Category: স্বাস্থ্য

  • ঘুমানোর আগে যে ৫টি কারণে চুল আঁচড়াবেন

    ঘুমানোর আগে যে ৫টি কারণে চুল আঁচড়াবেন

    ঘুমানোর আগে চুল আঁচড়ানোর উপকারিতা অনেক। বর্তমানে চুল পড়া, চুল রুক্ষ হওয়া, দু’মুখো চুল ও স্ক্যাল্প সংক্রান্ত নানা সমস্যায় ভুগছেন বহু মানুষ। এর পেছনে যেমন অপুষ্টি ও দূষণের ভূমিকা রয়েছে, তেমনই চুলের সঠিক যত্নের অভাবও দায়ী। ব্যস্ত জীবনে সময়ের অভাবে অনেকেই চুলের ন্যূনতম যত্ন নেন না। তবে দিনের শেষে, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মাত্র কয়েক মিনিট সময় দিলেই চুলের স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি ঘটানো সম্ভব। তার মধ্যে অন্যতম সহজ এবং কার্যকর একটি পদ্ধতি হল—চুল আঁচড়ানো।

    আসুন দেখে নেই, রাতে চুল আঁচড়ানোর উপকারিতা কী কী?

    ১। চুল পড়া কমে

    রাতে চুল আঁচড়ালে চুলে জট জমে না এবং থাকলেও তা সহজেই খুলে যায়। এতে চুল ছিঁড়ে যাওয়ার বা বেশি চুল পড়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি দুই-মুখো চুল বা ‘স্প্লিট এন্ড’-এর সমস্যা কমে।

    ২। স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়ে

    চুল আঁচড়ালে মাথার ত্বকে হালকা ম্যাসাজের মতো প্রভাব পড়ে, যা স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়।

    ৩। চুল স্ক্যাল্প থাকে পরিষ্কার 

    সারাদিন ধুলো, দূষণ, তেল এবং ঘামের কারণে চুল মলিন হয়ে পড়ে। ঘুমানোর আগে চুল আঁচড়ালে চুল ও মাথার ত্বক থেকে ময়লা ও অতিরিক্ত তেল অনেকাংশে দূর হয়। এটি একধরনের প্রাকৃতিক ক্লিনজিং-এর কাজ করে।

    ৪। মস্তিষকে প্রশান্ত রাখে 

    চুল আঁচড়ানোর সময় মাথার ত্বকে যে হালকা চাপ পড়ে, তা মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করে। রাতে শোবার আগে এই অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং ঘুমের মান ভালো করে। এই কারণেই অনেকে রাতে মাথায় হালকা তেল মালিশ করে থাকেন।

     

     

  • একদিনে আরও সাতজনের করোনা শনাক্ত

    একদিনে আরও সাতজনের করোনা শনাক্ত

    দেশে এক দিনে আরও সাতজনের শরীরে করোনাভাইরাসের (কোভিড–১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তবে এ সময় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ১০৪ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। গত শনিবার (১৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন আরও সাতজন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ জনে। আর মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০২ জনে।

    এতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময়ে শনাক্তের হার ছিলো ৫ দশমিক ০৪ শতাংশ। মোট করোনা পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গত ২৩ মে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হচ্ছে, নতুন ধরনটি এখন ক্রমেই ছড়াচ্ছে। এর সংক্রমণের হারও বেশি। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় সবাই নতুন একটি ধরন এক্সএফজিতে আক্রান্ত। এর পাশাপাশি এক্সএফসি ধরনটিও পাওয়া গেছে। দুটিই করোনার শক্তিশালী ধরন অমিক্রনের জেএন-১ ভেরিয়েন্টের উপধরন।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু-দিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

  • ভয়াবহ ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশঃ প্রকোপ বাড়ছেই

    ভয়াবহ ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশঃ প্রকোপ বাড়ছেই

    চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ জনে। বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সীরা। এদিকে, ডেঙ্গু সংক্রমণে সবচেয়ে শীর্ষে আছে বরিশাল বিভাগ, মৃত্যুতে ঢাকা।

    এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট ১৬৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গিয়েছে ১ জন। আক্রান্তদের মাঝে বেশিরভাগ-ই পুরুষ।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক জরিপের মাধ্যমে জানা যায়, “এবার এডিস মশার বংশবৃদ্ধির হার মারাত্বক। মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্বক হতে পারে। ঐ জরিপে, ঢাকার দুই সিটির ১৫টি বাড়ির মধ্যে সাত থেকে আটটিতে মিলেছে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি এডিশ মশার লার্ভা। ফলে এবার ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘এডিস মশা ডিম পাড়ে পাত্রে জমে থাকা পানির কানায়। এমনকি পাত্রটি যদি একদম শুষ্কও হয়, কিন্তু কিছুটা ভেজা থাকে—সেখানেও ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু রোধে এডিস মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো কার্যকর সমাধান সম্ভব নয়।’

    এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা জরিপের তথ্য মানতে নারাজ দুই সিটি করপোরেশন। তারা দাবি করছেন এডিশের বংশ বিনাশে তাদের কর্মীরা নিরলস কাজ করছে।

  • গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু দুই

    গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু দুই

    ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬২ শতাংশে। যা গতদিনের তুলনায় কম।

    বৃহস্পতিবারও ১৫ রোগী শনাক্তের তথ্য দিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। হার ছিলো ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ।

    শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ১৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
    দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ জন। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ।
    ২৪ ঘণ্টায় করোনার নতুন মৃত্যু নিয়ে সরকারি হিসেবে করোনার সংক্রমণে দেশে মোট ২৯ হাজার ৫০২ জনের মৃত্যু হলো। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
    অন্যদিকে, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ৩ জন গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে দেশে মোট সেরে উঠলেন ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০১ জন।
    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান করা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডও-মিটারের সর্বশেষ ১৩ এপ্রিল বিকেলের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে করোনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭০ লাখ ১০ হাজার ৬৮১ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৬৭ কোটি ৫৬ লাখ ১৯ হাজার ৮১১ জন। ভাইরাসে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৭০ কোটি ৪৭ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯০ জন।

  • এবছরের ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু পাঁচ

    এবছরের ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু পাঁচ

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ১৫৯ জন। এ সময়ে নতুন করে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। চলতি বছর এ পর্যন্ত এটি এক দিনে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

    ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ১২৪ জন বরিশালের, ৯ জন চট্টগ্রামের, ঢাকার ২২ জন, খুলনার ৩ ও সিলেটের এক জন।

    বৃহস্পতিবার ১০৮ রোগী শনাক্তের সংবাদ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এদিন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ৮৮ জন পুরুষ ও ৭১ জন নারী।
    বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৮ জনের।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ১৩ জুন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ৫৭০ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা এক হাজার ৮৪২ জন। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন তিন হাজার ৭২৮ জন।

    ২০২৪ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৫৭৫ জনের। একইসময়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন।
    দেশের ইতিহাসে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ও মৃত্যুবরণ করেছেন। বছরের বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।

    ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে দেশে ২৮১ জন মারা যান। ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬২ হাজার ৩৮২ জন।
    ২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গু সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে এডিস মশাবাহী এই রোগে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। সে বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।

  • শীতে ঠোঁট ফাটা থেকে বাঁচার উপায়

    শীতে ঠোঁট ফাটা থেকে বাঁচার উপায়

    শীতের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। একইসাথে মানুষের বিভিন্ন শীতকালীন রোগের পাশাপাশি দেখা দিচ্ছে ত্বকের নানা রকম সমস্যা। যার মধ্যে ঠোঁট ফাটা খুবই গুরুতর।

    শীতে ফাটা বা শুষ্ক ঠোঁট থেকে আমরা কেউই রেহাই পাই না! তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অনেকটা ভালো থাকা সম্ভব।

    হাইড্রেটেড থাকার জন্য প্রচুর পানি পান করতে হবে এবং ঠোঁট শুষ্ক হতে দেখা মাত্রই বেশি করে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে হবে। রাতে ঘুৃমানোর সময় পুরু করে ভ্যাসলিন বা লিপজেলের প্রলেপ ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে হবে।

    UV রশ্মি থেকে আপনার ঠোঁটকে রক্ষা করতে বাইরে যাওয়ার সময় প্রতিবার সানস্ক্রিনযুক্ত লিপবাম ব্যাবহার করতে হবে।

    আপনার ঠোঁটকে ভেজা রাখতে জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না। কারণ লালা ঠোঁটকে আরও শুষ্ক করে তোলে

    ফাটা ঠোঁটের মরা চামড়া টেনে তুলবেন না এতে রক্ত বেরিয়ে যেতে পারে যা থেকে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠোঁটের মরা চামড়া থেকে রক্ষা পেতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে ঠোঁটে এপ্লাই করে রাখতে পারেন। তারপর আবার মশ্চারাইজার বা লিপবাম লাগিয়ে রাখতে পারেন।

    এই নিয়মগুলো মেনে চললে এই তীব্র শীতেও আপনার ঠোঁট থাকবে কোমল, মসৃণ ও সুরক্ষিত।

  • ক্যান্সারের বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি কী, এগুলো কাজ করে?

