Tag: রোনালদো

  • রেকর্ডের রাজা রোনালদো, তবু বিশ্বকাপ নকআউটে এখনো গোলশূন্য!

    রেকর্ডের রাজা রোনালদো, তবু বিশ্বকাপ নকআউটে এখনো গোলশূন্য!

    ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলদাতা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এখনো গোলের দেখা পাননি। শুক্রবার ভোরে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের শেষ-৩২ ম্যাচে মাঠে নামার আগে এই পরিসংখ্যানই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

    ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর থেকে শেষ ষোল, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল মিলিয়ে আটটি নকআউট ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। এই সময়ে ৬৫০ মিনিটের বেশি মাঠে থাকলেও জালের দেখা পাননি তিনি। অথচ ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে তার ক্যারিয়ারে গোলসংখ্যা ৯৭৫-এর কাছাকাছি।

    চলতি বিশ্বকাপে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দারুণ প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিলেও কলম্বিয়ার বিপক্ষে ছিলেন নিষ্প্রভ। ফলে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি রোনালদোর জন্য কেবল শেষ-৩২-এর লড়াই নয়, বিশ্বকাপের নকআউট গোলখরা কাটানোরও বড় সুযোগ।

  • রোনালদোর জোড়া গোলে শীর্ষে আল নাসর

    রোনালদোর জোড়া গোলে শীর্ষে আল নাসর

    পর্তুগিজ তারকা Cristiano Ronaldo–এর জোড়া গোলে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে Al Nassr FC। সৌদি প্রো লিগে আল হাজেমকে ৪-০ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে দলটি।

    জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে দলের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে লিগের দুটি ও এএফসি কাপে একটি ম্যাচে খেলেননি রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড মাঠে ফিরেই জোড়া গোল করে নিজের গুরুত্ব আবারও প্রমাণ করলেন।

    ম্যাচের ১৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় আল নাসর। পেনাল্টি এরিয়ায় ভিড়ের মধ্যে রোনালদোকে খুঁজে পান Kingsley Coman। ডান পায়ে বল নিয়ন্ত্রণ করে বাঁ পায়ের শটে জাল কাঁপান তিনি। অফসাইড সন্দেহে ভিএআরে পরীক্ষা শেষে গোলটি বহাল থাকে। ৩০ বছর বয়সের পর এটি ছিল তার ৫০০তম গোল।

    আধঘণ্টার মাথায় ব্যবধান বাড়ান কোমান, Joao Felix–এর অ্যাসিস্টে গোল করেন তিনি। বিরতির আগে রোনালদো আরও একটি গোল পেলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়।

    ৭৭তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান অ্যাঞ্জেলো একক প্রচেষ্টায় তৃতীয় গোল করেন। নিজ অর্ধ থেকে বল নিয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ৩-০ করেন তিনি।

    নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রোনালদো। কোমানের কাছ থেকে শর্ট পাস পেয়ে আড়াআড়ি ড্রাইভে বল জালে পাঠান তিনি। ভিএআরে যাচাইয়ের পর গোলটি বহাল থাকে।

    এই জয়ে টানা অষ্টম লিগ ম্যাচে জয় তুলে নিল আল নাসর। এতে করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী Al Hilal SFC–এর চেয়ে এক পয়েন্টে এগিয়ে থাকল তারা। আগের ম্যাচে আল হিলাল ১০ জনের Al Ittihad Club–এর সঙ্গে ড্র করেছিল।

  • টানা দ্বিতীয় ম্যাচ বয়কট রোনালদোর, আল নাসর ছাড়ার ইঙ্গিত

    টানা দ্বিতীয় ম্যাচ বয়কট রোনালদোর, আল নাসর ছাড়ার ইঙ্গিত

    সৌদি প্রো লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ বয়কট করেছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্লাব পরিচালনা ও ট্রান্সফার নীতিমালা নিয়ে অসন্তোষের জেরে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

    দুই হাজার বাইশ সালের শুরুতে সৌদি প্রো লিগে যোগ দিয়ে বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার জন্ম দেন রোনালদো। তার পথ অনুসরণ করে ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে একাধিক তারকা ফুটবলার সৌদি আরবে পাড়ি জমান। তবে বর্তমানে সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি ফুটবল প্রকল্প নিয়ে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের সঙ্গে মতবিরোধে জড়িয়েছেন এই পর্তুগিজ তারকা।

    সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আল ইত্তিহাদ থেকে করিম বেনজেমার আল হিলালে দলবদলে আপত্তি ছিল রোনালদোর। তার মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট করছে এবং আল হিলালের শিরোপা জয়ের পথ সহজ করে দিচ্ছে। পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের ট্রান্সফার কার্যক্রমে অসমতা ও আল নাসরের প্রতি অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

    চলতি মৌসুমে আল হিলাল যেখানে শক্তিশালী দল গঠন করছে, সেখানে আল নাসর কেবল একজন অনূর্ধ্ব-২৩ ইরাকি মিডফিল্ডারকে দলে ভিড়িয়েছে। এতে শিরোপা লড়াইয়ে দলটি পিছিয়ে পড়বে—এমন আশঙ্কা থেকেই প্রতিবাদস্বরূপ মাঠে নামেননি রোনালদো। যদিও তিনি নিয়মিত অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন।

    সূত্র জানায়, ক্লাবের নীতি পরিবর্তন না হলে আগামী জুনে আল নাসর ছাড়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখছেন রোনালদো। সম্প্রতি ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর সিমাও কোতিনিয়ো ও প্রধান নির্বাহী হোসেন সেমেদোকে পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন রোনালদো। এতে দলের শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

    অন্যদিকে আল হিলাল সৌদি যুবরাজ আলওয়ালিদ বিন তালাল আলসাউদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে, যা তাদের স্কোয়াড শক্তিশালী করতে সহায়ক হচ্ছে। সবমিলিয়ে ব্যয় ও পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতায় পড়েছে আল নাসর, যা রোনালদোর অসন্তোষ আরও বাড়িয়েছে।

    রোনালদোর মাঠে ফেরার বিষয়টি এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে ক্লাব ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর।

  • পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলার ঘোষণা দিলেন রোনালদো !

    পরবর্তী বিশ্বকাপ খেলার ঘোষণা দিলেন রোনালদো !

    ইউরো থেকে যন্ত্রণার বিদায় সত্ত্বেও ফুটবল ছাড়ছেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৩৯ বছর বয়সী এ ফুটবলার খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ব্রিটিশ একটি ট্যাবলয়েড জানিয়েছে, ঘনিষ্ঠ মহলে পর্তুগিজ এ তারকা ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।

     

    ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারে পরাজিত হওয়া কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই রোনালদো জানিয়ে দিয়েছিলেন, এটাই তাঁর শেষ ইউরো। তবে তখন তিনি অবসর কিংবা আগামী বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে কিছু বলেননি। পর্তুগালের বর্তমান কোচ রবার্তো মার্টিনেজের সঙ্গে রোনালদোর সম্পর্ক বেশ ভালো। এবারের ইউরোতে ফর্মে না থাকার পরও প্রতিটি ম্যাচে কোচ তাঁকে প্রথম একাদশে খেলিয়েছেন। ইউরোতে প্রতি ম্যাচে গড়ে ৯৭ মিনিট করে খেলেছেন রোনালদো। তার পরও দেড় যুগের ক্যারিয়ারে এ প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্টে গোল করতে ব্যর্থ হলেন পর্তুগিজ এ তারকা।

    ফ্রান্সের কাছে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে পরাজয়ের পর গত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নীরবতা ভাঙেন রোনালদো। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা আরও চেয়েছিলাম। আমাদের আরও বেশি প্রাপ্য ছিল। আমাদের জন্য, আপনাদের প্রত্যেকের জন্য, পর্তুগালের জন্য।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনারা আমাদের যা দিয়েছেন এবং আমরা এখন পর্যন্ত যা অর্জন করেছি, এর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমি নিশ্চিত মাঠ ও মাঠের বাইরে এই উত্তরাধিকারকে অবশ্যই সম্মান করা হবে। আরও অর্জনের জন্য ধারাবাহিকভাবে একসঙ্গে আমরা কাজ করে যাব।’

    ইউরো থেকে ছিটকে যাওয়ার পর কোচ মার্টিনেজও বলেছিলেন, দেশের হয়ে রোনালদো শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন এটা এখনই বলা যাচ্ছে না। এর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদোর খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত। তার মানে, ৪১ বছর বয়সে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবেন তিনি। ২০০৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয় রোনালদোর। এখন পর্যন্ত ২১২ ম্যাচ খেলে ১৩০ গোল করেছেন তিনি। যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি জাতীয় দলের হয়ে ২০১৬ সালে ইউরো জিতেছিলেন। বিশ্বকাপ জয়ের জন্য আরেকটা চেষ্টা করতে চান তিনি।

  • রোনালদো ‘ম্যারাডোনা’ অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন

    রোনালদো ‘ম্যারাডোনা’ অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন

    কাতার বিশ্বকাপের পরই ইউরোপ ফুটবলের পাঠ চুকিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমান পর্তুগাল ফুটবলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সেখানে গিয়েও নিজের আলো ছড়ানো থামায়নি তিনি। বয়স যতই হোক না কেনো তার মাঠের পারফরম্যান্সে তা বোঝার কায়দা নেই আর তাতেই ২০২৩ সালে সৌদির ক্লাব আল-নাসর এবং নিজের দেশের হয়ে মোট ৫৪ গোল (৫৯ ম্যাচে) করেন পাঁচ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। গত বছর ছেলেদের ফুটবলে এত গোল আর কেউ করতে পারেনি।

    গেল বছর গোলের কীর্তিতে ৩৮ বছর বয়সি রোনালদো পেছনে ফেলেছেন পিএসজির ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে (৫২ গোল, ৫৩ ম্যাচে), বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন (৫২ গোল, ৫৭ ম্যাচে) এবং ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে (৫০ গোল, ৬০ ম্যাচে)। আর এক বছরে সবেচেয়ে বেশি গোল করেই আর্জেন্টিনার প্রয়াত কিংবদন্তি ম্যারাডোনা অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন এই পর্তুগিজ তারকা।

    আগামী ১৯ জুন দুবাইয়ে রোনালদোকে দুবাই গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এর মঞ্চে পুরস্কৃত করা হবে। দুবাইয়ের কৃত্রিম দ্বীপ দ্য পামে অবস্থিত বিলাসবহুল হোটেল আটলান্টিসে বসবে জমকালো এই পুরস্কারের আসর। যেখানে একটি নয়, বেশ কয়েকটি পুরস্কার একাই বগলদাবা করতে পারেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। কারণ, তিনি বর্ষসেরা খেলোয়াড়, মধ্যপ্রাচ্যের সেরা খেলোয়াড় এবং ভক্তদের পছন্দের খেলোয়াড়—এই তিন পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

    এদিকে সৌদিতে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন রোনালদো। বর্তমানে মাঠের ব্যস্ততা নেই তার। রয়েছেন ছুটিতে। তাই নতুন বছরের প্রথম দিন উদ্যাপনের জন্য নিজ দেশ পর্তুগালে গেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, চলতি মাস পুরোটাই ম্যাচহীন কাটাবেন তিনি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি রিয়াদ কাপের প্রীতি ম্যাচে তার দল আল নাসর মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামির। বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই ম্যাচ দিয়েই মাঠে ফিরবেন সি আর সেভেন।

  • রোনালদো সেরা গোলদাতার পুরস্কার জিতলেন

    রোনালদো সেরা গোলদাতার পুরস্কার জিতলেন

    স্বপ্নের মতো একটি বছর কাটিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে ২০২৩ সালের একের পর এক গোল করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। পর্তুগাল ও আল নাসরের হয়ে এই বছর ৫৪ গোল করেছেন রোনালদো। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেরা গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন সিআর সেভেন।

    সোমবার (১ জানুয়ারি) ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্ট্রি অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকস (আইএফএফএইচএস) ২০২৩ সালের সেরা গোলদাতা হিসেবে নাম ঘোষণা করেছে। এ পুরস্কার জয়ের পথে তিনি পেছনে ফেলেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনকে। জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে ৫২ গোল করে যৌথভাবে দুইয়ে আছেন এই দুই ফুটবলার।

    এর আগেও পাঁচবার আইএফএফএইচএস এর সেরা গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন রোনালদো। অন্যদিকে রোনালদোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি জায়গা পেয়েছেন তালিকার ৫২ নম্বরে। তিনি গেল বছর মাত্র ২৮ গোল করেছিলেন।