Category: Uncategorized

  • তাসরিফ খান বন্যার্তদের ঘর উপহার দিলেন

    তাসরিফ খান বন্যার্তদের ঘর উপহার দিলেন

    বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সব সময় দেখা মেলে তরুণ গায়ক তাসরিফ খানের। দেশের যেকোনো দুর্যোগে ছুটে যান তিনি। এবার তিনি যথারীতি হাজির হয়েছেন ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর এলাকায়।

     

    স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায় দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণে এগিয়ে এসেছে তাসরিফ। প্রথম দুই ধাপের এই কার্যক্রম সম্পন্নের পরে এবার ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন তাসরিফ খান। তারই ধারাবাহিকতায় ফেনীতে একজন কৃষককে ঘর বানিয়ে দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী।

    মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টায় এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাসরিফ নিজেই। তিনি জানান, বন্যায় সর্বস্ব হারানো ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বাসিন্দা মো. জমিতার বারখুকে একটি ঘর বানিয়ে দিয়েছেন তিনি। খরচ হয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ৭৭৫ টাকা।

    এর আগে, ফেনীর বন্যায় সব হারানো কৃষক নূর করিম ভাইয়ের জন্য একটি ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। যেটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ৭৭৫ টাকা। ত্রাণের টাকায় নির্মিত ঘরের ছবি প্রকাশ করে তাসরিফ খান জানান, এ রকম পাঁচটি ঘরের কাজ চলমান। বর্তমানে তৃতীয় ও চতুর্থ ঘরের কাজ চলছে। দোয়া করবেন।

    বন্যার্তদের পাশে থাকাটা একেবারেই নতুন নয় এই গায়কের। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সর্বদা সরব থাকেন এই শিল্পী। এর আগে ২০২২ সালে সিলেটের বন্যাদুর্গত বিপর্যস্ত মানুষদের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে ফেসবুকে লাইভ করেন তাসরিফ, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।

  • বাংলাদেশ দল এবার ভারত সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে

    বাংলাদেশ দল এবার ভারত সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে

    পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার ধাক্কা সীমানার ওপার ভারতেও আলোড়ন তুলেছে। দেশটির মিডিয়া রহিত শর্মাদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পরোক্ষে। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জিতবই– নাজমুল হোসেন শান্তরা এমন কথা না বললেও অনেক কিছুই বলা হয়ে গেছে ২২ গজে। এখন যে আত্মবিশ্বাস, ভারতের মাটিতে ভালো খেলতে কাজে দেবে।

    রাওয়ালপিন্ডিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় করা বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা দেশে ফিরেছেন গতকাল রাতে। যদিও পাকিস্তান বধে তৃপ্তির ঢেকুর তোলার সুযোগ নেই। ক্রিকেটারদের শিগগিরই আটঘাট বেঁধে প্রস্তুত হতে হবে ভারত সফরের জন্য।

    পাকিস্তান থেকে দুই ভাগে দেশে ফিরেছেন ক্রিকেটাররা। একদল করাচি থেকে দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছান রাত সাড়ে ১১টায়। আরেক গ্রুপ কাতারের দোহা হয়ে ঢাকা দেশে ফেরেন রাত ২টা ১৫ মিনিটে। পাকিস্তান থেকে ঐতিহাসিক সিরিজ জিতে সবাই যখন ঘরে ফিরেছেন, সাকিব আল হাসান তখন ইংল্যান্ডের বিমান ধরেছেন। যে গ্রুপটি করাচি থেকে দুবাই গেছে, সেই দলে ছিলেন সাকিব। তাঁর পথ যে ভিন্ন হয়ে গেছে দেশের বর্তমান বাস্তবতায়।

    তাঁর মাথার ওপর ঝুলছে হত্যা মামলা। তিনি তাই নিজেকে প্রস্তুত করছেন বিকল্পভাবে। কাউন্টি দল সারের হয়ে ৯ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর সামারসেটের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলবেন টনটনে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজ খেলতে ভারতের বিমান ধরবেন ইংল্যান্ড থেকেই। ১৫ সেপ্টেম্বর তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থরা ঢাকা থেকে যাবেন চেন্নাইয়ে। সাকিবের মতো বিদেশি কোচিং স্টাফের বেশির ভাগ দলের সঙ্গে ফেরেননি। ছুটি কাটাতে যে যার দেশে ফেরার বিমন ধরেছেন। প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে এবং ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প ঢাকা হয়ে যাবেন অস্ট্রেলিয়া। ভারত সফরের আগে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তারা।

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে বৈশ্বিকভাবে সমাদৃত হয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের সাংবাদিকদের টাইগারদের গৌরবগাথা নিয়ে টুইট করতে দেখা গেছে। অসি সাংবাদিক জ্যারড কিম্বার এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘আমি চিন্তা করতে পারছি না যে, এর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ছিল গ্রেট, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডকে হোম সিরিজে হারানো দারুণ ব্যাপার।

    নিউজিল্যান্ডে জয় ছিল অনেক বড়। তবে বাংলাদেশ যখন পূর্ব পাকিস্তান ছিল, তখন কোটায় একজন ক্রিকেটারকে সুযোগ দেওয়া হতো তাদের মাঠে খেলা হলে। তারাই এখন পাকিস্তানে গিয়ে শুধু একটি টেস্ট ম্যাচ জেতেনি। ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে সব প্রতিকূলতা মোকালিবা করে।’ বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে এভাবে কোনো বিদেশি সাংবাদিক কবে লিখেছে, জানা নেই। ভালো খেলে শান্তরা যেমন সম্মানিত হচ্ছে, তেমনি প্রত্যাশার বেলুন আকাশ ছুঁয়েছে। দেশের মানুষ এখন থেকেই ভারত সফর নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। দেশের বর্তমান বাস্তবতায় ভারতের বিপক্ষে বেশি চাওয়া থাকবে জয়। যদিও ভারতের মাটিতে টেস্টে তাদের হারানো সহজ হবে না। জাতীয় দলের সাবেক নির্বাচক হাবিবুল বাশারের মতে, ‘পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয় ভারতের বিপক্ষে ভালো খেলতে উজ্জীবিত করবে। যদিও ভারতের মাটিতে টেস্ট জেতা কঠিন। কারণ, টেস্টে অনেক ভালো দল তারা। আমি আশা করব, ছেলেরা জয়ের জন্য খেলে বুক চিতিয়ে পাল্লা দেবে।’

    ভারতের বিপক্ষেও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজ। দুই টেস্টের একটিতে জিততে পারলেও রেকর্ড হবে। ক্রিকেট বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সম্মান বেড়ে যাবে আরও। এ কারণেই মরিয়া হয়ে খেলার চেষ্টা থাকবে মুশফিকুর রহিমদের। দুয়েক দিন বিশ্রাম নিয়ে অনুশীলনে নেমে পড়তে পারেন তিনি। সাকিব আল হাসান তো ইংলিশ কাউন্টি ক্লাব সারের হয়ে একটি চার দিনের ম্যাচ খেলবেন নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করতে।

    বাংলাদেশের ভারত সফর শুরু টেস্ট দিয়ে। ১৯ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হবে প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় টেস্ট ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর কানপুরে। তিন ম্যাচ টি২০ সিরিজের প্রথমটি হবে ৬ অক্টোবর গোয়ালিয়র, ৯ অক্টোবর দিল্লি আর ১২ অক্টোবর হায়দরাবাদে। এই সিরিজ সামনে রেখে সব দিক থেকেই প্রস্তুতি আছে ক্রিকেটারদের। শান্তরা যখন রাওয়ালপিন্ডিতে টেস্ট খেলছিলেন, মাহমুদউল্লাহরা তখন ঢাকায় সাদা বলে অনুশীলনে ছিলেন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে।

     

  • মুশফিকের সামনে দুই মাইলফলকের হাতছানি

    মুশফিকের সামনে দুই মাইলফলকের হাতছানি

    রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। এই টেস্টে হার এড়াতে পারলেই সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে এই টেস্টে দু’টি মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ রয়েছে অভিজ্ঞ টাইগার ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের।

     

    পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ১৩৩ রান করলেই বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টেস্ট ফরম্যাটে ৬ হাজার রানের ক্লাবে নাম লেখাবেন মুশফিক। এখন পর্যন্ত ৮৯টি টেস্টে। ১১টি সেঞ্চুরি ও ২৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৯ দশমিক ১১ গড়ে ৫৮৬৭ রান করেছেন মুশফিক।

    মুশফিকের পর বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আছে তামিম ইকবালের। ৭০ টেস্টে ১০ সেঞ্চুরি ও ৩১ হাফ-সেঞ্চুরিতে ৫১৩৪ রান করেছেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক। বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে ৫ হাজার রানের ক্লাবে আছেন শুধু মুশফিক ও তামিমই।

    এ ছাড়া ৩৪ রান করতে পারলে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে দ্বিতীয় মাইলফলক স্পর্শ করবেন মুশফিক। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে ১৫ হাজার ১৯২ রান করেছেন তামিম। এই মুহূর্তে মুশফিকের রান ১৫ হাজার ১৫৯।

  • ঘূর্ণিঝড় ‘আসনা’ ধেয়ে আসছে আরব সাগরের

    ঘূর্ণিঝড় ‘আসনা’ ধেয়ে আসছে আরব সাগরের

    উত্তর-পূর্ব আরব সাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসরের সঙ্গে ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘আসনা’য় পরিণত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) দুপুরের দিকে এটি কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘আসনা’ দিয়েছে পাকিস্তান।

    ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে ভারতের গুজরাটের ভুজ অঞ্চল থেকে ১৯০ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে এবং পাকিস্তানের করাচি থেকে ১৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে।

    এটি আগামী দুইদিন ভারতীয় উপকূল থেকে দূরে উত্তর-পূর্ব আরব সাগরের ওপর দিয়ে ওমানের দিকে অগ্রসর হতে পারে। ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের গুজরাট অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

    গুজরাটের কচ্ছ জেলা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ি ছেড়ে স্কুল বা অন্যান্য স্থিতিশীল ভবনে আশ্রয় নিতে বলেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া দ্বারকা, মোরবি, বরোদাসহ একাধিক জেলায় সেনাবাহিনী নামিয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

    ভারতের আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্ষার মৌসুমে এ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় বিরল। সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর শক্তিশালী প্রতিরোধের জন্য নিম্নচাপগুলো ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে না।

    অন্যদিকে শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি পাকিস্তানের দুটি জেলায় বন্যা নিয়েও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৮৯১-২০২৩ সালের মধ্যে আরব সাগরে মোট তিনটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল। তবে আগস্ট মাসে আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড় একটি বিরল ঘটনা।

  • শান্তদের কাছে পাকিস্তানের হার নিয়ে সমালোচনায় ইমরান

    শান্তদের কাছে পাকিস্তানের হার নিয়ে সমালোচনায় ইমরান

    রাওয়ালপিন্ডিতে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের ১০ উইকেটের হার মেনে নিতে পারছেন না দেশটির কেউ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে সব জায়গায় মুণ্ডপাত করা হচ্ছে শান মাসুদ-বাবর আজমদের।

     

    সমালোচনা হচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও (পিসিবি)। সে সমালোচনায় যুক্ত হয়েছে পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তার ভেরিফাইড পেজে পিসিবির কড়া সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়া হয়।

    সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘গত আড়াই বছরে এমন কী ঘটল যে, আমরা বাংলাদেশের কাছে ১০ উইকেটে হারলাম?’

    বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির এক কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান খান। দুর্নীতি ও সহিংসতায় উসকানির অভিযোগে মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সে মামলায় জামিনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    কারাগারে থেকে শান মাসুদ-বাবর-রিজওয়ানদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি। সব দোষ দিয়েছেন দেশটির ক্রিকেট প্রশাসকদের। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) তার এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) একটি বড় পোস্ট করা হয়। পোস্টটি দুটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশের শুরুতে বলা হয়, ‘আদিয়ালা জেল থেকে (রাজনৈতিক দল) তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের বার্তা।’

    দ্বিতীয় অংশে ক্রিকেট নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তিনি। সেখানে লেখা, ‘ক্রিকেটই একমাত্র খেলা, যা গোটা জাতি খুব আগ্রহ নিয়ে টিভিতে দেখে। কিন্তু একটা শক্তিশালী অংশের মাধ্যমে সেটাও ধ্বংস করা হয়েছে, যারা নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে অযোগ্য এবং পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছেন।’

    পরের অংশে লেখা রয়েছে, ‘আমরা বিশ্বকাপের সেরা চার কিংবা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা আটেও উঠতে পারিনি। আর গতকাল (পরশু) বাংলাদেশের বিপক্ষে লজ্জার হার দেখতে হলো, যা আমাদের জন্য নতুন তলানি। আড়াই বছর আগেও এই দল ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে। এই আড়াই বছরে এমন কী হলো যে আমরা বাংলাদেশের কাছে ১০ উইকেটে হারলাম? এসব অধঃপতনের দোষ একটি প্রতিষ্ঠানের ওপরই বর্তায়।’

    পোস্টে পিসিবি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সমালোচনা করে ইমরান খান লিখেছেন, ‘দুবাইয়ে স্ত্রীর নামে ৫ মিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি রয়েছে মহসিন নাকভির। তিনি গম ব্যবস্থাপনা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং এ দেশের সবচেয়ে জালিয়াতি নির্বাচনের সঙ্গেও জড়িত। তার যোগ্যতা কী? তার অধীনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। কেপি ও বেলুচিস্তানে প্রতিদিনই লোক শহীদ হচ্ছে। পাঞ্জাব পুলিশের লক্ষ্য পিটিআই, এই সুযোগে চোর-ডাকাতরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তারা পুলিশ কর্মকর্তাদের অপহরণ করছে, হত্যাও করছে। ২০০৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে মহসিন নাকভির বিরুদ্ধে তদন্ত করেছে ন্যাব (ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো)।’

    রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ১০ উইকেটের হারে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০তে পিছিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাওয়ালপিন্ডিতে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর পাশাপাশি সিরিজ বাঁচানোর লড়াই পাকিস্তানের জন্য।

  • ক্রিকেট বিশ্বে রাওয়ালপিন্ডিতে ইতিহাস লিখল নতুন বাংলাদেশ

    ক্রিকেট বিশ্বে রাওয়ালপিন্ডিতে ইতিহাস লিখল নতুন বাংলাদেশ

    একটা গোটা জাতি কীভাবে তার যাবতীয় আবেগ, একতা, তেজস্বী কণ্ঠস্বর আর বিশ্বাস দিয়ে সময়কে বদলে দিতে পারে, দেখেছে তা গোটা বিশ্ব। সেই একই মনের জোরে, একই ঐকতানে ক্রিকেটেও গৌরবযাত্রা রচনা করল লাল-সবুজের নতুন এক বাংলাদেশ– সেটাও এবার দেখল গোটা ক্রিকেটবিশ্ব। যেখানে টেস্টের শেষ দিনে পাকিস্তানকে ১৪৬ রানে অলআউট করার মতো অবিশ্বাস্য এক কীর্তি গড়েছেন মুশফিক-মিরাজরা।

     

    ২৪ বছর ধরে যে টেস্ট জয়ের জন্য হন্যে হয়ে ছিল বাংলাদেশ, গতকাল রাওয়ালপিন্ডিতে সেই পাকিস্তানের বিপক্ষেই প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস লিখলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। ২১ বছর আগে সেই ২০০৩ সালে মুলতান টেস্টে ইনজামাম-উল-হকের আউট না দেওয়ার যে প্রবঞ্চনা এতদিন কুরে কুরে খাচ্ছিল, রাওয়ালপিন্ডিতে সেই দ্বন্দ্বই যেন চাপা পড়ল প্রথমবারের মতো ১০ উইকেটে টেস্ট জয় করে। পিন্ডি জয়ের পর আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের খাতায়ও পাকিস্তানকে টপকে গেল এই সাহসী বাংলাদেশ। পাকিস্তানের মাটিতে শান মাসুদদের এভাবে পর্যুদস্ত করাই কি বিদেশের মাটিতে জেতা সাতটি টেস্টের মধ্যে সেরা– তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে না হয় যুক্তিতর্ক হোক। আপাতত পিন্ডি টেস্টে মুশফিকের ১৯১ রানের মুগ্ধতা, মিরাজের ৭৭ রান আর পাঁচ উইকেট শিকারের বিভোরতা আর সাকিবের ৪ উইকেটের সম্মোহ নিয়েই থাকুক বাংলাদেশের ক্রিকেট। উদ্বাহু অপেক্ষায় থাকুক টেস্ট সিরিজ জয়ের।

    এদিন ঐতিহাসিক এই জয়ের পর পিন্ডির গ্যালারিতে লাল-সবুজের পতাকা হাতে বেশকিছু সমর্থক মুশফিকদের বাহবা দিয়েছেন। তবে তাদের মন যে পড়েছিল দেশের মানুষের জন্য। আর সে কারণেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এই জয় উৎসর্গ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত সব শহীদের প্রতি। মুশফিকুর রহিম তাঁর ম্যাচসেরা হওয়ার পুরস্কারের সব অর্থ বন্যার্তদের সহায়তায় দান করেছেন। আসলে এবারের এই সফরটি তাদের জন্য আর অন্য সব সফরের মতো ছিল না। দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিসিবিতে একটা অচলাবস্থা চলছিল, অস্থিরতার মধ্যেই তাদের অনুশীলন বাদ পড়েছিল। মুশফিক ও মুমিনুলদের কেউ কেউ চট্টগ্রামে একটা ক্যাম্প করার পর শুধু অনুশীলনের ঘাটতি পোশাতেই পাকিস্তান সফরে ‘এ’ দলের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

    বাংলাদেশ দলকে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ করে দিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও বাংলাদেশ দলকে নির্ধারিত সূচি এগিয়ে এনে আতিথেয়তা দিয়েছিল। টেস্ট শুরুর আগে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের চোটে পড়ে ছিটকে যাওয়া, এমনকি ‘এ’ দলের হয়ে খেলতে গিয়ে মুশফিকের আঙুলে চোট পাওয়াটাও বাংলাদেশের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ ছিল। কিন্তু সব কিছুর পরও টস জিতে প্রথমে বোলিং নেওয়াটাই বোধ হয় ভালো সিদ্ধান্তের একটা ছিল। যেখানে প্রথম দিনের প্রথম সেশনেই ১৬ রানে পাকিস্তানের ৩ উইকেট ফেলে দেন বাংলাদেশের পেসাররা। তার পরও পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৪৪৮ রান করে ডিক্লেয়ার্ড করে।

    শান মাসুদরা হয়তো ভেবেছিলেন, ওই রানই যথেষ্ট। চার পেসার নিয়ে নেমেছিল তারা বাংলাদেশের ইনিংসকে অল্প রানে গুটিয়ে দিতে। কিন্তু যেখানে ৩৫ ডিগ্রির ওপর তাপমাত্রা, সেখানে সেই রাওয়ালপিন্ডির পিচে শাহিন শাহ আফ্রিদিরা সুবিধা নিতে পারেননি। আর এখানেই ধৈর্য, সাহস ও দক্ষতার চূড়ান্ত পরীক্ষা দিয়ে সফলতা এনেছেন বাংলাদেশি ব্যাটাররা। যেখানে ওপেনার সাদমান ইসলাম অনিক ৩২৯ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ৯৩ রানে জয়ের ভীত তৈরি করেন। অভিজ্ঞ মুমিনুল হক সৌরভ হাফ সেঞ্চুরি করেন, লিটন দাস মেজাজ ধরে রেখে কখনও সাবধানী, কখনও মারকুটে ব্যাটিং করেন। আর সবচেয়ে কার্যকরী জুটি গড়েন মুশফিক ও মিরাজ মিলে সপ্তম উইকেটে ১৯৬ রান তুলে।

    ডাবল সেঞ্চুরি করার একটা আক্ষেপ অবশ্য ছিল মুশফিকের ইনিংসে। কিন্তু দল যখন ৫৬৫ করে ১১৭ রানের লিড নেয়, তখন বোধ হয় মুশফিকের সেই আক্ষেপ ঘুচে যায়। এদিন ৩০ রানের জয়ের লক্ষ্য ছুঁতে ৩৯ বলের বেশি খরচ হয়নি জাকির ও সাদমানের। তবে যে দল প্রথম ইনিংসে চার শতাধিক রান করে ইনিংস ডিক্লেয়ার্ড করেছে, সেই দলকে যে শেষ দিনে অলআউট করা যাবে, তাও আবার দেড়শর নিচে– এ স্বপ্ন কি দেখেছিলেন শরিফুল-হাসানরা?

    ম্যাচের পর পুরস্কার মঞ্চে শান্তর কাছে এমনই জিজ্ঞাসা ছিল সঞ্চালকের। উত্তরে বার্থডে বয় শান্ত, ‘আগের রাতে আমি আমার স্ত্রীকে বলেছিলাম, যদি এই ম্যাচ জিততে পারি, তাহলে সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় উপহার। আমি সেই উপহার পেয়েছি।’ ম্যাচ জয়ের এই বিশ্বাসটা প্রবল হয়, গতকাল প্রথম সেশন শুরু হওয়ার পরপরই। যখন শান মাসুদ ও বাবর আজমকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা। এর পর পঞ্চম দিনে ভাঙা পিচে জাদু দেখাতে থাকেন সাকিব ও মিরাজ। সৌদ শাকিল ও আব্দুল্লাহ শফিককে অল্প রানের মধ্যেই ফিরিয়ে দেন সাকিব। পাকিস্তানের হয়ে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কেবল মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৫১ রান করার পর মিরাজকে সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান তিনি। ঠিক সেখানেই নিশ্চিত হয়ে যায় পিন্ডি না, ঢাকা। জয় উল্লাস উঠবে ঢাকাতেই।

  • নরেন্দ্র মোদি শুভকামনা জানালেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে

     

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়া ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভকামনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে খুব দ্রুত স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসবে, সেই প্রত্যাশা করছে ভারত।

    আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভকামনা জানাচ্ছি। বাংলাদেশে খুব দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে এবং হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলে আমরা (ভারত) প্রত্যাশা করছি।’

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য আমাদের উভয় দেশের জনগণের অভিন্ন আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।’

    ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে গত সোমবার শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে যান। এখন দেশ পরিচালনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ১৭ জন উপদেষ্টার একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ১৩ জন উপদেষ্টা আজ রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়েছেন।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা শপথ নেওয়ার কিছুক্ষণ পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শুভকামনা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সূত্র : অনলাইন ডেস্ক

  • ভাবনা পোস্টে অশালীন মন্তব্য, কড়া জবাব দিলেন

    ভাবনা পোস্টে অশালীন মন্তব্য, কড়া জবাব দিলেন

    ছোট পর্দার অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচেও বেশ পারদর্শী তিনি। বর্তমানে অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব থাকেন এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি একটি ছবি পোস্ট করে আবারও কটাক্ষের শিকার হয়েছেন ভাবনা। কিন্তু এবার তিনি চুপ থাকেননি। দিয়েছেন এর কড়া জবাব।

     

    মূলত তিনি তার ছবিসহ একটি সাক্ষাৎকার ফেসবুকে শেয়ার করেন। সেখানে ‘মামুন মিয়া’ নামে একজন অশালীন মন্তব্য করেন। এরপরই সেই মন্তব্যের স্ক্রিনশট নিয়ে ভাবনা তার ফেসবুক পেজে মামুন মিয়াকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট দেন।

    সেখানে ভাবনা লিখেছেন, এইসব মানুষদের অনেক লাইম লাইট দরকার। ‘মামুন মিয়া’ সে তার ফেসবুকে লিখে রেখেছে ‘ডিজিটাল ক্রিয়েটর’। তার পরিবার, প্রেমিকা, বউ, বন্ধু সবার দেখা দরকার সে কেমন কমেন্ট করেন।

     

    তার এই পোস্টের পর অশ্লীল ইঙ্গিত করা সেই মামুন মিয়া কোনো মন্তব্য না করলেও নিন্দার ঝড় বইতে থাকে সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে। যদিও এর আগেও বিভিন্ন সময় কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময় আলোচনায় থাকলেও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন ভাবনা। বর্তমানে তার হাতে কয়েকটি সিনেমা রয়েছে। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার ‘দামপাড়া’, ‘যাপিত জীবন’ ও ‘পায়েল’ সিনেমাগুলো।

     

  • রাজনীতির মাঠে চমক দেখালেন কঙ্গনা!

    রাজনীতির মাঠে চমক দেখালেন কঙ্গনা!

    হঠাৎ রাজনীতিতে নেমে চমকে দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত। রাজনীতির মাঠে নেমেই প্রথম বলেই যেন ছক্কা হাকালেন এই অভিনেত্রী। নরেন্দ্র মোদির বিজেপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবারই বিপুল ভোটে জয় ছিনিয়ে নিলেন ৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

     

    মঙ্গলবার (০৪ জুন) সকাল থেকেই সকলের চোখে হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডির দিকে! ভোট গণনার সাথে সাথে বাড়তে থাকে উত্তেজনা! অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, ভরাডুবি হবে কঙ্গনার! কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন এই তারকা অভিনেত্রী।

    ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো রিপোর্ট অনুযায়ী, নিজ আসনে বিজেপির প্রার্থী কঙ্গনা নিকটতম প্রার্থী কংগ্রেসের বিক্রমাদিত্য সিংকে ৭৪ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন। বিক্রমাদিত্য পেয়েছেন ৪ লাখ ৬২ হাজার ২৬৭ ভোট।

    এদিন বিকেলে কঙ্গনা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের জয়ের বিষয়ে জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখলেন, ‘সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ আমার প্রতি এই আস্থা ও বিশ্বাস দেখানোর জন্য। এই জয় আপনাদের সকলের। এই জয় প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির প্রতি আস্থার।’

     

  • মোদির এনডিএ এগিয়ে

    মোদির এনডিএ এগিয়ে

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সাত ধাপের ভোট গ্রহণ শেষে আজ রোববার শুরু হয়েছে ভোট গণনা। এরই মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসনের ভোট গণনা করা হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে ক্ষমতাসীন বিজেপির জোট এনডিএ বা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স। বিপরীতে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোট বেশ খানিকটা পিছিয়ে আছে। তবে বুথফেরত জরিপের করা ভোটের ব্যাপক পার্থক্যের হার লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

     

    বুথফেরত জরিপে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন জোট আবারও বড় জয় পেতে যাচ্ছে। নির্বাচনে ৫৪৩ আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৩৫০টিরও বেশি আসন পাবে। ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে দেয় ১২৫ থেকে ১৬১ আসন।

    এনডিটিভির দেওয়া তথ্য অনুসারে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিজেপির এনডিএ জোট এগিয়ে আছে ২৯৭টি আসনে এবং ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে আছে ২১০টি আসনে। এই ফলাফল থেকে অনুমান করা যাচ্ছে যে শেষ পর্যন্ত টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে মোদির বিজেপি। তবে বুথফেরত জরিপে যে বড় জয়ের কথা বলা হয়েছিল সেরকমটি হবে না।

    ভারতের সাত দফার লোকসভা নির্বাচন গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয়ে শেষ হয়েছে গত শনিবার। ভোট গণনা শেষে আজ মঙ্গলবার ফল প্রকাশ হবে। জানা যাবে দিল্লির মসনদে কে বসতে চলেছেন বিজেপির নেতৃত্বে থাকা এনডিএ জোট নাকি ইন্ডিয়া জোট।

    দেড় মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৬৪ কোটিরও বেশি ভোটার। ৩১ মে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর থেকেই আসতে শুরু করে এক্সিট পোল বা বুথফেরত জরিপের ফলাফল।

    প্রায় প্রতিটি বুথফেরত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ৩৫০ আসনের বেশি পেয়ে তৃতীয়বার কেন্দ্রে সরকার গড়তে যাচ্ছে। তবে বুথফেরত জরিপই চূড়ান্ত ফল নয়। চূড়ান্ত ফল জানাবে ভারতের নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার তাই সবার চোখ থাকবে নির্বাচন কমিশনের দিকে।

    এই নির্বাচনকে বিশ্বের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড়’ নির্বাচনের তকমা দেওয়া হয়েছে এর ভোটারসংখ্যার কারণে। ভারতের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে এবার ভোটারসংখ্যা ছিল ৯৭ কোটি। যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ। এর আগে বিশ্বে কোনো নির্বাচনে এত ভোটার ছিলেন না।

    সূত্র: দ্য ওয়্যার ও এনডিটিভি