন্তোনিও অর্টিজ নাভা এবং খেলোয়াড় লিওনেল মেসির মধ্যে যে কথোপকথন হয়েছিল সেটি সম্পর্কে কনকাকাফ অবগত।’

    ‘রেফারির আচরণ ম্যাচ কর্মকর্তাদের জন্য কনফেডারেশনের যে আচরণবিধি আছে… এই ধরনের অনুরোধ সঙ্গতিপূর্ণ নয়। রেফারি তার ভুল স্বীকার করেছেন, ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এবং কনকাকাফ যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন তা মেনে নিয়েছেন।’

    যদিও রেফারির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কী হবে, তা কনকাকাফ প্রকাশ করেনি।

    বুধবার রাতে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের প্রথম রাউন্ডের প্রথম লেগে ইন্টার মিয়ামি ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে। দ্বিতীয়ার্ধে গোল দেন মেসি। তীব্র ঠান্ডা ও ঝড়ের সতর্কতার কারণে খেলাটি প্রাথমিকভাবে ২৪ ঘণ্টা স্থগিত করা হয়েছিল। কানসাস সিটি জুড়ে পাঁচ থেকে সাত ইঞ্চি তুষারপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। যদিও বুধবার শহরে তুষারপাত দেখা যায়নি। তবে খেলোয়াড়দের হিমশীতল তাপমাত্রায় খেলতে হয়েছে। বিষয়টিকে ইন্টার মায়ামির প্রধান কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো পরিস্থিতিকে `মানবিক নয়‘ বলে উল্লেখ করেছেন।

    আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি স্পোটিং কেসির সঙ্গে দ্বিতীয় লিগে মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি।

     

  • এমবাপ্পের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে সিটিকে গুঁড়িয়ে শেষ ষোলোয় রিয়াল

    এমবাপ্পের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে সিটিকে গুঁড়িয়ে শেষ ষোলোয় রিয়াল

    কিলিয়ান এমবাপ্পের অসাধারণ হ্যাটট্রিকে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। আর দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৩ গোলের অগ্রগামিতায় চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

    বুধবার প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে বার্নাব্যুতে আর্লিং হলান্ড, কেভিন ডে ব্রুইনেদের বেঞ্চে বসিয়ে মহাগুরুত্বপূর্ণ এই লড়াইয়ে নামে পেপ গার্দিওলার দল। তবে ফরাসি ফরোয়ার্ড প্রায় একাই তাদের হারিয়ে দিলেন। ম্যাচের অন্তিম সময়ে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে একটি গোল করেছেন নিকো গনসালেস।

    এদিন ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে গোলের জন্য প্রথম শট নিয়েই জালের দেখা পায় রিয়াল। নিজেদের অর্ধ থেকে হাওয়ায় ভাসিয়ে দারুণ এক থ্রু পাস বাড়ান রাউল আসেন্সিও, বলের পিছু ছুটে ডি-বক্সের বাইরে হেডে ক্লিয়ার করার চেষ্টায় ব্যর্থ হন রুবেন দিয়াস। এরপর বুদ্ধিদীপ্ত শটে আগুয়ান গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন এমবাপ্পে।

    ৩৩তম মিনিটে রদ্রিগোর কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ ডজে ইয়োশকো ভার্দিওলকে এড়িয়ে গতিময় নিচু শটে জালে খুঁজে নেন এমবাপ্পে। ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে রেয়াল মাদ্রিদ বিরতির আগের সময়টুকুতেও ধরে রাখে চাপ।

    বিরতির পর হ্যাটট্রিকের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি এমবাপ্পেকে। ৬১তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে একটু জায়গা করে নিয়ে আড়াআড়ি শটি জাল খুঁজে নেন তিনি। ঝাঁপ দিলেও বলের নাগাল পাননি সিটি গোলরক্ষক।

    সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে এটি ফরাসি ফরোয়ার্ডের ২৮তম গোল। ২০১৬-১৭ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউট পর্বে এটি তার ২৪তম গোল, যা এই সময়ে অন্য যে কারোর চেয়ে বেশি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তৃতীয় হ্যাট্রটিক করলেন এমবাপে, চলতি আসরে করলেন সাত গোল।

    খেলার যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান কমান গনসালেস। ওমার মার্মাউশের ফ্রি কিক ক্রসবারে লেগে ফিরলে ফাঁকা জালে বল পাঠান তরুণ স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। সিটির হয়ে এটাই তার প্রথম গোল, ইউরোপ সেরার মঞ্চেও প্রথম।

     

  • বার্সেলোনা লিগ টেবিলের শীর্ষে

    বার্সেলোনা লিগ টেবিলের শীর্ষে

    লা লিগার ম্যাচে রায়ো ভ্যালেকানোকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। এই জয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ তিন স্থান ওলট-পালট হয়ে গেছে। এর ফলে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদকে পেছনে ফেলে পয়েন্ট টেবিলের চূড়ায় উঠে গেছে বার্সেলোনা।

    গতকাল সোমবার রাতে অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজিত ম্যাচে পুরোটা সময়ই আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে বার্সেলোনা। তবে বেশিভাগ সুযোগই কাজে লাগাতে পারেনি তারা।

    এদিন একটির বেশি গোল করতে না পারলেও ম্যাচে পরিষ্কার ফেবারিট ছিল কাতালানরাই। ম্যাচজুড়ে ৬০ শতাংশ সময় বলের দখল রেখে গোলের উদ্দেশে মোট ১৪টি শট নিয়ে তার পাঁচটি লক্ষ্যে রাখে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। অপরদিকে, রায়োর আটটি শটের চারটি লক্ষ্যে ছিল।

    প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে রবার্ট লেভানডোভস্কির গোল গড়ে দিয়েছে ব্যবধান। ২৩তম মিনিটে রাফিনিয়া ভালো এক সুযোগ পেয়েছিলেন গোলের জন্য। তার নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন ভ্যালেকানো গোলরক্ষক।

    তবে গোল পেতে বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বার্সাকে। ২৮তম মিনিটে পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন লেভানডোভস্কি। চলতি মৌসুমে লিগে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার লেভা ২৩ ম্যাচে করেছেন ২০ গোল।

    দ্বিতীয় হাফেও গোলে একাধিক সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। তবে গোল করতে ব্যর্থ হয় লেভা-রাফিনিয়ারা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।

    ২৪ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে টেবিলের শীর্ষে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার কারণে দুইয়ে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। আর ২৪ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অ্যাতলেটিকো।

     

  • নেইমারের দেড় বছর পর গোল

    নেইমারের দেড় বছর পর গোল

    ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর পেশাদার ফুটবলে গোলের দেখা পেয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র। এরপর কেটে গেছে প্রায় দেড় বছর। চোটের কারণে সেভাবে মাঠেই নামা হয়নি নেইমারের। যার ফলে লম্বা সময় ধরে ছিলেন গোলবঞ্চিত। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে গোলের সেই আক্ষেপ মিটিয়েছেন নেইমার।

    আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সাও পাওলো রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে অ্যাগুয়া সান্তার বিপক্ষে গোলের দেখা পান নেইমার। ব্রাজিলিয়ান এই তারকার গোলের সুবাদে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় সান্তোস। ম্যাচের ১৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় সান্তোস। সুযোগ হাতছাড়া করেননি নেইমার। গোল করে উল্লাসে মাতেন। ক্লাবের হয়ে এটি তার ১৩৯তম গোল।

    এদিন অবশ্য ছন্দেই ছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে সান্তোসের তৃতীয় গোলে অ্যাসিস্ট করেন নেইমার। যদিও পুরো ম্যাচে খেলা হয়নি তার। চোটের কথা মাথায় রেখে ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে তাকে তুলে নেয় সান্তোস কোচ। এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে সান্তোসের এই জয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন নেইমার।

    এর আগে, সান্তোসের হয়ে প্রথম দফায় নেইমার খেলেছিলেন ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত। সে সময় ২২৫ ম্যাচে তিনি করেছিলেন ১৩৮ গোল। সৌদি লিগে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মাত্র সাত ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নেইমার। চোটের ধাক্কায় তার পারফরম্যান্সও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্রুতই চেনা ছন্দে ফিরবেন এই তারকা, সেই প্রত্যাশায় সমর্থকরা।

     

  • অবশেষে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার হার

    অবশেষে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার হার

    চিলিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক সেরে রেখেছিল ব্রাজিলের যুবারা। আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জিততে হলে করতে হতো ৪ গোল। কিন্তু প্যারাগুয়ের বিপক্ষে চার গোল তো দেয়া হয়নি। বরং ৩-২ গোলে হেরেছে ক্লদিও এচেভেরির দল। ফাইনাল পর্ব শেষে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তাই অনেকটা হেসেখেলেই কনমেবল অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলল ব্রাজিল।

