Category: কৃষি

  • রূপগঞ্জে ইউএনও’র নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    রূপগঞ্জে ইউএনও’র নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

    দেশজুড়ে সবুজায়ন, পরিচ্ছন্নতা এবং সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    শনিবার (৮ আগস্ট) রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও রূপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়া ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে উপজেলার মুড়াবাজারের রাজঘাট এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম।

    কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও নির্মল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

    বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজঘাট এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে স্থানীয় পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে রূপগঞ্জ টেলিভিশন মিডিয়া ক্লাবের আহ্বায়ক মকবুল হোসেন, সদস্য সচিব মো. পারভেজ, রূপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মোহসিন মিয়াসহ ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ ছাড়া কর্মসূচিতে নজরুল ইসলাম বাদল, হারুন অর রশিদ, জিকে দিলু, মোমেন মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, মাছুম মিয়া, শরীফ চৌধুরী, কামাল হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, আরেফিন মাহমুদ উপল, মো. তারেক, মনিরুল ইসলাম রিপন, সৈকত হোসেন, মো. সামসুল ইসলাম নাঈম, দেবাশীষসহ আরও অনেকে অংশ নেন।

    আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নের এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার মাধ্যমে রূপগঞ্জকে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে।

  • সোনারগাঁওয়ে এক কাঁঠাল দুই মণ ওজন,  ১০ হাজার টাকায় বিক্রি

    সোনারগাঁওয়ে এক কাঁঠাল দুই মণ ওজন,  ১০ হাজার টাকায় বিক্রি

     

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    একটি কাঁঠাল । ওজন দুই মণ। এত বড় আকৃতির কাঁঠালকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে । উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের পশ্চিম সনমান্দি গ্রামে প্রায় দুই মণ ওজনের এ বিরল আকৃতির কাঁঠালটি দেখতে কয়েক দিন ধরে ভিড় করে উৎসুক মানুষ। শেষ পর্যন্ত নানা দরদামের পর কাঁঠালটি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
    গত মঙ্গলবার বিকেলে কাঁঠালটি বিক্রি হয় । এর আগে গত দু’ তিন ধরে এটি দেখার জন্য

    উপজেলার পশ্চিম সনমান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোবারক মিয়ার বাড়িতে ভিড় করে উৎসুক জনতা । ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল আকৃতির কাঁঠালটি একনজর দেখতে স্থানীয়দের ভিড় লেগেই আছে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার কাঁঠালটির ওজন ও আকার নিয়ে আলোচনা করছেন। স্থানীয়দের দাবি- কাঁঠালটির ওজন প্রায় দুই মণ।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, এত বড় কাঁঠাল এ এলাকায় আগে খুব একটা দেখা যায়নি। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ কাঁঠালটি দেখতে আসে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী নজরুল ১০ হাজার টাকায় কাঁঠালটি কিনে নেন।

    কাঁঠালের মালিক মোবারক মিয়া বলেন, আমার বাগানের গাছেই কাঁঠালটি ধরেছিল। শুরুতে এত বড় হবে তা ভাবিনি। পরে মানুষ দেখতে আসতে শুরু করলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। অনেকেই কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।

    ক্রেতা নজরুল বলেন, এত বড় কাঁঠাল জীবনে খুব কম দেখেছি। ব্যতিক্রমী হওয়ায় কাঁঠালটি কিনেছি। এটি শুধু ফল নয়, এলাকার মানুষের আগ্রহেরও একটি বিষয় হয়ে উঠেছে। তিনি আরো বলেন, কাঁঠালটি আমার বাড়িতে নেয়ার পর লোকজন আমার বাড়িতে ভীড় করছে কাঁঠালটি দেখার জন্য । আমি কাঁঠালটি ভেঙে আমার স্বজন ও আশেপাশের লোকজনদের খাওয়াবো।

    সনমান্দি গ্রামের বাসিন্দা মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, এত বড় কাঁঠাল এই অঞ্চলে সচরাচর দেখা যায় না। বিশাল এই ফলের ওজন ও আকৃতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। এমন একটি বিরল কাঁঠাল কাছ থেকে দেখতে পেরে সবাই আনন্দিত।

    ছনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা আরজু মিয়া বলেন, খবর শুনে কাঁঠালটি দেখতে এসেছি। কাছ থেকে দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। ছবিতে যতটা বড় মনে হয়েছে, বাস্তবে তার চেয়েও অনেক বড়। এমন কাঁঠাল এই এলাকায় আগে দেখিনি।

  • সোনারগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

    সোনারগাঁওয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০ হাজার গাছের চারা বিতরণ

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীরা পেলেন ২০ হাজার গাছের চারা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ওয়ান ষ্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। (৬ জুলাই) সোমবার বেলা ১১ টায় সোনারগাঁও স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে এ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

    নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।

    পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এ কর্মসুচিতে প্রধান অতিথি আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ৫ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করার যে মহতী উদ্যোগ নিয়েছেন, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সোনারগাঁও উপজেলায় আমরা ২ লক্ষ বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবো, তোমরা আজকের এই চারা গাছগুলো নিজ নিজ বাড়িতে যত্নসহকারে রোপণ করবে। এই গাছই একদিন বড় হয়ে আমাদের অক্সিজেন দেবে, জীবন বাঁচাবে এবং আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করবে।

    অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি প্রকৃতির সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবায়নে আমরা সোনারগাঁওবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব। একটি সুস্থ ও সুন্দর প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

    বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পাশাপাশি একই দিনে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান মেঘনা শিল্পনগরী এলাকায় একটি নতুন সড়ক এবং ঐতিহাসিক বৈদ্যেরবাজার ঘাট উন্নয়নের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করেন। এলাকাভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যেরবাজার ঘাটের আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানগুলোতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত, সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর চৌধুরী। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, সোনারগাঁও উপজেলার যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুর এ ইয়াসিন নোবেল প্রমুখ। অনুষ্টানে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সোনারগাঁয়ে কৃষিই সমৃদ্ধি স্লোগানে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ 

    সোনারগাঁয়ে কৃষিই সমৃদ্ধি স্লোগানে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ 

    ​সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    “কৃষিই সমৃদ্ধি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, গাছের চারা, রাসায়নিক সার, জৈব সার ও বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
    ​বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি অফিসের অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং কৃষক প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।
    ​সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ তারেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত।
    ​প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ আল জিনাত বলেন, কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। স্থানীয় সংসদ সদস্যের সার্বিক নির্দেশনায় আজ সোনারগাঁয়ের প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় সরকারি প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে ধান চাষের পাশাপাশি ফলদ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে আছে এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে।
    ​সভাপতির বক্তব্যে সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাঈদ তারেক বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের কল্যাণে বিভিন্ন ধরনের যুগোপযোগী সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আউশ ধান, আমন (উফশী) এবং বিভিন্ন শাক-সবজি চাষে উৎসাহিত করতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এই বীজ, সার ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। এসব প্রণোদনা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং অধিক ফলন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
    ​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, সোনারগাঁ কৃষক দলের সভাপতি মোঃ জফলুল হক (ফজলু) মেম্বার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ অলিউল্লাহ খানসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    ​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদের হাতে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ও গাছের চারা তুলে দেন। সরকারি এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উপস্থিত কৃষকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। কৃষকরা আনন্দের সাথে এই সহায়তা গ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।
  • যাত্রাবাড়ীতে ৩০ টাকায় গাছের মেলা

    যাত্রাবাড়ীতে ৩০ টাকায় গাছের মেলা

    উজ্জ্বল ভূঁইয়া

    বাংলাদেশ ন্যাশনাল নার্সারী কর্তৃক আয়োজিত ব্যতিক্রমী আয়োজন ৩০ টাকায় গাছের মেলা” অনুষ্ঠিত হচ্ছে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সাদ্দাম মার্কেট ফুটওভার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায়। সব শ্রেণি,পেশার মানুষের মাঝে সবুজের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে স্বল্পমূল্যে গাছের চারা সরবরাহ করাই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
    মেলার স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ কাউসার জানান, এখানে বিদেশি ফলদ, বনজ, শোভাবর্ধনকারী ও বিভিন্ন ঔষধি গাছসহ প্রায় একশত জাতের চারা পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩০ টাকা থেকে শুরু করে সাশ্রয়ী মূল্যে। তিনি বলেন, সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। সারা দেশ থেকে গাছপ্রেমী মানুষ এই মেলায় আসছেন এবং নিজেদের পছন্দমতো চারা সংগ্রহ করছেন।
    সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে গৃহিণী, চাকরিজীবী,সবাই আগ্রহ নিয়ে গাছ কিনছেন। অনেকেই জানান, এত কম দামে মানসম্মত চারা পাওয়ায় তারা বাড়ির ছাদ ও আঙিনা সাজানোর সুযোগ পাচ্ছেন।
    আয়োজকরা আশা করছেন, এই মেলার মাধ্যমে মানুষ গাছ লাগাতে আরও উৎসাহী হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সবুজায়নের এই উদ্যোগকে স্থানীয় বাসিন্দারাও সাধুবাদ জানিয়েছেন।

  • বৈশাখে পান্তা-ইলিশ বাংলা সংস্কৃতির অংশ না: উপদেষ্টা ফরিদা

    বৈশাখে পান্তা-ইলিশ বাংলা সংস্কৃতির অংশ না: উপদেষ্টা ফরিদা

    পহেলা বৈশাখে পান্তা ভাত আর ইলিশ মাছ খাওয়াকে বাংলা সংস্কৃতির অংশ হিসেবে না মানার কথা বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

    সোমবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ–২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “পান্তা-ইলিশ খাওয়া একটি আরোপিত সংস্কৃতি। এটি মূলত ঢাকা শহরে তৈরি হয়েছে, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যে এমন কোনো রীতি নেই।”

    তিনি আরও বলেন, “পহেলা বৈশাখে ইলিশ খাওয়া আইনত দণ্ডনীয়। কারণ, এই সময়টায় জাটকা ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ। ইলিশ সংরক্ষণের স্বার্থেই সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

    ফরিদা আখতার জানান, ৮ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ‘জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৫’ পালন করা হবে। তিনি বলেন, “জাটকা রক্ষা করতে পারলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে, বাজারেও সরবরাহ সহজ হবে।”

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, “বাঙালির জন্য চৈত্র সংক্রান্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ঐদিন আমিষ খাওয়া বারণ। ১৪ রকম শাক খাওয়া হয়। আর পহেলা বৈশাখে চিড়া, দই, ছাতু, বাতাসা, মিষ্টি খাওয়া যায়। ইলিশ ছাড়া আরও অনেক সুস্বাদু খাবার রয়েছে।”

    তিনি পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশের পরিবর্তে বিকল্প খাবার গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “মরিচ ভর্তা, ডাল কিংবা অন্যান্য মাছ দিয়ে পান্তা খেতে সমস্যা নেই। কিন্তু জাটকা ধরা ও কেনা আইনের লঙ্ঘন।”

    উপদেষ্টা সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

  • কি কারণে দেশে ব্রাহামা গরু আমদানি নিষিদ্ধ

    কি কারণে দেশে ব্রাহামা গরু আমদানি নিষিদ্ধ

    সম্প্রতি সাদেক এগ্রোর বংশ মর্যাদাসম্পন্ন গরুর বিজ্ঞাপনে সবার নজর কাড়ে বিশাল আকারের ব্রাহামা গরু। কয়েক বছর আগে জালিয়াতি করে এ জাতের গরু আমদানি করে প্রতিষ্ঠানটি। তারপরই আলোচনায় উঠে আসে কোটি টাকা দামের এসব গরু। ২০১৬ সালের এক নীতিমালায় ব্রাহামা জাতের গরু আমদানি নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তবে আমদানি নিষিদ্ধ হলেও এ জাতের গরু বাংলাদেশে উৎপাদন ও পালন একেবারেই বৈধ। তবে ঠিক কী কারণে ব্রাহামা গরু বাংলাদেশে আমদানি নিষিদ্ধ তাই উঠে এসেছে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে।

     

    বাংলাদেশে মাংসের চাহিদা বাড়তে থাকায় বেড়েছে ব্রাহামা গরুর চাহিদাও। বলা হয় এ জাতের গরু পালন সহজ ও লাভজনক, আর অন্যান্য জাতের চেয়ে ব্রাহামা গরু রোগ বালাইয়ে কম আক্রান্ত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে যেসব ব্রাহামা জাতের গরু রয়েছে তার প্রায় সবই কৃত্রিম পদ্ধতিতে প্রজনন করা।

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের তৎকালীন উপপরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার জানান, ব্রাহামা গরু মূলত মাংসের জাত বলে পরিচিত। এ গরু প্রচুর মাংস উৎপাদন করলেও তারা তার আকৃতি অনুযায়ী অনেক দুধ দেয় না। ফলে খামারিরা যদি ব্যাপক হারে ব্রাহামা উৎপাদন করে তাহলে দেশে গরুর দুধের উৎপাদন একেবারেই কমে যাবে। মূলত সেই জন্যই বেসরকারি পর্যায়ে ব্রাহামা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    প্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রাহামা গরুর মাংসের স্বাদ দেশি গরুর মতো। এর গায়ে চর্বি কম হয়, যে কারণে পুষ্টিগুণ বেশি। সরকারের আশঙ্কা ব্যাপক হারে ব্রাহামা গরু উৎপাদন হলে দুধ উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুর উৎপাদনে আগ্রহ হারাবে খামারিরা। মূলত দেশের দুগ্ধ উৎপাদন খাতের সুরক্ষায় ব্রাহামা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ডা. ভবতোষ কান্তি জানান, সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্রাহামা জাতের গরুর শুক্রাণু এনে স্থানীয় খামারিদের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে এই জাতের গরু উৎপাদন শুরু করে। ২০০৮ সালে চালু হওয়া ‘বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমানে প্রায় ৫০টির মতো জেলায় চলছে এ কর্মসূচি।

    ব্রাহমা গরু মূলত এর উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতা, দীর্ঘ জীবন এবং ক্রস-ব্রিডিংয়ে উচ্চফলনের জন্য বেশি জনপ্রিয়। সাধারণত একটি পূর্ণবয়স্ক ব্রাহামা ষাঁড়ের ওজন ৮০০-১০০০ কেজির বেশি হতে পারে, আর একটি পূর্ণবয়স্ক ব্রাহামা গরুর ওজন হবে ৫০০-১০০০ কেজি। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রায় ব্রাহামা গরু সুস্থ-স্বাভাবিক থাকতে পারে। উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতার কারণে এ গরুর রোগবালাই অনেক কম হয়। সাধারণত একটি ব্রাহামা গরু ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে।

  • পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমলো ৪০ টাকা

    পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমলো ৪০ টাকা

    ভারত থেকে আমদানির খবরে সিরাজগঞ্জে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ টাকা কমেছে। কদিন আগেও যে পেঁয়াজ বিক্রি হত ১২০ টাকা কেজি দরে, আজ বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জের খোলা বাজারে তা ৭৫-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন জানান, পেঁয়াজ ছাড়া অন্য সামগ্রীর দাম পাইকারি বাজারে বেশি থাকায় আমরাও দাম সমন্বয় করে বিক্রি করছি। আর ক্রেতা আব্দুল লতিফ বলেন, রমযান মাস সামনে রেখে একমাত্র পেঁয়াজ ছাড়া প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবিও জানান তিনি।

    সরেজমিনে দেখা যায়, রোজা সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বাজারে বেগুনসহ অন্য সবজি ও ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। কদিন আগেও যে বেগুনের দাম ছিল ২৫-৩০ টাকা, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। টমেটো ২০-২৫ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকায়। যে খেজুর গত বছর ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, এবার তার দাম চাওয়া হচ্ছে ৪৫০ টাকা। নতুন পটল, করলা ১০০ টাকা কেজি ও ছোলা প্রতিকেজি ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান জানান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।

     

  • কুমিল্লা, মুস্তাফিজের সর্বশেষ অবস্থা জানাল

    কুমিল্লা, মুস্তাফিজের সর্বশেষ অবস্থা জানাল

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরের চট্টগ্রাম পর্বের খেলা চলছে। টানা দুদিনের ম্যাচের পর আজকের ম্যাচহীন দিনে ঘটল অনাকাঙ্ক্ষিত এক দুর্ঘটনা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমান অনুশীলনের সময় মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্র্যাকটিস সেশনে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ম্যাথু ফোর্ডের বল ফিজের মাথায় আঘাত করলে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে সিটি স্ক্যান সম্পন্ন করার পর তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য জানিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কর্তৃপক্ষ

    চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় একটি বল মুস্তাফিজের মাথার পেছনে এসে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ফিজ। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে দ্রুত নেওয়া হয় হাসপাতালে।

    সিটি স্ক্যান শেষের পর কুমিল্লা দলের ফিজিও এমএস জাহিদুল ইসলাম জানান, মুস্তাফিজের অবস্থা অনেকটাই ভালো। বড় ধরনের ইনজুরির আশঙ্কা করা হলেও কেবল বাহ্যিকভাবেই আঘাত পেয়েছেন তিনি।

    জাহিদুল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘অনুশীলনের সময় একটি বল মুস্তাফিজের মাথার পেছনের অংশে এসে লাগে। ফলে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। রক্তপাত বন্ধ করতে দ্রুত ব্যান্ডেজ করা হয়। এরপর নেওয়া হয় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে। সিটি স্ক্যান করার পর আমরা সন্তুষ্ট। তার অভ্যন্তরীণ কোনো ক্ষতি হয়নি, অভ্যন্তরীণ রক্তপাতও হচ্ছে না। তাকে এখন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

    এবারের আসরে কুমিল্লার হয়ে ৯ ম্যাচ খেলেছেন মুস্তাফিজ। ২৩.৯১ গড়ে তিনি শিকার করেছেন ১১ উইকেট। ৯ ম্যাচে কুমিল্লার পয়েন্ট ১৪। ৭ ম্যাচে জয়ের বিপরীতে ২ ম্যাচে হেরেছে তারা।

     

     

  • সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর চরাঞ্চলে মরিচের বাম্পার ফলন

    সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর চরাঞ্চলে মরিচের বাম্পার ফলন

    নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ২০২৪বি অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে জনবল নিয়োগ দেবে নৌবাহিনী। অফিসার ক্যাডেট হিসেবে নৌবাহিনীতে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়া যাবে জাহাজের ক্যাপ্টেন, এয়ারক্রাফট পাইলট, নৌকমান্ডো ও সাবমেরিনার হিসেবে।

    অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে পুরুষ, নারী উভয় প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য যেসব যোগ্যতা থাকতে হবে-

    * ১ জুলাই ২০২৪ তারিখে বয়স হতে হবে সাড়ে ১৬ বছর থেকে ২১ বছরের মধ্যে। তবে সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে তা ১৮ থেকে ২৩ বছর।

    গুগল নিউজ এ news24bd.net এর সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন

    * পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৫০ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন ৪৭ কেজি, বুকের মাপ স্বাভাবিক ২৮ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি।

    * মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে যেকোনো একটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৫.০০ অপরটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ। উভয় পরীক্ষায় গণিত ও পদার্থবিজ্ঞান বিষয় থাকতে হবে।

    * ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৩টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড থাকতে হবে এবং ‘এ’ লেভেলে ন্যূনতম ২টি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয় থাকতে হবে।

    * ২০২৩ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

    * নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীদেরই অবিবাহিত হতে হবে।

    আবেদনের নিয়ম

    আগ্রহী প্রাথীদের https://joinnavy.navy.mil.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি ৭০০ টাকা। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ৭ অক্টোবর, ২০২৩। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে।