Category: ফুটবল

  • বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকে ইতিহাস গড়লেন মেসি, ছুঁলেন ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড

    বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকে ইতিহাস গড়লেন মেসি, ছুঁলেন ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড

    বয়স ৩৮ পেরিয়ে গেলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসি যেন এখনও অপ্রতিরোধ্য। আলজেরিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনা-কে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় এনে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকের স্বাদ নিয়ে ছুঁয়েছেন সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসে-র রেকর্ড।

    বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে মেসি বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। অন্যদিকে আলজেরিয়ার একটি গোলও ভিএআর পর্যালোচনায় বাতিল হয়।

    ১৭ মিনিটে অপেক্ষার অবসান ঘটান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। রদ্রিগো দি পল-এর পাস পেয়ে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত শটে গোল করেন মেসি। এটি ছিল জাতীয় দলের হয়ে তার ১১৮তম আন্তর্জাতিক গোল এবং বিশ্বকাপে ১৪তম গোল।

    দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তিনি। ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বিশ্বকাপে গোলসংখ্যা ১৫-তে নিয়ে যান। এতে স্পর্শ করেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও-র রেকর্ড।

    এরপর ৭৬ মিনিটে আসে মাহেন্দ্রক্ষণ। আক্রমণের এক পর্যায়ে ফিরতি বলে ঠান্ডা মাথায় জালে বল পাঠিয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন মেসি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬-তে। ফলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ক্লোসার পাশে যৌথভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন তিনি।

    বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ আসরে মাঠে নামার রেকর্ড গড়া মেসি এদিন আরও একবার প্রমাণ করলেন, বয়স তার প্রতিভা ও প্রভাবকে এতটুকুও কমাতে পারেনি। বিশ্বকাপের ছয়টি আসর জুড়ে গোল করার বিরল কীর্তিতেও যোগ করলেন নতুন অধ্যায়।

    মেসির হ্যাটট্রিকে ভর করে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজের নামের পাশে যুক্ত করলেন আরেকটি অবিস্মরণীয় ইতিহাস।

  • জোড়া গোলে নতুন উচ্চতায় এমবাপে, ফ্রান্সকে জিতিয়ে গড়লেন ইতিহাস

    জোড়া গোলে নতুন উচ্চতায় এমবাপে, ফ্রান্সকে জিতিয়ে গড়লেন ইতিহাস

    বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিলেন কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ফ্রান্স-কে ৩-১ ব্যবধানে জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি দেশের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন এই ফরাসি তারকা।

    নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচে প্রথমার্ধে বেশ চাপে ছিল ফ্রান্স। নিকোলাস জ্যাকসন-এর একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় ফরাসিরা।

    বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দল। ৬১ মিনিটে মাইকেল অলিসে-র নিখুঁত পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে। এরপর বদলি খেলোয়াড় ব্র্যাডলি বারকোলা ব্যবধান ২-০ করেন।

    ম্যাচের শেষদিকে ইব্রাহিম এমবায়ে একটি গোল শোধ করে সেনেগালকে আশা দেখালেও যোগ করা সময়ে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে। তাতেই নিশ্চিত হয় ৩-১ গোলের জয়।

    এই জোড়া গোলে ফ্রান্সের জার্সিতে এমবাপের মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮-তে। এর মাধ্যমে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অলিভিয়ে জিরু-কে এবং হয়েছেন ফ্রান্সের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

    বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪। এতে তিনি কিংবদন্তি পেলে এবং জুস্ত ফঁতেঁ-কে পেছনে ফেলে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তার ওপরে রয়েছেন শুধু লিওনেল মেসি, মিরোস্লাভ ক্লোসে এবং রোনালদো নাজারিও

    ম্যাচ শেষে এমবাপে বলেন, “রেকর্ড ভাঙা অবশ্যই আনন্দের, কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা। ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের সাফল্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

    ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং ২০২২ সালের রানার্সআপ ফ্রান্সের বিশ্বকাপ স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন একটাই নাম—কিলিয়ান এমবাপে।

  • ২৬ বছরের অপেক্ষার অবসান, হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপ মিশন শুরু নরওয়ের

    ২৬ বছরের অপেক্ষার অবসান, হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপ মিশন শুরু নরওয়ের

    দীর্ঘ ২৬ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে স্মরণীয় সূচনা করেছে নরওয়ে। গ্রুপ ‘আই’-এর ম্যাচে ইরাক-কে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ইউরোপের দলটি। জয়ের নায়ক ছিলেন আর্লিং হালান্ড, যিনি নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচেই জোড়া গোল করেছেন।

    ম্যাচের শুরুতে ইরাকই বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ২৯ মিনিটে নরওয়েকে এগিয়ে দেন হালান্ড। আন্তোনিও নুসা-র তৈরি আক্রমণ থেকে বল পেয়ে সহজেই জালে পাঠান তিনি। তবে ৩৯ মিনিটে আয়মেন হুসেইন-এর দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে ইরাক।

    প্রথমার্ধের শেষ দিকে ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হাসান-এর ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন হালান্ড। ফলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় নরওয়ে।

    দ্বিতীয়ার্ধে ইরাক কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ড-এর কর্নার থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান ৩-১ করেন লিও ওস্টিগার্ড। যোগ করা সময়ে আত্মঘাতী গোলে নরওয়ের জয় আরও বড় করে দেন আয়মেন হুসেইন।

    ৪-১ গোলের এই জয় নরওয়েকে গ্রুপ ‘আই’-এর শীর্ষে তুলে দিয়েছে। তবে বড় জয় পেলেও রক্ষণভাগের কিছু দুর্বলতা সামনে আরও কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

    আগামী ২৩ জুন নরওয়ের প্রতিপক্ষ সেনেগাল এবং ২৭ জুন তারা মুখোমুখি হবে ফ্রান্স-এর। বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে এমন দাপুটে জয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেল হালান্ড-ওডেগার্ডদের।

  • মেসির চোখের জলে বেদনার গল্প, কান্নার কারণ জানালেন নিজেই

    মেসির চোখের জলে বেদনার গল্প, কান্নার কারণ জানালেন নিজেই

    লিওনেল মেসি আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বলা হয়। FIFA World Cup 2026-এ আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলের জয় উপহার দিলেও ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তার গোল নয়, বরং চোখের জল।

    ম্যাচের ১৭তম মিনিটে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। গোল উদযাপনের সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার অশ্রুসিক্ত মুখ। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা। অনেকে মনে করেছিলেন, এটি হয়তো তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নামার আবেগ কিংবা সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপের অনুভূতি।

    তবে ম্যাচ শেষে সেই রহস্যের ব্যাখ্যা দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজেই। মেসি জানান, কান্নার পেছনে ফুটবলের কোনো কারণ ছিল না; বরং ব্যক্তিগত জীবনের কিছু কঠিন সময় তাকে আবেগপ্রবণ করে তুলেছিল।

    তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, ফুটবলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। গত কয়েক দিন ব্যক্তিগত কারণে আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। এই সময়ে আমার সতীর্থরা সবসময় পাশে ছিল। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসা আমাকে শক্তি দিয়েছে।”

    ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখায় আর্জেন্টিনা। প্রথম পাঁচ মিনিটেই মেসি বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। পরে ১৭ মিনিটে আর কোনো ভুল করেননি তিনি। এরপর আরও দুটি গোল করে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন।

    প্রতিপক্ষ আলজেরিয়ার প্রশংসাও করেন মেসি। তার মতে, ম্যাচটি মোটেও সহজ ছিল না। প্রথমার্ধে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা নিজেদের ছন্দ ফিরে পায় এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।

    ৩৮ বছর বয়সে এসে বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন পারফরম্যান্সে মেসি দেখিয়ে দিলেন, তার ক্ষুধা ও অনুপ্রেরণা এখনও অটুট। তিনি বলেন, “আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি। ছোটবেলা থেকেই এটি আমার সবচেয়ে বড় প্যাশন। যখন ভালো অবস্থায় থাকি, তখন নিজের সবটুকু উজাড় করে দিতে চেষ্টা করি।”

    অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের সেই রাত তাই শুধু একটি হ্যাটট্রিকের গল্প নয়; এটি এক কিংবদন্তির ব্যক্তিগত সংগ্রাম, সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ফুটবলের প্রতি অগাধ ভালোবাসার গল্পও। বয়স বাড়লেও মেসির জাদু যে এখনও অমলিন, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই তার প্রমাণ মিলেছে।

  • ‘শুধু মেসিকে ঘিরে ভাবা অর্থহীন’, ম্যাচের আগে পেটকোভিচের স্পষ্ট বার্তা

    ‘শুধু মেসিকে ঘিরে ভাবা অর্থহীন’, ম্যাচের আগে পেটকোভিচের স্পষ্ট বার্তা

    বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে বুধবার মাঠে নামছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল। কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনাই স্পষ্ট ফেভারিট হলেও ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

    তবে আলজেরিয়া কোচ ভ্লাদিমির পেটকোভিচ জানিয়ে দিয়েছেন, মেসিকে আটকাতে আলাদা কোনো বিশেষ পরিকল্পনা করছেন না তিনি। বরং তার লক্ষ্য পুরো আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

    ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে পেটকোভিচ বলেন, “আমি প্রতিটি খেলোয়াড় ও প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। তবে আমাদের নিজেদের সামর্থ্যের ওপরও বিশ্বাস আছে। আমি কখনোই কোনো একজন খেলোয়াড়কে থামানোর জন্য আলাদা কৌশল সাজাই না, এবারও করব না। একজন খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে পুরো দলের পরিকল্পনা করা অর্থহীন।”

    আলজেরিয়া কোচের মতে, মেসিকে একা বিচ্ছিন্ন করে রাখার চেয়ে তাকে বল জোগানো খেলোয়াড়দের প্রভাব কমিয়ে দেওয়াই বেশি কার্যকর। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য থাকবে মেসির আশপাশে থাকা খেলোয়াড়দের পাসিং লাইন বন্ধ করে দেওয়া। যাতে তারা নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে না পারে। আমাদের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে, পাশাপাশি ম্যাচের পরিস্থিতি বদলালে বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত আছে।”

    নিজেদের আন্ডারডগ স্বীকার করলেও চমক দেখানোর স্বপ্ন ছাড়ছেন না পেটকোভিচ। তার ভাষায়, “আমরা ফেভারিট নই। কিন্তু এই বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে কয়েকটি অঘটন ঘটেছে। আমরাও তেমন একটি চমক উপহার দিতে চাই।”

    ১২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা আলজেরিয়ার সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, মেসিকে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে বিভোর আর্জেন্টিনা চাইবে জয় দিয়ে শিরোপা রক্ষার অভিযান শুরু করতে। ফলে কানসাস সিটির এই লড়াইয়ে উত্তেজনার কোনো কমতি থাকার সম্ভাবনা নেই।

  • বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের একাদশে ধোঁয়াশা, শেষ অনুশীলনেও চমক স্কালোনির

    বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের একাদশে ধোঁয়াশা, শেষ অনুশীলনেও চমক স্কালোনির

    বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়া-র মুখোমুখি হতে আর মাত্র দুই দিন বাকি। তবে এখনো চূড়ান্ত একাদশ নির্ধারণ করেননি লিওনেল স্কালোনি। শেষ অনুশীলনেও ভিন্ন ভিন্ন কৌশল পরীক্ষা করে প্রতিপক্ষের জন্য পরিকল্পনা গোপন রেখেছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কোচ।

    শনিবারের অনুশীলনের প্রথম ভাগে স্কালোনি ৪-৪-২ ফরমেশনে দল সাজান। রক্ষণভাগে দেখা যায় গনসালো মন্তিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজ-কে। পরে তিনি পাঁচ ডিফেন্ডারের একটি বিকল্প কৌশলও পরীক্ষা করেন।

    সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা এখন আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ। অভিজ্ঞ লেফট-ব্যাক নিকোলাস তালিয়াফিকো চোটের কারণে অন্তত প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না। ফলে বাম প্রান্তে ফাকুন্দো মেদিনা এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজের মধ্যে জায়গা পাওয়ার লড়াই চলছে। অন্যদিকে ডান প্রান্তে গনসালো মন্তিয়েল ও নাহুয়েল মোলিনা-এর মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে কোচকে।

    অনুশীলনের আরেক পর্যায়ে স্কালোনি ৩-৫-২ ফরমেশনও ব্যবহার করেন। সেখানে দুই আক্রমণাত্মক উইং-ব্যাক হিসেবে খেলানো হয় জিওভানি সিমিওনে এবং নিকোলাস গনসালেস-কে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, শুরু থেকেই এই ছকে নামার সম্ভাবনা কম; ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি হতে পারে বিকল্প পরিকল্পনা।

    মধ্যমাঠে স্কালোনির পছন্দ অনেকটাই স্পষ্ট। এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং রদ্রিগো ডি পল-কে নিয়ে মাঝমাঠ গড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

    আক্রমণভাগে অধিনায়ক লিওনেল মেসি-র সঙ্গী হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন লাউতারো মার্তিনেজ। চোটের কারণে প্রস্তুতি ম্যাচগুলো মিস করা হুলিয়ান আলভারেস এখনও পুরোপুরি ছন্দে না ফেরায় আপাতত লাউতারোর সম্ভাবনাই বেশি।

    এ ছাড়া আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডে থিয়াগো আলমাদা-র খেলার সম্ভাবনা জোরালো। সব মিলিয়ে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা এখনো কাটেনি। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার—আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করা এবং সেরা সমন্বয় খুঁজে বের করতেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন স্কালোনি।

  • তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা অস্ট্রেলিয়ার

    তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা অস্ট্রেলিয়ার

    ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। কানাডার ভ্যাঙ্কুভার-এ অনুষ্ঠিত ম্যাচে তুরস্ক-কে ২-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়েছে ‘সকারুজ’রা।

    ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন নেস্তোরি ইরানকুন্দা। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় অস্ট্রেলিয়া।

    দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। তবে অস্ট্রেলিয়ার সুসংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার জোরালো নিচু শট সরাসরি জালে জড়িয়ে গেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার হাতে চলে যায়।

    বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-০ গোলের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া।

    এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘ডি’-র লড়াই আরও জমে উঠেছে। এর আগে একই গ্রুপে যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলে প্যারাগুয়ে-কে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করেছিল। ফলে সমান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গী হয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

    বিশ্বকাপের শুরুতেই শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে নকআউট পর্বে যাওয়ার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল সকারুজরা।

  • ষষ্ঠ বিশ্বকাপের আগে আবেগঘন বার্তায় নিজের বিশ্বকাপ যাত্রা স্মরণ করলেন মেসি

    ষষ্ঠ বিশ্বকাপের আগে আবেগঘন বার্তায় নিজের বিশ্বকাপ যাত্রা স্মরণ করলেন মেসি

    বিশ্বকাপের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এরই মধ্যে নিজের দীর্ঘ বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন লিওনেল মেসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সেই পোস্টে বিশ্বকাপের বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে ধরে নিজের ফুটবল যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো স্মরণ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

    FBL-WC2006-MATCH50-ARG-MEX

    ২০২৬ বিশ্বকাপ মেসির ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে। এর আগে তিনি ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেন। এরপর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা-র জার্সিতে মাঠে নেমেছেন তিনি।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মেসি। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পাশে থাকার জন্য সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পোস্টটি ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং অনেকেই এটিকে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের আরেকটি আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

    ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সফল ফুটবলার হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিশেষ করে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর মাধ্যমে তিনি পূরণ করেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। ওই আসরে সাত গোল করে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছিলেন মেসি।

    এবারও কোচ লিওনেল স্কালোনি-র অধীনে শক্তিশালী দল নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবারও স্কোয়াডে রয়েছেন। অভিজ্ঞতা ও তরুণ প্রতিভার সমন্বয়ে গড়া দলটি শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে।

    বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ আলজেরিয়া-র বিপক্ষে। সমর্থকদের আশা, মেসির নেতৃত্বে আবারও বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের গল্প লিখবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

    অনেকের মতে, এটি বিশ্বকাপ মঞ্চে মেসির শেষ অধ্যায়ও হতে পারে। তাই তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলবিশ্বে বাড়ছে আবেগ, প্রত্যাশা এবং নতুন ইতিহাসের অপেক্ষা।

  • উদ্বোধনী ম্যাচে ড্র, ব্রাজিলের সামনে ভর করল অস্বস্তিকর বিশ্বকাপ ইতিহাস

    উদ্বোধনী ম্যাচে ড্র, ব্রাজিলের সামনে ভর করল অস্বস্তিকর বিশ্বকাপ ইতিহাস

    ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করলেও প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মরক্কো-র বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে সেলেসাওরা। ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-এর গোলে সমতায় ফিরলেও জয় তুলে নিতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    https://images.openai.com/static-rsc-4/sopPSoQJY02FlPcfmVQV3l9KRkreQtIxAAk6pQryQbtxr11JeQtne4mCPVKYW_tDCBoSE-nd1YLG6ay6HA9lkFDzAgVrW6T3BI07v9ZlhPiKafYkEanGMVZjGkuU2dmhGJArdipV81Wrb81NI7bXIURhH8VJ1dwGnch4TfOhiDhGo7mw7UJMrCZFBzQdq_6g?purpose=fullsize
    4

    এই ড্রয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে জয়বঞ্চিত হলো ব্রাজিল। আর সেই সঙ্গে সামনে এসেছে একটি অস্বস্তিকর পরিসংখ্যান—বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ ড্র করার পর কখনোই শিরোপা জিততে পারেনি ব্রাজিল।

    এর আগে ১৯৭৪ বিশ্বকাপে যুগোস্লাভিয়া-র বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছিল ব্রাজিল। ১৯৭৮ সালে সুইডেন-এর বিপক্ষে ১-১ এবং ২০১৮ সালে সুইজারল্যান্ড-এর বিপক্ষে একই ব্যবধানে ড্র করে অভিযান শুরু করেছিল তারা।

    তবে ওই তিন আসরের কোনোটিতেই শিরোপা জিতhttps://images.openai.com/static-rsc-4/Ebn9l1gJOuJXQqv_cjXBDA_qn7vkrYw63vuPy7QCOrr8-pRwpQKknhqpYPoiylEC2Tx1da797gawAKmuemLaktlG-VITpNvSt9HCxGhoe6-UHxDTAnOysESDRCGGvxAwx5Xxa3mAW26zxYVVRGGel-33noaZxBZfURSTd7DTTbBW9L3f68L0jz4nCGqhiIpP?purpose=fullsizeতে পারেনি সেলেসাওরা। ১৯৭৪ সালে চতুর্থ, ১৯৭৮ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ব্রাজিলকে।

    অন্যদিকে ব্রাজিলের পাঁচটি বিশ্বকাপজয়ী অভিযানের দিকে তাকালে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২—প্রতিটি বিশ্বকাপেই প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল তারা। পরবর্তীতে সেই আসরগুলোতেই বিশ্বসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে ব্রাজিল।

    তবে পরিসংখ্যান সবসময় ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তি-র অধীনে ব্রাজিল কতটা দ্রুত নিজেদের ছন্দে ফিরতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়। মরক্কোর বিপক্ষে ড্রয়ের পর গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলোতে জয় তুলে নেওয়ার চাপও বেড়ে গেছে সেলেসাওদের ওপর।

    বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে ব্রাজিল বহুবার প্রতিকূলতা কাটিয়ে সাফল্যের গল্প লিখেছে। এবারও সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারে কি না, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের প্রধান আলোচনার বিষয়।

  • ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপ শুরু করল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে জয়

    ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপ শুরু করল স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে জয়

    নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের সূচনা ম্যাচেই ইতিহাস গড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত ম্যাচে লাতিন আমেরিকার দল প্যারাগুয়ে-কে ৪-১ গোলে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে স্বাগতিকরা।

    https://images.openai.com/static-rsc-4/f3nxBRK4VDqTOqbuPmUjyNLuIktyXqq7TOYxX3Wc8SPp5ZURoEIzOQ4hD_EhWhpcGlx8x1Z84tn9cia1vfIQym4sv09KsVqFfNm4THeE3SicJh8K1kVZd-equsLTMQ02Zwsz2hDXNwpqa3vlsOeDhza2cPHbtBOGucRgRhcg4jCeWrH3y0900AwKssDlU5iE?purpose=fullsize
    4

    ১৯৯৪ সালের পর আবারও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়া বিশ্বকাপে স্বাগতিক দলটি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। জোড়া গোল করেন ফোলারিন বালোগুন। এছাড়া একটি গোল করেন জিওভান্নি রেইনা এবং আরেকটি গোল আসে প্যারাগুয়ের এক আত্মঘাতী ভুল থেকে।

    এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে চার গোল করার কীর্তি গড়ল যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে মার্কিন দল তিন গোলের বেশি করতে পারেনি।

    নতুন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো-র অধীনে বদলে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়, যা বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রথমার্ধের লিড।

    ম্যাচের সপ্তম মিনিটে পুলিসিচের আক্রমণ থেকে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ৩১তম মিনিটে প্রথম গোল করেন বালোগুন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলও করেন তিনি।

    নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া এবং ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ২৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপ অভিষেকেই জোড়া গোল করে আলোচনায় উঠে আসেন। ১৯৩০ সালের পর বিশ্বকাপে কোনো মার্কিন খেলোয়াড়ের এক ম্যাচে একাধিক গোল করার এটিই প্রথম ঘটনা।

    ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দলের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে একটি অ্যাসিস্ট করেন তিনি। যদিও বিরতির পর তাকে মাঠে দেখা যায়নি। তবে তার চোট নিয়ে বড় কোনো উদ্বেগ নেই বলেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

    দ্বিতীয়ার্ধে প্যারাগুয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ৭৩তম মিনিটে প্রাদো মরিসিও একটি গোল শোধ দেন। তবে ম্যাচের শেষদিকে রেইনার চমৎকার ফিনিশিং যুক্তরাষ্ট্রের জয় নিশ্চিত করে।

    বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র শুধু তিন পয়েন্টই অর্জন করেনি, বরং শিরোপার লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানেরও বার্তা দিয়েছে।