Category: স্বাস্থ্য

  • ডায়েট করে বা জিমে গিয়েও কেন কমছে না ওজন ?

    ডায়েট করে বা জিমে গিয়েও কেন কমছে না ওজন ?

    যারা মোটা বা যাদের অতিরিক্ত ওজন তাদের অনেকেই একটা অভিযোগ করেন যে, ডায়েট করে আর ব্যায়াম করেও শুকাতে পারছেন না তারা, বা ওজন নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কিন্তু এমনটা হওয়ার কারণ কী?
    ‘মোটা’, ‘ওজন বেড়ে যাওয়া’, বা স্থূলতা এই শব্দগুলো শুনলে ঘুরেফিরে একটা বিষয় মাথায় আসে – আর সেটা হল অস্বাস্থ্যকর আর অপরিমিত খাবার খাওয়ার অভ্যাস এবং আরাম আয়েশের জীবন যাপন।

    ওজন বাড়ার ক্ষেত্রে এগুলো বড় কারণ অবশ্যই। তবে যারা নিয়মিত ব্যায়াম বা ডায়েট করেও ওজন কমাতে পারছেন না তাদের এই ওজন বাড়ার পেছনে রয়েছে ভিন্ন আরেকটি কারণ।

    আর সেটা হল ‘ওবিসোজিনস’। ওবিসোজিনস হল এমন এক ধরণের কেমিকেল যা আপনার পরিপাকতন্ত্রে আঘাত হানে এবং অনেক সময় সেক্স হরমোনের ওপরও প্রভাব ফেলে।
    কারো শরীরে ওবিসোজিনস বেশি পরিমাণে থাকলে তার শরীরে চর্বি জমার জন্য যে কোষগুলো দায়ী সেই কোষের সংখ্যা ও আকার বাড়িয়ে দেয়। আবার যেসব ব্যাকটেরিয়া চর্বি শোষণ করে, সেগুলোর পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এতে চামড়ার নীচে চর্বির আবরণের ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
    সেইসাথে টাইপ টু ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং এই দুটির প্রভাবে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা হার্টের সমস্যা, স্লিপ অ্যাপনিয়া এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও দেখা দেয়।
    সেইসাথে লিভারসহ বিভিন্ন অঙ্গে গ্লুকোজ ও ফ্যাটি অ্যাসিড জমতে থাকায় হরমোনের কার্যকলাপেও পরিবর্তন আসে, হজমেও সমস্যা দেখা দেয়।
    তবে এই কেমিকেল সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে যদি কেউ মাতৃগর্ভে বা ছোটবেলায় এই কেমিকেলের সংস্পর্শে আসেন।
    তখন সেটা ‘ডিএনএ’র গঠনকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। এতে ওই ব্যক্তির জিনের বৈশিষ্ট্য, কোষের কার্যকলাপ বদলে যায়। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও প্রভাবিত করতে পারে।

    সহজ কথায় ওবিসোজিনসের কারণে মানুষের হজম শক্তি, প্রজনন ও বৃদ্ধি এই তিনটিই বেশি প্রভাবিত হয়।

    ওবিসোজিনস কেমিকেল কেন বাড়ে?

    আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি, এমন অনেক পণ্যে এই ওবিসোজেনিক কেমিকেল বা রাসায়নিক উপাদানগুলো রয়েছে।
    যেমন: ডিটারজেন্ট বা যেকোনো পরিষ্কারক উপাদান, প্রসাধনী বা ব্যক্তিগত যত্নের পণ্য, খাবারের প্যাকেট, প্লাস্টিকের বাসন, রান্নার সামগ্রী, পোশাক, খেলনা, চিকিৎসা সামগ্রী ইত্যাদি।
    এসব পণ্য আমাদের জীবনের সাথে এমনভাবে জুড়ে আছে যে চাইলেই এর প্রভাব এড়ানো যাবে না।
    কিন্তু নিয়মিত এসব পণ্য ব্যবহারের ফলে খাবার, পানি ও বাতাস আরো বেশি দূষিত হচ্ছে এবং মানুষের স্থূলতা ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।
    মানুষের শরীরে এমন ৫০ ধরণের ওবিসোজেনিক কেমিকেল রয়েছে যার কোনো একটা বেড়ে গেলে ওজন বাড়তে শুরু করে। এর মধ্যে পাঁচ ধরণের ওবিসোজিনসে আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি থাকে।

