Category: Uncategorized

  • সরকারি বন্ডের বিপরীতে ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে অনুমতি

    সরকারি বন্ডের বিপরীতে ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে অনুমতি

    সরকারি ট্রেজারি বন্ড বন্ধক রেখে ঋণ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে Bangladesh Bank। এর ফলে সরকারি সিকিউরিটিজকে আনুষ্ঠানিক জামানত হিসেবে ব্যবহার করে ব্যাংক খাতে তারল্য বাড়ানো এবং ঋণপ্রবাহ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বুধবার জারি করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সরকারি ইস্যুকৃত বন্ডের বিপরীতে ঋণ সুবিধা চালুর বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে Treasury Bond-কে ব্যাংক অর্থায়নের জন্য গ্রহণযোগ্য জামানত হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বন্ড বন্ধক রেখে গ্রাহকদের ঋণ দিতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোকে নির্দিষ্ট ও কাঠামোবদ্ধ নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘লিয়েন’ হলো এমন একটি আইনগত অধিকার বা দাবি, যার মাধ্যমে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান কোনো ঋণগ্রহীতার ট্রেজারি বন্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা দাবি রাখতে পারে। এ কারণে ঋণ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি বন্ড যথাযথভাবে লিয়েন হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো গ্রাহককে ওভারড্রাফট বা মেয়াদি ঋণ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বন্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে লিয়েন হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে এবং আইনগত ও কার্যকরী অনুবর্তিতা নিশ্চিত করতে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

    ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু আর্থিক সীমাও নির্ধারণ করেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো বন্ডের মূল মূল্যমানের সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন করতে পারবে।

    এ ছাড়া সুদ, মুনাফা, চার্জ বা ফি যোগ হয়ে কোনো অবস্থাতেই বকেয়া ঋণের পরিমাণ বন্ডের মূল মূল্যমান অতিক্রম করতে পারবে না। পাশাপাশি ঋণ সুবিধার মেয়াদ কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট বন্ডের পরিপক্বতার সময়সীমা অতিক্রম করতে পারবে না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ সহজ হলো — অতিথি দিচ্ছে ০% EMI সুবিধা

    ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ সহজ হলো — অতিথি দিচ্ছে ০% EMI সুবিধা

    এই ঈদে পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার কথা ভাবছেন? আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে অতিথি নিয়ে এসেছে বিশেষ “Travel Now, Pay Later” সুবিধা। এখনই বুক করুন বাংলাদেশের ছয়টি অনন্য গন্তব্যের ভ্রমণ প্যাকেজ এবং উপভোগ করুন সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত ০% EMI সুবিধা!

    অতিথি বাংলাদেশের ছয়টি গন্তব্যে যেমন সিলেট, শ্রীমঙ্গল, সুন্দরবন, উত্তরবঙ্গ, মধুপুর এবং রাজশাহীতে ভ্রমণ প্যাকেজ অফার করে থাকে। BRAC Bank PLC, United Commercial Bank PLC, এবং Eastern Bank PLC এর কার্ডহোল্ডাররা অতিথি’র এই যেকোনো প্যাকেজ বুক করে উপভোগ করতে পারবেন সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত ০% EMI সুবিধা। এই বিশেষ অফারটি পেতে ৩১ মার্চ ২০২৬-এর আগেই বুক করুন আপনার পছন্দের ভ্রমণ প্যাকেজ! বিস্তারিত জানতে এবং বুক করতে ভিজিট করুন: https://otithi.brac.net/microsite/our-packages. এছাড়াও যোগাযোগ করুন +8809610800700 নম্বরে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন +8801332550542 নম্বরে।

    আমাদের সিলেট প্যাকেজে রয়েছে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা রাতারগুল, জাফলং ও লালাখাল ভ্রমণের সুযোগ, যেখানে পাহাড়, নদী আর সবুজের মায়া একসঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করে এক মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা। শ্রীমঙ্গল প্যাকেজে উপভোগ করতে পারবেন সবুজে মোড়া চা–বাগানের শান্ত সৌন্দর্য, পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনধারা কাছ থেকে জানার এক অনন্য সুযোগ। সুন্দরবন প্যাকেজের মূল আকর্ষণ হলো বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের বিস্ময়কর প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং করমজল পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা।

    উত্তরবঙ্গ প্যাকেজে অপেক্ষা করছে বরেন্দ্র অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প, সঙ্গে রয়েছে ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ ভ্রমণের সুযোগ, যা এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরে। আর মধুপুর প্যাকেজে আপনি পাবেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে মাটির ঘরে থাকার ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা এবং মান্দি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী রান্নার স্বাদ নেওয়ার সুযোগ।
    ঈদ মানেই একসাথে সময় কাটানোর আনন্দ। সেই আনন্দকে আরও স্মরণীয় করতে অতিথি’র সঙ্গে এবার ঈদের ভ্রমণ হোক সহজ, সাশ্রয়ী এবং নিশ্চিন্ত।

  • নেইমারের অনুপস্থিতিতে হতাশ আনচেলত্তি, বিশ্বকাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষায় বাধা

    নেইমারের অনুপস্থিতিতে হতাশ আনচেলত্তি, বিশ্বকাপের আগে ফিটনেস পরীক্ষায় বাধা

    ব্রাজিলের শীর্ষ গোলদাতা নেইমারকে দলে ফেরানো হয়েছে, কিন্তু পেশির দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির কারণে তিনি মঙ্গলবার মিরাসোলের বিপক্ষে সান্তোস-এর ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে খেলতে পারবেন না। এই অনুপস্থিতি কার্লো আনচেলত্তি-কে হতাশ করেছে, যিনি নেইমারের ফিটনেস পরীক্ষা করে ২০২৬ বিশ্বকাপ-এর জন্য প্রস্তুতি নিতে চেয়েছিলেন।

    নেইমারের বিশ্বকাপে খেলার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থাকলেও ইনজুরি এবং ফিটনেসের প্রমাণ দিতে না পারায় তার দলে জায়গা পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। আনচেলত্তি তাকে ব্রাজিলের প্রাক-প্রাথমিক স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, তবে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারলে তার জন্য চাপ কমত। মঙ্গলবারের ম্যাচে অনুপস্থিতি সতর্কতামূলক হিসেবে দেখা হলেও সময়টা বিব্রতকর।

    ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (CBF) ও জাতীয় দলের কারিগরি কমিটির সঙ্গে যুক্ত সূত্র রায়টার্সকে জানিয়েছেন, নেইমারের ম্যাচে অনুপস্থিতি উভয় পক্ষকে বিস্মিত ও হতাশ করেছে। এর প্রভাব বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতেও পড়তে পারে।

    আনচেলত্তি স্পষ্ট করেছেন, তিনি কেবল সম্পূর্ণ ফিট এবং ব্রাজিলের শারীরিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খেলোয়াড়দের দলে রাখবেন। ব্রাজিলের ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ২৬ ও ৩১ মার্চ প্রীতি ম্যাচের আগে ১৬ মার্চ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন কোচ। এই সময়ে নেইমারের শেষবার দেখা সুযোগও চলে গেছে, যার মাশুল হতে পারে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ব্রাজিলের জার্সি না পরার দীর্ঘ বিরতির মতো।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ

    বাসস : ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কাছে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হামাদ বিন ইসা আল খলিফা।

    বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুললতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি আজ রাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান-কে টেলিফোন করে রাজার পক্ষ থেকে এ শোকবার্তা পৌঁছে দেন।

    টেলিফোনালাপে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের নিক্ষিপ্ত মিসাইলের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন এবং রাজার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট গভীর শোক প্রকাশ করেন।

    এ সময় তিনি জানান, বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে তার সরকার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ঘটনায় বাহরাইন সরকারের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার বিকেলে বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।

  • রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা চালুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানা চালুতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন এবং এ প্রক্রিয়ায় বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করার কথাও বলেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশেষভাবে বন্ধ পাটকল ও চিনিকল চালুর কথা উল্লেখ করে সেখানে পুরাতন শ্রমিকদের বহাল রাখা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের জুনে সংসদে দেওয়া তথ্যে জানানো হয়, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩৯৭টি; এর মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর অধীনে ৩৮২টি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর পাঁচটি, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি)-এর অধীনে ছয়টি চিনিকল এবং বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি)-এর চারটি কারখানা ছিল। গত দুই বছরে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যদিও হালনাগাদ পরিসংখ্যান এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ শুরু করছে।

  • ‘শোরগোল’ সামলাতে না পারলে অন্য ক্লাবে যাও : আর্সেনাল কোচ

    ‘শোরগোল’ সামলাতে না পারলে অন্য ক্লাবে যাও : আর্সেনাল কোচ

    শিরোপার লড়াই থেকে আস্তে আস্তে ছিটকে পড়ছে Arsenal FC। শেষ সাতটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে মাত্র দুটি জয় নিয়েছে লন্ডনের দল, আর Manchester City FC ধারাবাহিক সাফল্যের কারণে হাতে থাকা ১১ ম্যাচের মধ্যে দুই শীর্ষ দলের ব্যবধান মাত্র দুই পয়েন্ট।

