Category: Uncategorized

  • সারওয়ারা জাহান শিউলীর মৃত্যুতে আল-মোস্তফা গ্রুপে শোকের ছায়া

    সারওয়ারা জাহান শিউলীর মৃত্যুতে আল-মোস্তফা গ্রুপে শোকের ছায়া

    আল-মোস্তফা গ্রুপের বিভাগের ম্যানেজার সারওয়ারা জাহান (শিউলী) আর নেই। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার আনুমানিক রাত ৯টা ৩০ মিনিটে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার, সহকর্মী ও স্বজনদের মাঝে শোকের আবহ রেখে গেছেন।

    ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    সারওয়ারা জাহান (শিউলী)-এর মৃত্যুতে আল-মোস্তফা গ্রুপ পরিবারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মীরা একজন দায়িত্বশীল ও প্রিয় সহকর্মীকে হারানোর কথা উল্লেখ করে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

    এক শোকবার্তায় আল-মোস্তফা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    শোকবার্তায় বলা হয়, মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমা সারওয়ারা জাহান (শিউলী)-কে ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ধৈর্য ও শক্তির সঙ্গে মোকাবিলা করার তাওফিক দান করুন।

  • জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সচিবালয় থেকে হেঁটে প্রধানমন্ত্রী

    জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সচিবালয় থেকে হেঁটে প্রধানমন্ত্রী

    শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সচিবালয় থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তাঁর দপ্তর থেকে গাড়ির পরিবর্তে হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্য, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও প্রেস উইংয়ের সদস্যরা ছিলেন। পথে প্রধানমন্ত্রীকে দেখে পথচারীরা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানালে তিনিও তাদের প্রতি হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

    ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে তিনি তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সম্মানী বিতরণ করেন।

    ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি, ধর্মীয় গুরু, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পুরোহিত ও সেবাইতরা অংশ নেন।

    এর আগে দিনের প্রথম কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে খাদ্য মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত একটি বৈঠকে অংশ নেন। পরে সচিবালয়ের পাশেই অবস্থিত ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য, আসিফ আকবরকে পাল্টা জবাব রাশেদ খাঁনের

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য, আসিফ আকবরকে পাল্টা জবাব রাশেদ খাঁনের

    গায়ক আসিফ আকবরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আসিফ আকবরের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন তিনি।

    ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, আদালতে মদ্যপানের কারণ হিসেবে আসিফ আকবর তার ‘মাথার সমস্যার’ কথা জানিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি আসিফ আকবরের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

    রাশেদ খাঁন তার পোস্টে ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ সাকিব আল হাসানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আসিফ আকবরের লন্ডনে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, ওই ঘটনায় আসিফ আকবর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন এবং ‘মাথায় সমস্যা থাকার কারণে’ তিনি ভুল করেছেন—এমন ধারণা তার।

    এছাড়া সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে আসিফ আকবরের একটি মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। আসিফ আকবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে গুম থাকার প্রসঙ্গ টেনে যে মন্তব্য করেছেন বলে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, সেটিকে তিনি ‘বিরূপ মন্তব্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

    রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ওই ধরনের মন্তব্য করার সময় আসিফ আকবরের মানসিক অবস্থা কেমন ছিল। তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে মন্তব্য করেন, বক্তব্য দেওয়ার আগে আসিফ আকবরের ‘মাথা ঠিক করে নেওয়া’ উচিত ছিল।

    পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আসিফ আকবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ওই পদে থাকতে না পারায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের একটি বড় অংশজুড়ে ছিল গুমের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সমালোচনা নিয়ে আপত্তি না থাকলেও গুমের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে কটাক্ষ বা প্রশ্ন তোলার কারণে আসিফ আকবরের বক্তব্যের জবাব দেওয়া প্রয়োজন হয়েছে।

    পোস্টে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দের কথাও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই আসিফ আকবরের গান তার ভালো লাগত এবং পছন্দের শিল্পীদের তালিকায় আসিফ ছিলেন। একই সঙ্গে বিএনপির অনেক মানুষও আসিফ আকবরকে গায়ক হিসেবে পছন্দ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    তবে শিল্পী ও তারকাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত কি না—এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তার মতে, শিল্পী বা তারকাদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকাই ভালো। রাজনৈতিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়লে জনপ্রিয়তা ও মানুষের ভালোবাসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

    শেষে আসিফ আকবরের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, তাকে মানুষ ভালোবাসে এবং সেই ভালোবাসার প্রতিদান বিতর্কিত বক্তব্যের মাধ্যমে না দেওয়াই উচিত।

    তবে রাশেদ খাঁনের এসব মন্তব্যের বিষয়ে আসিফ আকবরের কোনো প্রতিক্রিয়া বা জবাব এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

  • প্যান্ট তৈরিতে এত পানি খরচ হয় কেন, জানলে অবাক হবেন

    প্যান্ট তৈরিতে এত পানি খরচ হয় কেন, জানলে অবাক হবেন

    প্যান্ট পরার সময় সাধারণত কেউ ভাবেন না, এটি তৈরিতে কতটা পানি খরচ হয়েছে। অথচ একটি প্যান্ট উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়ায় গড়ে ৭ থেকে ১০ হাজার লিটার পানি প্রয়োজন হতে পারে। কোনো কোনো হিসাবে এই পরিমাণ ১৫ হাজার লিটার পর্যন্তও হতে পারে।

    বৈশ্বিকভাবে প্রতিবছর প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি প্যান্ট উৎপাদিত হয়। ফলে পোশাকশিল্পে পানির ব্যবহার যে কত বিশাল, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

    প্যান্ট তৈরির অন্যতম প্রধান কাঁচামাল তুলা। ডেনিমের মূল উপাদানও কটন বা তুলা। এক কেজি তুলা উৎপাদনে প্রায় ১০ হাজার লিটার পানি প্রয়োজন হতে পারে। একটি প্যান্ট তৈরিতে সাধারণত ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি তুলা লাগে। ফলে মোট পানির বড় একটি অংশ ব্যয় হয় তুলা উৎপাদনেই।

    তুলা এমন একটি ফসল, যার চাষে প্রচুর সেচের প্রয়োজন হতে পারে। বৈশ্বিক কৃষিজমির মাত্র আড়াই শতাংশে তুলা চাষ হলেও কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত সেচের পানির প্রায় ১৭ শতাংশ এই ফসলের পেছনে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুধু তুলা চাষেই পানির ব্যবহার শেষ নয়। তুলা থেকে সুতা তৈরি, কাপড় বোনা, রং করা এবং ডেনিমকে কাঙ্ক্ষিত রং ও ধরন দেওয়ার বিভিন্ন ধাপেও পানি ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে ডেনিমের রং ও ফিনিশিংয়ের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পানি প্রয়োজন হয়।

    তুলা চাষের অতিরিক্ত পানিনির্ভরতার প্রভাব পরিবেশেও পড়েছে। মধ্য এশিয়ার আরাল সাগর এর অন্যতম আলোচিত উদাহরণ। সোভিয়েত আমলে তুলা চাষের জন্য নদীর পানি ব্যাপকভাবে সরিয়ে নেওয়ার ফলে একসময় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এই হ্রদটি প্রায় শুকিয়ে যায়।

    অর্থাৎ একটি প্যান্টের পরিবেশগত প্রভাব শুধু কারখানার পানির ব্যবহারেই সীমাবদ্ধ নয়; তুলা উৎপাদন থেকে শুরু করে কাপড় তৈরি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পুরো সরবরাহশৃঙ্খলেই বিপুল পানি ব্যবহৃত হয়।

    তাই পানির অপচয় কমাতে টেকসই তুলা উৎপাদন, কম পানিনির্ভর প্রযুক্তি, পুনর্ব্যবহৃত পানি এবং পুরোনো পোশাক পুনর্ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব বাড়ছে।

  • ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর হত্যাকাণ্ড, হামলাকারীদের খুঁজছে পুলিশ

    ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর হত্যাকাণ্ড, হামলাকারীদের খুঁজছে পুলিশ

    কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সৈকতকে (৪৩) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পৌর শহরের টিন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আল আমিন সৈকত পৌর শহরের আড়াই ব্যাপারি বাড়ির মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি ভৈরব বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত সার ও ধান ব্যবসায়ী ছিলেন। পাশাপাশি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক ছিলেন। বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের ভৈরব পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, রোববার রাত ১২টার দিকে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন সৈকত। টিন বাজার এলাকায় পৌঁছালে ৩ থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

    পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের চাচাতো ভাই আরাফাত হোসেন বড় মিয়া বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বের পাশাপাশি রাজনৈতিক শত্রুতার কারণেও এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে হত্যা করেছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

    ভৈরব শহর ফাঁড়ির এসআই নুরুল হুদা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও সেখানে সৈকতকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মৃত্যুর খবর জানতে পারে পুলিশ। মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ভৈরবে আনা হবে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নৌবাহিনী প্রধানের পদে পদোন্নতি, অ্যাডমিরাল হলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

    নৌবাহিনী প্রধানের পদে পদোন্নতি, অ্যাডমিরাল হলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

    বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে অ্যাডমিরাল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এম জে আরিফ বেগের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার নিয়োগের মেয়াদ ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত।

    এর আগে গত ২৩ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

    ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। ১৯৮৯ সালে তিনি এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন তিনি। দেশ-বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা ও সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

    প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষণমূলক দায়িত্ব পালন করেছেন। কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন এবং কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। নৌ সদর দফতরে পরিচালক নৌ অপারেশনস ও পরিচালক নৌ পরিকল্পনা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

    এছাড়া বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজ ও নৌঘাঁটির অধিনায়কত্ব করেছেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। লেবানন ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

    সর্বশেষ ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ ও ওমানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

    দীর্ঘ কর্মজীবনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নৌবাহিনী পদক, নৌ-পারদর্শিতা পদক, জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ বিভিন্ন পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

  • ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি ৩২ ঘটনায় মামলা আবেদন

    ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি ৩২ ঘটনায় মামলা আবেদন

    রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে এ আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রেখেছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আবেদনে সাবেক উপদেষ্টা ড. সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলমসহ এনসিপির আরও কয়েকজন নেতা এবং কয়েকজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টকে আসামি করা হয়েছে।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের প্রত্যক্ষ মদদ, উসকানি ও সহযোগিতায় বিপুলসংখ্যক মানুষ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে হামলা চালায়। তাদের হাতে লাঠিসোঁটা, হাতুড়ি ও দাহ্য পদার্থসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ছিল বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা ভবনে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ঐতিহাসিক নিদর্শন, মুক্তিযুদ্ধের দলিল, প্রামাণ্যচিত্র, বই ও বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত ও লুট করা হয়। পরে বুলডোজার, এক্সক্যাভেটরসহ ভারী যন্ত্র ব্যবহার করে ভবনটি ভেঙে ফেলার অভিযোগও করা হয়েছে।

    মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, কয়েকজন আসামি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে উসকানি দেন এবং কেউ কেউ অর্থসহায়তা করেন। পাশাপাশি, পূর্বঘোষণার পরও ভবন রক্ষায় দায়িত্বশীলরা কার্যকর উদ্যোগ নেননি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত আদালত দেননি। মামলাটি গ্রহণ ও পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে আদালতের আদেশের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, ভোট ২০ আগস্ট

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, ভোট ২০ আগস্ট

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তারা হলেন বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের মনোনীত কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম

    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ২০ আগস্ট দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট হবে।

    ইসি সচিব জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের ভোট প্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে ব্যালট পেপার প্রস্তুত করা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার গ্রহণ করবেন। ব্যালট পেপারের নির্ধারিত স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষর অনুযায়ী মুদ্রিত থাকবে।

    নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে ভোট দেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা ব্যালট পেপার ব্যালট বাক্সে জমা দেবেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। এরপর শুরু হবে ভোট গণনা।

    ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। ভোট গণনার সময় কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন, কতটি ভোট বৈধ হয়েছে, কতটি বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে।

    প্রাপ্ত বৈধ ভোটের মধ্যে যে প্রার্থী সর্বাধিক ভোট পাবেন, প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা সংসদ কক্ষেই তাকে প্রাথমিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরে নির্বাচনের ফলাফল সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

    আখতার আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া চারটি ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে। এগুলো হলো—মনোনয়নপত্র জমা, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণ

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারের মাধ্যমে তৃতীয় ধাপ শেষ হয়েছে। এখন চতুর্থ ও শেষ ধাপ হিসেবে আগামী ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

    ইসি সচিব আরও বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে গেজেট প্রকাশ করা হবে। এ ক্ষেত্রে ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সময়ই নেওয়া হবে।

    দীর্ঘ সময় পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাওয়ায় এবারের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট সংসদ সদস্যদের ভোটের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।

  • রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সংস্কার, জনগণের বিভ্রান্তি দূর করতে চান প্রধানমন্ত্রী

    রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সংস্কার, জনগণের বিভ্রান্তি দূর করতে চান প্রধানমন্ত্রী

    রাজস্ব নিয়ে জনগণের মধ্যে যে বিভ্রান্তি রয়েছে, তা দূর করাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাতে যথাযথ অর্থ ব্যয় নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে। তবে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কার্পণ্য করা হবে না। সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সম্মেলনে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, কর ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

    সরকারের রাজস্ব নীতির সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও কার্যকর করার বিষয়েও সম্মেলনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    এদিকে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের অর্থবছরের সময়কালও পরিবর্তন করা হচ্ছে। বর্তমানে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হলেও ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে তা হবে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ

    সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

    সরকারের যুক্তি, জুলাই-আগস্ট বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে কাজের গতি কমে যায়, গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং জনদুর্ভোগ বাড়ে। এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু হলে বর্ষা শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নকাজের বড় অংশ শেষ করার সুযোগ তৈরি হবে।

    নতুন অর্থবছর চালুর আগে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে ধরা হবে। এই অর্থবছর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট নয় মাসের হবে।

    এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল-৩১ মার্চ সময়সীমায় নিয়মিত অর্থবছর কার্যকর হবে।

    পরিবর্তন বাস্তবায়নে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক ও লেজিসলেটিভ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি সংবিধান ও ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭’-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

  • দাউদকান্দিতে স্লিপার কোচে ভয়াবহ আগুন, প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা

    দাউদকান্দিতে স্লিপার কোচে ভয়াবহ আগুন, প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা

    কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রয়েল কক্স পরিবহনের একটি স্লিপার কোচ বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বাসটি সামনে থাকা একটি গাড়িকে ধাক্কা দেওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের পর বাসের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই বাসটি জ্বলতে থাকে। তবে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাসের যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে দ্রুত যাত্রীরা বাস থেকে নেমে যাওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও স্টাফরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

    পুলিশ জানায়, বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি তাদের হেফাজতে রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ ও গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক তৈরি হলেও বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে