Category: এক্সক্লুসিভ

  • নারী দিবসে খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা

    নারী দিবসে খালেদা জিয়াকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা

    গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা (মরণোত্তর) পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি ও তারেক রহমান-এর মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান

    রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

    অন্যান্য বছরের মতো এবারও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কয়েকজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন— অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী হিসেবে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী হিসেবে মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, “শত অত্যাচার-নির্যাতনের মধ্যেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অদম্য ও অবিচল।”

    তিনি আরও বলেন, নারীদের সাহস, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্ব সমাজকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সমাজ গড়তে নারীদের সব ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, “বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে, যেখানে সব নারী নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন। নারী দিবস সাম্য, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের অঙ্গীকারের প্রতীক হয়ে উঠুক।”

  • দেশে ভূমিকম্পের আশঙ্কা বাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সতর্কতা ও প্রস্তুতি

    দেশে ভূমিকম্পের আশঙ্কা বাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর সতর্কতা ও প্রস্তুতি

    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সদ্যবিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১০ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন এ ধরনের কম্পন বড় ধরনের দুর্যোগের পূর্বাভাসও হতে পারে।

    এ পরিস্থিতিতে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মহানগরীতে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    রোববার (১ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

    মন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, উদ্ধার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং জরুরি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরও জানান, আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

    ফেব্রুয়ারিতে একাধিক ভূমিকম্প

    চলতি ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ভূকম্পন অনুভূত হয় ১ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেট শহর থেকে পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে।

    ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পরপর দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যেগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। ওই দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ এবং ৫ দশমিক ২।

    একইদিন ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় উৎপত্তিস্থল থাকা আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।

    ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় দুটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৩ দশমিক ৩ ও ৪। ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় উৎপত্তিস্থল থাকা ৪ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

    ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি ৪ দশমিক ৬ মাত্রার আরেকটি কম্পন অনুভূত হয়।

    সবশেষ ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এর কেন্দ্র ছিল সাতক্ষীরা জেলা থেকে ২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং গভীরতা ছিল মাত্র ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার, যা অগভীর হওয়ায় কম্পন বেশি অনুভূত হয়।

    সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ১০ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঘন ঘন এ ভূমিকম্পে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • চিফ প্রসিকিউটরের পদ ছাড়ার সময় তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

    চিফ প্রসিকিউটরের পদ ছাড়ার সময় তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

    ঢাকা: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদ থেকে বিদায়ের দিনেই মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ ও ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভপ্রসূত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তাজুল ইসলাম।

    সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া একটি পোস্টে মন্তব্য করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ‘সেটলিং বাণিজ্য’ পরিচালিত হয়েছে।

    রাজসাক্ষী করা নিয়ে প্রশ্ন

    সুলতান মাহমুদ অভিযোগ করেন, আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলার আসামি সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হকের স্ত্রী একটি ভারী ব্যাগ নিয়ে প্রসিকিউটরের কক্ষে প্রবেশ করেছিলেন। বিষয়টি তিনি তাজুল ইসলামকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। পরবর্তীতে ওই এসআইকে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী করা হয় এবং রায়ে তাকে ক্ষমা করা হয়।

    এ ছাড়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন–কে রাজসাক্ষী করা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া এবং চানখাঁরপুলে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া এক কর্মকর্তাকে আসামি না করে সাক্ষী করার বিষয়েও অভিযোগ করেন সুলতান মাহমুদ।

    তিনি আরও দাবি করেন, তিন থেকে চারজনের একটি সিন্ডিকেট শুরু থেকেই এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিল।

    তাজুল ইসলামের প্রতিক্রিয়া

    দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন,
    “এই জাতীয় অভিযোগ আমরা তদন্ত করে দেখেছি, এগুলো সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। ব্যক্তিগত হিংসা চরিতার্থ করার জন্য কেউ যদি এই ধরনের কথা বলেন, তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।”

    তিনি দাবি করেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত। ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে করা অভিযোগকে তিনি গুরুত্ব দিতে চান না বলেও জানান।

    নতুন চিফ প্রসিকিউটরের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আমিনুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
    “আজকে আমার প্রথম দিন। যদি এ রকম কিছু হয় নিশ্চয় আমার কাছে আসবে। তখন বিষয়টি দেখা যাবে।”

    বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ট্রাইব্যুনাল

    বিদায়ের দিনে ওঠা এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। একদিকে প্রসিকিউটরের গুরুতর অভিযোগ, অন্যদিকে সাবেক চিফ প্রসিকিউটরের দৃঢ় অস্বীকৃতি—এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি তদন্তে গড়ায় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

  • বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া গাইড প্রকাশ পিআইডির

    বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মিডিয়া গাইড প্রকাশ পিআইডির

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশে আগত বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহায়তার জন্য একটি মিডিয়া গাইড প্রকাশ করেছে তথ্য অধিদপ্তর।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পিআইডি থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    বার্তায় বলা হয়, সহজে বহনযোগ্য এই প্রকাশনাটিতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত সরকারি দপ্তর, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সব রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এছাড়া ঢাকায় অবস্থিত সংবাদপত্র, সংবাদসংস্থা ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের যোগাযোগ নম্বর, পিআইডির মিডিয়া সেন্টারের তথ্য এবং বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজন বিবেচনায় মানি এক্সচেঞ্জ, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট, পরিবহন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসহ জরুরি প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় ফোন নম্বরও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    মিডিয়া গাইডটিতে গণভোট ও নির্বাচনের প্রেক্ষাপট, অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলসমূহ, নির্বাচনি আচরণবিধি এবং নির্বাচন কাভারেজে নিয়োজিত বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রণীত আচরণবিধিও সংযোজন করা হয়েছে।

    ১১২ পৃষ্ঠার এই প্রকাশনাটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কাভারেজে আগত বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

    বিকাশ-নগদ-রকেটে ১ হাজার টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্বাচন কমিশনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব এমএফএস সেবায় একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করতে পারবেন। প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা, অর্থাৎ দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করা যাবে।

    একই সময়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে অ্যাপস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা স্থানান্তর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ, ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস পে ও পূবালী ব্যাংকের পাই অ্যাপসের মাধ্যমে এই সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের ভিত্তিতে অর্থ লেনদেন সীমিত করার বিষয়ে কাজ চলছে এবং এ বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থের অপব্যবহার রোধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে প্রার্থীদের ঘোষিত নির্বাচনী ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই।

    এদিকে, নগদ অর্থ জমা ও উত্তোলনে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ১১ জানুয়ারি থেকে এক দিনে কোনো হিসাবে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ জমা বা উত্তোলনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে বিএফআইইউর কাছে নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (সিটিআর) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন হলে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন, এসব পদক্ষেপের ফলে নির্বাচনী সময়ে অর্থের অপব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

  • MARN Steel Structure Limited এর বার্ষিক ব্যবসায়িক সভা ও ১২ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    MARN Steel Structure Limited এর বার্ষিক ব্যবসায়িক সভা ও ১২ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    দেশের স্টিল স্ট্রাকচার ও শিল্প অবকাঠামো খাতের অন্যতম অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান MARN Steel Structure Limited জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে তাদের বার্ষিক ব্যবসায়িক সভা ও ১২ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে।

    MARN Steel Structure Limited গত ১২ বছর ধরে স্টিল স্ট্রাকচার ডিজাইন, ফ্যাব্রিকেশন ও ইরেকশন সেবায় দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতার সাথে কাজ করে আসছে। মান, নিরাপত্তা ও সময়ানুবর্তিতাকে মূলনীতি হিসেবে ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্প ও অবকাঠামো খাতে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত নাম হিসেবে পরিচিত।

    অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির গত এক বছরের সার্বিক কার্যক্রম, আর্থিক অগ্রগতি, সম্পন্ন ও চলমান প্রকল্পসমূহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে দেশের শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে স্টিল স্ট্রাকচার শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন পাঠান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুর রহিম, চেয়ারম্যান এক্সিকিউটিভ কমিটি মোছাঃ নাজমুন নাহার, পরিচালক ইঞ্জি. মোঃ ওয়াসিম আকরাম, আ.ন.ম. আবুল খায়ের, মোঃ বেলাল হোসেন, নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ইউনুছ আলী সহ কোম্পানীর উর্ধ্বতন কমকর্তাগণ।

    এন‍্যুয়্ল বিজনেস কনফারেন্স শেষে সন্ধ্যায় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে সফলভাবে ১২ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয় ।

    অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডিরেক্টরসগণ এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও সম্মানিত ক্লায়েন্ট, ব্যাংকিং পার্টনার, সরবরাহকারী, ব্যবসায়িক সহযোগী, প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মনোয়র হোসেন পাঠান বলেন, আমাদের ১২ বছরের এই পথচলা শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের গল্প নয়, এটি আস্থা, দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিফলন। ক্লায়েন্টদের বিশ্বাস, ব্যাংকিং সহযোগিতা এবং আমাদের দক্ষ কর্মীবাহিনী ছাড়া এই অগ্রগতি সম্ভব হতো না।

    তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে বৃহৎ শিল্প প্রকল্প, আধুনিক কারখানা ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো নির্মাণে MARN Steel Structure Limited আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

    এসময় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমরা শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ডিজাইন, নিখুঁত ফ্যাব্রিকেশন এবং নিরাপদ ইরেকশন প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে আসছি। সময়মতো প্রকল্প হস্তান্তর এবং গুণগত মান বজায় রাখাই আমাদের প্রধান শক্তি।

    তিনি আরও বলেন, MARN Steel Structure Limited বর্তমানে আধুনিক মেশিনারিজ, দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রশিক্ষিত টেকনিক্যাল টিমের সমন্বয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে চাই।

    অন‍্যান‍্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন প্রখ্যাত স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার প্রফেসর ডঃ এম শামীম জেড বসুনিয়া, মধুমতি ব্যাংকের পরিচালক এম এ মান্নান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শফিউল আজম, আইপিডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ শামস এবং কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক ইন্জিনিয়ার ইউনুছ আলী সহ সম্মানিত ক্লায়েন্ট, ব্যাংকার, সরবরাহকারী, ব্যবসায়িক অংশীদারগণ।

    অনুষ্ঠান শেষে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কেক কেটে সংগীতানুষ্ঠান ও নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয় ।

  • খালেদা জিয়া: সংগ্রাম থেকে ঐক্যের প্রতীক

    খালেদা জিয়া: সংগ্রাম থেকে ঐক্যের প্রতীক

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যে কয়েকজন নেতা দেশ ও জাতির গতিপথ বদলে দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া একটি স্বতন্ত্র ও অনন্য নাম। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম, ত্যাগ ও আপসহীন নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে তিনি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান নন, বরং গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।

    ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর শোক ও অনিশ্চয়তায় আচ্ছন্ন বাংলাদেশে যখন রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়, তখন একজন গৃহবধূ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া সামনে এগিয়ে আসেন। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দিয়ে তিনি রাজনীতির কঠিন ও বিপজ্জনক পথে যাত্রা শুরু করেন। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক।

    তবে তাঁর সংগ্রামের শিকড় আরও গভীরে প্রোথিত। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বামী জিয়াউর রহমান যখন সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন খালেদা জিয়া দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে জীবন-মৃত্যুর আতঙ্কে পালিয়ে বেড়ান, পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন এবং দীর্ঘ নয় মাস অন্তরিন থাকেন। এই অভিজ্ঞতাই তাঁকে ভবিষ্যতের কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে।

    ১৯৮৪ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি দল পুনর্গঠন, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং স্বৈরাচারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। বারবার গৃহবন্দী, কারাবরণ ও রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হলেও তিনি কখনো আপস করেননি। ১৯৮৬ সালের সামরিক শাসনাধীন নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও নৈতিক অবস্থানের স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

    দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়। ১৯৯১ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম ঐতিহাসিক অর্জন।

    ২০০৭ সালের এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর জীবনে শুরু হয় আরেক কঠিন অধ্যায়। সেনা-সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তিনি কারাবন্দী হন, তাঁর পরিবার রাজনৈতিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। এরপর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার অভিযোগ ওঠে। ২০১৮ সালে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দী হলেও তিনি কোনো আপস বা সমঝোতায় যাননি।

    ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন আসে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট কারামুক্ত হন খালেদা জিয়া। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা বাতিল করলে তিনি আইনি ভাবে মুক্ত হন। দীর্ঘ কারাবাস ও চিকিৎসাজনিত অবহেলায় শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও তাঁর রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থান অটুট থাকে।

    রাজনৈতিক নেতা হিসেবে খালেদা জিয়ার ভূমিকা শুধু ক্ষমতার কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ নয়। তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে আন্দোলনের নেতৃত্ব, নারী নেতৃত্বের পথ প্রশস্ত করা সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে একটি প্রতিষ্ঠান। নারী ক্ষমতায়ন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নারীর উপস্থিতি জোরদারে তাঁর ভূমিকা ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।

    বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এটিকে তাঁর জীবনের ‘চতুর্থ সংগ্রাম’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এমন এক সময়ে, যখন বাংলাদেশ আবারও রাজনৈতিক ঐক্য ও গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, তখন খালেদা জিয়াকে অনেকেই জাতীয় ঐক্যের অপরিহার্য প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক উত্থান-পতন, ত্যাগ ও সংগ্রামের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে বেগম খালেদা জিয়া আজ শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়, গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের এক জীবন্ত প্রতীক।

  • সাপে কাটা রোগীর হাতে সাপঃ সাপ নিজেই যখন ‘অপরাধী’

    সাপে কাটা রোগীর হাতে সাপঃ সাপ নিজেই যখন ‘অপরাধী’

    নাটোরে অসীম সরদার (৩৫) নামের এক সাপে কাটা রোগী শুধু নিজেকে নয়, হামলাকারী সাপকেও নিয়ে হাজির হয়েছেন হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকালে তিনি নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।

    অসীম সরদার নলডাঙ্গা উপজেলার মোমিনপুর সরদারপাড়ার দিনু সরদারের ছেলে। স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানা থেকে নামতেই ঘরের মেঝেতে লুকিয়ে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ হঠাৎ তার পায়ে ছোবল মারে। দ্রুত পাশের গর্তে ঢুকে পড়ে সাপটি।

    চিৎকার শুনে পরিবার এগিয়ে আসে, পায়ে রক্ত দেখে পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে গর্ত থেকে সাপটিকে বের করে খাঁচায় আটকে রাখা হয়।

    পরিবারের সদস্যরা জানান, চিকিৎসকদের সঠিক চিকিৎসা ও সাপের প্রজাতি শনাক্তে সহায়তার জন্য তারা সাপটি সঙ্গে করে হাসপাতালে এনেছেন। বর্তমানে অসীম সদর হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    হাসপাতালের নার্স জেসমিন আক্তার বলেন, ‘রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে’ ও আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাহাবুব রহমান জানান, ‘রোগী এখন স্থিতিশীল এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন।’

  • এটা কেমন বিয়ে? যেখানে কনে ছিলেন পৃথিবীতে আর বর  মহাকাশে

    এটা কেমন বিয়ে? যেখানে কনে ছিলেন পৃথিবীতে আর বর মহাকাশে

    রাশিয়ার নভোচারী ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো বিয়ে করেছিলেন মহাকাশ থেকে। ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো যখন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছিলেন, তখন কনে একাতেরিনা দিমিত্রিভ অবস্থান করছিলেন পৃথিবীতে। ২০০৩ সালের ১০ আগস্ট হওয়া এই বিয়েকে পৃথিবীর প্রথম মহাকাশ বিয়ে বলা হয়।

    মহাকাশের সেরা ১০ | বিজ্ঞানচিন্তা

    বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে ঘণ্টায় ২৮ হাজার কিলোমিটার গতিতে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছিলেন ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো। আর কনে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে। সেন্টারটি থেকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের দূরত্ব ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। বর্তমানে মহাকাশ নিয়ে অনেক বাণিজ্যিক প্রচারণা দেখা গেলেও সেই বিয়ের ঘটনা কোনো প্রচারণা ছিল না। বিয়ের দিন ইউরি ম্যালেনচেঙ্কোর পরনে ছিল স্পেস স্যুট ও বো টাই। আর একাতেরিনা দিমিত্রিভ ঐতিহ্যবাহী হাতির দাঁতের তৈরি বিয়ের গাউন পরেছিলেন।

    ইউরি ম্যালেনচেঙ্কো জীবনের বেশির ভাগ সময় প্রশিক্ষণ ও বাড়ির বাইরে কাজ করেছেন। অন্যদিকে রুশ বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক একাতেরিনা দিমিত্রিভ বসবাস করতেন যুক্তরাষ্ট্রে। কাজের সুবাদেই পরিচয় হয় দুজনের। বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য প্রথমে তাঁরা ২০০ জন অতিথিকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু আইএসএসে থাকা ম্যালেনচেঙ্কোর মহাকাশ মিশনের সময় বেড়ে যায়। ফলে মহাকাশেই বিয়ের ব্যবস্থা করেন তাঁরা। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজনে রুশ মহাকাশ সংস্থা রসকসমস ও মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা যৌথভাবে কাজ করেছিল।

    বিয়ের অনুষ্ঠানে পশ্চিমা রীতি অনুসারে ম্যালেনচেঙ্কোর সঙ্গে ছিলেন নভোচারী এড লু। তিনি বিয়ের গান বাজিয়েছিলেন। বিয়ের পরও প্রায় দুই মাস আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ছিলেন ম্যালেনচেঙ্কো। এ বিষয়ে একাতেরিনা দিমিত্রিভ জানান, ইউরি অনেক দূরে ছিল। তবে আমাদের যোগাযোগের কারণে সে আমার কাছাকাছিই অবস্থান করছিল।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

     

  • এক বছর বয়সী বাচ্চার কামড়ে সাপের মৃত্যু

    এক বছর বয়সী বাচ্চার কামড়ে সাপের মৃত্যু

    কখনো শুনেছেন শিশুর কামড়ে সাপের মৃত্যু হতে? যেখানে সাপ কামড়ে মেরে ফেলে মানুষকে। সেখানে একটা এক বছর বয়সী শিশু কামড়ে ফেললো সাপকে। আর এই অদ্ভূত ঘটনা ঘটেছে  ভারতের বিহার রাজ্যে।

    “ওর মা তখন ঘরের পিছন দিকে কাজ করছিল। চুলা জ্বালানোর কাঠগুলো গুছিয়ে রাখছিল সে। পাশেই খেলছিল গোবিন্দ। তখনই সাপটা বেরিয়ে আসে।

    সাপটাকে দেখেই গোবিন্দ সেটাকে ধরে এক কামড় বসিয়ে দেয়। তখনই আমরা সবাই খেয়াল করি যে ওটা একটা গেহুঁওন সাপ,” কথাগুলো বিবিসিকে বলছিলেন মতিসারি দেবী।

    কোবরা সাপকে স্থানীয় ভাবে গেহুঁওন সাপ বলা হয় বিহারের ওই অঞ্চলে।

    মতিসারি দেবীর এক বছর বয়সী নাতি গোবিন্দ গত বৃহস্পতিবার একটা আস্ত কোবরা সাপ কামড়ে মেরে ফেলে এখন খবরের শিরোনামে চলে এসেছে।

    সূত্রঃ বিবিসি