Category: এক্সক্লুসিভ

  • জামিল আহমেদের অনেকগুলাে কথা পুরো সত্য নয়, অনেকগুলাে ডাহা মিথ্যা : ফারুকী

    জামিল আহমেদের অনেকগুলাে কথা পুরো সত্য নয়, অনেকগুলাে ডাহা মিথ্যা : ফারুকী

    সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর প্রতি অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় ও একাডেমির নানাবিধ অসহযোগিতার চাপে কাজ করতে পারছিলেন না তিনি, তাই পদত্যাগ করছেন।

    গতকাল শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘মুনীর চৌধুরী ১ম জাতীয় নাট্যোৎসব’র সমাপনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে ছিলেন জামিল আহমেদ। বক্তব্য দিতে এসে তিনি প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় লিখে আনা পদত্যাগপত্রটি তার পাশে বসে থাকা সচিবের হাতে তুলে দেন।

    সৈয়দ জামিল আহমেদ পদত্যাগ ইস্যুতে আজ শনিবার (১ মার্চ) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুরী। তিনি লিখেছেন, শুধু এইটুকু আপাতত বলে রাখি উনার বলা অনেকগুলা কথা পুরো সত্য নয়, অনেকগুলা কথা ডাহা মিথ্যা, এবং কিছু কথা পরিস্থিতি ডিল না করতে পারাজনিত হতাশা থেকে বের হয়ে আসা বলে মনে হচ্ছে।

    সৈয়দ জামিল আহমেদের কাজের একজন গুণমুগ্ধ আমি। সম্ভবত উনার কাজ নিয়ে বাংলাদেশে কোনও পত্রিকায় ছাপা হওয়া সবচেয়ে বিস্তারিত লেখাটা আমি লিখেছিলাম যায় যায় দিনের এন্টারটেইনমেন্ট ম্যাগাজিন মৌচাকে ঢিলের জন্য। এর পরেও বাংলা-ইংরেজি অনেক কাগজে লিখেছি। এখনও আমি তাঁকে বাংলাদেশের থিয়েটারের সবচেয়ে মেধাবী নির্দেশক মনে করি। কয়দিন আগেও জামিল আহমেদের সামনেই একজন বিদেশী রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেছি উনাকে দিয়ে তাদের দেশে একটা থিয়েটার প্রোডাকশন করাতে।

    কিন্তু ভালো শিল্পী হওয়া আর আমলাতন্ত্রকে কনফিডেন্সে নিয়ে প্রতিষ্ঠান চালানো দুইটা দুইরকম আর্ট। দ্বিতীয় কাজটা করবার জন্য লাগে ধৈর্য এবং ম্যানেজারিয়াল ক্যাপাসিটি। কলিগদের বুলিং না করে ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা দিয়ে অনেক কাজ আদায় করে নেয়া যায়। পাশাপাশি সরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গেলে যে কম্পোজার লাগে, সেটার সাথে কোনও একটা থিয়েটার দলে নির্দেশনা দেয়ার টেম্পারামেন্ট এক না। আমার ফিল্ম ইউনিটে আমি যা করতে পারি, একটা সরকারী প্রতিষ্ঠানে আমি তা করতে পারিনা।

    আমি জামিল ভাইয়ের নাটকীয় পদত্যাগ নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম না, কারণ তাতে আমাকে এমন কিছু রেফারেন্স টানতে হবে যেটা তাঁর জন্য অস্বস্তিকর হবে। আমি চাচ্ছিলাম না কারণ আমি তাঁকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু ফর রেকর্ডস আমাকে আসলে এগুলো বলতেই হবে। আজকে আমাদের অনেকগুলা কাজ আছে। এটা শেষ করে সময় পেলে লিখবো।

    শুধু এইটুকু আপাতত বলে রাখি উনার বলা অনেকগুলা কথা পুরো সত্য নয়, অনেকগুলা কথা ডাহা মিথ্যা, এবং কিছু কথা পরিস্থিতি ডিল না করতে পারাজনিত হতাশা থেকে বের হয়ে আসা বলে মনে হচ্ছে। আমার বিস্তারিত লেখা হয়তো উনাকে বিব্রত করতে পারে। কিন্তু আমাকে আপনি এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন যেখানে আমাকে বিব্রতকর হলেও সত্য বলতে হবে, জামিল ভাই।

    পরিশেষে, আমি ওনার সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করি। ওনার সৃজনশীল কাজে যে কোনোভাবে সহযোগিতা করতে পারলে মন্ত্রণালয় ধন্য হবে। আর আমি আমার দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার পরও তার কোনও সাহায্যে আসলে আনন্দিত হবো, যদিও আমাদের দুইজনের কাজের ক্ষেত্র আলাদা।

     

  • এবার মালয়েশিয়ায় জাকির নায়েকের প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

    এবার মালয়েশিয়ায় জাকির নায়েকের প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

    ভারতীয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তা ড. জাকির নায়েকের প্রকাশ্যে বক্তৃতা দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে মালয়েশিয়া। ২০১৯ সালে সাময়িকভাবে তাকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছিল, তবে বর্তমানে এ সংক্রান্ত কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।

    দেশটির মালয় মেইল, দি স্টার, ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে অনলাইন’সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন দেশটির সংসদে এক বক্তব্যে বলেন, ‘সরকার জাকির নায়েকের প্রকাশ্যে বক্তৃতা দেওয়ার বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করেনি। ২০১৯ সালে একটি সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছিল, তবে এটি এখন কার্যকর নেই। এর আগে, দেশটির সংসদ সদস্য আরএসএন রায় এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন।’

    ২০১৯ সালে পুলিশের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কথিত গ্যাগ অর্ডার জারি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ছিল বলে জানিয়েছে, দেশটির নিউ স্টেইটস টাইমস।

    ২০১৯ সালে কোতা বারুতে এক ভাষণে জাকির নায়েক মালয়েশিয়ার হিন্দু ও চীনা সম্প্রদায় সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘মালয়েশিয়ার হিন্দুরা ভারতের মুসলমানদের তুলনায় ১০০ গুণ বেশি অধিকার ভোগ করেন, তবুও তারা মালয়েশিয়ার সরকারকে সমর্থন করার পরিবর্তে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বেশি বিশ্বাস করেন। চীনা সম্প্রদায় নিয়ে তার মন্তব্য ছিলো, মালয়েশিয়া চীনাদের পুরনো অতিথি হিসেবে দেখে। তাদের দেশে ফেরত পাঠানো উচিত।’

    এসব বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়া থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। সেসময় জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতিগত সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে মালয়েশিয়ার পুলিশ তাকে বক্তৃতা না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিল।

    তবে ২০২১ সালে জাকির নায়েক দাবি করেন, তাকে পুলিশ কখনোই জনসমক্ষে বক্তৃতা নিষিদ্ধ করেনি। ওই সময়ের প্রধান সচিবের সঙ্গেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো।

    সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, ভারতের মুম্বাইয়ে জন্ম নেওয়া ইসলামিক এই ধর্মপ্রচারক অর্থ পাচার এবং বিদ্বেষমূলক বক্তৃতার মাধ্যমে উগ্রতাকে উসকে দেওয়ার অভিযোগে অনেক আগে থেকেই ভারতের ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন।

  • এবার আজহারীর মাহফিলের আগের রাতেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ

    এবার আজহারীর মাহফিলের আগের রাতেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ

    জনপ্রিয় ইসলামিক বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক মাহফিলে ওয়াজ করার কথা রয়েছে। এই মাহফিলকে কেন্দ্র করে মাহফিলের আগের রাতেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এছাড়া ১০ থেকে ১২ লাখ মানুষের সমাগম উপলক্ষে আয়োজন সম্পন্ন করেছে মাহফিল কমিটি।

    এদিকে মাহফিল উপলক্ষে শহরের মহারাজপুর ইউনিয়নের ঘোড়াস্ট্যান্ড-সংলগ্ন মাঠে তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে প্রায় অর্ধলাখ মানুষের সমাগম ঘটেছে।

    আজ শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌঁছে জোহর নামাজ শেষে ওয়াজ করবেন মিজানুর রহমান আজহারী। এই বিষয়টি মিজানুর রহমান আজহারী তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজেও নিশ্চিত করেছেন।

    ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘রাজশাহী বিভাগের বন্ধুরা, ইনশাআল্লাহ আগামীকাল থাকছি—এসহাক উদ্দিন মিঞা আম্রকানন ময়দান, লালাপাড়া মোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জাবালুন নূর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে। আসুন, দেখা হবে, কথা হবে।’

    আয়োজক কমিটির সূত্র থেকে জানা যায়, জনসমাগম বিবেচনা করে দর্শকদের জন্য আটটি মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রাণকেন্দ্র মহারাজপুর ইউনিয়নের ঘোড়াস্ট্যান্ডের পাশের আমবাগান মাঠে করা হয়েছে মূল মঞ্চ। এই মূল মাঠ ছাড়াও আশপাশে পুরুষদের জন্য তিনটি ও নারীদের জন্য চারটি আলাদা মাঠের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মূল মাঠে চারটি প্রজেক্টরসহ সব মাঠে থাকবে প্রজেক্টরের ব্যবস্থা। এ ছাড়া সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের জন্য রয়েছে জেনারেটর। পাশাপাশি ফ্রি ওয়াইফাই, স্যানিটেশন, পর্যাপ্ত সুপেয় পানি, অজুখানার ব্যবস্থা, ইন্টারনেট সচল রাখার জন্য গ্রামীণফোনের টাওয়ার, রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দল ও রয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্প।

    প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশের বাইরে নির্বাসিত ছিলেন ড. মিজানুর রহমান আজহারী। গত ৫ আগস্ট দেশ থেকে শেখ হাসিনা সরকার পালিয়ে গেলে দেশে ফিরে আসেন মিজানুর রহমান আজহারী। এরপর দেশের মানুষের আগ্রহে বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ করতে থাকেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২২ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাহফিল করবেন মিজানুর রহমান আজহারী।

     

  • এবার তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তুত চীন

    এবার তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রস্তুত চীন

    তিস্তা প্রকল্প দ্রুত শুরু করলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে জানিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন প্রস্তুত। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার ঢাকায় চীন দূতাবাসে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘তিস্তা আপনাদের এলাকার নদী, আপনাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে এ প্রকল্প দ্রুত শুরু করলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।’

    ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘২০২১ সালে বাংলাদেশ সরকার তিস্তা প্রকল্পের জন্য চীনের সহায়তা চেয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। প্রকল্পটি মূল্যায়ন করার পর ২০২৩ সালে চীন বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রতিবেদন দিয়ে জানায় যে, তাদের দেওয়া প্রকল্পে কিছু অপ্রয়োজনীয় উপাদান থাকায় প্রকল্পটি সংশোধন করা উচিত। কিন্তু তারপর থেকে আমরা এখনো বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাইনি।’

    চীনের কুনমিং প্রদেশের সেরা তিনটি হাসপাতালকে বাংলাদেশের রোগিদের চিকিৎসাসেবার জন্য বেছে নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রদূত বলেন, চিকিৎসার ধরণ, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ, দোভাষী নির্বাচনসহ সামগ্রিক প্রস্তুতিতে দুই দেশের সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চের শুরুতেই বাংলাদেশের রোগীদের প্রথম দলটি চিকিৎসা নিতে কুনমিং যাবে বলে আশা করছে বেইজিং।

    গত মাসে পররাষ্ট্র উপদেস্টা মো. তৌহিদ হোসেন বেইজিং সফর করেন। তখন তিনি প্রথম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন। ভারতের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশিদের চিকিৎসার ওই প্রস্তাব তৎক্ষণাৎ লুফে নেয় চীন। সংবাদ সম্মেলনে চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, ঢাকায় হাসপাতাল তৈরির জন্য বাংলাদেশের কাছে থেকে বিস্তারিত প্রস্তাবের অপেক্ষায় রয়েছে চীন।

    এ ছাড়া চীন তাদের আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জুলাই-আগষ্ট অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বিশেষায়িত আধুনিক সরঞ্জাম দেবে। ঢাকার একটি হাসপাতালে স্থাপিত ওই চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকেন্দ্রের জন্য রোবোট নিয়ন্ত্রিত ২০টি আধুনিক সরঞ্জাম আগামী মাসের শুরুতে ঢাকায় আসবে।

    দুই দেশের ভবিষ্যত সহযোগিতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, গত ৫০ বছর ধরে অভিন্ন স্বার্থে একে অপরকে সহযোগিতা করে আসছে। চীন সবসময় বাংলাদেশকে গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি যাই থাকুক না কেন, পরস্পরিক সম্মান, সাম্য এবং স্বার্থকে সামনে রেখে এ দেশের সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বই চীনের নীতি।

    দুই দেশের বন্ধুত্বের এ ভিত্তি কখনো পরিবর্তন হবে না আশা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্বভৌম এবং জাতীয় ঐক্য সুরক্ষায় চীন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

    রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য চীনকে বেছে নিয়েছেন। এটা দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতার স্পষ্ট বার্তা। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বন্ধুত্বকে সুসংহত ও গভীর করার বাড়তি সুযোগ। চীন ও বাংলাদেশ একে অপরকে সুপ্রতিবেশি ও বিশ্বস্থ অংশীদার ভাবে জানিয়ে তিুনি বলেন, বিশ্ব-রাজনীতি কিংবা বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির যে পরিবর্তনে এ সম্পর্ক প্রভাবিত হবে না। বরং এটি সব সময়ে সামনের দিকে প্রবল গতিতে এগিয়ে যাবে।

    ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত অভ্যুত্থানে হাসিনার স্বৈরশাসনের পতনের পর থেকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন মেরুকরণ ঘটেছে। এটি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না? জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন কৌশলী জবাব দেন। বলেন, প্রশ্নটি চীনকে নয়, ভারতের দূতের কাছে রাখতে হবে। তবে আশা করেন যে, কোনো ইস্যু দ্বিপক্ষীয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।

    ঢাকা-দিল্লির উত্তেজনা কমাতে চীন মধ্যস্থতা করবে কি না—এমন প্রশ্নে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমি মনে করি বাংলাদেশিরা নিজেদের সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট বিচক্ষণ।’

    এক প্রশ্নের উত্তরে ইয়াও ওয়েন জানান, সংস্কার ও নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যু। এ নিয়ে মন্তব্য করবে না চীন। এছাড়া চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এ দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই ভালো সম্পর্ক রাখতে চায় বলেও জানান তিনি।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিনিময়ে বাংলাদেশে চীনা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আর চীনে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিককেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে চীন।

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও চীনের অবস্থান অভিন্ন বলে উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ে ও ওয়েবসাইটে চীন-অরুণাচল সীমান্তের ভুল মানচিত্র নিয়ে বেইজিংয়ের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। এটা বাংলাদেশ সরকারকেও জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের পদক্ষেপে চীনের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে বলে আশা করেন রাষ্ট্রদূত।

  • ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে যৌথ অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

    ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে যৌথ অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

    বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান এই চার দেশ মিলে একটি যৌথ অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি মনে করেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে যৌথ অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারলে এই চার দেশ লাভবান হবে। ইতোমধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

    আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন ২০২৫-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

    প্রাকৃতিক দিক থেকে আমরা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এর পাশাপাশি আমাদের রয়েছে বিপুল জনগোষ্ঠী, যা দেশের জন্য বড় সম্পদ। বাংলাদেশের তরুণরা বিশ্ব জয় করতে পারে। তাই এই প্রজন্মের জন্য দরজা খুলে দিতে হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, জুলাই-আগস্ট মাসে আমাদের তরুণরা যা দেখিয়েছে, তা পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখাতে পারিনি।

    ড. ইউনূস দুর্নীতি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাধা উল্লেখ করে সরকারি সেবাসমূহকে অনলাইনে নিয়ে আসার জন্য জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম।

  • একই দিনে ফাল্গুন-ভ্যালেন্টাইনে অনেক খুশি প্রভা

    একই দিনে ফাল্গুন-ভ্যালেন্টাইনে অনেক খুশি প্রভা

    বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সাদিয়া জাহান প্রভা ছোট পর্দায় ব্যপক জনপ্রিয়তা পান খুব অল্প সময়েই। একটা সময় তার দারুণ ব্যস্ততা ছিল নাটক পাড়ায়। নিয়মিত কাজে নিজে যেমন মুখর থাকতেন, মাতিয়ে রাখতেন ভক্তদের। তবে নানা কারণে সেই পথ আর মসৃণ থাকেনি। ভালো অভিনয়ের পাশাপাশি নানা সময় নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা বিতর্কের মুখমুখী হতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। যে কারণে শোবিজ থেকে নিজেকে প্রায় গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি।

    দেশ ছেড়ে মার্কিন মুলুকে অবস্থান করছিলেন প্রভা। সেখানে মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেকআপের প্রশিক্ষণ নিয়ে সম্প্রতি দেশে ফিরে এ অভিনেত্রী। দেশে ফিরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রভা। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। কথা বলেন নিজের অভিনয়, ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে। কাজের কথা ছাড়াও ব্যক্তিগত কথা নিয়েও আলোচনা করেন প্রভা।

    এদিকে আসছে ভালোবাসা দিবস। বছরে বিশেষ এই দিনটি উপলক্ষ্যে আর সাধারণদের মতো নানান পরিকল্পনা থাকে তারকাদেরও। যা নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ একেবারে কম না! তাই তো, ভালোবাসা দিবসের পরিকল্পনা নিয়ে এদিন প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিনেত্রী।

    ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রভা বলেন, ‘নিজেকে এক্সপোজ করতে পছন্দ করি না। কোথায় যাচ্ছি, কি করছি, কি খাচ্ছি- এসব। একটা সময় যখন প্রথম ইনস্টাগ্রাম খুলেছিলাম, খুব এক্সাইটমেন্ট কাজ করত। যেমন কোথাও গেলে বা সকাল বেলা উঠে কফি খেলে স্টোরি দিতাম। কিন্তু এখন লো লাইফ উপভোগ করছি।’

    কথা প্রসঙ্গে ভালোবাসাকে সংজ্ঞায়িতও করলেন প্রভা। বললেন, ভালোবাসাটা হচ্ছে যেই মানুষটাকে আমরা ভালোবাসব, সে মানুষটার জন্য আমার পর্যাপ্ত সম্মান ও বিশ্বাস থাকবে। ভালোবাসা দিবস পালন করেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রভা বলেন, যখন ভালোবাসা দিবস পালন করতে ইচ্ছে করে, তখন করি। আবার যখন ফাল্গুন পালন করতে ইচ্ছে করে, তখন ফাল্গুন। বাংলা একাডেমি যেটা করেছে, ১৩ ফেব্রুয়ারি পয়লা ফাল্গুন আর ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস এক করে ফেলেছে। বাকিটা আপনার সিদ্ধান্ত, আপনি কোনটা বেছে নেবেন!

    কিন্তু কোনটা বেছে নেবেন ফাল্গুন না ভ্যালেন্টাইন্স- সে প্রশ্নের জবাবে প্রভা বললেন, আমার প্ল্যান শুধু ফাল্গুন নিয়ে। আমি খুশি যে, ভালোবাসা দিবস আর ফাল্গুন একই দিনে। কারণ, লালের চেয়ে আমার বাসন্তী রঙ বেশি পছন্দ।’ বলে রাখা ভালো, সংশোধিত বাংলা বর্ষপঞ্জিতে পহেলা ফাল্গুন অর্থাৎ বসন্তের প্রথম দিনেই হয় ভালোবাসা দিবস। অর্থাৎ ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৪ ফেব্রুয়ারি যেটি বাংলা পঞ্জিকায় ১লা ফাল্গুন। তবে আগে এমনটি ছিল না। তখন বসন্তের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা ফাল্গুন ছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি।

  • অবশেষে মোহাম্মদপুরে নিখোঁজ সুবার দেখা মিলেছে প্রেমিকের সঙ্গে নওগাঁয়

    অবশেষে মোহাম্মদপুরে নিখোঁজ সুবার দেখা মিলেছে প্রেমিকের সঙ্গে নওগাঁয়

    রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী আরাবি ইসলাম সুবাকে নওগাঁয় দেখে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখান থেকে সরে গেছেন তারা।

    সিসি ক্যামেরার ছবি যাচাই করে এসব তথ্য জানিয়েছন মোহাম্মদপুর থানার এডিসি জুয়েল রানা।

    এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সুবার বাবা ইমরান রাজিবের সাধারণ ডায়েরি করার পরই শুরু হয় সিসিটিভি বিশ্লেষণ। সেখানে এক ছেলের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় সুবাকে। পরে সেই ছেলের বাড়ি নওগাঁয় চলে যায় সে। সেখানে সিসি ক্যামেরার ছবিতে দেখা যায় এক ছেলের হাত ধরে ঘুরছে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী।

    তিনি বলেন, সুবা নওগাঁয় ওই ছেলের সঙ্গে গেছে। তার নাম মোমিন হোসেন। প্রেমঘটিত কারণে সুবা সেখানে গেছে। পুলিশ এখনো উদ্ধার করতে পারেনি। তবে ছেলের বাবা-চাচার সঙ্গে পুলিশ যোগাযোগ করেছে। দুজন যেন পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তার বাবা-চাচার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

    গেল সপ্তাহেই মায়ের ফুসফুস ক্যানস্যারের চিকিৎসা করাতে ঢাকায় আসে সুবার পরিবার। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে কৃষি মার্কেট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় আরাবি ইসলাম সুবা। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে যায় তার নিখোঁজ সংবাদ। অনেকেই পোস্ট দিয়ে মেয়েটির খোঁজ চান। সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) মোহাম্মদপুর থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন তার বাবা ইমরান রাজিব।

    ওই এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মোহাম্মদপুরের টোকিও স্কয়ারের সামনে সুবাকে দেখা গেছে। তবে সেখানে তার ফুফাতো ভাই ছাড়া আরেকজনও ছিল। তার সঙ্গে সুবাকে হাঁটতে দেখা গেছে।

  • অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থাকছে না ৭ কলেজ

    অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থাকছে না ৭ কলেজ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজকে সম্মানজনক পৃথকীকরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হবে না।

    এছাড়াও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাবির অধীনে সরকারি ৭ কলেজে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ থাকবে। তবে চলমান শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পন্ন করবে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

    সোমবার ৭ কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খানের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং ধৈর্যধারণ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

    সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে-

    ১) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজকে সম্মানজনক পৃথকীকরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ২) অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এক বছর এগিয়ে এনে এবছর থেকেই অর্থাৎ ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি না নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ৩) শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সভায় জোর সুপারিশ করা হয়।

    ৪) ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী আসন সংখ্যা ও ভর্তি ফি নির্ধারণসহ যাবতীয় বিষয়ে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

    ৫) যেসব শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়িত্বশীল থাকবে, যাতে তাদের শিক্ষাজীবন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

    এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে পদত্যাগ করতে ৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন ৭ কলেজ শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে রোববার দিবাগত রাতে হামলার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিচারসহ ৬ দফা দাবিও জানান তারা। সোমবার ঢাকা কলেজে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবির বিষয়ে জানানো হয়।

     

  • সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

    সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সেনাপ্রধান ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম) মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)

    রোববার সকাল পৌনে ৯টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কে এম শফিউল্লাহর সহকারী জিয়াউল হাসান মনির।

    নব্বই-ঊর্ধ্ব সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থাইরয়েডে জটিলতা, ফ্যাটি লিভার, ডিমেনশিয়াসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন তার চলাফেরা চলে স্ট্রেচারে।

    ১৯৭১ সালে সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান। তার নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড (ফোর্স নামে পরিচিত) গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন সফিউল্লাহ। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।

    ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্ম নেয়া কে এম সফিউল্লাহ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ১৯৯১ সালে দেশে ফিরে এলে তাকে এক বছর ওএসডি করে রাখা হয়। পরের বছর তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যান।

  • খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে তারেক রহমানের বাসায়

    খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে তারেক রহমানের বাসায়

    হাসপাতাল থেকে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। লন্ডন ক্লিনিকে ১৭ দিনের চিকিৎসাধীন ছিলেন বিএনপি নেত্রী। এ তথ্য জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    স্বাস্থ্যের উন্নতি হওয়ায় শুক্রবার লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৩টায় খালেদা জিয়াকে তারেক রহমান তার বাসায় নিয়ে যান।

    এর আগে, বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন আগের তুলনায় এখন সুস্থ। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তবে লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। আরও কিছুদিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন খালেদা জিয়া। লিভার বিশেষজ্ঞ প্যাট্রিক কেনেডির তত্ত্বাবধানে চলবে তার চিকিৎসা।

    খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৮ জানুয়ারি লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, আর্থ্রারাইটিসসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন ৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী।