Category: Uncategorized

  • নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন ‘জুবায়ের রহমান চৌধুরী’

    নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন ‘জুবায়ের রহমান চৌধুরী’

    দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়। এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনের তারিখ—২৩ ডিসেম্বর ২০২৫। আইন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, গতকাল মঙ্গলবারের তারিখ থাকলেও প্রজ্ঞাপনটি আজ বুধবার প্রকাশ করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

    সংবিধান অনুযায়ী বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসাবে তাঁর ৬৭ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে ২৭ ডিসেম্বর।

    এখন দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হলো। তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

    সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ মে। সে হিসাবে তাঁর ৬৭ বছর পূর্ণ হবে ২০২৮ সালের ১৭ মে।

    বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর বাবা প্রয়াত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান চৌধুরী, মা প্রয়াত বেগম সিতারা চৌধুরী।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম করেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। পরে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইনে এলএলএম করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে জজকোর্টে, ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হন। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হন। ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

  • মেট্রোরেলের ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ বাড়লো আগামী বছরের জুন পর্যন্ত

    মেট্রোরেলের ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ বাড়লো আগামী বছরের জুন পর্যন্ত

    মেট্রোরেলের সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অব্যাহতি আগামী ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেট্রোরেলকে দেশের আধুনিক, নিরাপদ, দ্রুতগতির ও পরিবেশবান্ধব নগর পরিবহন হিসেবে আরও জনপ্রিয় করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে মেট্রোরেল সেবায় ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ছিল। তবে রাজধানীর যানজট কমানো এবং নগর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে সরকার আরও ছয় মাসের জন্য কর ছাড় বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    মন্ত্রণালয় জানায়, মেট্রোরেল টেকসই ও সাশ্রয়ী গণপরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    মঙ্গলবার একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে মেট্রোরেল সেবায় ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্তের ফলে মেট্রোরেলের ভাড়া যাত্রীদের জন্য সাশ্রয়ী থাকবে। একই সঙ্গে ঢাকার ক্রমবর্ধমান পরিবহন সংকট মোকাবিলায় মেট্রোরেল আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন : নতুন রাজনীতির সূচনা

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন : নতুন রাজনীতির সূচনা

    // মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর //

    বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতির আকাশে দীর্ঘ আঠারো বছর ধরে যে শূন্যতা, হাহাকার আর দীর্ঘশ্বাসের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছিল, আজ (বৃহস্পতিবার) তা এক বিশাল প্রত্যাশার আলোকবর্তিকা হয়ে উদিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যাকে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে প্রতিহিংসার রাজনীতি আর ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার বেড়াজালে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল, তিনি আগামী ২৫ ডিসেম্বর বীরের বেশে ফিরছেন তার প্রিয় মাতৃভূমিতে। এই দীর্ঘ প্রবাসজীবন কিংবা নির্বাসন কেবল তার ব্যক্তিগত লড়াই ছিল না, বরং তা ছিল বাংলাদেশের লুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার এক সুদীর্ঘ ও কণ্টকাকীর্ণ সংগ্রাম।

    দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারা অন্তরীণ রেখে এবং তারেক রহমানকে ভৌগোলিকভাবে দূরে ঠেলে দিয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে এদেশের জাতীয়তাবাদী চেতনাকেই সমূলে উৎপাটন করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম এই যে, সত্য ও ন্যায়কে সাময়িকভাবে অবদমিত রাখা গেলেও শেষ পর্যন্ত তা বিজয়ী বেশে আত্মপ্রকাশ করে।

    তারেক রহমানের এই দীর্ঘ অনুপস্থিতিকালে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছিল অত্যন্ত বন্ধুর এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষমতার লালসায় কিংবা রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের নজিরবিহীন ভয়-ভীতিতে দলের বহু নেতাকর্মীকে বিচ্যুত করার অপচেষ্টা হয়েছে বারবার। বিএনপিকে ভেঙে ফেলার জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা চলেছে প্রতিটি স্তরে। কিন্তু সেই চরম দুর্দিনেও দলের ঐক্য যে অটুট ছিল এবং কোনো বড় ধরনের ফাটল ধরেনি, সেটির একমাত্র কৃতিত্ব বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুযোগ্য, বিচক্ষণ এবং ধৈর্যশীল নেতৃত্বের। তিনি শুধু নিজের দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখেননি, বরং দেশের গণতন্ত্রকামী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝেও এক অনন্য ঐক্যের সেতু নির্মাণ করেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি বিরল ঘটনা যে, দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থেকেও একজন নেতা কেবল ভিডিও কনফারেন্স এবং সাংগঠনিক যোগাযোগের মাধ্যমে একটি বিশাল রাজনৈতিক জোটকে অভিন্ন লক্ষ্যে স্থির রাখতে পেরেছেন। তিনি হয়ে উঠেছিলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের এক অদৃশ্য কিন্তু শক্তিশালী সুতো, যা সকল মতের মানুষকে একই প্ল্যাটফর্মে গেঁথে রেখেছিল।

    তারেক রহমান ভৌগোলিক দূরত্বকে তুচ্ছ করে নিজের সাংগঠনিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে শুরু করে তৃণমূলের প্রান্তিক কর্মী পর্যন্ত সরাসরি সংযোগ রক্ষা করেছেন। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে তিনি প্রতিটি ইউনিয়নে, প্রতিটি গ্রামে সংগঠনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রেখেছেন। ফ্যাসিস্ট শক্তি তাকে দেশের মাটি থেকে দূরে সরিয়ে রাখলেও জনগণের হৃৎস্পন্দন থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি, বরং দিন দিন তিনি হয়ে উঠেছেন শোষিত মানুষের ভরসাস্থল। বিএনপিকে খণ্ড-বিখণ্ড করার সকল চক্রান্ত তিনি অত্যন্ত দৃঢ় হাতে দমন করেছেন, যা তার সাংগঠনিক পরিপক্বতারই প্রমাণ দেয়। তার এই নেতৃত্ব কেবল বিএনপিকে রক্ষা করেনি, বরং দেশের সামগ্রিক গণতন্ত্রকামী শক্তিকে একটি মেরুদণ্ড প্রদান করেছে।

    আজ দেশ এক চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বপ্ন দেখছে। দীর্ঘ সময় পর বাংলাদেশ যখন স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত হয়ে নিঃশ্বাস নিতে শুরু করেছে, এমন এক সন্ধিক্ষণে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে বাঁচার আশার সঞ্চার করেছে। তিনি কেবল একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে ফিরছেন না, বরং তিনি ফিরছেন এক নতুন ও আধুনিক বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ রূপকল্প নিয়ে। তার নির্দেশিত ঐতিহাসিক ‘৩১ দফা’ আজ সারা দেশে এক গণসনদে পরিণত হয়েছে। এই ৩১ দফার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের সামনে এমন এক রাষ্ট্রের নকশা উপস্থাপন করেছেন, যেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে এবং নাগরিক অধিকার হবে প্রশ্নাতীত।

    এই রূপকল্প কেবল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার নয়, বরং এটি রাষ্ট্র সংস্কারের এক বৈপ্লবিক পরিকল্পনা। সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের যে স্বপ্ন তারেক রহমান দেখিয়েছেন, তা দেশের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ— সকলের মধ্যেই উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

    নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সরকার গঠন ও দেশ পরিচালনায় তারেক রহমানের মেধা, দূরদর্শিতা এবং আধুনিক চিন্তাধারা এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলেই আজ সর্বস্তরের মানুষ গভীরভাবে বিশ্বাস করে। দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রবাসজীবনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়ন কাছ থেকে দেখেছেন, যা তাকে একজন বিশ্বমানের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে গড়ে তুলেছে। দেশের মানুষ আজ মনে করে, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কেবল অর্থনৈতিকভাবেই সমৃদ্ধ হবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এক অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের মাঠে লড়াই থেকে শুরু করে রাষ্ট্রসংস্কারের প্রতিটি ধাপে তার উপস্থিতি আজ অপরিহার্য।

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের সুবাতাস বয়ে আনবে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিভেদ ও প্রতিহিংসার রাজনীতির বিপরীতে তিনি এক অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমঝোতামূলক রাজনীতির পথ দেখাচ্ছেন। সেই আশাবাদ আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। দেশের প্রতিটি প্রান্তে, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ড্রইং রুম পর্যন্ত আজ একটাই আলোচনা— তারেক রহমান ফিরছেন। এই ফেরা মানেই হলো অন্ধকারের অবসান, এই ফেরা মানেই হলো ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা। সাধারণ মানুষের এই আকাশচুম্বী প্রত্যাশাকে ধারণ করেই তারেক রহমান আজ বাংলাদেশের জাতীয় নেতার আসনে আসীন হয়েছেন।

    তারেক রহমানের এই ঘরে ফেরা কেবল একজন ব্যক্তির প্রত্যাবর্তন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের লুণ্ঠিত মানচিত্রের পুনরুত্থান। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার এই পদধ্বনি নেতাকর্মীদের মাঝে যেমন নবপ্রাণের জোয়ার এনেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মাঝেও এক গভীর স্বস্তি বয়ে এনেছে। কারণ বাংলাদেশের মানুষ আজ স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই কেবল আসন্ন নির্বাচনে এক বিশাল বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব এবং তার স্বপ্নের হাত ধরেই দেশ এক সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেবল সময়ের দাবি নয়, বরং তা এক নতুন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সূর্যোদয়ের শুভ সূচনা। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেখেছিলেন এবং যা বাস্তবায়নে বেগম খালেদা জিয়া আজীবন সংগ্রাম করেছেন, সেই স্বপ্নের পূর্ণতা দিতেই আজ তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন।

    *লেখক : মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)* সুত্র: বাসস

  • হাদির হত্যাকারী ফয়সালের সহযোগী কবির ফের রিমান্ডে

    হাদির হত্যাকারী ফয়সালের সহযোগী কবির ফের রিমান্ডে

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবিরকে ফের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদের আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ কবিরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে সাত দিনের রিমান্ড শেষে কবিরকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্তে প্রয়োজনীয় তথ্য উদঘাটনের জন্য তাকে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে কবিরকে আটক করে র্যাব। পরদিন ১৬ ডিসেম্বর তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন, অনুমতি দিলো ডিএমপি

    স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন, অনুমতি দিলো ডিএমপি

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    রোববার রাতের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য লিখিত অনুমতিপত্র পাওয়া গেছে।

    শায়রুল কবির খান আরও জানান, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে এ সংক্রান্ত অনুমতিপত্র পাঠান।

    তিনি বলেন, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্টাফ জাহিদ হোসেন নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে অনুমতিপত্রটি পৌঁছে দেন। সেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (দপ্তর দায়িত্বে) সাত্তার পাটোয়ারী চিঠিটি গ্রহণ করেন।

  • ওসমান হাদির ওপর হামলায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না : প্রধান উপদেষ্টা

    ওসমান হাদির ওপর হামলায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না : প্রধান উপদেষ্টা

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই— যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলে প্রধান উপদেষ্টা।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের সামনে আজ উপস্থিত হয়েছি অত্যন্ত ব্যথিত হৃদয়ে। এই আনন্দের দিনে গভীর বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি— জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর সম্প্রতি যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়— এটি বাংলাদেশের অস্তিত্বের ওপর আঘাত, আমাদের গণতান্ত্রিক পথচলার ওপর আঘাত।

    তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদি বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এরইমধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে। আপনারা তার জন্য মহান আল্লাহতালার কাছে অন্তরের অন্তস্তল থেকে দোয়া করুন।

    উপদেষ্টা বলেন, সরকার এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই— যারা এই ষড়যন্ত্রে জড়িত, তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই— পরাজিত শক্তি ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের এই অপচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। ভয় দেখিয়ে, সন্ত্রাস ঘটিয়ে বা রক্ত ঝরিয়ে এই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না।

    তিনি আরও বলেন, আপনাদের প্রতি আহ্বান জানাই— সংযম বজায় রাখুন। অপপ্রচার বা গুজবে কান দেবেন না। ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টরা, যারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়, আমরা অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের মোকাবিলা করব। তাদের ফাঁদে পা দেব না। পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি এ দেশের পবিত্র মাটিতে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না।

    উপদেষ্টা বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশে ও বিশ্বজুড়ে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে জানাই বিজয়ের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আজ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে এই দিনে আমরা পাই কাঙ্ক্ষিত বিজয়ের স্বাদ। অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা আর লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাই একটি স্বাধীন দেশ ও লাল-সবুজের পতাকা।

    তিনি বলেন, গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধসহ স্বাধীনতার জন্য যুগ যুগ ধরে লড়াই-সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন সেসব বীর যোদ্ধা ও শহীদদের। তাদের এই অবদান আমাদের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা ও সাহস জোগায়, সব সংকট-সংগ্রামে দেখায় মুক্তির পথ। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার যে নতুন সূর্য উদিত হয়েছিল, বিগত বছরগুলোতে তা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদে ম্লান হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা আবারও একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি উন্নত ও সুশাসিত বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত গড়ে তুলতে যে বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, দেশের আপামর জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ আমরা তার সফল পরিসমাপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছি।

    সূত্রঃ ঢাকা পোস্ট

  • কর ছাড়ে কমতে পারে মোবাইল ফোনের দাম: এনবিআর চেয়ারম্যান

    কর ছাড়ে কমতে পারে মোবাইল ফোনের দাম: এনবিআর চেয়ারম্যান

    দেশে মোবাইল ফোনের দাম কমানোর লক্ষ্যে উৎপাদন ও আমদানির উভয় ক্ষেত্রেই কর ছাড় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। তিনি বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা আনতে এনবিআর এ বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘পরবর্তী সরকারের আর্থ-সামাজিক অগ্রাধিকারসমূহ’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “পৃথিবীর কোনো দেশেই ট্রেড থেকে আমাদের মতো এত বেশি ট্যাক্স নেওয়া হয় না। এটা শুধু রাজস্ব আদায়ের জন্য নয়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে এমন কর আরোপ করা হয়।” তিনি জানান, সম্প্রতি মোবাইল ফোন উৎপাদনকারীরা কর ছাড় নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। কারণ আমদানি শুল্ক কমালে স্থানীয় বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

    তবে আবদুর রহমান খান বলেন, “আমরা এমন সমাধান চাই, যাতে স্থানীয় শিল্প ও আমদানিকারক দু’পক্ষের স্বার্থ রক্ষা হয় এবং একই সঙ্গে ভোক্তারা উপকৃত হন। সে কারণেই মোবাইল ও স্মার্টফোনের দাম কমাতে উৎপাদন ও আমদানির দুই জায়গাতেই কর ছাড় দিতে রাজি আছি।”

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাই-এন্ড মোবাইল ফোনের বড় একটি অংশ গ্রে মার্কেটের মাধ্যমে দেশে আসে, ফলে সরকার প্রকৃত অর্থে রাজস্ব পায় না। “এনইআইআর বাস্তবায়নের মাধ্যমে যদি এসব ফোন ফরমাল চ্যানেলে আনা যায়, তাহলে কর ছাড় দিলেও দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব বাড়বে,” বলেন তিনি।

    এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে আমদানি শুল্ক তুলনামূলক বেশি রাখা হলেও এখন তা কমানোর চিন্তা করছে সরকার।

    উল্লেখ্য, আগামীকাল বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) থেকে দেশে কার্যকর হচ্ছে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধন ব্যবস্থা বা এনইআইআর। তবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আনা মোবাইল ফোন ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিক্রি করা যাবে। ওই সময়ের পর কোনো অবৈধ ফোনকে আর নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে দেওয়া হবে না

  • মহান বিজয় দিবসে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল

    মহান বিজয় দিবসে ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল চলাচল

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মেট্রোরেল চলাচল ৪০ মিনিট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল প্যাসেঞ্জার্স কমিউনিটি-ঢাকা। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত  মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে। পুরাতন বিমানবন্দরে ‘এয়ার শো’ দেখতে আগত যাত্রীরা সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে আগারগাঁও স্টেশনে নামবেন।

    এছাড়া ট্রেন ও স্টেশনে পানাহার নিষিদ্ধ জানিয়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতাও কামনা করা হয়।

    সূত্রঃ কালের কন্ঠ

  • রাজশাহীর মাটিতে সারজিস আলম ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা

    রাজশাহীর মাটিতে সারজিস আলম ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমকে রাজশাহীতে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেছেন দলেরই একাংশের সাবেক নেতারা। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও এনসিপির জেলার সাবেক সমন্বয় কমিটির সদস্য মোতালেব হোসেন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ঘোষণা দেন।

    স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার না করায় তারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। গত ২৯ নভেম্বর সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে রাজশাহী জেলা কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি। এরপর থেকেই তাকে ‘আওয়ামী দোসর’ আখ্যা দিয়ে দলের একটি অংশ প্রতিবাদে নামেন।

    মোতালেব হোসেন তার ফেসবুকে লেখেন, “সাইফুল ইসলামকে এনসিপিতে এনেছেন রাজশাহী বিভাগীয় সংগঠক ইমরান ইমন। তারই পদচেষ্টায় সাইফুল ইসলাম সামনে এসেছে। বারবার বলার পরও সারজিস আলম কোনো ব্যবস্থা নেননি। এর অর্থ তিনিও এ বিষয়ে জড়িত।”

    তিনি আরও বলেন, “রাজশাহীর মাটি থেকে সারজিস আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।”

    এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে মোতালেব হোসেন বলেন, “আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সারজিস আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে রাজশাহীতে এনসিপিকেই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হবে।”

  • দুর্নীতি তদন্তে সাংবাদিক সুভাষ সিংহসহ ১০ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    দুর্নীতি তদন্তে সাংবাদিক সুভাষ সিংহসহ ১০ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

    সাংবাদিক সুভাষ চন্দ্র সিংহ রায় ও তার স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মমতা হেনা লাভলীসহ ১০ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

    নিষেধাজ্ঞা পাওয়া অন্যরা হলেন—ল্যাফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান খান ও তার স্ত্রী সাবিনা রহমান খান, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মো. শহীদ, মোহাম্মদ জাহিদ, মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন ও তার স্ত্রী জহুরা আহম্মদ শুভ, এবং মেজর জেনারেল (অব.) আবু সাঈদ মো. মাসুদ।

    দুদক সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে এবং সম্ভাব্য দেশত্যাগ ঠেকাতে আদালতের কাছে আবেদন করা হলে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।