Category: Uncategorized

  • দাউদকান্দিতে স্লিপার কোচে ভয়াবহ আগুন, প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা

    দাউদকান্দিতে স্লিপার কোচে ভয়াবহ আগুন, প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা

    কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রয়েল কক্স পরিবহনের একটি স্লিপার কোচ বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বাসটি সামনে থাকা একটি গাড়িকে ধাক্কা দেওয়ার পর আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের পর বাসের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই বাসটি জ্বলতে থাকে। তবে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বাসের যাত্রীরা দ্রুত বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে বাসটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে দ্রুত যাত্রীরা বাস থেকে নেমে যাওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও স্টাফরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

    পুলিশ জানায়, বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি তাদের হেফাজতে রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ ও গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক তৈরি হলেও বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে

  • আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের গুঞ্জন সত্য নয়: জহির উদ্দিন স্বপন

    আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের গুঞ্জন সত্য নয়: জহির উদ্দিন স্বপন

    আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

    বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের কথা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বিষয়টি এখন পর্যন্ত সরকারের নজরে আসেনি। ফলে সরকার এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নেয়নি বলেও তিনি জানান।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে কাজ করছে। আগামীকাল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে এবং আগামী ২০ তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

    তথ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের জনগণ একজন কাঙ্ক্ষিত, জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রপতি পাবেন।

    বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি জানান, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দিল্লি গেছেন। এখন বাংলাদেশ সরকার আলোচনার ইতিবাচক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে।

    আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী দেশের তরুণদের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা ও এর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।

    তিনি বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং নতুন প্রযুক্তির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • তাসকিনের এমন উদযাপন আগে দেখেনি কেউ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল চর্চা

    তাসকিনের এমন উদযাপন আগে দেখেনি কেউ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল চর্চা

    উইকেট পাওয়ার পর তাসকিন আহমেদের উদযাপন নতুন কিছু নয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশি এই পেসার এমন এক উদযাপন করেছেন, যা এর আগে তাঁর ক্যারিয়ারে খুব একটা দেখা যায়নি। মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সেই দৃশ্য।

    ইনিংসের ২২তম ওভারে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার গ্রিনকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন। ১৩ বলে ১৩ রান করা গ্রিন তাসকিনের বল ফ্লিক করতে গেলে বলটি উড়ে যায় মিড উইকেটের দিকে। সেখানে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে গ্রিনের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান মুশফিকুর রহিম।

    উইকেট পাওয়ার পরই তাসকিনকে নাচের ভঙ্গিতে উদযাপন করতে দেখা যায়। এ সময় তিনি জিহ্বা বের করে এবং আঙুল উঁচিয়ে মজার অঙ্গভঙ্গি করেন। তাঁর এমন উদযাপনে মাঠে থাকা সতীর্থরাও বেশ আনন্দ পান।

    তবে ঠিক কী কারণে তাসকিন এমন বিশেষ উদযাপন করেছেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবশ্য অনেকেই ধারণা করছেন, গ্রিনকে উদ্দেশ্য করেই হয়তো এই বিশেষ উদযাপন করেছেন বাংলাদেশি পেসার।

    ম্যাচে উদযাপনের পাশাপাশি বল হাতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তাসকিন। প্রথম ইনিংসে তিনি ৫৫ রান দিয়ে ২টি উইকেট শিকার করেন।

    বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন হাসান মাহমুদ। তাঁর রেকর্ড গড়া ৬ উইকেটের দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৯৮ রানে

    ফলে তাসকিনের কার্যকর বোলিংয়ের পাশাপাশি তাঁর অদ্ভুত উদযাপনও ম্যাচের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

  • সালমান শাহর মৃত্যু ঘিরে রহস্য: ২৯ বছর পরও প্রশ্ন, নোটে কী লিখেছিলেন তিনি?

    সালমান শাহর মৃত্যু ঘিরে রহস্য: ২৯ বছর পরও প্রশ্ন, নোটে কী লিখেছিলেন তিনি?

    জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য তিন দশক পরও পুরোপুরি কাটেনি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর পর থেকেই এটি আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। পরিবারের সদস্য ও ভক্তদের একাংশ শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন, সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছিল। অন্যদিকে বিভিন্ন তদন্তে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সালমান শাহর মৃত্যুর সময় তার বাসা থেকে একটি কথিত সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই নোটে নিজের পরিচয় উল্লেখ করে তিনি লিখেছিলেন, তার মৃত্যু হলে এর জন্য কেউ দায়ী থাকবে না এবং তিনি স্বেচ্ছায় ও সুস্থ মস্তিষ্কে আত্মহত্যা করছেন—এমন বক্তব্যই তদন্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তেও সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন বলে মত দেওয়া হয়। তদন্তকারীরা তার মৃত্যুর পেছনে কয়েকটি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণের কথা উল্লেখ করেন।

    তদন্ত প্রতিবেদনে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ, তার আবেগপ্রবণ স্বভাব এবং অতীতে আত্মহত্যার চেষ্টা, মায়ের সঙ্গে গভীর আবেগঘন সম্পর্ক থেকে তৈরি মানসিক জটিলতা এবং সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতার বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়।

    তবে তদন্ত সংস্থার এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি সালমান শাহর পরিবার। তার মা ও পরিবারের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে দাবি করা হয়েছে, নায়ককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ কারণে তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের কার্যক্রম নিয়েও তাদের আপত্তি রয়েছে।

    সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন সময়ে একাধিক তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দিয়েছে। সর্বশেষ পিবিআইয়ের প্রতিবেদনও আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের দিকেই ইঙ্গিত করে। কিন্তু পরিবার সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আদালতে নারাজি আবেদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    মামলার সর্বশেষ কার্যক্রম অনুযায়ী, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সালমান শাহর মা দেশের বাইরে থাকায় তার আইনজীবী নারাজি দাখিলের জন্য সময় আবেদন করেন এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।

    ফলে সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে বিতর্ক পুরোপুরি শেষ হয়নি। একদিকে তদন্ত প্রতিবেদন ও কথিত সুইসাইড নোট আত্মহত্যার বক্তব্যকে সামনে আনছে, অন্যদিকে পরিবার ও ভক্তদের দীর্ঘদিনের হত্যার অভিযোগ বিষয়টিকে এখনো আলোচনায় রেখেছে।

    তথ্যসূত্র: প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালত-সংক্রান্ত তথ্য

  • জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে কোনো কাজ বাকি রাখেননি হাসিনা: রিজভী

    জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে কোনো কাজ বাকি রাখেননি হাসিনা: রিজভী

    প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, জিয়া পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে ধ্বংস করার জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো কাজ বাকি রাখেননি।

    বুধবার (১২ আগস্ট) রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী।

    রিজভী বলেন, জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ বাকি রাখেননি। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে জিয়া পরিবার ও বিএনপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয়েছে।

    মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে মনেপ্রাণে ধারণ করে। তাঁর অভিযোগ, পলাতক ফ্যাসিবাদকে খুশি করার জন্য কোনো কোনো রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করে দেখানোর এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের অবদান মুছে ফেলার চেষ্টা করছে।

    তিনি প্রশ্ন তোলেন, ১৯৭১ সালের ইতিহাস মুছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলের ভূমিকা আসলে রাজনৈতিক কৌশল, নাকি চাটুকারিতার অংশ।

    রিজভী আরও অভিযোগ করেন, ১৯৭১, ১৯৮৬ ও ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ওই রাজনৈতিক দলটি জনগণের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল। সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই দলটি এখন এককভাবে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের নামে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

    শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত কর্মসূচিতে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রেজর ব্লেডের মাঝখানে একই নকশা কেন থাকে?

    রেজর ব্লেডের মাঝখানে একই নকশা কেন থাকে?

    রেজর বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে—তবে সেফটি রেজর ব্লেডের মাঝখানের বিশেষ ফাঁকা নকশা বা স্লট আজও প্রায় একই রয়ে গেছে। শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, এর পেছনে রয়েছে ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক কারণ।

    ১৯০১ সালে কিং ক্যাম্প জিলেট সেফটি রেজরের জন্য পাতলা ডিসপোজেবল ব্লেডের নকশা নিয়ে কাজ শুরু করেন। ১৯০৪ সালে তার গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্ট অনুমোদিত হয়। সে সময় জিলেটের ব্লেডের নির্দিষ্ট মাপ ও mounting pattern-এর কারণে অন্য কোম্পানির ব্লেড সহজে ওই রেজরে ব্যবহার করা যেত না।

    পরে ১৯২১ সালের দিকে জিলেটের পেটেন্টের মেয়াদ শেষ হলে অন্য কোম্পানিগুলোও সেফটি রেজরের ব্লেড তৈরি শুরু করে। ততদিনে বিপুলসংখ্যক মানুষ জিলেটের রেজরের হ্যান্ডেল কিনে ফেলেছিলেন। ফলে নতুন কোম্পানিগুলো এমন মাপ ও নকশার ব্লেড তৈরি করতে থাকে, যা পুরোনো রেজরের সঙ্গেও ব্যবহার করা যায়।

    এভাবেই ব্লেডের মাঝের পরিচিত নকশা একটি প্রচলিত মানে পরিণত হয়।

    এর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক সুবিধাও। ব্লেডের মাঝের স্লট বা ফুটো রেজরের নির্দিষ্ট পোস্ট বা স্টাডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্লেডকে সঠিক অবস্থানে ধরে রাখে। এতে শেভ করার সময় পাতলা স্টিলের ব্লেডটি নড়াচড়া করার সম্ভাবনা কমে যায় এবং ধারালো দুই পাশও সঠিক অবস্থানে থাকে।

    এ ছাড়া একই মাপ ও নকশা অনুসরণ করায় কারখানায় বিপুলসংখ্যক ব্লেড উৎপাদন ও রেজরের সঙ্গে সেগুলো সংযোজন করাও সহজ হয়।

    অর্থাৎ, রেজর ব্লেডের মাঝের এই চেনা নকশা কোনো সাজসজ্জার বিষয় নয়। পুরোনো রেজরের সঙ্গে সামঞ্জস্য, ব্লেডকে সঠিকভাবে আটকে রাখা এবং উৎপাদন সহজ করার প্রয়োজন থেকেই এটি দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে।

  • ফেসবুকে যেসব শব্দ বা বক্তব্যে পোস্ট সরিয়ে দিতে পারে মেটা

    ফেসবুকে যেসব শব্দ বা বক্তব্যে পোস্ট সরিয়ে দিতে পারে মেটা

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিদিন নানা ধরনের মতামত প্রকাশ করেন ব্যবহারকারীরা। তবে কোনো পোস্ট বা মন্তব্য মেটার কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করলে সেটি সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টও পড়তে পারে ঝুঁকিতে।

    ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রকাশিত প্রতিবেদনে সহিংসতা, ঘৃণাত্মক বক্তব্য, যৌনতা ও নিষিদ্ধ সংগঠন-সম্পর্কিত কনটেন্টের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

    সহিংসতার হুমকি বা উস্কানি:
    কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত বা হত্যার সরাসরি হুমকি দেওয়া ফেসবুকে নিষিদ্ধ। নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া পোস্টও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে সব ধরনের গালিগালাজ একইভাবে বিবেচিত হয় না; বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ও হুমকির মাত্রা গুরুত্বপূর্ণ।

    ঘৃণাত্মক বক্তব্য:
    জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা অন্য কোনো সুরক্ষিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অপমান, হেয় বা অমানবিকভাবে উপস্থাপন করলে সেটি হেইট স্পিচ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করেও কাউকে অপমান করা হলে তা নীতিমালা লঙ্ঘন করতে পারে।

    নিষিদ্ধ ব্যক্তি বা সংগঠনের প্রশংসা:
    সন্ত্রাসী বা বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রশংসা, সমর্থন বা প্রচারণামূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে মেটার কঠোর নীতি রয়েছে। এ ধরনের কনটেন্ট সরিয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজনে অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

    যৌনতা ও নগ্নতাসংক্রান্ত কনটেন্ট:
    যৌনভাবে স্পষ্ট ভাষা, নগ্নতা বা যৌন আবেদনময় কনটেন্টের ক্ষেত্রেও ফেসবুকের নীতিমালা কঠোর। কনটেন্টের ধরন ও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী পোস্ট সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।

    অনুবাদ ও এআইয়ের ভুল:
    মেটার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা সব সময় ভাষা ও প্রসঙ্গ সঠিকভাবে বুঝতে পারে না। বিশেষ করে বিভিন্ন ভাষার অনুবাদে ভুলের কারণে কোনো নিরীহ বক্তব্যও ভুলভাবে ফ্ল্যাগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ব্যঙ্গ, রূপক বা স্থানীয় সাংস্কৃতিক শব্দের ক্ষেত্রেও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    তাই ফেসবুকে পোস্ট করার সময় শুধু নির্দিষ্ট কোনো ‘নিষিদ্ধ শব্দের তালিকা’ নয়, বরং বক্তব্যের উদ্দেশ্য, প্রসঙ্গ ও উপস্থাপনের ধরন বিবেচনায় রাখা জরুরি। কারণ একই শব্দ ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্নভাবে মূল্যায়িত হতে পারে।

  • শাকিব খানকে কথা দিলেন ববিতা, শর্ত পূরণ হলেই ফিরবেন বড় পর্দায়

    শাকিব খানকে কথা দিলেন ববিতা, শর্ত পূরণ হলেই ফিরবেন বড় পর্দায়

    দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকার পর আবারও বড় পর্দায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা ববিতা। তবে এই প্রত্যাবর্তনের জন্য একটি শর্তও দিয়েছেন তিনি। আর সেই শর্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন শাকিব খান

    সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ববিতা। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান শাকিব খান। একই সঙ্গে তিনি ববিতার কাছে আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানান।

    আলাপচারিতায় শাকিব খান বলেন, “আপনি প্লিজ সিনেমা করবেন। এটা আমার হাম্বল রিকোয়েস্ট। আপনার সঙ্গে আমি আবারও কাজ করতে চাই।”

    জবাবে ববিতা জানান, তিনি শুধু অভিনয়ের জন্য অভিনয় করতে চান না। বরং একটি মানসম্মত গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের অপেক্ষায় আছেন।

    তিনি শাকিব খানকে উদ্দেশ করে বলেন, “আমাকে সেরকম গল্প নিয়ে আসো, তোমার আর আমার যেন চ্যালেঞ্জিং কিছু করার সুযোগ থাকে। তাহলে আমি করব। কথা দিলাম, তোমার সঙ্গে ছবি করব।”

    অনুষ্ঠানে শাকিব খানের পেশাদারিত্ব, কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র নিয়েও প্রশংসা করেন ববিতা।

    উল্লেখ্য, ঢাকাই চলচ্চিত্রে ববিতা ও শাকিব খান একসঙ্গে ‘মা আমার স্বর্গ’, ‘খোদার পরে মা’ এবং ‘মায়ের জিহাদ’-সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দর্শকমহলে তাদের জুটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

    ববিতার সাম্প্রতিক এই প্রতিশ্রুতির পর আবারও বড় পর্দায় এই দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখার আশা করছেন তাদের ভক্তরা।

  • জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান শফিকুর রহমানের

    জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান শফিকুর রহমানের

    সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও ইতিহাসকে আড়াল করার একটি অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সেই চেষ্টা প্রতিহত করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনেজুলাই আন্দোলন’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই আন্দোলনের পেছনে কোনো একক রাজনৈতিক দল মাস্টারমাইন্ড ছিল না। আন্দোলনে যারা সরাসরি অংশ নিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকেই এই গণআন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

    তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনে অংশ না নিয়েও এখন অনেকে নিজেদের এই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

    জামায়াত আমির আরও বলেন, ৫ আগস্ট যারা শেখ হাসিনার বিদায়কে ‘মিরাকল’ বলেছিলেন, তারাই এখন আন্দোলনের কৃতিত্ব নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের জন্য পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত কঠিন। অনেকেই নিরাপত্তার অভাবে আত্মগোপনে ছিলেন এবং অনেক ক্ষেত্রে স্বজনদের কাছ থেকেও আশ্রয় পাননি।

    সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যাদের অবদান রয়েছে, তাদের কারও ভূমিকা যেন ইতিহাস থেকে হারিয়ে না যায়। সঠিক তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মাধ্যমে আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

    অতীতের বিভিন্ন সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, আহত ও মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা আজও সম্পন্ন হয়নি। একইভাবে ২০২৪ সালের আন্দোলনের ইতিহাসও যেন হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।

    তিনি জুলাই আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং তা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লিপিবদ্ধ করার আহ্বান জানান।

  • সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)-এর উদ্বোধন

    সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII)-এর উদ্বোধন

    আজ সোমবার (০৩-০৭-২০২৬) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকায় আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII), জলসিঁড়ি-এর শুভ উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি ভিডিও টেলিকনফারেন্স (VTC)-এর মাধ্যমে বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা এবং যশোরে প্রতিষ্ঠিতব্য আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটসমূহের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেন।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। সময়ের পরিবর্তিত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে জ্ঞান, নৈতিকতা, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ক্যামব্রিজ কারিকুলামভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি এবং মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (AIII) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    আশা করা যায়, প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, আদর্শ, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের এক উৎকৃষ্ট কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং এখানকার শিক্ষার্থীরা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ আদর্শ সুনাগরিক হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে। একই সাথে, জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিসরে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই মহতী উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করবে- এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে সেনাসদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ, বিভিন্ন ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিংবৃন্দ, ঊর্দ্ধতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকবৃন্দ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।