Category: ফুটবল

  • শেষ মুহূর্তের গোলে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

    শেষ মুহূর্তের গোলে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

    কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে চিলিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। আজ বুধবার ম্যাচের ৮৮ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে জয় পান লিওনেল স্ক্যালোনির শিষ্যরা। ফলে এক ম্যাচ আগেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা।

    এর আগে কানাডার বিপক্ষে জিতেছিল ২-০ গোলে।

     

  • ড্র ধক্কায় কোপা শুরু ব্রাজিলের

    ড্র ধক্কায় কোপা শুরু ব্রাজিলের

    বিশ্ব ফুটবলে সব চেয়ে জনপ্রিয় দলের নাম হচ্ছে ব্রাজিল ফুটবল দল। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে তারা তাদের নামের সঙ্গে ঐতিহ্যের মেলবন্ধন করতে পারছে না। যার কারণে দিন দিন সুনাম নষ্ট হচ্ছে ব্রাজিলের। এবার কোপায় তারা ভালো কিছু আশার কথা শুনিয়েছে সমর্থকদের। কিন্তু টুনামেন্টের প্রথম ম্যাচে ড্র করে হতাশ করেছেন সমর্থকদের।

     

    ম্যাচের এক পর্যায়ে এরচেয়ে ভালো সুযোগ খুব একটা আসেনি গোটা ম্যাচে। ওয়ান টু ওয়ানে কেবল কোস্টারিকার গোলরক্ষক ও রদ্রিগো। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি রদ্রিগো। পুরো ম্যাচেই অবশ্য ব্রাজিল ব্যর্থতার মহড়া দিয়েছে। ২০টি আক্রমণ সাজিয়েও বের করতে পারেনি কাঙ্খিত গোল। কোপা আমেরিকায় আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) নিজেদের প্রথম ম্যাচে কোস্টারিকার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে ব্রাজিল।

    প্রধমার্ধে ব্রাজিলের অনবরত আক্রমণের পর দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের কৌশল বদলায় কোস্টারিকা। ৩-৪-১-২ ফর্মেশন থেকে ৫-৩-২ এ পজেশন পরিবর্তন করে দলটি। তাতে ব্রাজিলের আক্রমণ কমেনি। তবে, জমাট হয়েছে কোস্টারিকার রক্ষণ। প্রতিপক্ষের রক্ষণের যতটা মুন্সিয়ানা, তারচেয়ে বেশি ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের ভুল। বামপ্রান্ত থেকে সাভিও একের পর এক বল তৈরি করে দিয়েছেন, কিন্তু সেগুলোকে পরিণতি দিতে ব্যর্থ রদ্রিগো-ভিনি-এন্ড্রিকরা।

    ভাগ্যও যেন ব্রাজিলের সঙ্গে ছিল না এদিন। প্রথমার্ধে অফসাইডে বাতিল হয় গোল। দ্বিতীয়ার্ধে কখনও বারপোস্টে বল লেগে, কখনও ফুটবলাররা নিজেরা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি শেষ পর্যন্ত। এমনকি কোস্টারিকা একটি আত্মঘাতী গোল দিতে দিতে গোলরক্ষকের দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায়।

    ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে পরিষ্কার ফেভারিট হয়ে নামা ব্রাজিলকে তাই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। ‘ডি’ গ্রুপে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দরিভালের দলকে শুরু করতে হয়েছে কোপা আমেরিকা। ব্রাজিল ব্যর্থ হলেও কোস্টারিকাকে সফল বলতে হবে। ধারেভরে অনেক পিছিয়ে থাকা দলটির জন্য এই ড্র জয়ের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।

    পুরো ম্যাচে সেলেসাওরা আক্রমণ করে ১৯টি। যাতে মাত্র তিনটিই ছিল অন টার্গেট। যেখানে কোস্টারিকার দুটি শট নিয়েছে, নেই কোনো অন টার্গেট। বল দখলে ছিল ৭৬-২৪ ব্যবধান। এসব পরিসংখ্যান মূল্যহীনই। কারণ, ভালো খেললেও দিনশেষে ফলই আসল।

     

  • ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

    ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

    ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে তুরস্ককে ৩-০ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। এতে শেষ ষোলোয় উঠেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এফ গ্রুপের শীর্ষে আছে একবারের চ্যাম্পিয়নরা।

     

    রোনালদো গোল পাননি, তবে রেকর্ড সেই অপেক্ষায় থাকেনি। দলের দ্বিতীয় গোলে সহায়তা করে গড়েছেন ইউরোয় অ্যাসিস্টের রেকর্ডও। এতে ইউরোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৮ অ্যাসিস্টের রেকর্ড স্পর্শ করলেন রোনালদো। এতদিন রেকর্ডটি এককভাবে ছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাবেক উইঙ্গার কারেল পোবোর্স্কির।

    ম্যাচের শুরুতে দুই দলই লড়াই করে সমান তালে। প্রথম দিকে পর্তুগাল তুরস্কের রক্ষণে চাপ ধরে রেখে খেলতে থাকলেও গোলমুখ খুলতে পারছিল না। রক্ষণ সামলে আক্রমণের চেষ্টা করছিল তুরস্কও। ম্যাচের ২১ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন বার্নাদো সিলভা। নুনো মেন্দেসের পাস ডিফ্লেকট করে সিলভার কাছে পৌঁছায়। বক্সের মাঝ থেকে দারুণ শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ২৯ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় পর্তুগালের।

    প্রথমার্ধে আর উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায়নি কেউ। ৫৫তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে জয়ের পথে এগিয়ে যায় পর্তুগাল। মাঝমাঠ থেকে সতীর্থের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন রোনালদো। তার সামনে একমাত্র বাধা গোলরক্ষক, তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলের রেকর্ড স্কোরার নিজে শট না নিয়ে পাস দেন পাশে থাকা ফার্নান্দেসকে। ফাঁকা জালে বল পাঠান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার।

    শেষ সময়ে আর কোনো গোল না হলে শেষ ষোলোর টিকিট নিয়েই মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল। ২ ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে নকআউট পর্বে এসেছে তারা। তবে ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোর সম্ভাবনা টিকিয়ে রেখেছে তুরস্কও।

     

  • কেন এই মাস্ক পরে খেলতে পারবেন না এমবাপ্পে

    কেন এই মাস্ক পরে খেলতে পারবেন না এমবাপ্পে

    অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে লাফিয়ে হেড দিতে গিয়ে নাক ভাঙেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেদিন মাঠে তার রক্তমাখা মুখ দেখে আঁতকে উঠেছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। নাক চেপে ধরে তিনি যখন মাঠ ছাড়েন, তখন পরের ম্যাচগুলোতে তাকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে জানানো হয় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাস্ক পরে মাঠে নামবেন ফ্রান্স অধিনায়ক। লাইপজিগে আজ রাত ১টায় ডাচদের মুখোমুখি হবে এমবাপ্পেরা।

     

    ফরাসি ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, এমবাপ্পের নাকে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই। তবে সাবধানতার জন্য নাকে মাস্ক পরিধান করে মাঠে নামতে হবে তাকে। নেদারল্যান্ডস ম্যাচকে সামনে রেখে বিশেষ ডিজাইনের মাস্ক পরে অনুশীলনে নেমেছিলেন এমবাপ্পে। অনুশীলনে দেখা যায় ফ্রান্সের পতাকার আদলে তিনটি রঙ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এমবাপের বিশেষ মাস্ক। তবে দেশের পতাকার নকশাকৃত সেই মাস্ক পরে নিষিদ্ধ হতে পারেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

    এমবাপ্পের সেই মাস্ক উয়েফার দুটি শর্তই ভঙ্গ করে। এমনিতেই তার মাস্ক তিন রঙের। এর সাথে আছে ফ্রান্সের পতাকা ও ফুটবল ফেডারেশনের লোগো। মাস্কে নিজ নামের আদ্যক্ষরও (KM) লেখা আছে। তাই এমবাপ্পে ইউরোয় আবার মাঠে চাইলে দ্রুত মাস্ক পরিবর্তন করতে হবে।

     

  • কোপায় মেসির অবিশ্বাস্য দুই গোলে জিতলো আর্জেন্টিনা

    কোপায় মেসির অবিশ্বাস্য দুই গোলে জিতলো আর্জেন্টিনা

    কাতার বিশ্বকাপের পর কোনো বড় আসলে ফুটবল তারকার মেসির খেলা দেখলো বিশ্ব ফুটবল। এদিন তার অবিশ্বাস্য গোল মিসের মহড়া প্রদর্শন করে। তবুও নিজেদের মত করে জিতলো আর্জেন্টিনা। প্রথমবার কোপা আমেরিকায় খেলতে আসা কানাডার বিপক্ষে সুযোগ মিসের মহড়া দিয়ে জিতলো আর্জেন্টিনা। আজ (২১ জুন, ২০২৪) শুক্রবার সকালে লিওনেল মেসির অবিশ্বাস্য দুই গোল মিসের ম্যাচে দ্য রেডসদের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে আলবিসিলেস্তেরা। দ্বিতীয়ার্ধে পাওয়া দুটি গোলের একটি করেন জুলিয়ান আলভারেজ। অপরটি আসে লাওতারো মার্টিনেজের পা থেকে। তবে দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেন মেসি।

     

    প্রথমার্ধে উভয় দল সুযোগ মিসের মহড়া দেয়। তবে সেটার কৃতিত্ব দিতে হবে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও কানাডার গোলরক্ষক ক্রেপিয়াউ। তারা দারুণ দক্ষতায় বেশ কিছু গোলের সুযোগ রুখে দেন।

    তবে বিরতির পর গোলের দেখা পেতে বেশি সময় নেয়নি আর্জেন্টিনা। ৪৯ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজের গোলে এগিয়ে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এ সময় বক্সের বাইরে থেকে বল বাড়িয়ে দেন লিওনেল মেসি। সেটা দখলে নিতে দৌড়ে যান ম্যাক অ্যালিস্টার আর রুখে দিতে আসেন কানাডার গোলরক্ষক ক্রেপিয়াউ। দুজনই ব্যর্থ হলে বল চলে যায় আলভারেজের কাছে। তিনি ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান।

    এরপর ৫৫ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়াও। কিন্তু তিনি সেটি মিস করেন। তবে ৬৫ মিনিটে মেসি করেন অবিশ্বাস্য এক মিস। এ সময় তিনি গোলরক্ষকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি। তার নেওয়া শট শুয়ে পড়ে রুখে দেন কানাডার গোলরক্ষক ক্রেপিয়াউ।
    এরপর ৭৮ মিনিটে আরও একবার গোলরক্ষককে একা পেয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। তার নেওয়া শট এবার গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। মেসির মতো খেলোয়াড় এমন মিস করবেন সেটা সত্যিই অবিশ্বাস্য!

    শেষ মুহূর্তে লাওতারো মার্টিনেজের গোলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। এ সময় ডি বক্সের বাইরে থেকে মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল পেয়ে যান। সেটা রুখতে সামনে আসেন ক্রেপিয়াউ। তিনি কাছে আসার আগেই লাওতারো তার পায়ে ফাঁকা দিয়ে মেরে নিশানাভেদে করেন।

    এই জয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান নিলো আর্জেন্টিনা। যারা বুধবার সকালে দ্বিতীয় ম্যাচে চিলি ও ৩০ জুন সকালে শেষ ম্যাচে পেরুর মুখোমুখি হবে।

     

  • বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেই কোপা জেতা যাবে না বলেন মেসি

    বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেই কোপা জেতা যাবে না বলেন মেসি

    কোপা আমেরিকা জিততে হলে আগের চেয়ে ভালো ফুটবল খেলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন লিওনেল মেসি। গত আসরের কোপা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, কাতারে বিশ্বকাপও জিতেছে। ওই হিসেবে বিশ্বের সেরা দল আর্জেন্টিনা। তার মানেই তারা কোপা আমেরিকা জিতবে বিষয়টি এমন নয় বলেও উল্লেখ করেছেন মেসি।

    আগামী শুক্রবার বাংলাদেশ সময় ভোর ছ’টায় কানাডার বিপক্ষে কোপা আমেরিকা শুরু করবে আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচের আগে সংবাদ মাধ্যমকে মেসি বলেছেন, ‘আমরা বলতেই পারি, আমরা বিশ্বের সেরা দল। কারণ আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, আমরা হেঁটে হেঁটে কোপা আমেরিকা জিতব।’

    কোপা আমেরিকায় অংশ নেওয়া সব দলই প্রায় সমান বলেও উল্লেখ করেছেন মেসি, ‘সব দলই প্রতিযোগিতাপূর্ণ, খুবই সমপর্যায়ের লড়াই হবে। ইকুয়েডর তরুণ প্রজন্মের খুবই শক্তিশালী একটা দল। তাদের লক্ষ্য পরিষ্কার, শারীরিকভাবে শক্তিশালী। তাদের মতো কলম্বিয়া, উরুগুয়ে আছে। ব্রাজিলের কথা তো বলাই লাগে না। সেজন্য শিরোপা জিততে আমাদের দলকে একই রকম, হয়তো আরও বেশি ভালো খেলতে হবে।’

    নেইমার না থাকলেও আর্জেন্টিনার মতো ব্রাজিলকে কোপা আমেরিকা জয়ের অন্যতম দাবিদার বলেছেন মেসি, ‘নেইমার নেই এটা হতাশার, তবে ওদের লাখ লাখ ফুটবলার আছে। ব্রাজিলের সবসময় অনেক খেলোয়াড় থাকে, ওরা পুরোপুরিই আলাদা। ওদের খুব শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ দল রয়েছে। আর্জেন্টিনার মতো ব্রাজিলও শিরোপার দাবিদার।’

    গুঞ্জন আছে, কোপা আমেরিকা দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করতে পারেন মেসি। নিশ্চিত করে কিছু না বললেও ইন্টার মায়ামি তারকা স্বীকার করেছেন জাতীয় দলে তার সময় ফুরিয়ে আসছে, ‘দলের সঙ্গে মুহূর্তগুলো খুবই মূল্য দিচ্ছি। কারণ আমি জানি, আমার হাতে খুব কম সময় আছে। আমি এই মুহূর্তগুলো মিস করবো।’

  • ১০ নয়, তাহলে রিয়াল মাদ্রিদে কোন নম্বর জার্সি পাচ্ছেন এমবাপ্পে

    ১০ নয়, তাহলে রিয়াল মাদ্রিদে কোন নম্বর জার্সি পাচ্ছেন এমবাপ্পে

    ক্লাব ফুটবলের বহুল আলোচিত ট্রান্সফার শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার পিএসজি থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে, চুক্তি শেষে এমবাপ্পে এভাবেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

    এই ঘোষণার পরই কত নম্বরের জার্সি পরে খেলবেন বিশ্বসেরা এই তারকা, তা নিয়ে চলছে ভক্তদের জল্পনা। এবার মিলল সেই উত্তরও। জনপ্রিয় ফুটবলভিত্তিক ওয়েবসাইট গোল ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পছন্দের ১০ নম্বর জার্সি পাচ্ছেন না এমবাপ্পে। এর কারণ বর্তমানে সেই জার্সি পরে খেলছেন ক্রোয়েশিয়ার তারকা ফুটবলার লুকা মডরিচ। তাই তার বিদায়ের আগে সেই জার্সি পাচ্ছেন না এমবাপ্পে।

    শুধু ১০ নয় ৭ নম্বর জার্সিও পাওয়ার সুযোগ নেই এমবাপ্পের। কারণ সেটি ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়রের দখলে। তাই ফরাসি তারকা রিয়ালের হয়ে আপাতত ‘৯ নম্বর’ জার্সি পরে খেলবেন।

     

  • এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলবে ৫ বছর

    এমবাপ্পে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলবে ৫ বছর

    দীর্ঘ প্রতীক্ষিত আর নানা নাটকীয়তার পর রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি অধিনায়কের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ১৫তম শিরোপা জয়ীরা। আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। কিলিয়ান এমবাপ্পে এখন রিয়াল মাদ্রিদের।

     

    আগামী পাঁচ মৌসুম সাদা জার্সিতে মাঠ মাতাবেন ফরাসী বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। এমবাপ্পের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে নিজেদের ওয়েস সাইটে রিয়াল মাদ্রিদ জানিয়েছে, ‌‘রিয়াল মাদ্রিদ সিএফ এবং কিলিয়ান এমবাপ্পে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। যার ফলে তিনি আগামী পাঁচ মৌসুমের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলবেন।’

    বিবিসি বলছে, পাঁচ বছরের চুক্তি রিয়ালে নাম লিখিয়েছেন এমবাপ্পে। বার্ষিক ১৫ মিলিয়ন ইউরো বেতন পাবেন রিয়াল থেকে। এছাড়া সাইনিং বোনাস হিসেবে পাবেন ১৫০ মিলিয়ন ইউরো। ইমেজ রাইটস থেকেও অর্থ পাবেন এমবাপ্পে।

    ২০১৭ সালে আরেক ফরাসি ক্লাব মোনাকো থেকে পিএসজিতে যোগ দেন এমবাপ্পে। পরের বছর তাকে কিনে নেয় লিগ ওয়ানের জায়ান্টরা। কিন্তু এর কিছুদিন পর থেকেই এমবাপ্পের রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেয়ার গুঞ্জন শুরু হয়। এরপর ২০২২ সালের গ্রীষ্মে রিয়ালে প্রায় যোগ দিয়েই ফেলেছিলেন এমবাপ্পে। কিন্তু ফরাসি প্রেসিডেন্টের হস্তক্ষেপে সে যাত্রায় রেকর্ড পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পিএসজিতে থেকে যান এমবাপ্পে।

    চলতি মৌসুমের শুরুতে ফের এমবাপ্পের দলবদলের গুঞ্জন ওঠে। পিএসজির সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করতে না চাওয়ায় তাকে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির দল থেকে বাদও দেয়া হয়েছিল। পরে কোচ লুইস এনরিকের হস্তক্ষেপে আরও এক মৌসুম প্যারিসে কাটাতে রাজি হলে তাকে দলের সঙ্গে নেওয়া হয়। কিন্তু কথা রাখলেন না এমবাপ্পে।

    ফরাসি ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপ্পে। ক্লাবটির জার্সি গায়ে ৩০৮ ম্যাচে ২৫৬ গোল ও ১০৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ফ্রান্সে মোট সাতবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এমবাপ্পে। এছাড়া চারবার ফ্রেঞ্চ কাপ, দুইবার লিগ কাপ, তিনবার ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ জিতেছেন এমবাপ্পে।

  • কেনো ডি মারিয়াকে হত্যার হুমকি

    কেনো ডি মারিয়াকে হত্যার হুমকি

    আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়াকে আবারও হত্যার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। নিজ জন্মস্থান রোজারিওতে দ্বিতীয় দফায় হত্যার হুমকি পেলেন এই আর্জেন্টাইন।

     

     

    দেশটির শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম মুন্দে আলবিসেলেস্তের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, ধারাবাহিকভাবে হত্যা হুমকি পাচ্ছেন ডি মারিয়া। স্থানীয় সাংবাদিক বেলেন করভালানের বরাত দিয়ে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমটি জানায় বন্দুকধারীরা গুলি ছুড়ে একটি নোট রেখে যায়। যাতে লেখা, ‘আমরা আপনার জন্য অপেক্ষা করছি, ডি মারিয়া।’

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হুমকি পেয়ে আসছেন ৩৬ বছর বয়সী ডি মারিয়া। চলতি সপ্তাহে গুজব উঠেছে পতুর্গিজ ক্লাব বেনফিকা ছেড়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন এই আর্জেন্টাইন। এর আগে শৈশবের প্রথম ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে যোগ দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন ডি মারিয়া। মূলত এরপর থেকে এমন হুমকি পাচ্ছেন আর্জেন্টিনার জার্সিতে সম্ভাব্য সব শিরোপাজয়ী এই ফুটবলার।

