Category: Uncategorized

  • জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

    জাতীয় নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করার জন্য নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ।
    উপদেষ্টা আজ রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬’ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন।
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন র‌্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম এবং বিজিবি’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস এন্ড ট্রেনিং) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ।
    নির্বাচনে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করতে হবে। ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করতে হবে। তিনি বলেন, আপনাদের সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বই হবে এই নির্বাচনের মূল শক্তি। তিনি আরো বলেন, ব্যালট বাক্স ছিনতাই হলে বা ভোটকেন্দ্রে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারসহ কেউ ছাড় পাবে না। তিনি এ সময় জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারীকৃত পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে।
    উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা ও বাধা সৃষ্টি করতে পারে এমন দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও প্রভাবিত করতে পারে এমন যেকোন ধরনের অপতৎপরতা ও কার্যক্রম কঠোর হাতে দমন করতে হবে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নির্বাচন পূর্ববর্তী ০৪ (চার) দিন নিবিড় টহল পরিচালনা করতে হবে। চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় টহল কার্যক্রম বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে নিবিড়ভাবে পরিচালনা করতে হবে।
    সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, এবার নির্বাচনে গতানুগতিক বিষয় ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার থাকছে। নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ বডি ওর্ন ক্যামেরা, সিসিটিভি, ড্রোনসহ অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে।
    মতবিনিময় সভায় রংপুর বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, আঞ্চলিক/জেলা/উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বিজিবির রংপুর বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
    পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে কারচুপির কোনো আশঙ্কা নেই। শতভাগ স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
  • শেখ হাসিনা-টিউলিপের দুর্নীতির দুই মামলার রায় আজ

    শেখ হাসিনা-টিউলিপের দুর্নীতির দুই মামলার রায় আজ

    রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ২০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে করা পৃথক দুই মামলার রায় আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঘোষণা করা হবে।

    ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম বেলা ১১টার দিকে এই দুই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আদালতের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    সূত্র জানায়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ২০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় শেখ হাসিনা ও টিউলিপসহ পৃথকভাবে ১৮ জন করে মোট ৩৬ জন আসামি রয়েছেন।

    এর মধ্যে শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলায় গত ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। অপরদিকে শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা আরেক মামলায় গত ১৩ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক শেষে একই তারিখে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়।

    রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক সংক্রান্ত মামলার অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। ওই মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মার্চ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ২৮ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

    অপর মামলায় অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনায় গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। এ মামলায়ও টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ১০ মার্চ আরও দুই আসামি যুক্ত করে মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এ মামলায় বিচার চলাকালে ৩১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম দুই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। আজ ঘোষিত রায়ের মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই দুই মামলার বিচারিক নিষ্পত্তি হবে।

    সুত্রঃবাসস

  • শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করে লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

    শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করে লড়াই অব্যাহত রাখার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

    চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজীবন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    শনিবার সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন,
    “আমরা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শহীদদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ন্যায়বিচার, ন্যায্যতা ও জবাবদিহিতাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে যুবসমাজকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

    তিনি শহীদ আবু সাঈদের সর্বোচ্চ ত্যাগ, দেশপ্রেম ও সাহসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তার বাবা মো. মকবুল হোসেনকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা প্রদান করেন। পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের খোঁজখবর নেন।

    শহীদের বাড়ির উঠোনে তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন,
    “আমি তরুণদের কাছে অঙ্গীকার করছি—তোমাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলব। সমাজের নেতৃত্ব তরুণদের হাতে তুলে দিয়ে আমরা পেছন থেকে শক্তি ও সাহস জোগাব।”

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
    “তোমাদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই ভোট দেবে—তোমাদের ভোটে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।”

    তিনি আরও বলেন,
    “এই লক্ষ্যে তরুণদের আবারও ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, তরুণরাই বিজয় ছিনিয়ে আনবে। এই আন্দোলনের কাজ এখনো শেষ হয়নি।”

    এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, রংপুর-৬ আসনের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুল আমিন, রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির সদস্য-সচিব আখতার হোসেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    কবর জিয়ারত শেষে জামায়াত আমির গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে সড়কপথে রওনা হন। পরে বগুড়া শহর ও শেরপুর উপজেলায় পৃথক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ শহীদ হন। তার আত্মত্যাগ পরবর্তীতে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের প্রতীকে পরিণত হয়।

  • মঞ্চে উঠলেন তারেক রহমান

    মঞ্চে উঠলেন তারেক রহমান

    রাজধানীর পূর্বাচলে গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছে তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর। লালসবুজ রঙে সাজানো একটি বাসে করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি মঞ্চে ওঠেন। তাঁর সঙ্গে বিএনপির নেতারা রয়েছেন। মঞ্চে উঠে নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন তারেক রহমান।

    আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান করছিলেন বিএনপির নেতা কর্মীরা। তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।

    বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস প্রমুখ।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটসহ আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার ছিল।

    দেশে ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন।

    বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু আগে পোস্ট করা ভিডিওতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

    ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে কথা বলছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।’

    এর আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে এসে লাগোয়া বাগানে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন।

    দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন তিনি। বাসের সামনে থেকে তারেক রহমান নেতা কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। তাঁদের সালাম দেন।

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলে ৩০০ ফুটে গণসংবর্ধনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তাঁর জন্য আগে থেকেই লাল, সবুজ রঙে একটি বাস সাজিয়ে রাখা হয়েছিল।

    সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের বহর তারেক রহমানকে বহনকারী বাসটির সামনে হাঁটছেন। পেছনে ধীরে ধীরে লাল সবুজ গাড়িটি যাচ্ছে। গাড়ির সামনের আসনে বসে রাস্তা দুই পাশে থাকা নেতা কর্মীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তারেক রহমান।

    জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে জুড়ে বিএনপি নেতা–কর্মীদের বিপুল উপস্থিতি দেখা গেছে। সঙ্গে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফুল হাতে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়েছেন।  তাঁরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা-স্বাগতম’, ‘দেশনেতার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগান দিয়েছেন।

    রাজধানীর পূর্বাচলে গণসংবর্ধনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গাড়িবহর। বেলা ২টা ৫৬ মিনিটের দিকে তাঁকে বহনকারী গাড়িবহর এগিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপর বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি মঞ্চে ওঠেন।

  • মানসম্মত শিক্ষা ও স্বনির্ভরতা অর্জনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়নের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    মানসম্মত শিক্ষা ও স্বনির্ভরতা অর্জনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়নের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

    মানসম্মত শিক্ষা, গ্রামীণ উন্নয়ন, যুবসমাজ ও নারীর ক্ষমতায়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও স্বাস্থ্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে স্বনির্ভরতা জোরদারের লক্ষ্যে বাজেট প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হতে যাওয়া সংশোধিত বাজেট পর্যালোচনার সময় আজ বুধবার উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    বৈঠক শেষে বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সংশোধিত বাজেট বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অপ্রয়োজনীয় বিদেশী ঋণ থেকে সরে এসে দেশীয় অর্থায়নে আরও বেশি প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এতে বাংলাদেশকে আরও স্বনির্ভর করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    প্রেস সচিব জানান, শিক্ষা খাত, বিশেষ করে শিক্ষার মান উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। অতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণে জোর দেওয়া হলেও শিক্ষার মানের দ্রুত অবনতি ঘটেছে, বিশেষ করে আগের কর্তৃত্ববাদী সময়কালে। এই প্রেক্ষাপটে এখন শিক্ষার মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেন অধ্যাপক ইউনূস।

    গ্রামীণ উন্নয়নের বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন, চলতি বছর কৃষকেরা রেকর্ড পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন করেছেন। তাদের জীবনমান উন্নয়নে বাজেটে আরও বেশি সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    যুবসমাজের প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন অধ্যাপক ইউনূস। বৈঠকে তিনি বাংলাদেশকে ‘যুবসম্পদের খনি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাজেটের অগ্রাধিকার নির্ধারণে তরুণদের চাহিদা প্রতিফলিত হতে হবে।

    নারী ক্ষমতায়ন খাতেও বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। তার মতে, নারীদের সার্বিক উন্নয়ন সরাসরি জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    এ ছাড়া শিল্পপণ্যসহ স্থানীয় উৎপাদন বাড়িয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন অধ্যাপক ইউনূস। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। সূত্র: বাসস

  • টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫-এর চূড়ান্ত অনুমোদন

    টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫-এর চূড়ান্ত অনুমোদন

    ইন্টারনেট সেবাকে মৌলিক অধিকারের সমপর্যায়ভুক্ত করতে এবং এর নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই অধ্যাদেশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

    তিনি জানান, এই সংশোধনের মধ্যে প্রধান কিছু প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ইন্টারনেট বা টেলিযোগাযোগ সেবা কখনোই বন্ধ করা যাবে না। ২০১০ সালের বিতর্কিত সংশোধনের কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির ক্ষমতা ও কার্যপরিধির মধ্যে ভারসাম্য আনা হয়েছে। আগে সকল লাইসেন্স ইস্যুর অনুমোদন মন্ত্রণালয় থেকে হলেও, এখন থেকে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু লাইসেন্সে মন্ত্রণালয় ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টাডির ভিত্তিতে অনুমোদনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে এবং অন্যান্য সকল লাইসেন্স ইস্যু করার এখতিয়ার বিটিআরসির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ডাক টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির সভাপতিত্বে একটি ‘জবাবদিহিতা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

    শফিকুল আলম জানান, লাইসেন্সের আবেদন থেকে শুরু করে সিদ্ধান্ত পর্যন্ত সময় কমানো হয়েছে। এ ছাড়াও আগের আইনে বর্ণিত উচ্চ জরিমানা ও রিকারিং জরিমানা কমানো হয়েছে, যা টেলিযোগাযোগ খাতকে বিনিয়োগবান্ধব করবে বলে মনে করে সরকার।

    তার দেওয়া তথ্য অনুসারে, এখন থেকে প্রতি চার মাসে বিটিআরসিকে গণশুনানি করতে হবে, তার ফলোআপ ওয়েবসাইটে রাখতে হবে এবং কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট রোধেও বিধান রয়েছে।

    এছাড়া সিম ও ডিভাইস রেজিস্ট্রেশনের তথ্য ব্যবহার করে কোনো নাগরিককে নজরদারি বা অযথা হয়রানি করা আইনত ‘দণ্ডনীয় অপরাধ’ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘স্পিচ অফেন্স’ সম্পর্কিত নিবর্তনমূলক ধারা পরিবর্তন করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারাবাহিকতায় কেবল সহিংসতার আহ্বানকেই অপরাধের আওতাভূক্ত রাখা হয়েছে।

    শফিকুল আলম বলেন, বিটিআরসির সার্বিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কমিটি’ শীর্ষক একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষা প্রতারণা এবং অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট বিধান ও সংযোজন করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, অধ্যাদেশে সিআইএস (সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট) নামে একটি কারিগরি প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। অধ্যাদেশে আইন উপদেষ্টাকে প্রধান করে একটি কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে আইনানুগ ইন্টারসেপশন সংক্রান্ত অনুবাদন প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কার্যাবলি সম্প্রদান করবে। সূত্র: ইউএনবি

  • আরও সাত শরিকের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা, আট আসন ছাড় বিএনপির

    আরও সাত শরিকের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা, আট আসন ছাড় বিএনপির

    ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে শরিক ৭টি দলের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় পৌঁছেছে বিএনপি। এ সমঝোতার আওতায় ওই দলগুলোর জন্য ৮টি সংসদীয় আসন বণ্টন করেছে দলটি।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তালিকা ঘোষণা করেন।

    সমঝোতা অনুযায়ী বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালীর-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছিলেন, তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে আমরা যে সিদ্ধান্তগুলোতে একমত হতে পেরেছি, সেই আসনগুলোতে সমঝোতা করেছি। তা আমি আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। এই তালিকার পরও আলোচনা চলবে, তারপরে সিদ্ধান্ত হলে দলের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

    তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদ এবং ঢাকা- ১৩ আসনে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে দেওয়া হয়েছে। রেদোয়ান সাহেব আজ যোগ দিয়েছেন এবং ববি হাজ্জাজ শিগগিরই বিএনপিতে যোগ দেবেন।’

    যাদের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা হয়েছে তারা নিজ নিজ প্রতীকে অংশ নেবেন এবং যারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন তারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেদোয়ান আহমেদ।

    এর আগে মঙ্গলবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় ৪ আসন ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। সব মিলিয়ে শরিকদের জন্য বিএনপি এ পর্যন্ত ১২টি আসন ছাড়ল।

    এছাড়া বিএনপি দলীয়ভাবে দুই ধাপে ২৭২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। তার সঙ্গে রেদোয়ান ও ববির আসন ধরলে মোট ২৭৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হল। সেই হিসেবে আরও ১৪টি আসনের ফয়সালা বাকি থাকল।
    সুত্র: ইউএনবি

  • আতাউর রহমান বিক্রমপুরী গ্রেপ্তার

    আতাউর রহমান বিক্রমপুরী গ্রেপ্তার

    আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আজ বুধবার বেলা দেড়টার দিকে প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।
    তালেবুর রহমান বলেন, নরসিংদী থেকে আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
    ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের এই উপকমিশনার বলেন, গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অনুরোধে আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিএমপিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
    তালেবুর রহমান বলেন, আতাউর রহমানের বিষয়ে তিন মাসের ডিটেনশন আদেশ আছে। সে জন্য জিএমপি অনুরোধ করেছিল। সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে গতকাল মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

  • উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আজ বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সুত্র: বাসস

  • এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত পতিত স্বৈরাচার সরকার : ড.এম এ কাইয়ুম

    এখনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত পতিত স্বৈরাচার সরকার : ড.এম এ কাইয়ুম

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা এখনও নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের জনগণকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং চোখ-কান খোলা রেখে চলতে হবে।

    গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর রামপুরা মৌলভীরটেক এলাকাবাসীর উদ্যোগে বি এন পি চেয়ারপার্সন,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন।

    ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এই সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিযোগ করে বলেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মের লেবাস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। ইসলামের নাম ব্যবহার করে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে। জনগণকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে, যাতে কেউ ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে।

    তিনি আরও বলেন, একটি সুন্দর ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে হলে ধর্মীয় জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, “ধর্ম মানুষকে সৎ পথে চলতে শেখায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে শক্তি জোগায়। তাই আগামীর বাংলাদেশ গড়তে ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিতে হবে।

    আগামী দিনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও গণমানুষের নেতা ড.এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ হিসেবে গড়ে তোলা হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার।এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও সন্ত্রাস মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করে রেখেছে। আমরা সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুললে আগামীর ঢাকা-১১ হবে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য।

    বিএনপির এই নেতা বলেন, বিগত সময়ে নির্বাচনে জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিল না। ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেনি সাধারণ মানুষ। আমরা চাই এমন একটি নির্বাচন, যেখানে মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে, নিজের পছন্দের প্রার্থী বেছে নিতে পারবে। তিনি আরও বলেন ভোটের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এর জন্য  সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একটি সুন্দর সমাজ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।