    ক্যান্সারের বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি কী, এগুলো কাজ করে?

    শুধু সম্পূরক বা বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করেই ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন না চিকিৎসকরা.. অনেক ক্ষেত্রে সুপরিচিত ব্যক্তিরাও দাবি করেছেন, ক্যান্সার উপশমে প্রথাগত চিকিৎসার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন বা বিকল্প চিকিৎসায় তারা উপকৃত হয়েছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিরাময়ও হয়েছেন।

    তবে ক্যান্সারের চিকিৎসা দেয় এমন অনেক দাতব্য সংস্থা (চ্যারিটি) বলছে, কোনো থেরাপি বা বিকল্প উপায়ে ক্যান্সার চিকিৎসার মেডিক্যাল প্রমাণ তাদের কাছে নেই। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এই বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি বা থেরাপিগুলো আসলে কী এবং এগুলোর ব্যবহার কীভাবে বাড়ছে?

    ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ নভজিৎ সিং সিধু গত নভেম্বরে জানান, তার স্ত্রী এখন পুরোপুরি ক্যান্সারমুক্ত। নিত্যদিনের খাবারে লেবুপানি, কাঁচা হলুদ, অ্যাপল সিডার ভিনেগার (সিরকা), নিমপাতা, তুলশি, মিস্টি কুমড়া, ডালিম, আমলকি, বিটরুট ও আখরোটের মতো উপাদান রেখেছিলেন তিনি।

    সিধুর ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ভারতের দুই শতাধিক ক্যান্সার রোগ বিশেষজ্ঞ এক যৌথ বিবৃতি দেন।
    এতে তারা দাবি করেন, চিকিৎসার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রাকৃতিক উপদানগুলোর প্রভাব নিয়ে গবেষণা চলছে, তবে এগুলোর ব্যবহারে সমর্থন করার মতো প্রমাণ তাদের হাতে নেই।

    বরং ‘অপ্রমাণিত’ এসব উপাদান বা পদ্ধতির ওপর নির্ভর করতে গিয়ে ক্যান্সারের মূল চিকিৎসা বিলম্বিত না করতেও বিশেষজ্ঞরা সবার প্রতি আহ্বান জানান ওই বিবৃতিতে।

  • এবার ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতালে প্রবেশ নিষিদ্ধ

    এবার ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতালে প্রবেশ নিষিদ্ধ

    হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে অন্যতম সিদ্ধান্ত হচ্ছে, ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি উভয় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    ১৮ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব উম্মে হাবীবা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম অধিকতর উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে আহত রোগীদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগীর ওষুধের খরচও বহন করতে হবে।

    বেসরকারি হাসপাতালে কোনো রোগী যদি চিকিৎসার খরচ বহনে অক্ষম হলে যাচাইকৃত বিল ও ভাউচার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দিলে সরকার সেই খরচ বহন করবে। দেশে যাদের উন্নত চিকিৎসা সম্ভব নয়, তাদেরকে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাব অবশ্যই মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশসহ দ্রুত স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পাঠাতে হবে।

    হাসপাতালের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে ভিজিটর কার্ড চালু করতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়। ভিজিটর কার্ডবিহীন কোনো দর্শনার্থী হাসপাতালের ভেতরে বা রোগীর কক্ষে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবেন না।

    এছাড়া চিকিৎসক ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সবা কর্মীকে রোগী দেখার সময়সূচি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়সূচি যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোগীর অসুস্থতার ধরন অনুযায়ী বাছাই করে উপযুক্ত চিকিৎসকের কাছে পাঠাতে প্রতিটি হাসপাতালে রিসেপশন ডেস্ক স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। টিকেট কেনার প্রক্রিয়া সহজ করতে এবং সম্ভব হলে ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়।

    এছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিবন্ধিত বা সার্টিফায়েড ব্যক্তিরাই কেবল ব্যক্তি চিকিৎসা দেওয়ায় যুক্ত থাকতে পারবেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনার লক্ষ্য স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ও দক্ষতা আনা এবং সাম্প্রতিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা।

  • যে পানিতে মুহূর্তেই সারবে সর্দি, কাশি, মাথাব্যথা

    যে পানিতে মুহূর্তেই সারবে সর্দি, কাশি, মাথাব্যথা

    ঋতু পরিবর্তনের এ সময় কমবেশি সবাই ভুগছেন সর্দি-হাঁচি-কাশির সমস্যায়। এর থেকে আরাম পেতে এ সময় কিছু ভেষজ উপাদান পাতে রাখুন। তাহলে বাড়বে ইমিউনিটি। জেনে নিন কী কী পান করবেন-

    ১. গরম দুধে অল্প হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পান করা সব সময়ই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এই পানীয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়ায়। আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হলুদ মেশানো হালকা গরম দুধ পান করলে আপনার ঘুমও ভালো হবে।

    ২. অন্যদিকে মৌরি ভেজানো পানি পান করলে ওজন কমে ও হজমশক্তি বাড়ে। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে চায়ের মধ্যে মৌরি দিয়ে পান করারও উপকার অনেক। এতে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ফলে হুট করে কোনো সংক্রমণে আক্রান্ত হবে না।

    ৩. আমলকির রস খালি পেটে পান করলে অনেক উপকার মেলে। এর মধ্যে অন্যতম হলো আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এতে সর্দি-কাশির সমস্যা কমবে অল্পদিনেই। আবার আমলকির রস অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও খেয়াল রাখে। বদহজমের সমস্যা কমায়। ফলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এইসব সমস্যা দেখা যায় না।

    ৪. অশ্বগন্ধা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। দুধের সঙ্গে এই অশ্বগন্ধা মিশিয়ে খেতে পারলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। অশ্বগন্ধা মেশানো দুধ পান করলে স্ট্রেসের মাত্রাও কমবে আপনার। এছাড়া আপনার শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এই পানীয়।

    ৫. আদা মেশানো চা পান করলে গলা ব্যথা কিংবা সর্দির সমস্যায় দারুণ আরাম মেলে। আদা চা নিয়মিত পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফলে ঘনঘন অসুস্থতা দেখা দেবে না।

  • ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও সাত প্রাণ

    ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও সাত প্রাণ

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এ বছর মৃত্যু বেড়ে দাঁড়াল ২৫৭ জন। গত এক দিনে আরও ১ হাজার ১৩৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৫২ হাজার ৫৮ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানায়।

    অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ২৬২ জন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) ১৩০ জন। এর বাইরে (সিটি করপোরেশন বাদে) ঢাকা বিভাগে ২১১, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৪৯, খুলনা বিভাগে ১০১, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩১, বরিশাল বিভাগে ৭৭, রংপুর বিভাগে ২৪, রাজশাহী বিভাগে ৫১ ও সিলেট বিভাগে তিনজন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে ডিএসসিসি এলাকায় সর্বোচ্চ ১২৪ জন মারা গেছেন। ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ডিএনসিসি এলাকায়। এই সিটি করপোরেশনে ১০ হাজার ৮১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

    সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩ হাজার ৮৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৮২৯ জন, বাকি ২ হাজার ৯ জন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগে।

    ২০২৩ সালের জুন থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন, যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

    এর আগে গত ১৯ অক্টোবর মশাবাহিত এই রোগ নিয়ে জানা যায় বেশ কিছু ভয়ংকর তথ্য।

    চারটি সংস্থার যৌথভাবে পরিচালিত এক গবেষণায় জানা যায়, চট্টগ্রামে আক্রান্তের ৮৮ শতাংশের বেশি রোগীর শরীরেই এ রোগের সবচেয়ে ক্ষতিকারক ধরন ডেন-২-এর অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকার মানুষের নমুনা নিয়ে এটি শনাক্ত করেছে একদল গবেষক। অত্যন্ত ক্ষতিকারক এ ধরনের মধ্যে আবার বিপজ্জনক কসমোপলিটন প্রকরণ ছড়িয়ে পড়ার তথ্যও উঠে এসেছে গবেষণায়। এর কারণে চট্টগ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে। বাড়ছে মৃত্যুর ঘটনাও। দেশে এবারই প্রথমবারের মতো কসমোপলিটন ধরন শনাক্তের দাবি করেছেন গবেষকরা।