    গত বছর মার্চে নিজ জন্মস্থান রোজারিওতে হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন মেসি। এর ঠিক এক বছর পর, হত্যার হুমকি পান ডি মারিয়া। আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছিল বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তারা জানায় রোজারিওতে ফিরলে পরিবারের সকল সদস্যদের সঙ্গে ডি মারিয়াকে হত্যার হুমকি দিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

    বর্তমানে পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকায় খেলছেন আর্জেন্টাইন তারকা। গত সপ্তাহে তিনি শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে খেলার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। জানান এই ক্লাব থেকে শেষ করতে চান নিজের ফুটবল ক্যারিয়ার। এরপর থেকেই হত্যার হুমকি পাচ্ছেন ডি মারিয়া।

    দুই তারকার জন্ম শহরের বাইরেও আরও একটি পরিচয় রয়েছে আর্জেন্টিনার উত্তর অঞ্চলের এই শহরটির। যদিও তা মোটেও ভালো পরিচয় নয়। সান্তা ফে প্রদেশের এই শহরটির মাদকসংক্রান্ত সহিংসতার জন্য কুখ্যাত।

    এই শহরে নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসিক এলাকায় বাড়ি ডি মারিয়ার। আর্জেন্টিনায় আসলে পরিবারসহ তিনি সেখানেই ওঠেন। এই এলাকাতেই কিছু অচেনা লোককে হুমকিসংবলিত কাগজ ছুড়ে ফেলতে দেখা যায়।

    ধূসর রঙের একটি গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলা সেই কাগজের লেখাগুলো ডি মারিয়ার পরিবারকে উদ্দেশ করে। সেই কাগজে লেখা, ‘আর্জেন্টাইন তারকা যদি শহরে ফেরেন, তাহলে প্রাদেশিক গভর্নরও ডি মারিয়াদের নিরাপদে রাখার নিশ্চয়তা দিতে পারবে না।’

    ঠিক কী হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, পুলিশের বরাত দিয়ে সেই বার্তা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার একটি গণমাধ্যম। ইনফোবে নামক নিউজ পোর্টালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অ্যাঞ্জেলোকে বলো রোজারিওতে না ফিরতে। সে যদি ফেরে, পরিবারের যেকোনো একজন সদস্যকে খুন করা হবে। গভর্নরও বাঁচাতে পারবে না। তারা শুধু কাগুজে বার্তাই ফেলে যায় না, বুলেট দিয়ে লাশও ফেলে যায়।’

    এর আগে গত বছর আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির স্ত্রীর পরিবারের সুপারমার্কেটে বন্দুক হামলা করেছিল অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। সেখানেও একটি কাগজ ফেলে যায় সেই সন্ত্রাসীরা।

    সেই কাগজে লেখা ছিল, ‘মেসির জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। রোজারিওর মেয়র পাবলো ইয়াভকিন নিজেই মাদক চোরাচালানকারী।’

     

  • ইতিহাসের পাতায় রেকর্ডের পর রেকর্ড করলো ম্যানসিটি

    ইতিহাসের পাতায় রেকর্ডের পর রেকর্ড করলো ম্যানসিটি

    ইতিহাসের পাতায় নিজেদের নাম সোনার হরফে লিখেছে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রথম ইংলিশ ক্লাব হিসেবে টানা চতুর্থবারের মতো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয় করেছে সিটিজেনরা। রবিবার রাতে মৌসুমে নিজেদের শেষ ম্যাচে ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এ কীর্তি গড়েছে কোচ পেপ গার্ডিওলার দল।

     

    ইতিহাস গড়া মৌসুমে হয়েছে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। এবার শিরোপা জয় করা সিটির মিডফিল্ডার ফিল ফোডেন জিতেছেন লিগের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। আর তারকা ফরোয়ার্ড আর্লিং হালান্ড বাজিমাত করেছেন সর্বোচ্চ গোলের গোল্ডেন বুট। ইংল্যান্ডে নিজের দ্বিতীয় মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো প্রিমিয়ার লিগের গোল্ডেন বুট জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন নরওয়ের তারকা।

