দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হওয়ার পর প্রথম হারের স্বাদ পেয়েছেন হোসে মরিনিয়ো। লা লিগার চতুর্থ ম্যাচে রিয়াল বেটিসের কাছে ১–০ গোলে হেরেছে তাঁর দল। ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ বেশ কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি।
রিয়াল মাদ্রিদের একাধিক সুযোগ নষ্টের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল কিলিয়ান এমবাপের পেনাল্টি। যোগ করা সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। কিন্তু এমবাপের নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন বেটিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস। এর আগে ভিনিসিয়ুসের একটি শট পোস্টে লাগে এবং এমবাপের আরেকটি প্রচেষ্টা ক্রসবারে আঘাত করে।
অন্যদিকে ম্যাচের ৮১ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে রিয়াল বেটিসকে এগিয়ে দেন ট্রয় প্যারট। থিবো কোর্তোয়া একটি হেড ঠেকানোর পর বলের ফিরতি শটে গোল করেন এই আইরিশ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত তাঁর গোলই রিয়ালের বিপক্ষে বেটিসের জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচ শেষে মরিনিয়ো বলেন, কখনো কখনো একটি দল হেরে যায়, কিন্তু কেন হারল তার ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাঁর মতে, রিয়াল ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, মনোযোগ ধরে রেখেছিল এবং প্রচুর আক্রমণও করেছিল। এমনকি ড্র হলেও তিনি হতাশ হতেন বলে জানান, কারণ তাঁর দলের আরও বেশি পাওয়ার যোগ্যতা ছিল।
তবে নিজেদের খেলোয়াড়দের ম্যাচ পরিচালনার ধরন নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মরিনিয়ো। তাঁর মতে, বেটিসের খেলোয়াড়রা রেফারিকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের চেয়ে বেশি ‘বুদ্ধিমান’ ছিল। বিপরীতে তাঁর খেলোয়াড়রা অনেক বেশি সরলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে।
ম্যাচে রিয়ালের আরও একটি গোল বাতিল হয়। কার্লোস এস্পির বাইসাইকেল কিক থেকে পাওয়া গোলটি অফসাইডের কারণে ভিএআর পর্যালোচনার পর বাতিল করা হয়। ফলে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি পেলেও সমতা ফেরাতে পারেনি রিয়াল।
এই পরাজয়ে মরিনিয়োর দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়ালের টানা তিন জয়ের সূচনা থেমে গেল। একই সঙ্গে চলতি লা লিগা মৌসুমে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট হারাল দলটি।

Leave a Reply