Category: ফুটবল

  • এবার এমি বীরত্বে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

    এবার এমি বীরত্বে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

    পানেনকা শটটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হতেই যেন লিওনেল মেসির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। টেক্সাসের এনআরজি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে নামে নীরবতা। আকাশি-সাদার আকাশে জমে দুঃস্বপ্নের কালো মেঘ। এমন মুহূর্তেও দূর থেকে লিওর পেনাল্টি মিস দেখে খুব একটা হতাশ হননি একজন; তিনি আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। কারণ এমি ভালো করেই জানতেন কীভাবে এই মিসের বদলা নিতে হয় আর কীভাবে মেসির ভাঙা মন জোড়া লাগাতে হয়।

     

    ঠিক ১০ সেকেন্ড আগেও যে গ্যালারি ছিল স্তব্ধ, আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের চোখে ছিল কান্নার জল, মনে জমেছিল কষ্টের রং। খানিকটা পরই তারা চোখ মুছে করেন উল্লাস। আবার শোনা যায় সেই সুরের মূর্ছনা, ‘দে লা মানো দে লিও মেসি’। মূলত মেসিকে অভয় দিতেই এমন গান। যেটা কাতার বিশ্বকাপেও গেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা। ততক্ষণে মেসির মুখে আলোর ঝিলিক, বুকের পাথরটা নেমে গেল বুঝি। কারণ টাইব্রেকারে পরপর দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিয়েছেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

    পাঁচ শটের দুটিতে ব্যর্থ ইকুয়েডর। এবার উল্টো চাপ তাদের মাথায়। এক এক করে শট নিতে আসা আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা নিশ্চিন্তে জাল কাঁপিয়ে উদযাপন করে এমিকে বাড়তি সাহস জুগিয়ে যান। ইকুয়েডর অবশ্য আর মিসের পাল্লাটা ভারী করেনি। তবে যা হওয়ার আগেই হয়ে গেছে। সবখানে, সবার চোখে, সবার মুখে মুখে একই কথা– এমি দ্য সেভিয়র। শেষ শটটা নিতে আসেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজের বদলি হয়ে নামা সেন্টারব্যাক নিকোলাস ওটামেন্ডি। খানিকটা চোখ বন্ধ করে দম ছেড়েই নিখুঁত শট। বল জালে যেতেই জার্সি মাথায় নিয়ে দৌড়। এর মধ্যে তাঁকে ঘিরে সতীর্থদের উচ্ছ্বাস। যেন কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের সেই থ্রিলার ম্যাচটির দৃশ্য ভেসে উঠল আরেকবার। যে ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারে শেষ পেনাল্টিতে গোল করেই জার্সিতে মুখ ঢেকেছিলেন মন্টিয়েল। এদিন দারুণ রক্ষণাত্মক খেলা ইকুয়েডরকে ঘায়েল করতেই তাঁকে নামান কোচ স্কালোনি।

    আর্জেন্টিনা অবশ্য ৯০ মিনিট খুব একটা ভালো ফুটবল উপহার দিতে পারেনি। অনেক অপেক্ষার পর একটা সুযোগ আসে। সেই সুযোগ কাজে লাগান লিসান্দ্রো। তাঁর গোলের সুবাদে অনেকক্ষণ ম্যাচে লিড ধরে রাখে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু যোগ করা মিনিটে ইকুয়েডরের পাওয়ার ফুটবলের কাছে পুরোপুরি পরাস্ত হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচে সমতায় ফেরে তারা। যদিও তার আগেই সেই সুযোগ এসেছিল। কিন্তু দলটির তারকা ফরোয়ার্ড ইনার ভ্যালেন্সিয়া পেনাল্টি মিস করে বসেন।

     

  • টাইব্রেকারে শট মিস নিয়ে কি বলেন মেসি

    টাইব্রেকারে শট মিস নিয়ে কি বলেন মেসি

    নির্ধারিত সময়ে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১-১ ব্যবধানে থাকার পর টাইব্রেকারে শেষ আটের ম্যাচের ফয়সালা হয়। মেসি প্রথম গোলের সুযোগ নষ্ট করলেও, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ পরপর ২টি গোল বাঁচিয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ইকুয়েডরকে ১-১ (৪-২) গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছ আর্জেন্টিনা।

     