    মৌসুমের মাঝামাঝিতে ইনজুরির কারণে প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে ছিলেন হালান্ড। যে কারণে সিটির হয়ে এবার নিজের সবটুকু নিংড়ে দিতে পারেননি। গতবার অভিষেক মৌসুমে যেখানে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় প্রিমিয়ার লিগে রেকর্ড ৩৬ গোলসহ মোট ৫২ গোলে করেছিলেন। সেখানে এবার ২৩ বছর বয়সী হালান্ড লিগে করেছেন ২৭ গোল।

    এরপরও তার দল সিটিকে উপহার দিয়েছেন রেকর্ড টানা চতুর্থ লিগ শিরোপা। ইংলিশ লিগে কোনো দলই এর আগে এ রেকর্ড গড়তে পারেনি। শেষ সাত প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে হালান্ড ৯ গোল করেছেন। আর এতেই সিটি আর্সেনালকে দুই পয়েন্টে পেছনে ফেলে ট্রফি নিশ্চিত করেছে। সিটির হয়ে মৌসুম শুরু করা চেলসির কোল পালমার ২২ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন।

    নিউক্যাসলের আলেক্সান্দার ইসাক এক গোল কম করে তালিকায় তৃতীয় স্থান লাভ করেছেন। সবমিলিয়ে যেন এবার গোলোৎসব হয়েছে ইপিএলে। লিগের শেষ দিনে দশ ম্যাচে গোল হয়েছে ৩৭টি। তাতে হয়ে গেছে ১৯৯২ সালে প্রিমিয়ার লিগ নামকরণের পর এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। এবার ৩৮০ ম্যাচে হয়েছে ১২৪৬ গোল। আগের সর্বোচ্চ ছিল ১২২২ গোল। যা হয়েছিল প্রথম আসরে। সেবার দুই দল বেশি ছিল।

    প্রথম দল হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে টানা চারটি শিরোপা জয়ের পথে ৯৬ গোল করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। রানার্সআপ আর্সেনাল এখানেও দ্বিতীয়। তারা করেছে ৯১ গোল। লিভারপুলের গোল ৮৬টি। নিজেদের রেকর্ড ৮৫ গোল করেছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। সবচেয়ে বেশি ১০৪ গোল হজম করেছে তলানির ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেড। এটাও প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ গোল হজম করার রেকর্ড।

    অন্যদিকে খুব কাছে গিয়ে আরেকবার না পাওয়ার বেদনা সইতে হয়েছে আর্সেনালকে। আরও একবার স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণায় কাতরাতে হচ্ছে দলটিকে। লিগে টানা দ্বিতীয়বারের মতো রানার্সআপ হয়েছে গানার্সরা। যে কারণে ২০ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হয়েছে। সাবেক কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গারের হাত ধরে ২০০৩-০৪ মৌসুমে গোটা আসরে অপরাজিত থেকে লিগ জিতেছিল আর্সেনাল।

    তারপর থেকে এ স্বাদ আর পায়নি তারা। গত মৌসুমে শুরু থেকে দারুণ খেলে প্রায় ২৫০ দিন পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে শিরোপা খরা কাটানোর দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়েছিল দলটি। তবে মৌসুমের শেষের দিকে গড়বড় হয়ে যায় সব। হোঁচট খায় তারা একের পর এক ম্যাচে। তাদের ব্যর্থতা এবং সেই সময় নিজেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিন ম্যাচ হাতে রেখে শিরোপা জিতে নেয় ম্যানচেস্টার সিটি।

    এবারের মৌসুমে শিরোপা লড়াই শেষ দিন পর্যন্ত টেনে নিয়ে আসে আর্সেনাল। সিটির চেয়ে দুই পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে তারা শেষ দিনে মাঠে নামে। এমিরেটস স্টেডিয়ামে এভারটনের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জিতেও তাদের লাভ হয়নি। কেননা নিজেদের ম্যাচ জিতে নেয় সিটি। তবে অচিরেই আর্সেনাল শিরোপা জয় করবে বলে বিশ্বাস করেন কোচ মিকেল আর্তেতা। রানার্সআপ হওয়ার পর তিনি এমন আশার কথাই শুনিয়েছেন গানার্স সমর্থকদের।