    এই পরিস্থিতিতে Mikel Arteta তার খেলোয়াড়দের শক্ত মানসিকতার পরিচয় দিতে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শিরোপার প্রত্যাশা রাখার খেলোয়াড়দের জন্য প্রিমিয়ার লিগে লড়তে হলে ‘শোরগোল’ এবং ‘বুলেট’ সামলাতে হবে। সামলাতে না পারলে অন্য কোনো ক্লাবে যাওয়াই উচিত।

    আর্সেনাল উলভসের বিরুদ্ধে দুই গোলের লিড ধরে রাখতে না পারায় ড্র করার পর আর্তেতা বলেছেন, “আপনি খেলোয়াড়দের প্রশ্ন করুন—তোমরা কি এই শোরগোলের অংশ হতে চাও? যদি না চাও, তবে অন্য কিছু করো। মানসিকভাবে শক্তিশালী খেলোয়াড়দের দরকার। গত ১০–১৫ বছর ধরে সবাই দাবি করে আসছে যে আমাদের শিরোপার লড়াইয়ে ফিরে যেতে হবে। এখন আমরা সেখানে পৌঁছেছি, সমস্যা কী?”

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেছেন, “শোরগোল এবং বুলেটগুলো ফুটবলের অংশ। আমরা চেষ্টা করি এগুলোকে সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে। আমাদের যা করা দরকার, আমরা তা করি। শেষ পর্যন্ত শুধু পরবর্তী ম্যাচ জিতলেই আমাদের অবস্থান শক্ত হবে। আর সেটিই একমাত্র বিষয় যা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।”

    রোববার আর্সেনাল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী Tottenham Hotspur FC-এর মুখোমুখি হবে, যেখানে দলের মানসিক দৃঢ়তা শিরোপা দৌড়ে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।

  • সিটির হাতেই লিগের লাগাম তুলে দিচ্ছে আর্সেনাল

    সিটির হাতেই লিগের লাগাম তুলে দিচ্ছে আর্সেনাল

    মলিনিউক্স স্টেডিয়ামে জয় প্রায় নিশ্চিত করেও শেষ পর্যন্ত দুই গোলের লিড ধরে রাখতে পারল না Arsenal। উলভারহ্যাম্পটনের মাঠে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও ম্যাচ শেষ হয়েছে ২–২ সমতায়। ফলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা দৌড়ে আবারও চাপে পড়েছে মিকেল আরতেতার দল।

    প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার তলানির দিকে থাকা Wolverhampton Wanderers–এর বিপক্ষে এমন হোঁচট আর্সেনালের মানসিক দৃঢ়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে। ৬১ ও ৯৪ মিনিটে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া করে তারা।

    বর্তমানে ২৭ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্সেনাল। এক ম্যাচ কম খেলে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে Manchester City। হাতে থাকা ম্যাচের হিসাব বলছে—সিটি যদি নিজেদের বাকি ১২টি ম্যাচ (এর মধ্যে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচও রয়েছে) জিতে নেয়, তবে শিরোপা যাবে তাদের ঘরেই। একইভাবে আর্সেনালও যদি বাকি ১১ ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে, তবে ২২ বছরের শিরোপাখরা কাটবে তাদেরই।

    কিন্তু বাস্তবতা হলো, ব্রেন্টফোর্ড ও উলভসের বিপক্ষে টানা দুই ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপা লড়াইয়ের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি তাদের হাতে নেই। অতীতে লিগের শেষ ধাপে এসে শিরোপা হাতছাড়া করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে আর্সেনালের। টানা তিনবার রানার্সআপ হওয়ার তিক্ত স্মৃতির মধ্যে দুবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পেপ গার্দিওলার সিটি।

    মলিনিউক্সে ৫ মিনিটে বুকায়ো সাকার গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পিয়েরো হিনকাপি। কিন্তু এরপর হুগো বুয়েনো ও টম এডজয়ের গোলে সমতায় ফেরে উলভস।

    ম্যাচ শেষে আর্সেনাল কোচ Mikel Arteta হতাশা লুকাননি। তিনি বলেন, “যেকোনো সমালোচনা মেনে নিতে হবে। আমরা প্রয়োজনীয় পারফরম্যান্স দেখাতে পারিনি।”

    চলতি বছরের শুরু থেকে লিগে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না আর্সেনাল। শেষ সাত ম্যাচে জয় মাত্র দুটি। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি তাদের পরবর্তী ম্যাচ Tottenham Hotspur–এর বিপক্ষে। উত্তর লন্ডন ডার্বিকে সামনে রেখে আরতেতা শিষ্যদের জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শিরোপা লড়াই এখন সূক্ষ্ম সমীকরণের খেলায় পরিণত হয়েছে। আর একটিমাত্র ভুলই হয়তো লিগের লাগাম পুরোপুরি তুলে দেবে সিটির হাতে।

  • প্রথম দফায় শপথ নিলেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা

    প্রথম দফায় শপথ নিলেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রথম দফায় শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার (আজ) বেলা পৌনে ১১টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে সিইসি শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করেন, যদিও প্রচলিতভাবে এ দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার।

    শপথ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। শপথ গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন।

    অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। নতুন সংসদ সদস্যদের মধ্যে সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    এরপর পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।

    সকাল ৯টার পর থেকেই নবনির্বাচিত সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনে আসতে শুরু করেন। বাইরে সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

    বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, ২৯৭টি ঘোষিত আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়ী হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি আসন পেয়েছে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন সাতটি আসনে। বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

    নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

  • ‘আমার তো ডিভোর্স হয়নি’—মাতৃত্বের গুঞ্জনে মুখ খুললেন বুবলী

    ‘আমার তো ডিভোর্স হয়নি’—মাতৃত্বের গুঞ্জনে মুখ খুললেন বুবলী

    চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী ফের মাতৃত্বের গুঞ্জনে আলোচনায়। এর আগে বিচ্ছেদের খবর নিয়েও সরব ছিল শোবিজ অঙ্গন। নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—যদি বিচ্ছেদ হয়ে থাকে, তবে মাতৃত্বের গুঞ্জন কেন? আর যদি না হয়ে থাকে, তবে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা কী?

    সম্প্রতি মাছরাঙার একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে সঞ্চালক রুম্মান রশীদ খান–এর মুখোমুখি হয়ে এসব প্রশ্নের জবাব দেন বুবলী। সেখানেই তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তার এবং শাকিব খান–এর মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ডিভোর্স হয়নি।

    বুবলী বলেন, “শুরুতেই বলে নিচ্ছি, আমার তো ডিভোর্স হয়নি। তাই বিয়ের প্রশ্নই ওঠে না।” বৈবাহিক অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, একজন মানুষের ম্যারিটাল স্ট্যাটাস হয় বিবাহিত, ডিভোর্সড, সেপারেটেড কিংবা বিধবা—এখানে ‘অতীত’ বলে কোনো অপশন নেই। তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও আইনি বিচ্ছেদ হয়নি।

    শাকিব খানের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক প্রসঙ্গে বুবলী বলেন, অভিমান বা ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে, তবে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই ঠিক হয়ে যায়। “আমাদের কখনো ডিভোর্স হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অনেকে দ্বিধায় থাকেন, তাই পরিষ্কার করলাম,”—যোগ করেন তিনি।

    পডকাস্টে দাম্পত্য প্রসঙ্গের পাশাপাশি নিজের প্রথম প্রেম ও মিডিয়াপাড়ার নানা গুঞ্জন নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তবে মাতৃত্বের গুঞ্জন নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও তার বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • জাতীয় স্বার্থে নির্বাচিত সরকারকে  পূর্ণ সহযোগিতা করব : জামায়াত আমির

    জাতীয় স্বার্থে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করব : জামায়াত আমির

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে। তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে তারা আপসহীন থাকবেন।

    রোববার রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর সঙ্গে বৈঠকের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

    পোস্টে জামায়াত আমির তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, তারেক রহমানের এই সফর জাতীয় রাজনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায় সূচিত হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান, যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। তিনি জানান, ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে জামায়াতে ইসলামী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ওপর পরিচালিত হবে।

    বৈঠকে তারেক রহমান নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দল ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন জামায়াত আমির। এ আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো নাগরিক যেন ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন—এটাই সবার প্রত্যাশা।

    তিনি আরও বলেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে জামায়াত সমর্থন দেবে। তবে যেখানে জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে তারা সোচ্চার থাকবে। তাদের লক্ষ্য সংঘাত সৃষ্টি নয়, বরং সংশোধন ও গঠনমূলক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা।

    দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার, নাগরিক অধিকার ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।