    ১.বিপিএ

    ২.প্যাথালেট

    ৩.অ্যাট্রাজিন

    ৪.অর্গানোটিন্স

    ৫.পিএফওএ

    বিপিএ

    বিভিন্ন ফুডক্যান, খাবার ও পানীয় পাত্র, পলিকার্বোনেট প্লাস্টিকের সামগ্রী ও ইপোক্সি রেজিনে বিপিএ থাকে। এটা নারীদের সেক্স হরমোন এস্ট্রোজেন, শরীরের চিনির ভারসাম্য রাখা ইনসুলিনের উৎপাদন এবং চর্বির গঠনের ওপর প্রভাব ফেলে। এতে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে।
    কেউ যদি বিপিএযুক্ত প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করেন বা গরম খাবার সংরক্ষণ করেন তাহলে মানুষ সেই খাবারের মাধ্যমে বিপিএ’র সংস্পর্শে আসে।

    সব বয়সী মানুষ এমনকি নবজাতকের শরীরেও বিপিএ পাওয়া গিয়েছে। সাধারণত রক্ত, প্রস্রাব, বুকের দুধ ও চর্বি পরীক্ষা করে বিপিএ আছে কিনা জানা যায়।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এফডিএ’র মতে, খাবারের প্যাকেটে যে পরিমাণ বিপিএ থাকে তা খুবই সামান্য এবং এতে মানবদেহে ক্ষতির ঝুঁকি নেই।

    প্যাথালেটস

    প্লাস্টিককে টেকসই ও নমনীয় করতে প্যাথালেটস ব্যবহৃত হয়। সাধারণত খেলনা, চিকিৎসা সামগ্রী, খাদ্যের প্যাকেজিং, ডিটারজেন্ট, সাবান, শ্যাম্পু, নেইল পলিশ, লোশন ও পারফিউমে প্যাথালেটস পাওয়া যায়।
    এই কেমিকেলটি পুরুষদের যৌন হরমোন অ্যান্ড্রোজেনের ওপর প্রভাব ফেলে, হজমে সমস্যা তৈরি করে; যার কারণে টাইপ টু ডায়াবেটিসসহ ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
    সাধারণত প্যাথালেটযুক্ত পাত্র ও প্যাকেজিং এর খাবার খেলে বা এই কেমিকেলযুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে এমনকি ধুলোবালি থেকেও মানুষের শরীরে এই কেমিকেল প্রবেশ করতে পারে।
    তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলেছে যে খাবার প্যাকেটে বা প্রসাধনীতে যে পরিমাণে প্যাথালেট থাকে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

    অ্যাট্রাজিন

    অ্যাট্রাজিন কেমিকেলটি ফসলের উৎপাদন বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। এ কারণে মাটি ও পানিতে এই কেমিকেলের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে।
    এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের যৌন হরমোনের ওপরে প্রভাব ফেলে। সেইসাথে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, জন্মগত ত্রুটি এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ায়।

    অর্গানোটিন্স

    এই কেমিকেলটি বেশি পাওয়া গিয়েছে পিভিসি পণ্য যেমন পাইপ, নৌকা বা জাহাজে ব্যবহার করা অ্যান্টিফাঙ্গাল পেইন্ট ও কীটনাশকে।
    এ কারণে পানিতে ও সামুদ্রিক শামুকে এই কেমিকেলের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে।
    সেইসাথে প্লাস্টিক র‍্যাপ, প্লাস্টিকের খেলনা, স্টেশনারি, কাপড়েও এই কেমিকেল পাওয়া গিয়েছে। যার প্রভাব সেক্স হরমোনের ওপর পড়ে এবং শরীরে চর্বি বাড়তে থাকে।

    পিএফওএ

    যেকোনো পানিরোধী কাপড় যেমন: রেইনকোট/ছাতা/তাঁবু, ননস্টিক রান্নার সামগ্রী, প্রসাধনী, পরিষ্কারক পণ্য, দাগ প্রতিরোধক, মাইক্রোওয়েভের খাবার এমনকি পানিতেও পিএফওএ পাওয়া গিয়েছে। এর প্রভাবে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও ওজন বাড়ার সমস্যা দেখা দেয়।

    এই কেমিকেল কিভাবে এড়ানো যায়?

    ওবিসোজিনস কেমিকেলের সংস্পর্শ এড়াতে কয়েকটি দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    # সবার আগে ধূমপান ছাড়তে হবে
    # প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয় খাওয়া যতোটা সম্ভব কমিয়ে আনতে হবে
    # প্লাস্টিকের বাসনপত্রের পরিবর্তে কাঁচ, স্টিল বা মাটির পণ্য ব্যবহার
    # প্লাস্টিকের পাত্র যদি ব্যবহার করতেই হয় সেটা এসব কেমিকেলমুক্ত কিনা পরীক্ষা করা, তবে যে প্লাস্টিকই হোক সেটায় খাবার গরম করা যাবে না বা গরম খাবার পরিবেশন করা যাবে না
    # কীটনাশক দেয়া খাবার খাওয়া কমানো
    ক্ষতিকর কেমিকেলমুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা

  • হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বৈষম্য,আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রোগীরা

    হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বৈষম্য,আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রোগীরা

    হার্টের রিংয়ের (স্টেন্ট) নতুন মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। কিন্তু এক্ষেত্রে চরম বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তিন কোম্পানির ক্ষেত্রে ‘মার্কআপ ফর্মুলা’ অনুসরণ করা হলেও রিং সরবরাহকারী ইউরোপের ২৪টি কোম্পানিকে এ তালিকায় রাখা হয়নি। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রের তিন কোম্পানি দাম কমিয়েছে সামান্য আর ইউরোপের ২৪ কোম্পানির দাম কমিয়েছে কস্টিং খরচের চেয়ে কম। দাম নির্ধারণে বৈষম্যের অভিযোগ এনে সরবরাহকারী ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করছে।
    ইউরোপের দেশগুলো থেকে রিং আমদানিকারক ২৪ প্রতিষ্ঠান গত ১২ দিন ধরে এসব সরঞ্জাম বিক্রি বন্ধ রেখেছে। পুনরায় মূল্য সমন্বয় না হওয়া পর্যন্ত শুধু সংকটাপন্ন রোগী ছাড়া হাসপাতালগুলোতে রিং সরবরাহ ও অন্যান্য রোগীদের কাছে বিক্রি করা হবে না বলে জানিয়েছে তারা। মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে দ্রুত সমাধান চেয়েছে আমদানিকারকরা।
    সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হার্টের মূল্য নিয়ে কালোবাজারি চলছে। এটা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। নেপথ্যে অর্থের লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রোগীরা। লাগাম টানতে মূল্য নির্ধারণের নামে বৈষম্য সৃষ্টি করে রোগীদের নতুন করে ভোগান্তিতে ফেলেছে প্রশাসন। রিং বিক্রি বন্ধ থাকায় সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা।
    হার্টের স্ট্যান্টের দাম পুনর্বিবেচনা করার দাবিতে ২৪টি কোম্পানির প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফের সঙ্গে দেখা করেন।
    তারা জানান, ডলারের দাম বৃদ্ধিতে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় আগের মূল্যে বিক্রি সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু আলোচনায় কোনো সুরাহা হয়নি। আরও আলোচনা করতে আগ্রহী ঔষধ প্রশাসন। ব্যবসায়ীরা জানান, সঠিক আশ্বাস না পাওয়ায় স্ট্যান্ট বিক্রি বন্ধ থাকবে। তবে মানুষের খুবই ইমার্জেন্সিতে বিক্রি করা হবে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, জাতীয় মূল্য নির্ধারণ কমিটির পরামর্শেই হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দাম নির্ধারণে কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্যের মতামতই নেওয়া হয়নি। এখন প্রশ্ন উঠেছে কার স্বার্থে এই বৈষম্যের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে? ইউরোপের কোম্পানি থেকে হার্টের রিং আমদানিকারক শুভ বলেন, ইউরোপের ২৪ কোম্পানির মূল্য নির্ধারণে করা হয়েছে খরচের চেয়ে কম দামে। যেটার খরচ ১০০ টাকা, সেটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ৮০ টাকা। এটা হতে পারে না। তবে ইউএসএর তিন কোম্পানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে আমদানি কষ্ট ঠিক রেখে। এজন্য তারা লাভবান হচ্ছে। যারা মূল্য নির্ধারণ করেছেন, তারা স্বীকার করেছেন কোনো কোনো কোম্পানির রেট অনেক বেশি। তাই মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা উচিত। ইউএসএ থেকে রিং আমদানিকারক ব্যবসায়ী ডালিম বলেন, আমাদেরও কমিয়েছে। ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি সবকিছু বিবেচনা করে মূল্য নির্ধারণ করেছে। ইউরোপের ২৪ কোম্পানি থেকে হার্টের রিং যারা আমদানি করে। তারা বলেন, রোগীদের বৃহত্তর স্বার্থে বিষয়টি দ্রুত সুরাহা করা উচিত। এ নিয়ে আদালতে রিটও করা হয়েছে।
    এদেশে আলু, পেঁয়াজ, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ইচ্ছামতো বাড়ে। একশ্রেণির ডাক্তার কমিশন খেয়ে বলে দেন, কোন কোম্পানির রিং লাগবে। হার্টের রিংও ইচ্ছামতো বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে মূল্য নির্ধারণ কমিটি মূল্য ঠিক করে দিয়েছে। তবে তা সঠিকভাবে করা হয়নি। এদেশে যেসবই সম্ভব তার জ্বলন্ত প্রমাণ এটি। দেশে ওষুধের দামও প্রতি বছর বাড়ছে অস্বাভাবিকভাবে। এটা নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণে ১৩ সদস্যের কমিটির প্রধান হলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন বলেন, আবার যদি হার্টের রিংয়ের মূল্য নির্ধারণ করার বৈঠক হয়, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
    জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম হার্টের রিং সংকটে বহু মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়ছে বলে অভিযোগ করছেন অনেকে। সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এমন বাস্তবতায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোও সমস্যা সমাধানে ঔষধ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। দেশের একেক হাসপাতালে হার্টের রিংয়ের দাম ছিল একেক রকম। ২০১৭ সালের ১৮ এপ্রিলে দাম সমন্বয়ে মূল্য জাতীয় নীতিমালা বা মার্কআপ ফর্মুলা তৈরি করা হয়। সেই সময় ১৩ সদস্যের কমিটি করে সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ঐ কমিটি ২৮ ধরনের রিংয়ের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। এ নির্ধারিত দামেই দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের রোগীর কাছে রিং বিক্রি করে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে কয়েক দফায় ডলারের দাম বাড়ায় ঔষধ প্রশাসন নতুন করে রিংয়ের দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নেয়। চলতি বছরের জুন ও আগস্টে দুই দফায় মার্কআপ ফর্মুলা অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাবোট ল্যাবরেটরিজ, বোস্টন সায়েন্টিফিক, মেডট্রোনিক কোম্পানিকে মূল্য সমন্বয় করা হয়। তবে ১৩ ডিসেম্বর ২৪টি ইউরোপিয়ান কোম্পানি উৎপাদিত হার্টের রিংয়ের দাম মার্কআপ ফর্মুলা না করে কিছু চিকিৎসক ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ইচ্ছামতো নির্ধারণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ ইউরোপীয় আমদানি কারকদের ।
  • দেশে এ বছর রেকর্ড এইডসে, ২৬৬ জনের মৃত্যু

    দেশে এ বছর রেকর্ড এইডসে, ২৬৬ জনের মৃত্যু

    দেশে এইডসে গত এক বছরে ২৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে কোনো বছর এত মানুষের মৃত্যু হয়নি। অন্যদিকে এ বছর নতুন করে এইডস রোগী পাওয়া গেছে ১ হাজার ২৭৬ জন।

    বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে এইডস দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৯৮৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সবমিলিয়ে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৯৮৪ জন। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৮৬ জনের। এর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয় ২০২২ সালে, সেই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৪৭ জন ও মৃত্যু হয়েছিল ২৩২ জনের।

    এর আগে, ২০২১ সালে দেশে এইডস শনাক্ত হয়েছিল ৭২৯ জনের, তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছিলে ২০৫ জনের।

    অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম বলেন, ‌‘এইডস আক্রান্তদের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা আমাদের প্রথম চ্যালেঞ্জ। সরকার বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। সরকার ডেভেলপমেন্ট পার্টনার ও এনজিওগুলো এইডস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। তাও এই রোগ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।’

  • বাংলাদেশ এখন কালাজ্বর ও ফাইলেরিয়া মুক্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    বাংলাদেশ এখন কালাজ্বর ও ফাইলেরিয়া মুক্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ২০২৪বি অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে জনবল নিয়োগ দেবে নৌবাহিনী। অফিসার ক্যাডেট হিসেবে নৌবাহিনীতে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়া যাবে জাহাজের ক্যাপ্টেন, এয়ারক্রাফট পাইলট, নৌকমান্ডো ও সাবমেরিনার হিসেবে।

    অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে পুরুষ, নারী উভয় প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য যেসব যোগ্যতা থাকতে হবে-

    * ১ জুলাই ২০২৪ তারিখে বয়স হতে হবে সাড়ে ১৬ বছর থেকে ২১ বছরের মধ্যে। তবে সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তা ১৮ থেকে ২৩ বছর।

    গুগল নিউজ এ news24bd.net এর সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন

    * পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৫০ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন ৪৭ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ২৮ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি।

    * মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০ অপরটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। উভয় পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয় থাকতে হবে।

    * ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৩টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড থাকতে হবে এবং ‘এ’ লেভেলে ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয় থাকতে হবে।

    * ২০২৩ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

    * নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীদেরই অবিবাহিত হতে হবে।

    আবেদনের নিয়ম

    আগ্রহী প্রাথীদের https://joinnavy.navy.mil.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি ৭০০ টাকা। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ৭ অক্টোবর, ২০২৩। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ২১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০২৬৩

    ডেঙ্গুতে আরও ২১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০২৬৩

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ২০২৪বি অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে জনবল নিয়োগ দেবে নৌবাহিনী। অফিসার ক্যাডেট হিসেবে নৌবাহিনীতে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়া যাবে জাহাজের ক্যাপ্টেন, এয়ারক্রাফট পাইলট, নৌকমান্ডো ও সাবমেরিনার হিসেবে।

    অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে পুরুষ, নারী উভয় প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য যেসব যোগ্যতা থাকতে হবে-

    * ১ জুলাই ২০২৪ তারিখে বয়স হতে হবে সাড়ে ১৬ বছর থেকে ২১ বছরের মধ্যে। তবে সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তা ১৮ থেকে ২৩ বছর।

    গুগল নিউজ এ news24bd.net এর সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন

    * পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৫০ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন ৪৭ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ২৮ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি।

    * মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০ অপরটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। উভয় পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয় থাকতে হবে।

    * ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৩টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড থাকতে হবে এবং ‘এ’ লেভেলে ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয় থাকতে হবে।

    * ২০২৩ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

    * নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীদেরই অবিবাহিত হতে হবে।

    আবেদনের নিয়ম

    আগ্রহী প্রাথীদের https://joinnavy.navy.mil.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি ৭০০ টাকা। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ৭ অক্টোবর, ২০২৩। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।