Category: স্বাস্থ্য

  • নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পাশেই ডেঙ্গুর প্রজনন!

    নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পাশেই ডেঙ্গুর প্রজনন!

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

    ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা চলছে যে ওয়ার্ডে, তার বরাবর নিচেই জমে আছে বৃষ্টির পানি। সেই পানির আশপাশে মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কোথাও জমে থাকা পানিতে শ্যাওলা, কোথাও আবর্জনা সব মিলিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত ওয়ার্ডের পাশেই যেন ডেঙ্গুর প্রজননক্ষেত্র।

    সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট খানপুর হাসপাতাল ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়। হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের আশপাশে এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ।

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যখন নগরজুড়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখন খোদ সরকারি হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের পাশেই পানি জমে থাকার বিষয়টি প্রশ্ন তুলেছে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে। যে হাসপাতালে মানুষ রোগ নিরাময়ের আশায় আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের ওয়ার্ডের পাশেই মশার বংশবিস্তারের পরিবেশ তৈরি হওয়া কতটা গ্রহণযোগ্য? এমন প্রশ্ন তুলছেন রোগী ও স্বজনরা।

    হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগীর স্বজন বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড করা হয়েছে। অথচ সেই ওয়ার্ডের পাশেই যদি পানি জমে থাকে এবং সেখানে মশা জন্মানোর সুযোগ তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের। হাসপাতাল তো মানুষের সুস্থ হওয়ার জায়গা। হাসপাতালের ভেতরের পরিবেশই যদি অপরিষ্কার ও অস্বাস্থ্যকর থাকে, তাহলে রোগীরা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

    আরেক রোগীর স্বজন বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে স্বজনকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বাইরে মশা নিধনের কথা বলা হচ্ছে, আর হাসপাতালের ভেতরেই যদি মশার প্রজননের সুযোগ থাকে, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই কর্তৃপক্ষের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বিশেষ করে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের আশপাশে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    হাসপাতালের আশপাশের পরিবেশ ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। হাসপাতালের দেয়াল ও স্থাপনার কারণে কিছু জায়গায় পানি সহজে বের হতে পারছে না। দীর্ঘসময় পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশার প্রজননের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    নারায়ণগঞ্জ ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাশার বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। হাসপাতালের দুই ভবনের মাঝে ভেতরে দেয়াল থাকায় বৃষ্টির পানি জমে ছিলো। জমে থাকা পানি ও সংশ্লিষ্ট জায়গা ভেঙে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতালের পুরো এলাকা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়।

    তবে হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় পানি জমে থাকা এবং ডেঙ্গু ওয়ার্ডের আশপাশে মশার প্রজননের সম্ভাব্য পরিবেশ তৈরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত স্থানের আশপাশে পরিচ্ছন্নতা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা জরুরি বলে মনে করছেন রোগী ও স্বজনরা।

    নগরবাসীর দাবি, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু হাসপাতালের বাইরে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করলেই হবে না; হাসপাতালের ভেতর ও আশপাশের পরিবেশও নিয়মিত পরিদর্শন করে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তা না হলে রোগ নিরাময়ের জন্য যে হাসপাতাল, সেটিই মশার বংশবিস্তারের অনিচ্ছাকৃত উৎস হয়ে উঠতে পারে।

  • রূপগঞ্জে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ‎

    রূপগঞ্জে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে ফ্রি চিকিৎসা সেবা ‎

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

    ‎নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার দিনব্যাপী পূর্বাচলের জলসিড়িতে অবস্থিত আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ আয়োজন করা হয়।

    ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন, গাইনি ও শিশু রোগসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বিনামূল্যে এ চিকিৎসা প্রদান করেন।

    চিকিৎসা সেবা পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অত্যন্ত খুশি হয়েছে এবং এ ধরনের আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষকে ।

    ‎আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল মুহম্মদ ফেরদৌস হাসান টিটু, পিবিজিএম (অব:) বলেন, চিকিৎসা সেবা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের মতো চিকিৎসা সেবাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের দেশের অনেক অঞ্চলে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভালো চিকিৎসাসেবা পাওয়া এখনো অনেক কঠিন।

    আমরা চাই, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যেন একই ছাদের নিচে বিভিন্ন ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা পান। এখানে মেডিসিন, গাইনি এবং শিশু রোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • রূপগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ

    রূপগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ

     

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :
    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। বর্ষা মৌসুম থাকায় রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বাড়ছে এডিস মশার বিস্তার। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যাও। প্রতিদিনই জ্বর, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতাসহ নানা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন রোগীরা। দ্রুত মশা নিধন কার্যক্রম চালু না করা হলে এবং বাড়ির নর্দমা, ডোবা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে ডেঙ্গু আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    জানা গেছে, রূপগঞ্জে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ মানুষের বসবাস। আর এই ঘনবসতিপূর্ণ উপজেলায় দিন দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগিরা চিকিৎসা নিতে আসছেন রুপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে । রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মোট রোগীর সংখ্যা ৮৯ জন। শুধুমাত্র আগস্ট মাসেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯ জন। এর বাইরে উপজেলার ২৮টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। অবস্থা অবনতি হলে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন। অবস্থা উন্নতি হলে অনেকে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। আবার অবস্থা অবনতি হলে অনেকে রেফারড করা হচ্ছে। ডেঙ্গু হলে সাধারণত হঠাৎ করে উচ্চ জ্বর, প্রচণ্ড মাথাব্যথা, শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় রোগীর শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়।

    রোগীদের অনেকেই জানান, প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে করে বাড়িতে চিকিৎসা নিলেও কয়েকদিন পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে হাসপাতালে এসে পরীক্ষা করানোর পর ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। বর্তমানে আক্রান্ত এসব রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নিলেই হবে না, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে সেগুলো পরিষ্কার রাখা হলে ডেঙ্গুর প্রভাব কমানো সম্ভব।

    রোগীরা জানান, কয়েকদিন ধরে অনেক জ্বর ছিল। শরীর ও মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা করছিল, মাথা ঘুরছিল। হাসপাতালে এসে পরীক্ষা করানোর পর জানতে পারি ডেঙ্গু হয়েছে। এখন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিচ্ছি।

    সাওঘাট এলাকা থেকে ডেঙ্গু উপসর্গ নিয়ে আসা রোগী আহমদ আলী বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন এলাকায় মশা নিধনের কার্যক্রম চালালেও আমাদের রূপগঞ্জে তেমন কোন কার্যক্রম নেই। যার ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলছে।

    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা; ড: তানসিভ জুবায়ের বলেন, ডেঙ্গু একটি প্রতিরোধ যোগ্য রোগ। যদি আমাদের বাড়ির আশপাশের যেখানে সেখানে পানি না ফেলাই তাহলে ডেঙ্গুর মশায় যেই ডিম পারবে সেটি আর পারতে পারবে না। মশার বংশবিস্তার করতে পারবে না এভাবেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

    রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে প্রকোপ বৃদ্ধি হওয়ায় প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার চেয়ারম্যান মেম্বারসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে করে পাড়া মহল্লায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় থাকা ময়লা আবর্জনা ও জমে থাকা পানি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। এছাড়া মানুষের মাঝে গণসচেতনতা তৈরি করা হয়। তাহলে ডেঙ্গু মুকাবেলা করা সম্ভব।

    স্থানীয়দের মতে, ডেঙ্গু বিস্তার কমাতে হলে সকলেরই সচেতন হতে হবে। এবং যদি মশা নিধন কার্যক্রম চালু করা হয় তাহলে ডেঙ্গু আশঙ্কা কমবে।

  • আড়াইহাজারে প্রসূতির সিজারে বিলম্ব, অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাখ টাকায় মীমাংসা

    আড়াইহাজারে প্রসূতির সিজারে বিলম্ব, অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় লাখ টাকায় মীমাংসা

     

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির অস্ত্রোপচারে বিলম্বের কারণে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

    এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের হুমকি দিয়ে এক লাখ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) আড়াইহাজার পৌরসভার দুপ্তারা চরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    প্রসূতির নাম তানিয়া। তার স্বামীর নাম শফিক।

    পরিবারের অভিযোগ, গত রাতে রাত ১টার দিকে প্রসবজনিত জটিলতা নিয়ে তানিয়াকে আড়াইহাজার প্রবাসী কল্যাণ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের কথা বলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    স্বজনদের দাবি, ভর্তি করার পর চিকিৎসার জন্য বিলকিস আক্তার ওরফে কেয়া এবং অজ্ঞান করার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক মাজেদসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্বে ছিলেন। অস্ত্রোপচার কক্ষের দায়িত্বে ছিলেন ওটি সিস্টার আরিফা।

    পরিবারের অভিযোগ, রাতেই অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তা জানানো হলেও শেষ পর্যন্ত পরদিন সকাল প্রায় ১১টার দিকে প্রসূতির সিজার করা হয়। দীর্ঘ সময় পর অস্ত্রোপচার করায় শিশুটির অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

    অস্ত্রোপচারের পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে দ্রুত শিশুটিকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, হাসপাতালের চিকিৎসকরা শিশুটিকে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। পরে সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, শিশুটি সেখানে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছে।

    পরিবারের দাবি, ঘটনার বিষয়ে যাতে তারা কোনো অভিযোগ না করেন, সে জন্য তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত এক লাখ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আড়াইহাজার প্রবাসী কল্যাণ হাসপাতালের মালিক হযরত আলী।

    তিনি বলেন, রোগীর পরিবারকে হুমকি দেওয়া বা টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার কোনো ঘটনা ঘটেনি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। চিকিৎসায়ও কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল না।

    এদিকে নবজাতকের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • নারায়ণগঞ্জ সদরে শুরু ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন

    নারায়ণগঞ্জ সদরে শুরু ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন

     

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
    কলেরা প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শুরু হয়েছে ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন-২০২৬’।

    শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলা চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমান।

    ক্যাম্পেইনের আওতায় সদর উপজেলার সব ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ১ বছর বয়স থেকে সব বয়সী মানুষকে দুই ডোজ করে ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন খাওয়ানো হবে। তবে গর্ভবতী নারীরা এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় সদর উপজেলার বিভিন্ন কলেরা ভ্যাকসিন প্রদান কেন্দ্র পরিদর্শন করেন সহকারী পরিচালক (সিডিসি) ডা. মাসুদ রেজা খান, সহকারী অধ্যাপক ডা. জুবায়ের ইবনে জায়েদ এবং মেডিকেল অফিসার (ডিজিএইচএস) ডা. মো. নাঈম উদ্দীন।

    অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উম্মে ফারহানা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল হক, এসআইএমও (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) ডা. মো. মোর্শেদুল ইসলাম খান, জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট লুৎফর রহমান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন বিপ্লবসহ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ও স্বাস্থ্য সহকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ২২ আগস্ট ২০২৬ থেকে সদর উপজেলায় এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কলেরা প্রতিরোধে নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে ভ্যাকসিন গ্রহণের আগে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

    ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইট vaxepi.gov.bd-এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সদর উপজেলার আওতাধীন বাসিন্দাদের অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করে ক্যাম্পেইনের আওতায় দুই ডোজ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

    নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

     

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
    নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শহরের বিদ্যা নিকেতন হাইস্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

    অনুষ্ঠানে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ জন্য নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে।

    তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে পারে।

    অনুষ্ঠানে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কিশোরীদের মধ্যে এই টিকা গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    এ সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেট দেখে ওষুধের দোকান বন্ধ করে পালালো ওষুধ ব্যবসায়ীরা

    আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেট দেখে ওষুধের দোকান বন্ধ করে পালালো ওষুধ ব্যবসায়ীরা

     

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
    আড়াইহাজার বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আল আমিন ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রাখা, অননুমোদিত ওষুধ বিক্রি, সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি এবং ওষুধ বিক্রির রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ না করার অপরাধে এ জরিমানা করা হয়।

    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আড়াইহাজার বাজারে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন আড়াইহাজার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ইমন।

    অভিযানে আল আমিন ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা মাহিন (৪০)–কে ওষুধ ও কসমেটিকস্ আইন, ২০২৩-এর ৪০(খ), ৪০(গ) ও ৪০(ঘ) ধারায় ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
    অভিযানে ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল রাখা এবং অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির বিষয়টি ধরা পড়ে। একই সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা এবং ওষুধ বিক্রির রেজিস্ট্রার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করারও প্রমাণ পাওয়া যায়। এদিকে মোবাইল কোর্টের খবর পেয়ে বাজারের ২ শতাধিক ওষুধ দোকানী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ইমন বলেন, ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে আইন ও নির্ধারিত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • শিপইয়ার্ড দুর্ঘটনায় নিহত ৮, অসুস্থদের পাশে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

    শিপইয়ার্ড দুর্ঘটনায় নিহত ৮, অসুস্থদের পাশে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাস লিকেজের ঘটনায় অন্তত ৮ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১০ জনের বেশি শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসুস্থ শ্রমিকদের দেখতে যান অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে অর্থমন্ত্রী চিকিৎসাধীন শ্রমিকদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান।

    এর আগে সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, একটি পুরোনো এলএনজিবাহী জাহাজের ট্যাংক থেকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। কয়েকজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে বিভিন্ন সূত্র। নিহতদের মধ্যে নাসির উদ্দিন, মনসুর আহমদ, সানি জলদাশ, পলাশ জলদাশ, মো. খোকন ও মো. রানাসহ কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আহত ও অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, জাহাজের একটি বদ্ধ কক্ষে শ্রমিকরা প্রবেশ করার পর বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হন। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে গুরুতর অসুস্থদের হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কয়েকজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাও হাসপাতালে গিয়ে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন এবং চিকিৎসাধীন শ্রমিকদের খোঁজ নেন। তিনি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন এ অর্থ দেবে।

    অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘটনাটিকে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, তদন্তের মাধ্যমে এর প্রকৃত কারণ বের করা হবে এবং নিরাপত্তা বা কমপ্লায়েন্সে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। ঘাটতি পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে বিস্ফোরণ বলা হলেও পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের খবর সঠিক নয়। বিষাক্ত গ্যাস লিকেজের কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

    সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে র‍্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট)  সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শেষ হয়। পরে মাতৃদুগ্ধ পানের গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমাইয়া ইয়াকুব এবং আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মুস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মায়ের দুধ শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, পূর্ণাঙ্গ ও আদর্শ পুষ্টির উৎস। জন্মের পরপরই শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পান করানো হলে তার সুস্থ বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। একই সঙ্গে মাতৃদুগ্ধ পান করানো মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    বক্তারা মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জন্মের পরপরই শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পান করানোর পাশাপাশি এ বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
  • সোনারগাঁওয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানা, অপারেশন থিয়েটার সিলগালা

    সোনারগাঁওয়ে দুই হাসপাতালকে জরিমানা, অপারেশন থিয়েটার সিলগালা

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের দুটি বেসরকারি হাসপাতালকে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই হাসপাতাল পরিচালনা, মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং প্যাথলজি ল্যাবের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এ জরিমানা করা হয় । একই সঙ্গে একটি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করা হয়েছে।
     শনিবার ( ১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল ও মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালে এ অভিযান পরিচালনা করেন সোনারগাঁওয়ের কাঁচপুর সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাল দুটির পরিচালনার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও তা নবায়ন করা হয়নি। এছাড়া মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুতর অনিয়ম এবং প্যাথলজি ল্যাবে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনিম জানান, মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর সংশ্লিষ্ট ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী রয়েল স্পেশালিস্ট হাসপাতালকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানের সময় জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
    তিনি আরও জানান, গুরুতর অনিয়মের কারণে মেডি কেয়ার জেনারেল হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সিলগালা করা হয়েছে। জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
    অভিযানকালে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত সহআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।