Category: ভ্রমণ

  • গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’

    গজারিয়ায় যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মুুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল শাহ শের আলী গ্রুপের নতুন উদ্যোগ ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’-প্রকৃতি, বিশুদ্ধ খাবার ও আধুনিক সেবার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি ব্যতিক্রমধর্মী ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন। শুক্রবার ( ১০ জুলাই) দুপুরে এর আনুষ্টানিক উদ্ধোধন করা হয়।
    প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান সরকার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব, ঢাকার সাবেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকন-উদ-দৌলা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন বিষয়ক সাময়িকী ‘ভ্রমণ’ এর সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কবি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান তরুণ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’এর নাতি চরিত্রে অভিনেতা শওকত আলী তালুকদার নিপু, উপস্থাপক ও টিভি নাট্য অভিনেতা শাহ সুলতান চৌধুরী (শাহেন শাহ)। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিবেশবিদ কাজী হাসান।
    প্রায় দুই দশকের সেবার অভিজ্ঞতা, মানবকল্যাণের অঙ্গীকার এবং মানসম্মত বিপণন দর্শনের প্রতিফলন হিসেবে ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি প্রচলিত হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের ধারণাকে নতুন মাত্রা দিয়ে একই ছাদের নিচে মিলিয়েছে প্রকৃতি, বিশুদ্ধ খাবার, আধুনিক সেবা ও পারিবারিক বিনোদনের অনন্য সমন্বয়।
    শত শত দেশি-বিদেশি গাছপালা, ২১টি দৃষ্টিনন্দন অ্যাকোয়ারিয়ামে রঙিন মাছের সমাহার এবং পাখির কলতানে ভরা এই নৈসর্গিক পরিবেশ দর্শনার্থীদের মনের ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি এনে দেবে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের নির্মল সংস্পর্শ। খাদ্য রসিকদের জন্য রয়েছে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু খাবারের সমাহার। এছাড়া শিশুদের জন্য কিডস জোন, জিম কর্নার, মেশিন ম্যাসাজ জোন ও নামাজের সুব্যবস্থাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।
    একই কমপ্লেক্সে রয়েছে শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন, যেখানে সিএনজি, এলপিজি (অটোগ্যাস), অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ করা হয়। আরও রয়েছে অনন্যা মার্ট, আধুনিক জামে মসজিদ এবং ভ্রমণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা। ফলে এটি শুধু একটি রেস্টুরেন্ট নয়; বরং একটি সমন্বিত হাইওয়ে সার্ভিস কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে উঠেছে।
    বিয়ে, জন্মদিন, করপোরেট সভা, সেমিনার ও অন্যান্য সামাজিক আয়োজনের জন্য রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সবুজে ঘেরা আধুনিক অনুষ্ঠানস্থল। প্রশস্ত পার্কিং, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও আন্তরিক সেবার কারণে ন্যাচার লাউঞ্জ দূরপাল্লার যাত্রীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত মিলনকেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী।
    উল্লেখ্য, শাহ শের আলী গ্রুপ-এর প্রথম প্রতিষ্ঠান শাহ শের আলী কোম্পানি ড্রেজিং ব্যবসার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ২০০০ সালে, পরবর্তীতে ‘শাহ শের আলী সিএনজি অ্যান্ড ফিলিং স্টেশন’-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে এবং ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সেবার মানসিকতা এবং উন্নত গ্রাহকসেবার ধারাবাহিকতায় আজ যাত্রা শুরু করল ‘ন্যাচার লাউঞ্জ’-যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম সেরা প্রকৃতি-নির্ভর হাইওয়ে ফ্যামিলি ডেস্টিনেশন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা (ইমিগ্র্যান্ট ভিসা) প্রদান প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির করদাতাদের ব্যয়ে সরকারি সহায়তা গ্রহণের হার বেশি হওয়াকে এ সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শনিবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ভিসা সংক্রান্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

    বার্তায় বলা হয়, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে। তবে এই সিদ্ধান্ত পর্যটক ও শিক্ষার্থী ভিসাসহ অনভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

    জানা যায়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।

    এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ‘ইমিগ্র্যান্ট ওয়েলফেয়ার রেসিপিয়েন্ট রেটস বাই কান্ট্রি অব অরিজিন’ শিরোনামে একটি তালিকা প্রকাশ করেন। সেখানে ১২০টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৯তম।

    তালিকায় দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারগুলোর ৫৪ দশমিক ৮ শতাংশ সরকারি সহায়তা গ্রহণ করে। দক্ষিণ এশিয়ার আরও চার দেশ—ভুটান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও নেপাল—ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

  • মধ্যপ্রাচ্যের সব রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট স্বাভাবিক

    মধ্যপ্রাচ্যের সব রুটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট স্বাভাবিক

    মধ্যপ্রাচ্যের সব গন্তব্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে সাময়িক বিঘ্নের পর বর্তমানে আবারও নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইন্সটি।

    ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাস্কাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে নিরবচ্ছিন্ন সেবা চালু রয়েছে। এর মধ্যে ২৩ এপ্রিল থেকে ঢাকা-দোহা রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালু হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে দোহার উদ্দেশ্যে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে এবং একই দিন স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দোহা থেকে ঢাকায় ফিরবে।

    ঢাকা-মাস্কাট রুটে সরাসরি ফ্লাইট চললেও মাস্কাট থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অবতরণ করছে উড়োজাহাজ। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম হয়ে প্রতিদিন দুবাই ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। আবুধাবি রুটে সপ্তাহে ছয়দিন (বৃহস্পতিবার ছাড়া) এবং শারজাহ রুটে সপ্তাহে চারদিন ফ্লাইট রয়েছে।

    সৌদি আরবের রিয়াদ রুটে সপ্তাহে পাঁচদিন এবং জেদ্দা রুটে সপ্তাহে তিনদিন ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এসব রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।

    বর্তমানে ইউএস-বাংলার বহরে ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ ও ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০। শিগগিরই মদিনা ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইন্সটি।

  • ভিজিটর ভিসাধারীদের জন্য কঠোর বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

    ভিজিটর ভিসাধারীদের জন্য কঠোর বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

    যুক্তরাষ্ট্রে ভিজিটর ভিসায় অবস্থানকালে কোনো ডিগ্রি বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস তাদের ফেসবুক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করে।

    দূতাবাস জানায়, বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ব্যক্তিরা কোনো ধরনের ডিগ্রি বা ক্রেডিট প্রদানকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবেন না। এ ধরনের কার্যক্রম ভিসার শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।

    বার্তায় আরও বলা হয়, স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ভিসার অননুমোদিত ব্যবহার ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কারণ হতে পারে।

    এ নির্দেশনার মাধ্যমে ভিসা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।

  • নভেম্বর থেকে খুলছে সেন্ট মার্টিন,পর্যটকদের আবারও ভ্রমনের অনুমতি

    নভেম্বর থেকে খুলছে সেন্ট মার্টিন,পর্যটকদের আবারও ভ্রমনের অনুমতি

    বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। রবিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, “১ নভেম্বর থেকে পর্যটকরা সেন্ট মার্টিন যেতে পারবেন। তবে সেখানে রাতযাপনের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর নির্ধারণ করা হবে।”

    এর আগে, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে গত ফেব্রুয়ারিতে ৯ মাসের জন্য দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ রাখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অতিরিক্ত পর্যটক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত প্লাস্টিক বর্জ্য, প্রবাল ধ্বংস ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছায়। এ কারণে দ্বীপটি সংরক্ষণে কঠোর পদক্ষেপ নেয় সরকার।

    বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে দ্বীপে পর্যটক প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন কাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলছে।

    সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে পর্যটকদের সীমিত আকারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • হাওরে বাজিতপুরের এসএসসি ৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা

    হাওরে বাজিতপুরের এসএসসি ৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    একতা, বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতির টানে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার এসএসসি ‘৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের হাওরে মিলমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আমরা বাজিতপুর থেকে হাওর পথে নৌকায় করে হুমাইপুর পর্যন্ত আনন্দ উল­াস ও স¥ৃতিচারণায় মেতেছেন তারা।

    ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা জানান, তারা প্রতি বছরই বিভিন্ন সময়ে মিলিত হন। এই মিলনমেলার মধ্য দিয়ে তারা সামাজিক উন্নয়ন, ভ্রাতৃত্ববোধ ও বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

    ভবিষ্যতে এ সম্পর্কিত আমাদের নানাবিধ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা দেওযয়র জন্য আজকের এই মিলনমেলা। এছাড়াও রক্তদান, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক অনুদান এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।

  • এটা কেমন বিয়ে? যেখানে কনে ছিলেন পৃথিবীতে আর বর  মহাকাশে

    এটা কেমন বিয়ে? যেখানে কনে ছিলেন পৃথিবীতে আর বর মহাকাশে

    রাশিয়ার নভোচারী ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো বিয়ে করেছিলেন মহাকাশ থেকে। ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো যখন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছিলেন, তখন কনে একাতেরিনা দিমিত্রিভ অবস্থান করছিলেন পৃথিবীতে। ২০০৩ সালের ১০ আগস্ট হওয়া এই বিয়েকে পৃথিবীর প্রথম মহাকাশ বিয়ে বলা হয়।

    মহাকাশের সেরা ১০ | বিজ্ঞানচিন্তা

    বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে ঘণ্টায় ২৮ হাজার কিলোমিটার গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছিলেন ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো। আর কনে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেন্টারটি থেকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। বর্তমানে মহাকাশ নিয়ে অনেক বাণিজ্যিক প্রচারণা দেখা গেলেও সেই বিয়ের ঘটনা কোনো প্রচারণা ছিল না। বিয়ের দিন ইউরি ম্যালেনচেঙ্কোর পরনে ছিল স্পেস স্যুট ও বো টাই। আর একাতেরিনা দিমিত্রিভ ঐতিহ্যবাহী হাতির দাঁতের তৈরি বিয়ের গাউন পরেছিলেন।

    ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো জীবনের বেশির ভাগ সময় প্রশিক্ষণ ও বাড়ির বাইরে কাজ করেছেন। অন্যদিকে রুশ বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক একাতেরিনা দিমিত্রিভ বসবাস করতেন যুক্তরাষ্ট্রে। কাজের সুবাদেই পরিচয় হয় দুজনের। বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য প্রথমে তাঁরা ২০০ জন অতিথিকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু আইএসএসে থাকা ম্যালেনচেঙ্কোর মহাকাশ মিশনের সময় বেড়ে যায়। ফলে মহাকাশেই বিয়ের ব্যবস্থা করেন তাঁরা। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনে রুশ মহাকাশ সংস্থা রসকসমস ও মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা যৌথভাবে কাজ করেছিল।

    বিয়ের অনুষ্ঠানে পশ্চিমা রীতি অনুসারে ম্যালেনচেঙ্কোর সঙ্গে ছিলেন নভোচারী এড লু। তিনি বিয়ের গান বাজিয়েছিলেন। বিয়ের পরও প্রায় দুই মাস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ছিলেন ম্যালেনচেঙ্কো। এ বিষয়ে একাতেরিনা দিমিত্রিভ জানান, ইউরি অনেক দূরে ছিল। তবে আমাদের যোগাযোগের কারণে সে আমার কাছাকাছিই অবস্থান করছিল।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

     

  • বাংলাদেশি কর্মীদের ‘মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা’ দিচ্ছে মালয়েশিয়া

    বাংলাদেশি কর্মীদের ‘মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা’ দিচ্ছে মালয়েশিয়া

    বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা চালু করেছে মালয়েশিয়া। মঙ্গলবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

    গত মে মাসে মালয়েশিয়া সফরকালে উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর গত ১০ জুলাই এই বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে মালয়েশিয়া সরকার।

    উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘বৈঠকে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। এরপর থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন। অবশেষে গত ১০ জুলাই প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা চালু করে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালকের পক্ষে স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘যেসব বাংলাদেশি কর্মীদের পরিপত্র জারির আগে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা এবং টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট ভিজিট পাস (PLKS) ইস্যু করা আছে, তাদের নতুন করে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা আবেদন করতে হবে না। PLKS নবায়নের সময় মাল্টিপল ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ইস্যু হয়ে যাবে।’

    পাশাপাশি, এখন থেকে যে সকল বাংলাদেশি কর্মীদের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা ছিল এবং PLKS বৈধ আছে, তারা নতুন মাল্টিপল ভিসা ছাড়াই মালয়েশিয়া থেকে দেশে আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এই বিষয়ে মালয়েশিয়ার সকল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে পরিপত্রের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘মালয়েশিয়া ১৫টি দেশ থেকে কর্মী নিয়ে থাকে। এর মধ্যে কেবল বাংলাদেশি কর্মীদেরই মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছিল। এ কারণে বাংলাদেশি কর্মীদের বহু ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে, কষ্ট পেতে হয়েছে। মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা চালু হওয়ায় তারা স্বস্তি পাবেন।’
  • টাইটানিকের সোনার ঘড়ি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি

    টাইটানিকের সোনার ঘড়ি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি

    টাইটানিক জাহাজে সবচেয়ে ধনী যাত্রী ছিলেন মার্কিন ধনকুবের জ্যাকব অ্যাস্টর। তিনি একটি সোনার ঘড়ি পরতেন। তাঁর ব্যবহৃত সেই ঘড়ি যুক্তরাজ্যে নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে।

    গত শনিবার (২৭ এপ্রিল) ইংল্যান্ডে ঘড়িটি নিলামে তুলেছিল হেনরি অ্যালড্রিজ অ্যান্ড সন নামের একটি সংস্থা। সেখানে এটি বিক্রি হয়েছে ১১ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ডে (১৪ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ কোটি টাকা।

    এক মার্কিন ক্রেতা নিলামে বিপুল এই অর্থের বিনিময়ে ঘড়িটি কিনে নিয়েছেন। নিলাম পরিচালনাকারী সংস্থা জানিয়েছে, টাইটানিক ট্র্যাজেডির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো বস্তুর বিক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে এটি একটি রেকর্ড।

    ১৯১২ সালের এপ্রিলে বরফের চূড়ার সঙ্গে ধাক্কা লেগে টাইটানিক যখন ডুবে যায়, তখন বহু যাত্রীর সঙ্গে প্রাণ হারান জন জ্যাকব অ্যাস্টরও। কিন্তু ওই জাহাজ থেকে বেঁচে যান তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী ম্যাডেলিন।

    নিলামকারী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক অ্যান্ড্রু অ্যালড্রিজ বলেন, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর থেকে ঘড়িটি বিক্রির জন্য নিলাম শুরু হয়। হেনরি অ্যালড্রিজ অ্যান্ড সনের ধারণা ছিল, নিলামে হয়তো এক থেকে দেড় লাখ পাউন্ড দাম উঠবে সোনার ঘড়িটির। কিন্তু তাদের প্রত্যাশা ছাপিয়ে রীতিমতো ১০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ঐতিহাসিক এই বস্তু।

    টাইটানিক ডুবে যাওয়ার পর জ্যাকব অ্যাস্টরের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। সে সময় সেখান থেকে ঘড়ি ছাড়াও সোনার বোতাম, হীরার আংটি, অর্থ ও পকেটে রাখার ছোট বই উদ্ধার করা হয়। এগুলো পরে অ্যাস্টরের ছেলে ভিনসেন্ট উত্তরাধিকার সূত্রে পান। তিনি ঘড়িটি ঠিক করান, যাতে তা ঠিকমতো চলতে পারে। ১৯৩৫ সালে ভিনসেন্ট ঘড়িটি জন জ্যাকব অ্যাস্টরের নির্বাহী সচিব চতুর্থ উইলিয়াম ডবিনের ছেলের নামকরণে উপহার হিসেবে দেন। ঘড়িটি ১৯৯০–এর দশক পর্যন্ত অ্যাস্টর পরিবারের কাছেই ছিল। পরে এটি নিলামে উঠলে এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তা কিনে নেন। পরে এটি বিভিন্ন জাদুঘরে প্রদর্শন করা হয়। তিনিই এর বর্তমান মালিক হিসেবে ঘড়িটি নিলামে তোলেন।

    অ্যালড্রিজ বলেন, সময়ের পরিক্রমায় লাখ লাখ মানুষ ঘড়িটি দেখেছেন, যা সত্যিই অসাধারণ। শনিবারের এই নিলামে জ্যাকব অ্যাস্টরের সোনার বোতাম ও পকেট বুকটিও ছিল।

     

  • বিনা খরচে শ্রমিক নিচ্ছে জার্মানি, আবেদনের করুন নিয়ম জেনে

    বিনা খরচে শ্রমিক নিচ্ছে জার্মানি, আবেদনের করুন নিয়ম জেনে

    ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী ধনী দেশ জার্মানি। অনেকের কাছে স্বপ্নের দেশ এটি। সেখানে পাড়ি দেওয়ার জন্য চেষ্টার কমতি থাকে না তৃতীয় বিশ্বের মানুষের। তাদের জন্য আরও একটি সুখবর দিল জার্মান সরকার। বিভিন্ন খাতে শ্রমকি হিসেবে বড় ধরনের নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। বিনা খরচে অন্তত ২৬ হাজার লোক নেবে তারা।

    বলা হয়েছে, শিক্ষকতা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, নির্মাণ, প্রযুক্তিসহ নানা খাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেবে জার্মানি। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার মান বিবেচনার আইইএলটিএস ছাড়াই খাতগুলোয় আবেদন করার সুযোগ পাবেন আগ্রহীরা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগ্রহী প্রার্থীদের জার্মানি সরকারের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘ওয়ার্কিং ইন জার্মানি’ অপশনে ক্লিকের পর ‘প্রোফেশনস ইন ডিমান্ড, জব লিস্টিং’ ক্যাটাগরিতে পছন্দসই চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজে নিতে হবে। তালিকায় প্রদর্শিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কোনো ফি ছাড়াই আবেদন করা যাবে।

    ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন খাতে একাধিক পদে ২৬ হাজার ২১১ জন কর্মী নেবে দেশটির সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষকতা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক খাত, কৃষি, নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে কর্মী নেবে।

    আলাদা আলাদা করে খাত অনুযায়ী, ভাগ করে দেওয়া হয়েছে নিয়োগের খাতগুলো। ইউরোপের এ দেশটিতে সামাজিক খাত, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষকতা খাতে ৬ হাজার ৯ জন, নির্মাণ খাতে ২ হাজার ৪৯৯ জন, ট্রাফিক লজিস্টিকস, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি খাতে ১ হাজার ৫১৪ জন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আইন ও প্রশাসন খাতে তারা নিয়োগ দেবে ২ হাজার ৩৯১ জন।

    এর আগে বলা হয়, দেশটির নাগরিকত্ব পেতে এখন থেকে আর ৮ বছর নয়, মাত্র ৫ বছর বসবাস করলেই দেওয়া হবে জার্মানির নাগরিকত্ব।

    জার্মানিতে নাগরিকত্ব লাভ ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সংসদে একটি বিল উত্থাপন করে চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের মধ্য-বামপন্থি জোট সরকার। বিলটি সংসদে উঠলে তা ৩৮২-২৩৪ ভোটে পাস হয়।

    নতুন আইন অনুযায়ী, যে কোনো ব্যক্তি জার্মানিতে পাঁচ বছর বসবাস করলে তাকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এতদিন আট বছর থাকার পরই নাগরিকত্ব মিলত। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে তিন বছর বসবাস করলেই নাগরিত্ব দেওয়া হবে। এ ছাড়া জার্মানিতে জন্ম নেওয়া কোনো শিশুর পিতামাতার একজন যদি পাঁচ বছর সে দেশে বৈধভাবে বসবাস করেন তাহলে সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব লাভ করবে।