    মেসিকে বাঁচিয়েছেন মূলত এমিলিয়ানো মার্টিনেজই। কারণ ১-১ গোলে সমতার ম্যাচে টাইব্রেকারে প্রথম শট নিতে গিয়ে গড়বড় করে ফেলেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পোস্টের মাঝামাঝি ‘পানেনকা’ শট নিতে গিয়ে বল মেরে বসেন ক্রসবারে। যে শটে মেসি গোল মিস করেছেন, সে ধরনের শট তাকে সাধারণত নিতে দেখা যায় না। ম্যাচ শেষে টাইব্রেকারে মিস করা শট নিয়ে কথা বলেন মেসি।

    ম্যাচ শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মেসি বলেন, ‘খুব বিরক্ত লেগেছে নিজের ওপর। ভেবেছিলাম কিকটা ভালোই হবে। আমি (দুই গোলরক্ষক) দিবু ও রুইয়ের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। এই কিকটা অনুশীলন করা হয়নি, শুধু কথা বলে নিয়েছিলাম। আমার চেষ্টা ছিল বলটা আস্তে করে মারতে, কিন্তু উঁচুতে উঠে গেল।’

    পুরো নব্বই মিনিটে মেসির বলে স্পর্শ ছিল মাত্র ২৭ বার, গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজের চেয়ে একবার বেশি। ম্যাচ শেষে ইন্টার মায়ামি তারকা জানালেন, ইনজুরির কারণে তাকে সতর্ক থাকতে হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘আমি এখন ঠিক আছি। কোনো অস্বস্তি নেই। আবার চোটে পড়ার বা অস্বস্তিতে ভোগার মানসিক ভয় সব সময়ই ছিল। তবে পেশিতে কোনো সমস্যা নেই। কোচ জিজ্ঞাসা করেছিল খেলতে প্রস্তুত কি না। আমি হ্যাঁ বলেছি।.

  • ন্যায্য পেনাল্টি পেলে ব্রাজিললের ফলাফল পরিবর্তনও হতে পারত

    ন্যায্য পেনাল্টি পেলে ব্রাজিললের ফলাফল পরিবর্তনও হতে পারত

    চলমান কোপা আমেরিকার উত্তেজনাপূর্ণ গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে ছিলেন তাদের কলম্বিয়ার সাথে ১-১ ড্র করা ম্যাচে। যেখানে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা পুরো ম্যাচজুড়ে নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত একটি বিতর্কিত ঘটনার মধ্যে রূপান্তর পায়।

     

    বুধবার (৩ জুলাই) কলম্বিয়া ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচে ভিনিসিয়ুস যখন কলম্বিয়ার পেনাল্টি এলাকায় ঢুকে পড়ছিলেন তখন তাকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল মুনোজ তাকে ফেলে দেন। ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার একটি স্পষ্ট ফাউলের জন্য পেনাল্টি কিক প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে রেফারি জেসুস ভ্যালেনজুয়েলা তাকে খেলা চালিয়ে যেতে বলেন এবং ভিএআর পর্যালোচনার পরেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত করেননি তিনি। এই সিদ্ধান্ত ভিনিসিয়ুস এবং ব্রাজিলীয় শিবিরকে স্পষ্টভাবে হতাশ করেছিল।

    তবে ম্যাচের পরে, কনমেবল এই ঘটনাটি পর্যালোচনা করে এবং স্বীকার করে যে একটি ভুল হয়েছে। তাদের বিবৃতি অনুযায়ী, “এলাকার ভিতরে বলের বিতর্কে, ডিফেন্ডার বল স্পর্শ করে না, এবং চ্যালেঞ্জের ফলে, একটি বেপরোয়া সংস্পর্শ ঘটে। রেফারি এই ক্রিয়াটি লক্ষ করতে ব্যর্থ হন এবং খেলা চলতে দেন।”

    ঘটনার সময়, ব্রাজিল ১-০ তে এগিয়ে ছিল এবং পেনাল্টি প্রদান করা হলে ম্যাচের ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তনও হতে পারত। পরিবর্তে, কলম্বিয়া ম্যাচে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয় এবং ম্যাচটি ড্রয়ে শেষ হয়। এই ফলাফল ব্রাজিলকে তাদের গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে ফেলে দেয়, যা তাদের গতিতে প্রভাব ফেলে এবং নকআউটে এবারের আসরের সবচেয়ে ইনফর্ম দল উরুগুয়ের সামনে ফেলে দেয়।

    ম্যাচে পেনাল্টি না পাওয়া ছাড়াও ভিনিসিয়ুসের দুর্ভাগ্যের সঙ্গে যুক্ত হয় যে তিনি ম্যাচে একটি হলুদ কার্ড পান। এই বুকিংয়ের ফলে তিনি ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না। ভিনিসিয়ুসের জন্য, এই ম্যাচটি একটি দ্বিগুণ আঘাত ছিল কারণ তিনি একটি সম্ভাব্য ম্যাচ-জিতানো পেনাল্টি মিস করলেন এবং তার দলটির পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ খেলায় অনুপস্থিত থাকবেন।

    ম্যাচের পরে ভিনিসিয়াস জুনিয়র তার হতাশা প্রকাশ করেন, সিদ্ধান্তগুলোর দ্বারা নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন। ব্রাজিলীয় স্কোয়াড এবং সমর্থকরাও তার মতামত প্রতিধ্বনিত করেন, রেফারিং এবং ভিএআর সিস্টেমের সমালোচনা করেন এই ত্রুটির জন্য।

    এই ধাক্কা সত্ত্বেও, ব্রাজিল তাদের কোপা আমেরিকা অভিযানে মনোনিবেশিত থাকবে। তারা উরুগুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি নিচ্ছে তাদের একজন মূল খেলোয়াড় ছাড়াই। ভিনিসিয়ুসের জন্য, আশা রয়েছে যে ব্রাজিল আরও এগিয়ে গেলে তিনি পরবর্তী পর্যায়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবেন।

    এই ঘটনা আবারও ফুটবলে ভিএআর সিদ্ধান্তগুলোর জটিলতা এবং বিতর্কগুলোকে হাইলাইট করেছে, গেমের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য ধারাবাহিক এবং সঠিক রেফারিংয়ের প্রয়োজনীয়তা জোরদার করেছে।

     

  • ইকুয়েডরের বিপক্ষে একাদশে মেসি থাকা নিয়ে অসংখ্য

    ইকুয়েডরের বিপক্ষে একাদশে মেসি থাকা নিয়ে অসংখ্য

    কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে নামার আগে দলের সর্বশেষ অনুশীলনে যোগ দেন লিওনেল মেসি। তবে ভক্তদের সুখবর দিতে পারলেন না আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি।

     

    টেক্সাসের হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে শেষ আটের লড়াই ইকুয়েডরের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এ জন্য বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) পুরো দলের সঙ্গে অনুশীলন করেন মেসি।

    পুরো সময় দলের সঙ্গে অনুশীলন করলেও শুক্রবারের ম্যাচে তাকে নিয়ে পাওয়ার অনিশ্চিয়তা রয়েছে। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে চিলির বিপক্ষে ডানপায়ের অস্বস্তি বোধ করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এরপর পেরুর বিপক্ষে বিশ্রাম দেওয়া হয় তাকে।

    কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে মেসি নিয়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের জন্য সুখবর দিতে পারলেন না লিওনেল স্কালোনি। দলের প্রাণভোমরাকে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেলতে সব চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    স্কালোনি বলেন, ‘মেসির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমরা অপেক্ষা করব। লিও (মেসি) সম্পর্কে আমাদের আমাদের মনোভাব এমন। শেষ পর্যন্ত সে খেলতে না পারলে আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে। সেক্ষেত্রে লাউতারো (মার্তিনেজ) এবং জুলিয়ানের (আলভারেজ) একসঙ্গে শুরুর একাদশে থাকতে পারে।’

    গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে একসঙ্গে একাদশে ছিলেন না দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দুই স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেজ ও জুলিয়ান আলভারেজ। কানাডা ও চিলির বিপক্ষে আলভারেজের বদলি হিসেবে নেমে গোল করেন মার্তিনেজ।

    পেরুর বিপক্ষে আলভারেজকে বিশ্রাম দিয়ে শুরুর একাদশে খেলানো হয় লাউতারোকে। সে ম্যাচে জোড়া গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার শীর্ষে আছেন ইন্টার মিলানের এই স্ট্রইকার। এরপরও ৩৭ বছর বয়সী মেসি বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা তুলে ধরেন স্কালোনি।

    তিনি বলেন, ‘লিও (মেসি) না খেললে পরিস্থিতি বদলে যায়। আমরা তাকে একাদশে রাখার চেষ্টা করব। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এবং তাকে সময়ও দেওয়া হবে। তার সঙ্গে কথা বলেই সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

    এদিকে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের দাবি ইকুয়েডরের বিপক্ষে শুরুর একাদশে না থাকলেও ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামতে পারেন লিওনেল মেসি।

    আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ (৪-৪-২)

    গোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ রক্ষণ ভাগ: নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকো মাঝমাঠ : অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, রদ্রিগো ডি পল, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, নিকোলাস গঞ্জালেজ স্ট্রাইকার : লাউতারো মার্তিনেজ / লিওনেল মেসি, জুলিয়ান আলভারেজ / লিওনেল মেসি। প্রধান কোচ : লিওনেল স্কালোনি

  • এবার ভক্তদের হতাশ করল ব্রাজিল,১-১ গোলের সমতা

    এবার ভক্তদের হতাশ করল ব্রাজিল,১-১ গোলের সমতা

    কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলের সমতা করেছে ব্রাজিল। এমন সমতার ম্যাচেও পূর্বে কর্তৃত্ব করতে দেখা গেছে ব্রাজিলকে। কিন্তু কলম্বিয়ার বিপক্ষে আক্রমণ, বল দখল ও সফল পাসিংয়ের হিসেবেও পিছিয়ে ছিল সেলেসাওরা। রদ্রিগো স্ট্রাইকার পজিশনে হতাশ করেছেন। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে খোলসবন্দী ছিলেন লুকাস পাকুয়েতা।

     

    সংবাদ মাধ্যম গোলের হিসেবে ম্যাচে এই দু’জনই পেয়েছেন সবচেয়ে কম রেটিং। একটা দলের স্ট্রাইকার ও প্লে মেকারের পারফরম্যান্স সবচেয়ে বাজে হলে জয়ের আশা করা বোকামি। ম্যাচে ব্রাজিল গোলে মাত্র ৭টি শট নিয়েছে। কলম্বিয়া নিয়েছে ১৩ শট। লক্ষ্যে ব্রাজিলের ছিল ৩ শট। কলম্বিয়া নিয়েছে ৬ শট। ব্রাজিলের পায়ে বল ছিল ৫১ শতাংশ। তবে সফল পাসিংয়ে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া (ব্রাজিল ৮১%, কলম্বিয়া ৮৪%)।

    ম্যাচে ব্রাজিলিয়ানদের রেটিং: অ্যালিসন ৬/১০: গোল খাওয়ায় দায় নেই তার। তবে ভুল পাস দিয়েছেন। যা দলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

    মার্কুইনোস ছিলেন নিঁখুত, দানিলোরা গড়পড়তা: রক্ষণে অভিজ্ঞ মার্কুইনোস ভুল করেননি। তার রেটিং দশে সাত। তবে মার্কুইনোসের পর্যায়ের পারফরম্যান্স করতে পারেননি মিলিতাও। তার মতো রাইট ব্যাক দানিলো ও লেফট ব্যাক ওয়েন্ডেল গড়পড়তা পারফরম্যান্স করেছেন। দানিলো রক্ষণে ঠিকঠাক ছিলেন, তবে আক্রমণে ভূমিকাই রাখতে পারেননি। ওয়েন্ডেলের ক্ষেত্রেও তাই। ভিনিসিয়াসকে খেলাতে পারেননি তিনি। তাদের রেটিং দশে ৬।

    গিমারেজ দৌড়াছেন, পাকুয়েতা অকার্যকর, গোমেজের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ: মার্কুইনোসের মতো ব্রুনো গিমারেজের পারফরম্যান্স ছিল বেশ ভালো। তিনি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রক্ষণে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। আবার আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করেছেন। তার রেটিং দশে সাত। কিন্তু লুকাস পাকুয়েতা পুরোপুরি ব্যর্থ ছিলেন এ ম্যাচে। তাকে ৪ নম্বর দেওয়া হয়েছে। জোয়াও গোমেজ মিডফিল্ডার হলেও খেলেন ডিফেন্ডারের মতো। যেন- প্রতিপক্ষকে ট্যাকল আর প্রেসিং করাই তার কাজ। প্লে মেকিংয়ে ভূমিকা রাখতে পারেননি। তিনি পেয়েছেন ৬ নম্বর।

    রদ্রিগো-ভিনির ডে অফ, রাফিনহার ঝলক: লিডস ইউনাইটেডে রাফিনহার এমন ঝলক দেখা গেছে। ফ্রি কিকে তিনি যে গোলটা করেছেন তা বছরের অন্যতম সেরার তালিকায় থাকবে। দশে আট রেটিং করা হয়েছে তাকে। স্ট্রাইকার পজিশনে রদ্রিগো ব্যর্থ ছিলেন। উইঙ্গের বাইরে তিনি ফলস নাইন বা প্লে মেকিং পজিশনে মানানসই। কিন্তু রদ্রিগো মোটেও স্ট্রাইকার নন, এটা এই ম্যাচে আবারও প্রমাণিত। তার নম্বর ৫। ভিনি ম্যাচের ৭ মিনিটে হলুদ কার্ড খেয়ে বোতলবন্দী হয়ে পড়েন। তিনিও পেয়েছেন ৫ নম্বর।

    কোচ দরিভাল: তিনি প্রথাগত ব্রাজিলিয়ান কোচদের চেয়ে বেশি কিছু নন। দল সাজিয়ে, কৌশল নিয়ে ম্যাচ বের করার মতো কিছু দেখাতে পারেননি। দরিভাল চেয়ে ছিলেন ভিনি-রদ্রিগোদের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের দিকে। নিচ থেকে বিল্ড আপ করার চেষ্টা কররেও মাঝমাঠ ও আক্রমণে স্পেস তৈরি করতে পারেনি তার কৌশল। দশে তার রেটিং ৫।

  • অনুশীলনে ফিরেছে মেসি, স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা

    অনুশীলনে ফিরেছে মেসি, স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা

    কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে আগামী শুক্রবার ইকুয়েডরের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ওই ম্যাচের আগে দারুণ সুখবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। দলীয় অনুশীলনে ফিরেছেন চোট থেকে সেরে ওঠার লড়াইয়ে থাকা ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি।

     

    চিলির বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ঊরুতে চোট পাওয়ার পর গত থেকে আর্জেন্টিনার অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন মেসি। পেরুর বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের পুরোটা সময় ছিলেন বেঞ্চে। আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, বেশ কিছু সেশন কাজ করার পর সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন মেসি। গত ২৫ জুন চিলির বিপক্ষে ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে ডান পায়ের ঊরুর সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় মেসিকে।

    ২৪তম মিনিটে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন খুদে জাদুকর। খেলা চলাকালে পরে আরও কয়েকবার নিজেই ঊরুতে মালিশ করতে দেখা যায় তাকে।
    ম্যাচ শেষে নিজেই চোট পাওয়ার কথা জানান মেসি। পরে পেরুর বিপক্ষে বিশ্রামে থাকায় কোয়ার্টার ফাইনালে তার খেলা নিয়ে জাগে শঙ্কা। এবার অনুশীলন শুরু করায় ইকুয়েডরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের খেলা নিয়ে শঙ্কা কিছুটা হলেও কমেছে। ধারণা করা হচ্ছে শেষ আটে মেসিকে নিয়েই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।

     

  • এবার জর্জিয়াকে বিধ্বস্ত করে কোয়ার্টারে স্পেন

    এবার জর্জিয়াকে বিধ্বস্ত করে কোয়ার্টারে স্পেন

    চলমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছে স্পেন ফুটবল দলকে। আসরের অন্যতম সেরা এই দল অবশ্য এ্রই আসরে খেলছেও ফেভারিটদের মতোই। হেসে খেলে গ্রুপ অব ডেথ পার করা স্প্যানিশরা এবার একই ভাবে পার করলো শেষ ষোলোও। রাউন্ড অব ১৬-এ জর্জিয়াকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করেছে স্পেন। আর এই জয়ে ভক্তরা কোয়ার্টার ফাইনালেই পেতে যাচ্ছে ফাইনালের স্বাদ। কারণ মুখোমুখি হবে আসরের সেরা দল স্পেন ও জার্মানি।

     

    সোমবার (০১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হওয়া ম্যাচে স্পেন জর্জিয়ার বিপক্ষে ৪-১ গোলে জয় লাভ করে।

    প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে খেলা জর্জিয়া কোলন স্টেডিয়ামে দর্শকদের চমকে দিয়ে ১৮তম মিনিটে অপ্রত্যাশিতভাবে লিড নেয়। স্পেনের ডিফেন্ডার রবিন লে নরম্যান্ড ওতার কাকাবাডজের ক্রসকে ভুলবশত নিজের জালে পাঠিয়ে দেন, যা একটি অত্যন্ত দ্রুত গতির পাল্টা আক্রমণের ফল ছিল। আচমকা এই গোল স্পেনের সমর্থকদের এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

    জর্জিয়ার খেলোয়ড়দের উদযাপন ছিল স্পষ্ট বদলি খেলোয়াড়রা খভিচা কভারাতস্কেলিয়ার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, যিনি গোলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে, এই প্রাথমিক আত্মবিশ্বাস স্পেনের নিরলস চাপ ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

    জর্জিয়ার গোলরক্ষক গিওর্গি মামারদাশভিলিকে পরাস্ত করে ম্যানচেস্টার সিটির রড্রি নিচের কোণায় একটি শট পাঠিয়ে সমতা ফেরান। জর্জিয়ার গোলরক্ষক অবশ্য অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। স্পেন আক্রমণে আধিপত্য বজায় রেখেছিল এবং তাদের দৃঢ়তা ফল দেয় যখন ফ্যাবিয়ান রুইজ ১৬ বছর বয়সী লামিনে যামালের ক্রস থেকে একটি হেড করে বিরতির পর গোল করেন।

    জর্জিয়ার উদ্যমী প্রচেষ্টা এবং কভারাতস্কেলিয়ার একটি প্রায়-চমকপ্রদ চিপ সত্ত্বেও ম্যাচটি কঠিন হতে থাকে জর্জিয়ার জন্য। স্পেনের উচ্চতর বল কন্ট্রোল এবং নির্ভুল ফিনিশিংয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। নিকো উইলিয়ামস জালে শক্তিশালী শট করে লিড বাড়িয়ে দেন, এরপর দানি ওলমো নির্ভুল ফিনিশিং করে খেলা শেষ করেন।

    স্পেনের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হল জার্মানি, যারা শুক্রবার স্টুটগার্টে কোয়ার্টার-ফাইনালে মুখোমুখি হবে। ইউরোপীয় জায়ান্ট এবং স্বাগতিক জার্মানি স্পেনের জন্য নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করবে।

    কোয়ার্টার-ফাইনালে যাওয়ার স্পেনের যাত্রা তাদের নিখুঁত গ্রুপ পর্যায়ের পারফরম্যান্স দ্বারা চিহ্নিত হয়। তারা তিনটি ম্যাচ জিতে এবং একটি গোলও খায়নি। যদিও জর্জিয়া এক মুহূর্তের জন্য স্ক্রিপ্টটি পরিবর্তন করে দেয় তবে স্পেনের দৃঢ়তা এবং সৃজনশীলতা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, তাদের টুর্নামেন্টের প্রিয় হিসেবে অবস্থানকে আরও মজবুত করে।

    লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল তাদের গভীরতা এবং উদ্যম প্রদর্শন করেছে, তরুণ প্রতিভা যামাল এবং উইলিয়ামস উচ্ছ্বসিত পারফরম্যান্স দিয়ে। পরিবর্তিত খেলোয়াড় দানি ওলমোও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন, পরপর দুটি ম্যাচে গোল করে।

    যদিও স্পেন জর্জিয়ার পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতার দ্বারা পরীক্ষিত হয়েছে, তারা তাদের ছন্দ এবং নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যা তাদের প্রস্তুতি এবং ফোকাসের প্রমাণ। জার্মানির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময়, স্পেনের অভিজ্ঞতা এবং যুব উদ্দীপনার মিশ্রণ ইউরো ২০২৪ কোয়ার্টার-ফাইনালে একটি উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

     

  • মার্তিনেজের জোড়া গোলে কোপা আমেরিকায় গ্রুপসেরা আর্জেন্টিনা

    মার্তিনেজের জোড়া গোলে কোপা আমেরিকায় গ্রুপসেরা আর্জেন্টিনা

    লিওনেল মেসির শহর মায়ামিতে খেলা। চাহিদার চাপে একদিন আগে কর্তৃপক্ষ জানাতে বাধ্য হয় সব টিকিট শেষ। কানায় কানায় ভরপুর হার্ড রক স্টেডিয়ামের গ্যালারি। তবে যার খেলা দেখতে আসা সেই মেসিসহ মূল একাদশের ৯ ফুটবলার বিশ্রামে। আর নিষেধাজ্ঞায় ডাগ আউটে ছিলেন না লিওনেল স্কালোনি।

     

    বাংলাদেশ সময় রোববার (৩০ জুন) সকালে কোপা আমেরিকায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে শুরুতে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্সও ছিল সাদমাঠা। কানাডা, চিলির পর পেরুর বিপক্ষেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এতে পেরুতে ২-০ গোলে হারিয়ে, এ-গ্রুপের সেরা হয়ে কোয়ার্টারে খেলবে আর্জেন্টিনা। চার গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেলেন লাউতারো।

    গ্রুপ পর্বে কোনো গোল হজম করেনি আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে কোনো গোল করতে পারেনি পেরু। ফলে কোপা আমেরিকা থেকে বিদায় নিল তারা। লিওনেল মেসির শহর মায়ামিতে খেলা। চাহিদার চাপে একদিন আগে কর্তৃপক্ষ জানাতে বাধ্য হয় সব টিকিট শেষ। কানায় কানায় ভরপুর হার্ড রক স্টেডিয়ামের গ্যালারি। তবে যার খেলা দেখতে আসা সেই মেসিসহ মূল একাদশের ৯ ফুটবলার বিশ্রামে। আর নিষেধাজ্ঞায় ডাগ আউটে ছিলেন না লিওনেল স্কালোনি।

    বাংলাদেশ সময় রোববার (৩০ জুন) সকালে কোপা আমেরিকায় গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পেরুর বিপক্ষে শুরুতে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্সও ছিল সাদমাঠা। কানাডা, চিলির পর পেরুর বিপক্ষেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

    মার্তিনেজের জোড়া গোলে গ্রুপসেরা আর্জেন্টিনা পেরুও প্রথমার্ধে রুখে দিয়েছে আর্জেন্টিনাকে, তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টাইনদের উৎসবের উপলক্ষ্য এনে দেন লাউতারো মার্তিনেজ। পরে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে আরও এক গোল করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে টানা ৬ ম্যাচে গোল পেলেন এই স্ট্রাইকার

    এতে পেরুতে ২-০ গোলে হারিয়ে, এ-গ্রুপের সেরা হয়ে কোয়ার্টারে খেলবে আর্জেন্টিনা। চার গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেলেন লাউতারো।

    গ্রুপ পর্বে কোনো গোল হজম করেনি আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে কোনো গোল করতে পারেনি পেরু। ফলে কোপা আমেরিকা থেকে বিদায় নিল তারা। ম্যাচের ১২ মিনিটে বক্সের বাঁ-প্রান্ত নিকোলাস ত্যাগলিয়াফিকোর কাছ থেকে বল আলেজান্দ্রো গার্নাচোর শট আটকে যায় পেরুর রক্ষণে।

    ২৬ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন পেরুর গোলকিপার। ৩৭ মিনিটে সেট পিস থেকে বক্সের মাঝখান থেকে জার্মান পেজেলার হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৪১ মিনিটে প্রতিহত হয় অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার বাঁ-পায়ের নিচু শট। ম্যাচের সবচেয়ে ভালো সুযোগটি এসেছিল ৪৪ মিনিটে।

    ডান প্রান্ত থেকে কাট ব্যাকে পেরুর বক্সের বল দেন গঞ্জালো মন্টিয়েল। জিওভানি লো সেলসোর শট আটকে আর্জেন্টিনাকে গোলবঞ্চিত করেন পেরুর গোলকিপার। ফিরতি বলে আলেজান্দ্রো গার্নাচোর শট চলে যায় পোস্টের ওপর দিয়ে। ফলে গোলশূন্যভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধ।

    দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠ থেকে বল আসে ডি মারিয়ার কাছে, ওয়ান টাচে তিনি বল বাড়ান পেরুর ডি-বক্সে। ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে পেরুর গোলকিপারের উপর দিয়ে বল জালে জড়ান লাউতারো মার্তিনেজ। কোপা আমেরিকার তিন ম্যাচেই গোল করলেন তিনি। আগের দুই ম্যাচে বদলি হিসেবে করেছিলেন গোল।

    ৬৯ মিনিটে ডি মারিয়ার কাছ থেকে বক্সে বল পেয়ে কাট ব্যাকের চেষ্টা করে মন্ট্রিয়েল। তবে বল লাগে পেরুর ডিফেন্ডার জেসাস ক্যাস্টিলোর হাতে। পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। ৩০তম জন্মদিনে পেনাল্টি শট নিতে আসেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। গোলকিপারকে বিপরীত পাশে পাঠালেও বল মারেন ডান পাশে পোস্টে। গোল ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া হয় আর্জেন্টিনার।

    ম্যাচের ৮৬ মিনিটে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে লাউতারো। একক প্রচেষ্টা বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে আড়াআড়ি শটে পেরুর গোলকিপারকে পরাস্ত করেন তিনি। ফলে নিয়মিত কোচ ও অধিনায়কে ছাড়াই সহজ জয় আর্জেন্টিনার।

    এ জয়ে এ-গ্রুপ থেকে ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্টে গ্রুপসেরা হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দিনের আরেক ম্যাচে চিলিকে গোলশূন্যভাবে রুখে দিয়ে শেষ আটে কানাডা।

     

  • কোপা আমেরিকায় মেসিকে নিয়ে দুঃসংবাদ কেন

    কোপা আমেরিকায় মেসিকে নিয়ে দুঃসংবাদ কেন

    কােপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টটির চলতি আসরে প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে তারা। গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে কানাডা ও চিলির বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে নিজেদের শেষ ম্যাচে পেরুর মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। এর আগে এসেছে বড় দুঃসংবাদ। এই ম্যাচে মাঠের লড়াইয়ে নাও দেখা যেতে পারে লিওনেল মেসিকে।

     

    গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি আর্জেন্টিনার জন্য নিয়ম রক্ষার। এই ম্যাচে হারলেও সমস্যা নেই তাদের। তাই পেরুর বিপক্ষে ম্যাচটিতে মেসিকে বিশ্রাম দিতে পারেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

    কারণ চিলির বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরির শঙ্কা নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন কাতার বিশ্বকাপজয়ী মেসি। যে কারণে তাকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না কোচ। বরং অন্যদের সুযোগ দিতে চান। শুধু মেসি নন, শুরুর একাদশে আরও কয়েকটি বদল আসতে পারে।

    ক্রীড়া বিষয়ক জনপ্রিয় গণমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, কানাডার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নিতম্বের মাংসপেশিতে অস্বস্তি অনুভব করেন মেসি। চিলির বিপক্ষেও কাটেনি তার অস্বস্তি।এ কারণে তাকে বিশ্রাম দেবেন বলে জানিয়েছেন কোচ স্কালোনি। ইএসপিএন জানিয়েছে, কোচ মেসিসহ শুরুর একাদশের কয়েক জনকে বিশ্রাম দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে কানাডার বিপক্ষে ম্যাচের পর মেসি বলেছিলেন, ‘প্রথম ম্যাচ চলাকালীন নিতম্বের মাংসপেশি শক্ত অনুভব হচ্ছিল। মাংসপেশি ছিড়ে যাওয়া বা থেতলে যাবার মতো কিছু মনে হয়নি। তবে খেলতে একটু অসুবিধা মনে হচ্ছিল। কোন সমস্যা ছাড়া ম্যাচ শেষ করতে পারায় বড় কিছু নয় বলেই মনে হয়েছে।’

    পেরুর বিপক্ষে আর্জেন্টিনা পরের ম্যাচ খেলবে মায়ামির ঘরের মাঠ হার্ড রক স্টেডিয়ামে। দর্শকরা ঘরের মাঠে নিজ ক্লাবের খেলোয়াড় মেসিকে খেলতে না দেখে হতাশ হতে পারেন।

  • ব্রাজিল গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দিলো প্যারাগুয়েকে

    ব্রাজিল গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দিলো প্যারাগুয়েকে

    কোপা আমেরিকায় ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জোড়া গোলে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ব্রাজিল। লাস ভেগাসের অ্যালিগায়েন্ট স্টেডিয়ামে আজ (শনিবার) গ্রুপপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে এই জয় পেয়েছে দরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা।

     

    প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েই আজ ভিনির পাশাপাশি গোল করেছেন ২০ বছর বয়সী স্যাভিও মোরেইরা। পেনাল্টিতে আরেক গোল আসে লুকাস পাকুয়েতার পা থেকে।

    ম্যাচের প্রথমার্ধেই তিন গোল করে সেলেসাওরা। এর মধ্যে গোলের প্রথম সুযোগ হারান লুকাস পাকুয়েতা। পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি তিনি। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ ভিনির পা থেকে। বক্সের মুখে ওয়ান অন ওয়ান খেলে গোল মুখে ঢুকে যান তিনি। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে দারুণ টাসে ফিনিসিং টানেন।

    পরের গোলটি আসে ম্যানসিটির পথে থাকা জিরোনায় খেলা তরুণ স্যাভিও’র পা থেকে। রদ্রিগোর শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেন। প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডারের পা হয়ে ফাঁকায় বল পেয়ে ৪৩ মিনিটে গোল করেন তিনি। রাফিনহার জায়গায় শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়া স্যাভিওর এটি প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।

    এরপর প্রথমার্ধের শেষ বাঁশির আগে ভিনি দলকে ৩-০ গোলের লিড এনে দেন। এবারও রদ্রিগোর পা থেকে প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডারের ভুলে বল পেয়ে জালে পাঠান ভিনিসিয়াস। দ্বিতীয়ার্ধের ৪৮ মিনিটে এক গোল শোধ করে কলম্বিয়ার বিপক্ষে হার দিয়ে কোপা শুরু করা প্যারাগুয়ে। ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলের বড় জয়ের সঙ্গে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের শঙ্কা অনেকটাই কাটিয়ে নেন পাকুয়েতা।