    নিজেদের ম্যাচটা শেষ করেই ব্রাজিল দল চলে এসেছিল আর্জেন্টিনা ম্যাচের ভেন্যুতে। প্যারাগুয়ের তৃতীয় গোলের পর তাদের উচ্ছ্বাসই ছিল সবচেয়ে বেশি। ডিয়েগো লিওনের সেই গোলের পর আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জয়ের জন্য করতে হতো আরও ৫ গোল। কিন্তু ৮২ মিনিটে গোল হজমের পর ৫ গোল দেয়ার স্বপ্ন দেখাটাও বেশ কঠিনই বটে।

    আর্জেন্টিনার হারের এপিটাফ অবশ্য লেখা হয়ে গিয়েছিল আরও অনেকটা আগেই। চিলির বিপক্ষে ব্রাজিল ৩-০ গোলে জিতেছিল কয়েক ঘণ্টা আগেই। এমন অবস্থায় শিরোপা জিততে আর্জেন্টিনার জন্য ভরসা ছিল গোল ব্যবধান। চার গোলের নিচে জয় পেলেও তাদের লাভ হতো না সে অর্থে। কিন্তু আর্জেন্টিনা যুবারা ম্যাচে পিছিয়ে যায় ৩০ মিনিটেই। লুকা কেমেটের গোল লিড নেয় প্যারাগুয়ে।

    বিরতির পর ফের গোল হজম করে তারা। তিয়াগো ইসায়াসের গোলে ২-০ তে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে অবশ্য ৬৭ মিনিটের মাঝে ম্যাচে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। জোড়া গোল ক্যারিজোর। কিন্তু সেখান থেকে শিরোপার দৌড়ে আর্জেন্টাইন যুবারা নিজেদের আর এগিয়ে নিতে পারেনি। উল্টো ডিয়েগো লিওনের ৮২ মিনিটের গোল নিশ্চিত করে ব্রাজিলের শিরোপা।

    নিজেদের শেষ ম্যাচে ব্রাজিলও ঝড় তুলেছে একেবারে শেষে এসে। চিলির যুবাদের বিপক্ষে ম্যাচের একটা লম্বা সময় পর্যন্ত দেখা মেলেনি গোলের। কিন্তু যখন দরকার, তখনই সেলেসাও যুবারা নিজেদের জাত চেনালো দারুণভাবে। ৭৩ থেকে ৮৮, এ ১৫ মিনিটে একে একে ৩ গোল প্রতিপক্ষের জালে পুরেছে তারা। শুরুটা করেছিলেন ডেভিড ওয়াশিংটন।

    এরপর ৭৮ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় চিলি। লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইভান রোমান। ১ জন বাড়তি থাকার সুবিধাটা ব্রাজিল এরপর আদায় করেছে দারুণভাবে। ৮৬ মিনিটেই ব্যবধান ২-০ করেন পেদ্রো। আর মিনিট দুয়েক পরেই ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন রিকার্ডো ম্যাথিয়াস। ম্যাচের শেষ পর্যায়ে ব্রাজিলের রবার্তো পিন্টো লালকার্ড হজম করলেও সেটা তাদের খুব একটা ভাবায়নি।

    কনমেবল অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে নেই ফাইনাল বা সেমিফাইনাল। এখানে লিগ পদ্ধতিতে শীর্ষে থাকা দলই হয় চ্যাম্পিয়ন। ব্রাজিল নিজেদের কাজটা সেখানেই সেরেছে। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনাল পর্ব শেষ করেছে তারা। আর্জেন্টিনার ঝুলিতে ১০ পয়েন্ট। নিজেদের প্রথম ম্যাচটা ৬-০ গোলের হার দিয়ে শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নের হাসিটা ব্রাজিলেরই থাকলো।

  • অবশেষে বিদ্রোহ শেষ, অনুশীলনে ফিরতে রাজি নারী ফুটবলাররা

    অবশেষে বিদ্রোহ শেষ, অনুশীলনে ফিরতে রাজি নারী ফুটবলাররা

    অবশেষে কাটল নারী ফুটবলের অচলাবস্থা। বিদ্রোহ শেষ করার কথা জানিয়ে কোচ পিটার বাটলারের অধীনের অনুশীলন করতে রাজি হয়েছেন নারী ফুটবলাররা। আজ রবিবার বাফুফেতে এক সংবাদ সম্মেলনে বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার এই তথ্য জানান। এর আগে বিদ্রোহ করা ফুটবলারদের সঙ্গে মাহফুজা আক্তারের বৈঠক হয়।

    এর মাধ্যমে শেষ হলো প্রায় ১৮ দিন ধরে চলা নারী ফুটবলের গুমোট এক পরিস্থিতি। গত ৩০ জুন বাফুফে ভবনের সামনে গণমাধ্যমের কাছে কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে তিন পৃষ্ঠার লিখিত অভিযোগ তুলে ধরেন সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে ১৮ ফুটবলার। বাটলারকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া না হলে অনুশীলনে যোগ না দেওয়া ও একযোগে অবসরের হুমকি দেন তারা।

    আজ বাফুফেতে মাহফুজা আক্তার বলেছেন, ‘আমি নিয়মিত তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে বসার পর আমি যেটা বলতে পারি, মেয়েরা অনুশীলনে ফিরবে।’

    যদিও এখনই অনুশীলনে ফিরছেন না বিদ্রোহ করা ওই নারী ফুটবলাররা। ছুটি কাটিয়ে তারপর অনুশীলনে যোগ দেবেন তারা। বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের আসন্ন সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরেও দলের সঙ্গে যাচ্ছেন না ওই ১৮ ফুটবলারের কেউ।

    ৩০ জুন নারী ফুটবলাররা বিদ্রোহের ঘোষণা দিলে সিনিয়র সহসভাপতি ইমরুল হাসানকে চেয়ারম্যান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বাফুফে। তদন্ত শেষে সেই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয় বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের কাছে। এরপর নারী ফুটবলারদের সাথে বাফুফে সভাপতি ও নারী উইং একাধিকবার বৈঠক করলেও অনড় থাকেন নারী ফুটবলাররা। অবশেষে পুরোনো সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন নারী ফুটবলাররা।

     

  • সমতায় শেষ হলো ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণ

    সমতায় শেষ হলো ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণ

    দক্ষিণ আমেরিকা অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে চিরপ্রতিন্দন্দ্বী আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল। এর ফলে, চ্যাম্পিয়নের ভাগ্য নির্ধারিত হবে শেষ ম্যাচে।

    ভেনেজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে বেশ ভালো খেলেছে আর্জেন্টিনা। ৬-০ গোলের ঐতিহাসিক জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামা দলটি প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় ক্লাউদিও এচেভেরির স্পট-কিকের সুবাদে। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার বিডন, হুলিও সোলেরকে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

    চমৎকার এক প্যানেনকা শটে দলকে এগিয়ে দেন এচেভেরি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাজিল। যদিও আর্জেন্টিনা বেশিরভাগ সময়ই রক্ষণ জমাট রেখে খেলেছে, তবে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে ব্রাজিলের তারকা রায়ান দুর্দান্ত এক ক্রস শটে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

    এই ড্রয়ের ফলে ৯ পয়েন্ট নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমান অবস্থানে থাকলেও গোলের ব্যবধানে সামান্য এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল। শেষ ম্যাচে যদি দু’দলই জয় পায়, তাহলে গোল ব্যবধানের হিসাবেই চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হবে। আর্জেন্টিনা পারাগুয়ের বিপক্ষে এবং ব্রাজিল চিলির বিপক্ষে মাঠে নামবে।

    পারাগুয়ের ৬ পয়েন্ট থাকায় তারা এখনও শিরোপার দৌড়ে রয়েছে, যা ম্যাচটিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলবে। দক্ষিণ আমেরিকা অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ কেবলমাত্র একটি ট্রফি নয়, এটি আগামী ২০২৫ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের জন্যও প্রস্তুতির মঞ্চ।

    আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে, তবে চ্যাম্পিয়ন হয়ে তারা আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে নিতে চায়।

     

  • রোমাঞ্চ জাগিয়ে জয়ের দেখা পেল রিয়াল

    রোমাঞ্চ জাগিয়ে জয়ের দেখা পেল রিয়াল

    ঘুরে দাঁড়িয়ে, পিছিয়ে পড়ে, নাটকীয়তায় জয়! সাম্প্রতিক সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে যেন এমন ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে। এবার আরও একবার রোমাঞ্চ জাগিয়ে জয়ের দেখা পেল গ্যালাকটিকোরা। চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে অফের প্রথম লেগে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে হারের শঙ্কা পাশ কাটিয়ে ৩-২ গোলে জিতেছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।

    এদিন ম্যাচে শেষ ছয় মিনিটের মধ্যে দুইবার সিটির জালে বল পাঠিয়ে এমন জয় পেয়েছে রিয়াল। সেই সঙ্গে আসরের শেষ ষোলোয় যাওয়ার লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়ে গেল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। তবে নতুন আঙ্গিকের চ্যাম্পিয়নস লিগে কোনোমতে প্রথম পর্বে টিকে গেলেও, এই হারে বিদায়ের দুয়ারে চলে গেল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

    মঙ্গলবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরুতে আর্লিং হলান্ড সিটিকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরান কিলিয়ান এমবাপে। পেনাল্টি থেকে হলান্ডের দ্বিতীয় গোলে ফের লিড নেয় স্বাগতিকরা। শেষ দিকে বদলি নামার পরপরই ব্রাহিম দিয়াস সমতা টানার পর যোগ করা সময়ে ব্যবধান গড়ে দেন জুড বেলিংহ্যাম।

    ম্যাচের ১৯তম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পেয়েই রিয়ালের জালে বল পাঠায় সিটি। জ্যাক গ্রিলিশকে পাস দিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন হলান্ড। গ্রিলিশের ক্রসে বুক দিয়ে বল নামিয়ে দেন ইয়োশকো ভার্দিওল, আর ছয় গজ বক্সের কোণা থেকে ভলিতে ঠিকানা খুঁজে নেন হলান্ড। প্রায় চার মিনিট ধরে ভিএআরে পরীক্ষার পর গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। আরেকবার উল্লাসে ফেটে পড়ে ইতিহাদ।

    বিরতির পর ৬০তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের অদ্ভুতুড়ে গোলে সমতায় ফেরে রিয়াল। তাদের ফ্রি-কিক রক্ষণে প্রতিহত হওয়ার পর দানি সেবাইয়োসের ক্রসে ঠিকমতো ভলি করতে পারেননি এমবাপ্পে, তবে বল ঠিকই খুঁজে পায় জাল।

    ৮০তম মিনিটে হলান্ডের সফল স্পট-কিকে আবার এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফোডেনকে বক্সে সেবাইয়োস ফাউল করায় পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি।

    এদিকে ৮৪তম মিনিটে রদ্রিগোর বদলি নামেন ব্রাহিম। দুই মিনিটের মধ্যে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তিনি। ভিনিসিউসের শট এদেরসন ঠেকানোর পর জালে পাঠান ব্রাহিম। আর তিন মিনিট যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে রিয়ালকে জয়ের উল্লাসে ভাসান বেলিংহ্যাম। সিটির একটি ভুল পাস থেকে আক্রমণে ওঠে রিয়াল। ভিনিসিউস বক্সের বাইরে থেকে এগিয়ে আসা এদেরসনকে ফাঁকি দিয়ে বল দেন দূরের পোস্টে, ছুটে গিয়ে স্লাইডে জালে পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার।

    আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি হবে ফিরতি লেগ, চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা চার মৌসুমে মুখোমুখি দল দুটির আরেকটি শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের অপেক্ষা।

     

     

  • আজ রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল, ভোরে আর্জেন্টিনা

    আজ রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল, ভোরে আর্জেন্টিনা

    রাতেই মাঠে নামছে ব্রাজিল। ভোরে নামবে আর্জেন্টিনাও। দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা ছয় দলের লড়াই চলছে এখন। তৃতীয় রাউন্ডের খেলায় ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে কলম্বিয়ার।

     

    সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় কারাকাসের এস্তাদিও অলিম্পিকো দে লা ইউনিভার্সিদাদে স্বাগতিক প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এদিকে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৪টায় ঘরের মাঠ এস্তাদিও ন্যাসিওনাল ব্রিগিদো ইরিয়ার্তেতে প্যারাগুয়েকে আতিথ্য দেবে আর্জেন্টিনা।

    সেরা ছয়ের আগের দুই রাউন্ডে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দুই দলই জয় পেয়েছে। দুই দলের পয়েন্টই সমান হলেও গোল গড়ে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে আছে আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টে দারুণ ফর্মে থাকা আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ৬-০ গোলে ব্রাজিলকে উড়িয়ে দিয়েছিল। যা আর্জেন্টিনার কাছে তাদের বৃহত্তম হার।

    তবে এর পরের ম্যাচেই কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করেছিল তারা। গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোয় বলিভিয়ার সঙ্গে জয় পেলেও ইকুয়েডরের বিপক্ষে ড্র করেছিল আলবিসেলেস্তেরা। এরপর সেরা ছয়ে প্রথম দুই ম্যাচে তারা হারিয়েছে চিলি ও উরুগুয়েকে।

    সেরা ছয়ে ফের কলম্বিয়ার মুখোমুখি ক্লদিও এচেভরিরা। এ ম্যাচে জয় পেলে আগামী অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপে জায়গা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যাবে আর্জেন্টিনার। আগামী সেপ্টেম্বরে বসবে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের আসর। সেখানে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে চারটি দল সুযোগ পাবে। চলমান প্রতিযোগিতা থেকেই পয়েন্ট তালিকার সেরা চার দল এ বিশ্বকাপে জায়গা করে নেবে।

    এ ম্যাচে আর্জেন্টিনার জন্য দুশ্চিন্তার কারণ অগাস্টিন রুবার্তোর ইনজুরি। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ২ গোল করা রুবার্তো লিগামেন্টের ইনজুরির কারণে এ ম্যাচ খেলতে পারছেন না।

    এদিকে আর্জেন্টিনার কাছে ৬ গোল হজম করে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও পরের ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল। টানা দুই ম্যাচে তারা হারায় বলিভিয়া ও ইকুয়েডরকে। তবে শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে হেরে গেলেও চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয় ব্রাজিল।

    চূড়ান্ত পর্বে দারুণ ছন্দে আছে ব্রাজিল। টানা দুই ম্যাচে তারা হারিয়েছে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়াকে। তবে এ দুই ম্যাচেই তাদের দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছে। ফলে কার্ড নিয়ে সাবধানে থাকতে হবে তাদের।

    এ ম্যাচে প্যারাগুয়েকে হারাতে পারলে ব্রাজিলও আসন্ন বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

    ব্রাজিলের জন্য চিন্তার বিষয় স্ট্রাইকারদের গোলখরা। চূড়ান্ত পর্বের দুই ম্যাচেই ন্যুনতম গোলের ব্যবধানে জয় পেয়েছে তারা। টুর্নামেন্টে তাদের দুই তারকা ডেভিড ওয়াশিংটন ও ইয়াগ তিওদেরো মাত্র ২টি করে গোল করেছেন। তবে দারুণ ছন্দে আছেন পেদ্রো। জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গে খেলা এ ফরোয়ার্ড ১টি গোল করলেও ৪টি গোলে সহায়তা করেছেন।

  • অবশেষে কষ্টের জয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত আর্জেন্টিনার

    অবশেষে কষ্টের জয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত আর্জেন্টিনার

    সমীকরণ সামনে রেখেই কনমেবল অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে কলাম্বিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। বয়সভিত্তিক ফুটবলে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের টুর্নামেন্টের শিরোপা দৌড়ে টিকে থাকার লড়াইও ছিল এটা। এমন গুরুত্বপুর্ণ ম্যাচে জয় পেয়েছে মেসি-মারিয়ার উত্তরসরীরা। তবেকলম্বিয়া যুবদলকে হারাতে বেশ কষ্টই করতে হয়েছে এচেভেরিদের।

    ফাইনাল রাউন্ডের প্রথম ম্যাচ চিলির বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করেছিল আলবিসিলেস্তেরা। দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়ে অনূর্ধ্ব-২০ দলকে হারানোর পর তৃতীয় ম্যাচেও জিতে অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনার যুবারা।

    মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সাড়ে চারটায় মাঠে নামে আর্জেন্টিনা অনূর্ধ্ব-২০ দল। কলম্বিয়াকে হারানোর ম্যাচে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেছেন ইয়ান সুবিয়াব্রে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে এই কিশোরের পা থেকে আসে জয়সূচক গোলটি।

    এদিকে টানা তিন জয়েও ফাইনাল রাউন্ডের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এদের মতো তিনটি ম্যাচই জিতে সমান ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল।

    দশ জাতির এই টুর্নামেন্টে প্রথমে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছিল লাতিন আমেরিকার দলগুলো। যেখান থেকে উভয় গ্রুপের সেরা তিনটি করে দল দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফাইনাল রাউন্ডের খেলা। রাউড রবিন লিগ পদ্ধতিতে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে পাঁচটি করে ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত এই গ্রুপের শীর্ষে থাকা দল জিতে নিবে শিরোপা।

    তাছাড়া ফাইনাল রাউন্ড থেকেই বাছাই করে নেয়া হবে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের অনূর্ধ্ব-২০ ফিফা বিশ্বকাপের দল। ৬ দলের মধ্যে শীর্ষে থাকা চারটি দল পাবে বিশ্বকাপে খেলার টিকেট। সেই পথে টানা তিন জয় জায়গা নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনা।