Category: ফুটবল

  • দুই লাল কার্ড আর গোলরক্ষকের গোলে বিপর্যস্ত রিয়াল, নামতে হচ্ছে প্লে-অফে

    অধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও কোচ জাবি আলোনসোর বিদায়ের ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছিল রিয়াল মাদ্রিদের খেলায়। তবে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলো নিশ্চিতের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। হোসে মরিনিয়োর বেনফিকার বিপক্ষে নাটকীয় এক ম্যাচে ৪-২ গোলে হেরে পয়েন্ট টেবিলে নয় নম্বরে নেমে গেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। ফলে সরাসরি শেষ ষোলো নয়—তাদের খেলতে হবে প্লে-অফ পর্বে।

    বুধবার (গতকাল) রাতে একই সময়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অংশ নেওয়া ৩৬ দলের সবাই মাঠে নামে। ইতোমধ্যে দুটি দল শেষ ষোলো নিশ্চিত করলেও বাকি দলগুলোর সামনে ছিল টিকে থাকার কঠিন সমীকরণ। প্রতিযোগিতার শুরুতে শীর্ষ সারিতে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের জন্য এই ম্যাচ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু লিসবনের আলোঝলমলে মাঠে শেষ পর্যন্ত ধরাশায়ী হয় কার্লো আনচেলত্তির দল।

    ম্যাচের ৩০ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ধারাবাহিক আক্রমণে রক্ষণভাগকে এলোমেলো করে দেয় বেনফিকা। বিরতির আগেই ম্যাচে ফিরে আসে পর্তুগিজ ক্লাবটি এবং ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ নেয় নিজেদের হাতে।

    দ্বিতীয়ার্ধে আবারও এমবাপের গোলে ব্যবধান কমালেও ম্যাচের গতি পুরোপুরি ছিল স্বাগতিকদের দখলে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে বেনফিকা তখন ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে। ইনজুরি সময় রিয়ালের দুর্ভাগ্য আরও ঘনীভূত হয়—পরপর দুটি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রাউল অ্যাসেন্সিও ও রদ্রিগো গোয়েস। দশজন নয়, শেষ দিকে রিয়াল দাঁড়িয়ে পড়ে নয়জন নিয়ে।

    সংখ্যাগত সেই দুর্বলতাকেই পুরোপুরি কাজে লাগায় মরিনিয়োর দল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তার চূড়ান্ত দৃশ্যপট তৈরি করেন বেনফিকার গোলরক্ষক আনাতোলি ট্রুবিন। গোলবার ছেড়ে উঠে আসা ফ্রি-কিকে হেড করে গোল করে রীতিমতো ইতিহাস গড়েন তিনি। তার গোলেই ৪-২ ব্যবধানে নিশ্চিত হয় বেনফিকার বড় জয়।

    পরিসংখ্যান বলছে, বল দখলে রিয়ালই এগিয়ে ছিল—৫৩ শতাংশ পজেশন ও ১৪টি শটের মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে। তবে কার্যকারিতায় স্পষ্টভাবে এগিয়ে ছিল বেনফিকা। তারা নেয় ২২টি শট, যার ১২টিই ছিল লক্ষ্যে।

    এই হারের ফলে ম্যাচের আগে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ নেমে গেছে নয় নম্বরে। নিয়ম অনুযায়ী ৯ থেকে ২৪ নম্বর দলগুলো প্লে-অফ খেলে শেষ ষোলোর বাকি আটটি স্থান পূরণ করবে। অন্যদিকে, টেবিলের শেষ প্রান্তে থাকা বেনফিকা এই জয়ে প্লে-অফে টিকে থাকার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ—প্লে-অফের কঠিন বাধা পেরিয়েই কেবল মিলবে শেষ ষোলোর টিকিট।

  • সালাহর সঙ্গে লিভারপুলের লজ্জার রেকর্ড, ২০১২-এর দুঃস্বপ্ন ফিরল

    সালাহর সঙ্গে লিভারপুলের লজ্জার রেকর্ড, ২০১২-এর দুঃস্বপ্ন ফিরল

    লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহামেদ সালাহর নামের পাশে যুক্ত হলো অস্বস্তিকর এক রেকর্ড। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সালাহ শুরুর একাদশে থাকা শেষ আট ম্যাচের মধ্যে সাতটিতেই হেরেছে লিভারপুল। এই মাইলফলক ক্লাবের ইতিহাসে ২০১২ সালের পর আর দেখা যায়নি।

    আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের ফাইনাল পর্যন্ত উঠতে পারলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেনি মিসর। টুর্নামেন্ট শেষে সালাহ লিভারপুল শিবিরে যোগ দেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মার্সেইয়ের বিপক্ষে ৩-০ জয়ে তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন। এরপর প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের বিপক্ষে খেললেও ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে লিভারপুল। এই হারের মাধ্যমে সালাহ একটি বিব্রতকর রেকর্ডে ঢুকে পড়েছেন।

    সালাহ যখন শুরুর একাদশে ছিলেন, লিভারপুল হেরেছে ক্রিস্টাল প্যালেস, চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ব্রেন্টফোর্ড, ম্যানচেস্টার সিটি, নটিংহাম ফরেস্ট এবং বোর্নমাউথের বিপক্ষে। একমাত্র জয় এসেছে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে, সেই ম্যাচেই সালাহ করেছেন চলতি মৌসুমের শেষ লিগ গোল।

    ২০১২ সালে কেনি ডালগ্লিশের শেষ সময়ে এই বাজে ফর্মের কারণে লিভারপুল লিগ শেষ করেছিল অষ্টম স্থানে। মৌসুম শেষে ক্লাব ছাড়েন কুইট।

    বর্তমানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের অবস্থান ছয় নম্বরে। ২৩ ম্যাচে তারা অর্জন করেছে ৩৬ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে ১৪ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে লিভারপুল। দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ম্যানচেস্টার সিটি।

  • শিরোপার স্বপ্নে ধাক্কা আর্সেনালের, এমিরেটসে ইউনাইটেডের রোমাঞ্চকর জয়

    শিরোপার স্বপ্নে ধাক্কা আর্সেনালের, এমিরেটসে ইউনাইটেডের রোমাঞ্চকর জয়

    পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বর দল ম্যানচেস্টার সিটিকে হারানোর পর এবার শীর্ষে থাকা আর্সেনালকেও হারাল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এমিরেটস স্টেডিয়ামে পাঁচ গোলের নাটকীয় লড়াইয়ে ৩–২ ব্যবধানে জিতে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা দৌড়ে বড় ধাক্কা দিয়েছে গানারদের। শেষ মুহূর্তে বদলি খেলোয়াড় ম্যাথিউস কুনহার দুর্দান্ত গোলে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নেন ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তীকালীন ম্যানেজার মাইকেল ক্যারিক।

    ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাস্টন ভিলার জয় দেখার পর ব্যবধান বাড়াতে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিল আর্সেনাল। ২৯তম মিনিটে তারা এগিয়েও যায়। বুকায়ো সাকার বাড়ানো বল মার্টিন ওডেগার্ডের ভলিতে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের পায়ে লেগে নিজেদের জালেই ঢুকে পড়ে।

    তবে সমতায় ফিরতে ইউনাইটেডের সময় লাগেনি। মার্টিন জুবিমেন্দির হাস্যকর ব্যাকপাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রায়ান এমবিউমো গোল করে ম্যাচে ফেরান অতিথিদের। বিরতির পাঁচ মিনিট পরই প্যাট্রিক ডরগু ২০ গজ দূর থেকে বিধ্বংসী হাফ-ভলিতে ইউনাইটেডকে লিড এনে দেন। ভিএআর চেকে হাত লাগার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হলেও গোলটি বহাল থাকে।

    দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে আর্সেনাল। পরিস্থিতি সামাল দিতে মিকেল আর্তেতা একসঙ্গে চারজন খেলোয়াড় বদলি নামান। ম্যাচ শেষ হওয়ার ছয় মিনিট আগে কর্নার থেকে মিকেল মেরিনোর গোলে সমতায় ফেরার আশা জাগে স্বাগতিকদের মধ্যে।

    কিন্তু সেই আশা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পরই বদলি খেলোয়াড় ম্যাথিউস কুনহা ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাল কাঁপিয়ে এমিরেটসকে স্তব্ধ করে দেন। ওই গোলেই নিশ্চিত হয় ইউনাইটেডের ৩–২ জয়।

    এমিরেটস স্টেডিয়ামে চলতি মৌসুমে এটি আর্সেনালের প্রথম হার। ফলে ২২ বছরের শিরোপা খরার অবসান ঘটানোর স্বপ্নে বড় ধাক্কা খেল আর্তেতার দল। গত তিন মৌসুম ধরে লিগে দ্বিতীয় হয়ে শেষ করা আর্সেনালের জন্য এই হার মানসিকভাবেও বড় আঘাত।

    ২৩ ম্যাচ শেষে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলেও ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনালের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাস্টন ভিলা। আর ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

  • পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-২ গোলে জয় বার্সেলোনার

    পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-২ গোলে জয় বার্সেলোনার

     লা লিগার সর্বশেষ ম্যাচে হারের আঘাত কাটিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বড় জয় পেয়েছে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। চেক প্রজাতন্ত্রের ক্লাব স্লাভিয়া প্রাগকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে হ্যান্সি ফ্লিকের শিবির গ্রুপ পর্বে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে।

    ম্যাচ শুরুতে মাত্র ১০ মিনিটে পিছিয়ে পড়লেও ফারমিন লোপেজের জোড়া গোলের মাধ্যমে বার্সেলোনা দ্রুত লিড ফিরে পায়। এরপর প্রাগের কর্নার থেকে আত্মঘাতী গোলের কারণে সাময়িক সমতা আসে। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করে বার্সা জয় নিশ্চিত করে।

    বার্সেলোনার পক্ষে লোপেজের জোড়া গোল ছাড়াও একটি করে গোল করেছেন দানি ওলমো ও রবার্ট লেভান্ডফস্কি। প্রাগের পক্ষে ভাসিল কুসেজ একটি গোল করেন এবং একটি গোল আসে বার্সার আত্মঘাতী ভুলের কারণে।

    ম্যাচে বার্সেলোনা ৫৯ শতাংশ বলের পজেশন ধরে রাখে এবং ১৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ১২টি লক্ষ্যে যায়। বিপরীতে প্রাগ ৮টি শটের মধ্যে মাত্র ২টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।

    কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞায় লামিনে ইয়ামাল ছাড়া দল সাজাতে হলেও বার্সেলোনা নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে থাকেন এবং শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিশ্চিত করে।

    সুত্রঃ বাসস

  • সিটির লজ্জাজনক হার, পিএসজিও হোঁচট, আর্সেনাল শীর্ষ আট নিশ্চিত

    সিটির লজ্জাজনক হার, পিএসজিও হোঁচট, আর্সেনাল শীর্ষ আট নিশ্চিত

    ূত্র
    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটনের শিকার হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। একই রাতে শিরোপাধারী **প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)**ও হোঁচট খেয়েছে। তবে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের নৈপুণ্যে আর্সেনাল শতভাগ জয় ধরে রেখেছে।

    ম্যান সিটির লজ্জাজনক হার

    পেপ গার্দিওলার ম্যান সিটি সপ্তম ম্যাচে নরওয়ের তুলনামূলক দুর্বল দল বোডো/গ্লিমেটের বিপক্ষে ফেভারিট হিসেবে নামলেও ৩-১ গোলে হেরে যায়। প্রথমার্ধে কাসপার হগের জোড়া গোল ও দ্বিতীয়ার্ধে ইয়েন্স পেটার হাউগের গোলে নরওজিয়ান ক্লাব তাদের প্রথম জয় নিশ্চিত করে। রায়ান চেরকি সিটিকে একটি গোল শোধ দিলেও, দুটি হলুদ কার্ডে রড্রির মাঠ ত্যাগ সিটিকে ছন্নছাড়া করে দেয়।

    পিএসজির হতাশা

    পর্তুগালে স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে হজম করা গোলের কারণে পিএসজির নিখুঁত রেকর্ড ভেঙেছে। লুইস সুয়ারেজ দুই গোল করেন, কাভিচা কাভারাটখেলিয়া ৭৯ মিনিটে সমতা ফেরালেও ৯০ মিনিটে সুয়ারেজ জয়সূচক গোল করেন। এই হারের কারণে পিএসজি গ্রুপে পাঁচ নম্বরে নেমে গেছে। তাদের শেষ ষোলোতে সরাসরি ওঠার জন্য এখন আরও অপেক্ষা করতে হবে।

    আর্সেনালের উজ্জ্বল রাত

    ইতালিতে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে আর্সেনাল ৩-১ গোলে জয় লাভ করে। গ্যাব্রিয়েল জেসুস প্রথমার্ধে দুটি গোল করে গানারদের শীর্ষ আট নিশ্চিত করেন। জেসুস বলেন,
    “এটা স্বপ্নের রাত। আমি সব সময় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। এই স্টেডিয়ামে গোল করতে পারায় চোখে পানি চলে আসছে।”

    অন্যান্য ম্যাচ

    • রিয়াল মাদ্রিদ ঘরের মাঠে ফরাসি ক্লাব মোনাকোকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে।

    • টটেনহ্যাম বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে।

    • কোপেনহেগেন নাপোলির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে।

    • অলিম্পিয়াকোস ঘরের মাঠে বায়ার লেভারকুজেনকে ২-০ গোলে হারিয়েছে।

    • আয়াক্স ভিয়ারিয়ালকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছে।

    • তলানিতে থাকা কাইরাত আলমাতি তাদের প্রথম পয়েন্টের আশা পূরণ করতে পারেনি, ক্লাব ব্রাগের কাছে ৪-১ গোলে হেরে গেছে।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যান সিটি ও পিএসজির হোঁচট এবং আর্সেনালের উজ্জ্বল জয় আজকের রাউন্ডকে ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

    সুত্রঃবাসস

  • সাফ নারী ফুটসালে শ্রীলঙ্কাকে ৬-৩ গোলে হারালো বাংলাদেশ

    সাফ নারী ফুটসালে শ্রীলঙ্কাকে ৬-৩ গোলে হারালো বাংলাদেশ

    সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে পিছিয়ে থেকেও চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। সাবিনা খাতুন ও কৃষ্ণা রানীর নৈপুণ্যে লাল-সবুজ দল নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ৬-৩ গোলে শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করেছে।

    থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ননথাবুরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতে দুই গোল হজম করলেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। ১৩ ও ১৬ মিনিটে শ্রীলঙ্কার হয়ে গোল দুটি করেন শানু ও ইমেশা। কিন্তু দুই মিনিটের মধ্যে পরপর দুই গোল করে সাবিনা খাতুন প্রথমার্ধেই সমতা ফিরিয়ে আনেন।

    বিরতির পর শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য আক্রমণের সামনে দাঁড়াতে পারেনি। একে একে স্কোরশিটে নাম লেখান সুমাইয়া, কৃষ্ণা রানী ও মাসুরা। এর মধ্যে কৃষ্ণার জোড়া গোল ব্যবধান আরও বড় করে। ৪০ মিনিটে কৃষ্ণার দ্বিতীয় গোলের পরপরই শ্রীলঙ্কার হয়ে এক গোল করেন প্রথমার্ধের গোলদাতা ইমেশা। তবে এই গোল শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার পরাজয় রোধ করতে পারল না।

    এই জয়ে ৪ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। সমান ম্যাচ খেলে ভারত এক পয়েন্টে পিছিয়ে।

  • জাতীয় দলে রোনালদোর ভূমিকা নিয়ে যা বললেন পর্তুগাল কোচ মার্টিনেজ

    জাতীয় দলে রোনালদোর ভূমিকা নিয়ে যা বললেন পর্তুগাল কোচ মার্টিনেজ

    পর্তুগাল জাতীয় দলের বর্তমান স্কোয়াডে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভূমিকা ও প্রভাব নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। বয়স, অভিজ্ঞতা ও মাঠের ভূমিকা—সব দিক বিবেচনায় রোনালদো এখনও দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ৪০ বছর বয়সে সৌদি পেশাদার লিগে খেলা রোনালদো ইতোমধ্যে ক্যারিয়ারে ৯৫০-এর বেশি গোল করেছেন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে পর্তুগালকে নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল, যা রোনালদো নিজেই নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন, সেটিই হতে যাচ্ছে তার শেষ বিশ্বকাপ।

    ২০০৩ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে পর্তুগাল জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া রোনালদো তখন থেকেই দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার নেতৃত্বে গত জুনে পর্তুগাল দ্বিতীয়বারের মতো উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জেতে, যা এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দেশ হিসেবে তাদের প্রতিষ্ঠিত করে।

    ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্টিনেজ বলেন, বয়সের কারণে রোনালদোর খেলায় কিছু পরিবর্তন এসেছে।
    তিনি বলেন, “২১ বছর আগে যে রোনালদো জাতীয় দলে এসেছিলেন, এখনকার রোনালদো তিনি নন। এখন তিনি অনেক বেশি পজিশনাল খেলোয়াড়—একজন স্ট্রাইকার ও ফিনিশার। আমাদের জন্য এই ভূমিকাতেই তিনি সবচেয়ে কার্যকর।”

    রোনালদোর গোল করার দক্ষতার প্রশংসা করে পর্তুগাল কোচ আরও বলেন, “তিনি সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। জাতীয় দলের হয়ে শেষ ৩০ ম্যাচে তার ২৫ গোল আমাদের জন্য উপহারস্বরূপ।”

    মাঠের বাইরেও রোনালদোর প্রভাব তুলে ধরেন মার্টিনেজ। তার মতে, অভিজ্ঞতা ও প্রতিশ্রুতির কারণে রোনালদো এখন ড্রেসিংরুমের অন্যতম অনুপ্রেরণার উৎস।
    মার্টিনেজ বলেন, “এটা বর্তমানের বিষয়—১০ বছর আগে তিনি কী করেছেন, সেটা নিয়ে আমরা কথা বলছি না। তার প্রতিশ্রুতি অসাধারণ। তিনি বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড়, যার ২২০টির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ও মানসিকতা সতীর্থদের জন্য উদাহরণ।”

    রোনালদোর মাঠের কৌশলগত গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে মার্টিনেজ বলেন, তিনি এমন একজন ফরোয়ার্ড যিনি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের নিজের দিকে টেনে নিয়ে সতীর্থদের জন্য জায়গা তৈরি করেন।
    তিনি বলেন, “মাঠে তিনি একজন ফিনিশার, যিনি ডিফেন্ডারদের আকর্ষণ করেন এবং আক্রমণে জায়গা তৈরি করেন। তার অভিজ্ঞতা ও উপস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    সব মিলিয়ে, বয়স বাড়লেও জাতীয় দলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভূমিকা এখনও অপরিসীম—এ কথাই স্পষ্ট করে দিয়েছেন পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্টিনেজ।

  • ইতিহাসের ম্যাচে হতাশার হার, স্পোর্টিং সিপির কাছে পিএসজির পতন

    ইতিহাসের ম্যাচে হতাশার হার, স্পোর্টিং সিপির কাছে পিএসজির পতন

    ইতিহাস গড়ার ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখার সুযোগ ছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের সামনে। কিন্তু লিসবনের আলো ঝলমলে রাতটি শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল ইউরোপীয় হতাশার আরেকটি অধ্যায়। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং সিপির কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে ফরাসি জায়ান্ট পিএসজি।

    ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় প্রথম ফরাসি ক্লাব হিসেবে নিজেদের ৩০০তম ম্যাচ খেলতে নামে পিএসজি। তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় দিয়ে সেই অর্জন উদযাপনের লক্ষ্যেই এস্তাদিও হোসে আলভালাদিওতে মাঠে নামে লুইস এনরিখের শিষ্যরা।

    ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই আধিপত্য ছিল পিএসজির। প্রথমার্ধে ৭৮ শতাংশ বল দখলের পাশাপাশি তারা নেয় ১৫টি শট, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে। তবে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করায় গোলের দেখা পায়নি ফরাসি ক্লাবটি। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যর্থতারই মাশুল দিতে হয়।

    দ্বিতীয়ার্ধে জমে ওঠে ম্যাচের নাটক। ৭৪তম মিনিটে স্পোর্টিং সিপিকে এগিয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। পিছিয়ে পড়েও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় পিএসজি। ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা খভিচা কভারাতস্কেলিয়া দুর্দান্ত এক শটে গোল করে সমতায় ফেরান দলকে।

    ম্যাচ তখন ১-১ সমতায় শেষ হবে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে আবারও পিএসজির জালে বল পাঠান লুইস সুয়ারেজ। ফরাসি ক্লাবটির রক্ষণভাগের ঢিলেমি ও গোলরক্ষক লুকাস শেভালিয়েরের ভুল সিদ্ধান্ত কাজে লাগিয়ে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।

    শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় স্বাগতিক স্পোর্টিং সিপি। এই হারের পরও পয়েন্ট টেবিলে পিএসজির অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সাত ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা রয়েছে পাঁচ নম্বরে। অন্যদিকে পিএসজির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে ছয় নম্বরে উঠে এসেছে স্পোর্টিং সিপি। সমান ম্যাচে তাদের সংগ্রহেও রয়েছে ১৩ পয়েন্ট।

  • দুঃসময় কাটিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, মোনাকোকে নাস্তানাবুদ করল রিয়াল

    দুঃসময় কাটিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, মোনাকোকে নাস্তানাবুদ করল রিয়াল

    দীর্ঘ দুঃসময় আর সমালোচনার চাপ সামলে অবশেষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পুরোনো রূপে ফিরল রিয়াল মাদ্রিদ। নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফরাসি ক্লাব মোনাকোকে ৬-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।

    শিরোপাহীন মৌসুম শেষে জাবি আলোনসোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থাকলেও চলতি মৌসুমে ধারাবাহিকতা পায়নি রিয়াল। এল ক্লাসিকোতে হার, এমনকি স্পেনের দ্বিতীয় স্তরের দলের বিপক্ষে পরাজয়—সব মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছিল ক্লাবটি। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাজারা মোনাকোর বিপক্ষে দেখাল চেনা দাপট।

    মঙ্গলবার রাতে আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে মাঠে নামে রিয়াল। ম্যাচে ৫৩ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলের জন্য ২৩টি শট নেয় তারা, যার মধ্যে ৭টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে মোনাকো ১৮ শটের মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারলেও কার্যকর আক্রমণে পিছিয়ে ছিল।

    ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। ফ্রেদেরিকো ভালভার্দের পাস থেকে এক ছোঁয়ায় গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। ২৬ মিনিটে আবারও এমবাপের প্লেসিং শটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। চলমান চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি এমবাপের ১১তম গোল, যা এক আসরে তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

    বিরতির আগে মোনাকো কয়েকটি সুযোগ পেলেও জর্ডান তেজের শট ক্রসবারে লাগে এবং আরেকটি প্রচেষ্টা ঠেকান থিবো কোর্তোয়া।

    বিরতির পর রিয়ালের আধিপত্য আরও বাড়ে। ম্যাচের ৫১ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস থেকে দূরের পোস্টে নিখুঁত শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তুয়োনো। ৫৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের বাড়ানো বলে আত্মঘাতী গোল করেন মোনাকোর ডিফেন্ডার থিলো কেহরার।

    ৬৩ মিনিটে নিজেই গোলের খাতায় নাম লেখান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর্দা গুলারের পাস থেকে নেওয়া তার জোরালো শট ক্রসবার ছুঁয়ে জালে ঢুকে যায়। ৭২ মিনিটে রিয়ালের রক্ষণভাগের ভুলে সান্ত্বনার এক গোল পায় মোনাকো, জর্ডান তেজে সেটি কাজে লাগান।

    ৮০ মিনিটে ভালভার্দের থ্রু পাস থেকে গোল করে ব্যবধান আরও বাড়ান জুড বেলিংহ্যাম। শেষ পর্যন্ত ৬-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

    এই জয়ে ইউসিএলের পয়েন্ট টেবিলে বড় লাফ দিয়েছে রিয়াল। সাত ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন দ্বিতীয় স্থানে। সমান ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আর্সেনাল। অন্যদিকে সাত ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ২০ নম্বরে অবস্থান করছে মোনাকো।

  • মেসিকে না দেখেই ফিরলেন ভক্তরা, ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর’ শুরুতেই বিশৃঙ্খলা

    মেসিকে না দেখেই ফিরলেন ভক্তরা, ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর’ শুরুতেই বিশৃঙ্খলা

    দীর্ঘ ১৪ বছর পর ভারতের মাটিতে পা রাখলেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় কলকাতায় পৌঁছান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় বহুল আলোচিত ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর ২০২৫’। মেসির আগমন ঘিরে কলকাতাজুড়ে তৈরি হয় ব্যাপক উৎসাহ ও উন্মাদনা।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কলকাতার সল্ট লেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামে মেসির উপস্থিতিকে ঘিরে হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী গ্যালারিতে অপেক্ষা করলেও চরম অব্যবস্থাপনার কারণে অধিকাংশ দর্শকই তাকে এক নজরও দেখতে পাননি। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মেসিভক্তরা।

    সকালে প্রায় সাড়ে ১১টায় যুবভারতী স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে মেসির গাড়ি। তবে গাড়ি থেকে নামার পরপরই নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভিড়ে তাকে ঘিরে ধরেন অনেকে। ফলে গ্যালারি থেকে প্রায় ২০ মিনিট মেসিকে দেখাই যায়নি। এ সময় ক্ষুব্ধ দর্শকরা ‘উই ওয়ান্ট মেসি’ স্লোগান দিতে থাকেন।

    চড়া দামে টিকিট কেটে মাঠে আসা দর্শকদের ভরসা ছিল স্টেডিয়ামের তিনটি জায়ান্ট স্ক্রিন। কিন্তু সেখানেও মেসির উপস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। মোহনবাগান ও ডায়মন্ড হারবারের সাবেক ফুটবলারদের সঙ্গে মেসির সৌজন্য সাক্ষাতের সময়ও ভিড় ও নিরাপত্তা বলয়ের কারণে ভক্তদের হতাশা কাটেনি।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্ত মাইক্রোফোনে ঘোষণা দেন। তবে এতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। স্থানীয় সময় ১১টা ৫২ মিনিটে হঠাৎ করেই মেসিকে স্টেডিয়াম থেকে বের করে নেওয়া হয়।

    মেসি চলে যাওয়ার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মাঠে উপস্থিত দর্শকরা ক্ষোভে হোর্ডিং ভাঙচুর শুরু করেন এবং গ্যালারির চেয়ার ভেঙে মাঠে ছুড়ে মারেন। একপর্যায়ে ফেন্সিংয়ের গেট ভেঙে সমর্থকরা মাঠে ঢুকে পড়েন, যা পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়।

    পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে। স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে আসা ভক্তরা গণমাধ্যমের সামনে আয়োজনের চরম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এক দর্শক ব্যঙ্গ করে বলেন, “মেসি তো একেবারে কোলে এসে বসে গেছে।”

    কলকাতা পর্ব শেষে মেসির হায়দরাবাদ, মুম্বাই ও নয়াদিল্লি সফরের কথা রয়েছে। তবে কলকাতায় তার সফরের প্রথম দিনেই এমন বিশৃঙ্খলা ও হতাশা ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর ২০২৫’-এর আয়োজন নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিল।