Tag: প্রধানমন্ত্রী

  • জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন আজ

    জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন আজ

     

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানিয়েছেন। বুধবার দুপুরে দলীয় সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, বৃহস্পতিবার আমাদের শেষ জনসভা। এ দিন জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।

    জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে সম্প্রচার করা হবে। প্রধানমন্ত্রী সাধারণত সরকারের বর্ষপূর্তি, নববর্ষ বা বিশেষ বিশেষ সময়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। এবার তিনি ভাষণ দিতে আসছেন ভোটের আগে। একই দিনে নারায়ণগঞ্জে এবারের শেষ নির্বাচনি জনসভা করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে সিলেট, রংপুর, বরিশাল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুরে জনসভায় অংশ নিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের মানুষের কাছে নৌকায় ভোট চেয়েছেন শেখ হাসিনা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্বাচনি জনসভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন তিনি। গত ২৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে’ উত্তরণের প্রতিশ্রুতি দেন টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা। সেজন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাজারমূল্য ও আয়ের মধ্যে সংগতি প্রতিষ্ঠা, দেশের রূপান্তর ও উন্নয়নে তরুণ ও যুবসমাজকে সম্পৃক্ত রাখা, পুঁজি পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, ঘুষ-দুর্নীতি উচ্ছেদ, ঋণ-কর-বিলখেলাপি ও দুর্নীতিবাজদের বিচারের আওতায় এনে তাদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

     

  • কাল প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

    কাল প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার দুপুরে দলীয় সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    দলের এ শীর্ষ নেতা বলেন, কাল (বৃহস্পতিবার) আমাদের শেষ জনসভা। কাল জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন।

    নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের আসা নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ১১ দেশের ৮০ পর্যবেক্ষক আসবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আছেন। বিভিন্ন দেশ থেকে আরও ৫০ জন বিদেশি সংবাদকর্মী এসেছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে তিনি বলেন, এবার নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও কর্তৃত্বপূর্ণ অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। যেখানে তারা আচারণবিধি লঙ্ঘন দেখছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে তাদের অবস্থান দৃশ্যমান।

    এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ ছিলেন।

  • শেখ হাসিনা আজ ফরিদপুর যাচ্ছেন

    শেখ হাসিনা আজ ফরিদপুর যাচ্ছেন

    নির্বাচনী সফরে আজ মঙ্গলবার ফরিদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বিকাল তিনটায় শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

    শেখ হাসিনার সফরকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে বহুমুখী আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে জনসভার মঞ্চ তৈরির কাজ এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। মাঠের একদিকে থাকা স্থায়ী মঞ্চ ঘিরে বাঁশ দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ করা হয়েছে।

    এছাড়া মাঠে নারী-পুরুষের জন্য আলাদা বসার জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, ভিআইপি ও জনসাধারণের মাঠে প্রবেশের পৃথক পথ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি শহরজুড়ে চালানো হয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান। সমাবেশের মাঠ সংলগ্ন এলাকাজুড়ে সড়কের পাশের গাছের নিচের অংশ রঙ করে সৌন্দর্য বর্ধন করা হয়েছে। ফরিদপুর পৌরসভার উদ্যোগে সড়ক পরিষ্কার ও যেসব ড্রেনের স্লাবে ত্রুটি আছে- সেগুলোসহ রাস্তাঘাটের ছোটখাটো সংস্কার করে শহরের সৌন্দর্য বাড়ানো হয়েছে।

    সভায় সভাপতিত্ব করবেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শামীম হক। আশা করা হচ্ছে, এতে ফরিদপুরের বাকি ৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরাও উপস্থিত থাকবেন।

     

  • নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পৃথক শুভেচ্ছা বার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি দেশের সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, সময়ের চিরায়ত আবর্তনে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ নতুন স্বপ্ন, নতুন অনুপ্রেরণা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত। নতুনকে বরণ করা মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। তাইতো নববর্ষকে বরণ করতে বিশ্বব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

    তিনি বলেন, খ্রিষ্টীয় নববর্ষকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশও প্রস্তুত। বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকলেও ব্যবহারিক জীবনে খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিকা বহুল ব্যবহৃত। খ্রিষ্টাব্দ তাই আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছে।

    সাহাবুদ্দিন বলেন, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সমাহার নিয়ে আমাদের জীবনে নববর্ষের আগমন ঘটে। তাই বিগত দিনের ভুল-ভ্রান্তি, ব্যর্থতা ও হতাশাকে দূরে ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন ও ইতিবাচক পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, করোনা অতিমারি ও বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের ফলে বাংলাদেশেও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। আমাদের আশপাশের অনেক মানুষই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। নববর্ষে আমরা একে অন্যের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই, এই হোক ইংরেজি ‘নববর্ষ- ২০২৪’ এর প্রত্যাশা।

    এছাড়া একজনের আনন্দ যেন অন্যদের বিষাদের কারণ না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

    বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক খ্রিষ্টীয় নববর্ষে এই প্রত্যাশা করে সাহাবুদ্দিন বলেন, নববর্ষ সকলের মাঝে জাগিয়ে তুলে নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও কল্যাণ।

    অন্যদিকে, নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আজ আমরা যে সময়কে পেছনে ফেলে নতুন দিনের আলোয় উদ্ভাসিত হতে যাচ্ছি, সে সময়ের যাবতীয় অর্জন আমাদের সম্মুখ যাত্রার শক্তিশালী সোপান হিসেবে কাজ করছে। তাই নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণ সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উন্নতির নতুন শিখরে আরোহণের সোপান রচনা করার অনুপ্রেরণা।

    তিনি বলেন, নতুন বছরে মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও জোরদার হোক, সব সংকট দূরীভূত হোক, সব সংকীর্ণতা পরাভূত হোক এবং সবার জীবনে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এই প্রার্থনা করি।

    ‘২০২৩ সাল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের এক স্বর্ণযুগ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা গত ২০২২ সালের ২৫ জুন নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সেতুতে রেল যোগাযোগের শুভ উদ্বোধন করেছি। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা-আগারগাঁও রুটে মেট্রোরেল চালুর পর ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল সেবা সম্প্রসারণ করেছি।

    তিনি বলেন, আমাদের অন্যান্য মেগা ও মাঝারিসহ সব অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু করেছি। ৫ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ করেছি। ফলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহারকারী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ৭ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং ১৯ অক্টোবর দেশের ৩৯টি জেলায় ১৫০টি সেতু এবং ১৪টি ওভারপাস একসঙ্গে উদ্বোধন করেছি। ২৮ অক্টোবর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দিয়েছি। ১১ নভেম্বর দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ঢাকা-কক্সবাজার সরাসরি রেল চালু করেছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করে। আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচন হতে পরপর তিন দফা জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে গত ১৫ বছরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছি।

    তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের অর্থনীতিও কিছুটা মন্থর হয়েছিল। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক অবরোধ ও পাল্টা অবরোধ সারা পৃথিবীতে নিরীহ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এরই মধ্যে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছি। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারই দেশের যেকোনো সংকট আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমরা প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময় করেছি। মিয়ানমারে গণহত্যা থেকে আত্মরক্ষার্থে পালিয়ে আসা প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছি।

    তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের ৩৩টি জেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেছি। শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় নিয়ে এসেছি। প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের ওষুধ দিচ্ছি। দুই কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করেছি। দুই কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট চারটি ক্যাটাগরিতে ১০ কোটি মানুষের জন্য সার্বজনীন পেনশন চালু করেছি। আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সাল থেকে বছরের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দিচ্ছে। এই বই উৎসব বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের ক্ষেত্রেও এক নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।

    ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়ন শুরু করেছি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী দক্ষ জনসম্পদ সৃষ্টি করছি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছি। ২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের সময় জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ ঘোষণা করেছে। আমরা ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের মঙ্গল হয়। কারণ, একমাত্র আওয়ামী লীগই স্বাধীনতার সুমহান আদর্শকে ধারণ করে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে।

    দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন আমরা মানুষের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি, অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিহত করে মানুষের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করি এবং সর্বোপরি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

    সরকারপ্রাধান বলেন, আমাদের মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় অর্জন করি। স্বাধীনতা অর্জনের পর মাত্র নয় মাসেই তিনি আমাদের একটি সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন।

    তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ৭ এপ্রিল প্রথম অধিবেশন বসেছিল। ২০২৩ সালের ৬ এপ্রিল মহান জাতীয় সংসদের ৫০ বছরপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ২২তম বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই অধিবেশনে আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, শূন্য হাতে সদ্যস্বাধীন দেশকে যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে টেনে তুলেছিলেন। তখন ব্যাংকে কোনো রিজার্ভ মানি ছিল না, কোনো কারেন্সি নোট ছিল না। সেই অবস্থায় গণতন্ত্রের মজবুত ভিত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করেছিলেন।

    তিনি বলেন, প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরকার গঠনের পর ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই থেকে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরেই তিনি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত করেছিলেন এবং জাতিসংঘ সেই স্বীকৃতি দিয়েছিল। সূত্র: বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার ফরিদপুর যাচ্ছেন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার ফরিদপুর যাচ্ছেন

    নির্বাচনি জনসভায় অংশ নিতে আগামী মঙ্গলবার ফরিদপুর যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দিক নিদের্শনামূলক বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস ইউং থেকে এতথ্য জানা গেছে।

    দলীয় প্রধানের আগমন উপলক্ষে রাজেন্দ্র কলেজ মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। সভামঞ্চের রং করার কাজ চলছে জোরেশোরে। এছাড়া শহরের রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করাসহ চলছে রঙের কাজ। ফরিদপুর শহরে বিরাজ করছে সাজসাজ রব।

    ফরিদপুরের নেতারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনি জনসভায় আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহব্বান করবেন।

     

  • নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    সরকারের দেয়া ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল সকল শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছে যাবে নতুন বই।
    বিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণির সভাপতিত্বে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
    বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ সোমবার এক জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় পাঠ্যবই উৎসব উদযাপন করবে।
    অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদ্রামাসহ বিভিন্ন স্তরে ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি পাঠ্যবই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। যার বাজারমূল্য ১৪শত কোটি টাকারও বেশি।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম প্রমুখ।
    আগামী ১ জানুয়ারি সারা দেশের স্কুলগুলোতে বই উৎসব উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে সরকারি-বেসরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করবেন। পাঠ্যবই বিতরণের মাধ্যমে বই উৎসব উদযাপনের ব্যবস্থা নিতে স্কুলগুলোকে এক নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করে তা সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক, নিম্নমাধ্যমিক স্কুল এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজগুলোর প্রধানদের পাঠানো হয়েছে।
    নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ কর্মস্থলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর মধ্যে যথানিয়মে বই বিতরণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ কাজ শুরুর সম্মতি দিলে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
    গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বই উৎসব আয়োজনের ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ নিয়ে আদেশ জারি করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
  • এদেশে ধর্মের নামে রাজনীত করতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

    এদেশে ধর্মের নামে রাজনীত করতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধর্মের নামে এদেশে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। এদেশের মাটি সব ধর্মের মানুষের। মানুষ পুড়িয়ে নির্বাচন বন্ধ করে নির্বাচনি ফায়দা লুটবে; এটা এদেশে চলবে না। এই অন্যায় কখনও মেনে নেওয়া যাবে না।

    রোববার বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কল্যাণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

    এদিন দুপুরে গণভবন প্রাঙ্গণে বড় দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অংশ নেন দেশে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতারা।

    অনুষ্ঠানে ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দিতে গিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‌‘এদেশে স্বাধীনভাবে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। ধর্মকে ব্যবহার করে কোনো রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।’

    এ সময় বিশ্বের সকল খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের বড় দিনের শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা। বলেন, বাংলাদেশের মাটি সকলের জন্য। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এক হয়ে যুদ্ধ করেছে। সকলের রক্ত মিশে গেছে এই মাটিতে।

    এ সময় ফিলিস্তিনে ইসরাইলের চালানো হামলার সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, এদেশেও কিছু মানুষ রাজনৈতিক ফায়দা অর্জনের অপচেষ্টা করছে। মানুষ হত্যা করে কোন ধরনের রাজনীতি তারা করছে? এমন প্রশ্নও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কাজ করি এদেশের মানুষের জন্য। আমরা মানবতার কথা বলি। যিশু খ্রিস্ট মানবতার কথা বলেছেন। মহানবী সা. মানবতার কথা বলেছেন। আমরাও ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কল্যাণে কাজ করছি। সকল ধর্মের মানুষ একসাথে বসবাস করছে এই দেশে হাজার বছর ধরে। আমরাও এই নীতি মেনে চলছি। ধর্ম যার যার উৎসব সকলের।

    তিনি বলেন, ধর্মীয় সংঘাত আমরা চাই না। ধর্মীয় রীতি পালনে কেউ বাধা দিক সেটাও আমরা চাই না। আমরা প্রত্যেকে আনন্দ ভাগাভাগি করছি। এটাই সব থেকে আনন্দের। আনন্দ, সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেই।

    বিরোধী দল প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ পুড়িয়ে কী অর্জন করছে তারা এটাই প্রশ্ন। আমরা চাই সংঘাত বন্ধ হোক। মানুষ পুড়িয়ে নির্বাচন বন্ধ করে নির্বাচনি ফায়দা করবে এটা এদেশে চলবে না। এই অন্যায় কখনও মেনে নেওয়া যাবে না। আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। মানবতার কল্যাণ করাই ধর্মের শিক্ষা।

    গণভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে বড়দিন উদযাপনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে খ্রিস্ট ধর্ম অনুসারীদের প্রতি বড়দিনের শুভেচ্ছা জানান।

  • ‘লন্ডন থেকে ধরে এনে সন্ত্রাসের হুকুমদাতাকে সাজা দেওয়া হবে’ : শেখ হাসিনা

    ‘লন্ডন থেকে ধরে এনে সন্ত্রাসের হুকুমদাতাকে সাজা দেওয়া হবে’ : শেখ হাসিনা

    লন্ডন থেকে ধরে এনে সন্ত্রাসের হুকুমদাতাকে ধরে এনে বিচার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সদরের শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি দিয়ে আরও বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের চক্রান্তের সমুচিত জবাব ৭ জানুয়ারি ভোটের মধ্য দিয়ে দেওয়া হবে।’

    তারেকের মতো একজন লম্পটের নির্দেশে বিএনপি নেতারা কেন আগুন দিচ্ছে?- এই প্রশ্ন তুলে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘মানুষ খুন করাই তাদের রাজনীতি। টাকা লুটপাট করে বিদেশে বসে মানুষ খুন করার নির্দেশ দিচ্ছে। বিএনপি দেশের উন্নয়ন করতে জানে না তারা শুধু মানুষ পোড়াতে জানে, তাদের কোনো মনুষ্যত্ব নেই।’

    এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাতে জাতীয় পতাকা নেড়ে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে তিনি জানান, ছোট বোন শেখ রেহানা না থাকলে আমি দেশের জন্য উন্নয়ন করতে পারতাম না।’

    জাতির পিতাকে খুনের বিচারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শেখ হাসিনা
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘খুনিদের আনার জন্য আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছে না। তবু আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, তাদের (দেশে) ফিরিয়ে এনে হত্যাকারীদের রায় কার্যকর করবো। যতো বাধাই আসুক।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়াউর রহমান যেমন খুনি, তার স্ত্রী খালেদা জিয়া, ছেলে তারেক রহমানও খুনি। তারা আমার বাবাসহ পরিবারকে হত্যার পর আমাকে ও আমার বোনকে এতিম করেছে। ২০০৪ সালে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল লন্ডনে থাকা তারেক।’

     

  • আজ কোটালীপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    আজ কোটালীপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা শনিবার সকালে তার নিজ নির্বাচনি এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় যাচ্ছেন। এ দিন তিনি কোটালীপাড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক জনসভায় ভাষণ দেবেন।

    কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়া থেকে কোটালীপাড়ায় এসে জনসভায় যোগ দেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তুত করা হয়েছে মঞ্চ ও বিশাল প্যান্ডেল। জনসভাস্থলসহ এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এ জনসভাকে কেন্দ্র করে কোটালীপাড়ায় বইছে উৎসবের আমেজ।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরে আরও তিনবার কোটালীপাড়ায় এসেছিলেন। গত ৮ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে কর্মিসভা, ১ জুলাই উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা ও ২৫ ফেব্রুয়ারি কোটালীপাড়া উপজেলার ভাঙ্গারহাট তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা বক্তব্য রাখেন।

    জনসভাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের সড়কের দুপাশ দিয়ে তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন টানানো হয়েছে। তবে প্রতিটি তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুনই সাদাকালো। লাল, নীল, সবুজ, হলুদসহ নানা রঙের পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাস্থল ও এর আশপাশের এলাকা।