Category: ফুটবল

  • রোনালদোর পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ পর্তুগিজ গণমাধ্যম, সমালোচনার তোপে পর্তুগাল

    রোনালদোর পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ পর্তুগিজ গণমাধ্যম, সমালোচনার তোপে পর্তুগাল

    বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশী দল হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও এখনো ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি পর্তুগাল। গ্রুপপর্বে গণতান্ত্রিক কঙ্গোর বিপক্ষে ড্র, উজবেকিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় এবং শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর দলটির পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়েছে পর্তুগিজ গণমাধ্যম।

    বিশেষ করে অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছে দেশটির জনপ্রিয় ক্রীড়া দৈনিক ‘আ বোলা’। গণমাধ্যমটি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের মূল্যায়নে রোনালদোকে ১০-এর মধ্যে মাত্র রেটিং দিয়েছে, যা ম্যাচে পর্তুগালের সর্বনিম্ন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচজুড়ে রোনালদোর নেওয়া শটগুলো তেমন বিপজ্জনক ছিল না। এছাড়া কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাসের মুখোমুখি হয়ে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। যদিও পরে সেই আক্রমণটি অফসাইড হিসেবে বাতিল হয়। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেও ম্যাচে প্রত্যাশিত প্রভাব রাখতে ব্যর্থ হন এই পর্তুগিজ তারকা।

    চলতি বিশ্বকাপে এটি দ্বিতীয় ম্যাচ, যেখানে রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে দেশটির গণমাধ্যম। এর আগে গণতান্ত্রিক কঙ্গোর বিপক্ষেও তিনি আলো ছড়াতে পারেননি। তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন তিনি।

    অন্যদিকে কলম্বিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের সবচেয়ে উজ্জ্বল পারফরমার হিসেবে গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে বেছে নিয়েছে ‘আ বোলা’। তাকে ১০-এর মধ্যে রেটিং দেওয়া হয়েছে। একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি দলকে গোল হজমের হাত থেকে রক্ষা করেন। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে হুয়ান কুইন্তেরোর ক্রস থেকে লুইস সুয়ারেজের নিশ্চিত গোলের সুযোগ পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল ম্যাচের অন্যতম সেরা রক্ষণাত্মক দৃশ্য।

    ম্যাচটিতে কলম্বিয়াই আক্রমণে বেশি প্রভাব বিস্তার করে এবং একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে। অতিরিক্ত সময়ে ডেভিনসন সানচেজের করা একটি গোল মিলিমিটার ব্যবধানে অফসাইড হওয়ায় বাতিল হয়, যা পর্তুগালকে স্বস্তি এনে দেয়।

    গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচ শেষে দুই ড্র ও এক জয়ে নকআউট নিশ্চিত করলেও পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্নের মুখে রয়েছে পর্তুগাল। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে রোনালদোর দল মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়ার।

  • ঘানার রক্ষণে আটকে ইংল্যান্ড, বাড়লো নকআউট নিশ্চিতের অপেক্ষা

    ঘানার রক্ষণে আটকে ইংল্যান্ড, বাড়লো নকআউট নিশ্চিতের অপেক্ষা

    বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এল’-এ বড় ধাক্কা খেয়েছে ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দল। ঘানার বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করে জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। ফলে নকআউট পর্বে ওঠার পথ সহজ থাকলেও গ্রুপসেরা হওয়ার লড়াইয়ে অপেক্ষা আরও বাড়লো ইংল্যান্ডের।

    বোস্টনের কাছে জিলেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখায় ইংল্যান্ড। পুরো ম্যাচে ১৯টি শট নেয় তারা, বিপরীতে ঘানা জাতীয় ফুটবল দল শট নিতে পারে মাত্র দুটি। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় গোলের দেখা পায়নি ইংলিশরা।

    ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে ভালো সুযোগটি আসে ম্যাচের শেষদিকে। তরুণ মিডফিল্ডার নিকো ও’রিলির হেড বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে অধিনায়ক হ্যারি কেন শট নিলেও তা ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।

    ঘানার দ্বিতীয় গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে দুর্দান্ত দৃঢ়তা দেখিয়ে ইংল্যান্ডের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করেন। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে বুকায়ো সাকার শট ঠেকিয়ে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেন তিনি।

    ম্যাচ শেষে হ্যারি কেন বলেন, জয় না পাওয়ায় দল হতাশ। তবে ঘানার রক্ষণভাগের প্রশংসা করে তিনি জানান, প্রতিপক্ষ খুব ভালোভাবে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে এবং পাল্টা আক্রমণেও বিপজ্জনক ছিল।

    এই ড্রয়ের ফলে দুই দলেরই সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪ পয়েন্ট। গ্রুপ পর্বে উভয় দলের একটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে। নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল থাকলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কে হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

    বিশ্বকাপে আফ্রিকান কোনো দলের কাছে কখনো হারেনি ইংল্যান্ড। তবে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা ঘানা এদিন অসাধারণ লড়াই করে সেই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখেছে। ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালিস্ট ঘানা এখন আত্মবিশ্বাস নিয়ে শেষ ম্যাচের অপেক্ষায়।

    অন্যদিকে, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের দারুণ জয়ের পর ইংল্যান্ডের কাছ থেকে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রত্যাশা করেছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু ঘানার বিপক্ষে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সে তাদের শিরোপা সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • বিশ্বকাপ ইতিহাসে অনন্য কীর্তি,  রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

    বিশ্বকাপ ইতিহাসে অনন্য কীর্তি, রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

    উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে পর্তুগালকে বড় জয়ের পথে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপ ইতিহাসে একাধিক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মঙ্গলবার (২৪ জুন) হিউস্টোনে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘কে’-এর ম্যাচে মাঠে নেমে চারটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড নিজের করে নেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।

    ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রোনালদো। এই গোলের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের ছয়টি ভিন্ন আসরে গোল করা বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন। ২০০৬ সালে ইরানের বিপক্ষে প্রথম বিশ্বকাপ গোলের পর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপেও গোলের দেখা পেলেন এই কিংবদন্তি ফরোয়ার্ড।

    এছাড়া বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে ১১টি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে গোল করা একমাত্র ফুটবলার হিসেবেও নতুন নজির স্থাপন করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে গোল করার ক্ষেত্রে এটি এক অনন্য রেকর্ড।

    প্রথমার্ধের শেষদিকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনালদো। এর ফলে তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কীর্তি গড়েন। ছয়টি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচ খেলে তার গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১০-এ। এতে তিনি ছাড়িয়ে যান পর্তুগালের কিংবদন্তি ইউসেবিওকে, যার বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ছিল ৯।

    রোনালদো আরও একটি বয়সভিত্তিক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। ৪১ বছর ১৩৮ দিন বয়সে গোল করে তিনি এখন বিশ্বকাপে গোল করা সবচেয়ে বেশি বয়সী ইউরোপীয় ফুটবলার। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলদাতার তালিকায় তার অবস্থান দ্বিতীয়।

    এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন Roger Milla, যিনি ৪২ বছর ৩৯ দিন বয়সে বিশ্বকাপে গোল করেছিলেন।

    বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতাদের তালিকায় আরও রয়েছেন Pepe (৩৯ বছর ২৮৩ দিন), Lionel Messi (৩৮ বছর ৩৬৩ দিন) এবং Gunnar Gren (৩৭ বছর ২৩৬ দিন)।

    রোনালদোর এই রেকর্ডময় পারফরম্যান্সে পর্তুগালের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে। বয়সকে হার মানিয়ে বিশ্বমঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

  • নতুন মামলায় মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন

    নতুন মামলায় মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা এবং গুলিবর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

    বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মহানগর আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন মিরপুর মডেল থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আজিজুল হক ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে এ আবেদন জমা দেন।

    আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনার সঙ্গে মমতাজ বেগমের সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।

    মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালানো হয়। আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গুলিবর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    মামলার বাদী মো. মুক্তার দাবি করেন, ওই ঘটনায় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট এবং হামলাকারীদের মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন। তার অভিযোগ, তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের নির্দেশ ও নেতৃত্বে হামলাটি সংঘটিত হয়। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি পুলিশও হামলায় অংশ নেয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দাখিল করা আবেদনে আরও বলেন, আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হলে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হবে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তীতে পুলিশি রিমান্ডের আবেদনও করা হতে পারে।

    বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • জন্মদিনের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা: ‘ঈশ্বরের কাছে আর কিছু চাওয়ার নেই’

    জন্মদিনের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা: ‘ঈশ্বরের কাছে আর কিছু চাওয়ার নেই’

    ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসি বুধবার (২৪ জুন) ৩৯ বছরে পা দিচ্ছেন। জন্মদিনের মাত্র দুই দিন আগে বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে নকআউট পর্বে তুলেছেন এই কিংবদন্তি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থানও নিজের করে নিয়েছেন তিনি।

    তবে ব্যক্তিগত অর্জনের পাহাড় গড়েও জন্মদিন উপলক্ষে মেসির চাওয়া খুবই সাধারণ। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জীবনে যা পেয়েছেন তার জন্য তিনি সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞ।

    মেসি বলেন, “সত্যি বলতে, ঈশ্বরের কাছে নতুন করে কিছু চাওয়ার ভাষা আমার নেই। খেলাধুলায় তিনি আমাকে সবকিছু দিয়েছেন। এখন আমার একমাত্র চাওয়া আমার নিজের, আমার পরিবারের এবং আমার কাছের মানুষদের সুস্বাস্থ্য।”

    আর্জেন্টাইন অধিনায়ক আরও বলেন, “আমি চাই এই দলের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে। এই দল বছরের পর বছর ধরে মানুষকে আনন্দ দিয়ে আসছে। প্রতিটি ম্যাচ আমরা প্রথম ম্যাচের মতো গুরুত্ব দিয়ে খেলি। এখানে থাকতে পারাটাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ।”

    বিশ্বকাপ জয়ের পরও কেন তিনি এত বিনয়ী—সেই প্রশ্নের উত্তর যেন লুকিয়ে আছে তার ব্যক্তিগত জীবনের বাস্তবতায়। জানা গেছে, মেসির বাবা হোর্হে হোরাসিও বর্তমানে গুরুতর অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছেন। পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য তার বাবার পাশে থাকার জন্য আর্জেন্টিনায় অবস্থান করছেন।

    বাবার অসুস্থতার প্রসঙ্গ সরাসরি উল্লেখ না করলেও মেসির কথায় সেই কষ্টের প্রতিফলন স্পষ্ট ছিল। তিনি বারবার পরিবারের সুস্থতার বিষয়টিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরেন।

    ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের আগে মেসি বলেছিলেন, “আমি জানি ঈশ্বর আমাকে একটি বিশ্বকাপ দেবেন।” এবার তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ২০২৬ বিশ্বকাপে কি দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন দেখছেন?

    জবাবে মেসি বিনয়ের সঙ্গে বলেন, “আবার বিশ্বকাপ চাওয়াটা হয়তো একটু বেশিই লোভ হয়ে যাবে। ঈশ্বর আমাকে যা দিয়েছেন, তা-ই আমার জন্য যথেষ্টের চেয়েও বেশি। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা এবং প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দেওয়া।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। একেকটি ম্যাচ ধরে এগোচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য শুধু পরবর্তী প্রতিপক্ষকে নিয়ে ভাবা।”

    ফুটবলের অসংখ্য রেকর্ড, আটটি ব্যালন ডি’অর এবং একটি বিশ্বকাপ জয়—সবকিছুর পরও লিওনেল মেসির এই বিনয় ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই তাকে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দিয়েছে। ৩৯ বছর বয়সেও মাঠে যেমন তিনি জাদু ছড়াচ্ছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল নাম।

  • ম্যাচ বাকি থাকতেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, বিদায় নিশ্চিত জর্ডানের

    ম্যাচ বাকি থাকতেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, বিদায় নিশ্চিত জর্ডানের

    টানা দুই জয়ে আগেই ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এবার গ্রুপপর্বের একটি ম্যাচ বাকি থাকতেই ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়াও নিশ্চিত করেছে লিওনেল স্কালোনির দল। একই সঙ্গে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে জর্ডানের।

    মঙ্গলবার জর্ডানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পায় আলজেরিয়া। এই ফলের ফলে গ্রুপের সমীকরণ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে শেষ ম্যাচে হারলেও আর্জেন্টিনাকে আর শীর্ষস্থান থেকে সরানো সম্ভব নয়।

    চলতি বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম অনুযায়ী সমান পয়েন্ট হলে গোল ব্যবধানের আগে বিবেচনা করা হচ্ছে হেড-টু-হেড রেকর্ড। সেই হিসাবে আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যেই আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়াকে হারিয়েছে। ফলে শেষ ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন, গ্রুপের অন্য কোনো দল তাদের টপকাতে পারবে না।

    এর আগে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয়। সেই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে আলবিসেলেস্তেরা।

    অন্যদিকে, জর্ডানের বিপক্ষে জয় পেয়ে নকআউটের আশা জিইয়ে রেখেছে আলজেরিয়া। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে নিজার আল-রাশদানের গোলে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় উত্তর আফ্রিকার দেশটি। ৬৯ মিনিটে নাদির বেনবুয়ালি সমতা ফেরান। পরে আমিনে গুইরির গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আলজেরিয়া।

    বর্তমানে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার সমান ৩ পয়েন্ট। ফলে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউটে ওঠার লড়াই এখন এই দুই দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আগামী রোববার একই সময়ে মুখোমুখি হবে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়া। সেই ম্যাচের বিজয়ী দলই শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেবে।

    অন্যদিকে, একই দিনে সকাল ৮টায় গ্রুপের শেষ ম্যাচে জর্ডানের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। যদিও ম্যাচটির ফলাফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

  • এমবাপ্পে-হালান্ডের যুগেও আলোচনার কেন্দ্রে মেসি

    এমবাপ্পে-হালান্ডের যুগেও আলোচনার কেন্দ্রে মেসি

    ফুটবলের ইতিহাসে প্রতিটি প্রজন্মের নিজস্ব নায়ক থাকে। পেলে, ম্যারাডোনা, জিদান, রোনালদো, রোনালদিনহো হয়ে একসময় বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন লিওনেল মেসিক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সময়ের পরিবর্তনে নতুন প্রজন্মের তারকা হিসেবে উঠে এসেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং আরলিং হালান্ড

    অনেকের প্রত্যাশা ছিল, ২০২৬ বিশ্বকাপ হবে এমবাপ্পে ও হালান্ডের বিশ্বকাপ। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও নিজের প্রভাব ধরে রেখেছেন মেসি। সাম্প্রতিক ম্যাচে এমবাপ্পে জোড়া গোল করেছেন, হালান্ডও করেছেন জোড়া গোল। তবে একই দিনে মেসিও আবার প্রমাণ করেছেন কেন তিনি এখনও বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত নাম।

    ৩৯ বছর বয়সে এসে মেসি আর আগের মতো গতিনির্ভর ফুটবল খেলেন না। বরং অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও অসাধারণ ফুটবল বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেন। এমবাপ্পে যেখানে গতিতে প্রতিপক্ষকে ভেঙে দেন, হালান্ড যেখানে শক্তি ও ফিনিশিংয়ে এগিয়ে, সেখানে মেসি কয়েক মুহূর্তের জাদুতেই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন।

    একসময় মেসিকে ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা করা হতো। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। আজ নতুন প্রজন্মের তারকাদের মূল্যায়ন করা হয় মেসির মানদণ্ডে। এমবাপ্পে কিংবা হালান্ড যতই সাফল্য অর্জন করুন না কেন, আলোচনায় বারবার ফিরে আসে মেসির নাম।

    ২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন যুগ প্রতিষ্ঠার লড়াই চলছে। কিন্তু সেই লড়াইয়ের মাঝেও ফুটবলপ্রেমীরা বারবার দেখছেন এক পরিচিত দৃশ্য—স্কোরশিটে লেখা রয়েছে লিওনেল মেসির নাম। আর সেটিই প্রমাণ করে, ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তার প্রভাব এখনও অটুট।

  • ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া করে কথা রাখলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক

    ব্রাজিলের জয়ে মাথা ন্যাড়া করে কথা রাখলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক

    ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে সমর্থকদের উন্মাদনা নতুন কিছু নয়। তবে জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক আর্জেন্টিনা সমর্থকের ব্যতিক্রমী কাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রাজিলের জয়ের পর নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে প্রকাশ্যে মাথা ন্যাড়া করেছেন আর্জেন্টিনা সমর্থক ফয়সাল আহমেদ জুম্মান।

    ফয়সাল বকশীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং এলাকায় আর্জেন্টিনা দলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। বিশ্বকাপের উত্তেজনার মধ্যেই গত ১৯ জুন নিজের ফেসবুক আইডিতে তিনি ঘোষণা দেন, হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল জয়ী হলে তিনি মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘুরবেন। তার এই পোস্ট দ্রুতই স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

    শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের ব্যবধানে হাইতিকে পরাজিত করলে নিজের দেওয়া কথা রাখতে আর দেরি করেননি ফয়সাল। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে রেখেই তিনি সাধুরপাড়া এলাকায় মাথা ন্যাড়া করেন। এ সময় ঘটনাটি দেখতে উৎসুক মানুষজন ভিড় জমায়। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন, যা পরে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।

    স্থানীয়রা বলছেন, ফুটবলকে ঘিরে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা খেলাধুলার সৌন্দর্যকেই তুলে ধরে। প্রতিপক্ষ দলের জয়ের পরও নিজের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে ফয়সাল ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।

    চ্যালেঞ্জ পূরণের পর ফয়সাল আহমেদ জুম্মান বলেন, “আমি মজা করেই এই চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। ব্রাজিল জিতেছে, তাই কথা অনুযায়ী মাথা ন্যাড়া করেছি। প্রতিশ্রুতি দিলে তা রাখতে হয়। খেলাধুলা আনন্দ ও বিনোদনের জন্য, এটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখা উচিত।”

    ঘটনাটি এখন বকশীগঞ্জজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যে এক সমর্থকের দেওয়া কথা রাখার এই ব্যতিক্রমী ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে হয়ে উঠেছে অনন্য এক দৃষ্টান্ত।

  • ৬৪ সেকেন্ডের গোলে তুরস্ককে বিদায় করল প্যারাগুয়ে

    ৬৪ সেকেন্ডের গোলে তুরস্ককে বিদায় করল প্যারাগুয়ে

    বিশ্বকাপের সবচেয়ে দ্রুততম গোলের একটিতে ভর করে নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে প্যারাগুয়ে। সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাত্র ৬৪ সেকেন্ডে গোল করে তুরস্ককে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে তুরস্ক-এর।

    ম্যাচের শুরুতেই বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপের চলতি আসরের দ্রুততম গোলটি করেন মাতিয়াস গালারজা। সেই এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

    প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বড় ধাক্কা খায় প্যারাগুয়ে। নতুন ফিফা নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মিগুয়েল আলমিরন। ফলে দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় দলটিকে।

    সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় তুরস্ক। ম্যাচে ৭৮ শতাংশ বলের দখল ছিল তাদের। তারা মোট ৩২টি শট নেয়, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। তবে দুর্ভেদ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ান প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল। তার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ দলকে জয় এনে দেয়।

    পরিসংখ্যানেও ছিল তুরস্কের একচ্ছত্র আধিপত্য। তাদের এক্সপেক্টেড গোল (xG) ছিল ২.১২, যেখানে প্যারাগুয়ের ছিল মাত্র ০.৩২। তুরস্ক ৫৫৯টি সফল পাস দিলেও প্যারাগুয়ের পাস সংখ্যা ছিল মাত্র ৯৫। তবু গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তুর্কিদের।

    ২০০২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট তুরস্ক ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে দুই ম্যাচেই হেরে বিদায় নিল। প্রথম ম্যাচে তারা ২-০ গোলে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া-র কাছে।

    অন্যদিকে এই জয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল প্যারাগুয়ে। গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যারা ইতোমধ্যেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে।

  • কুনহার জোড়া গোলে হাইতিকে উড়িয়ে স্বস্তির জয় ব্রাজিলের

    কুনহার জোড়া গোলে হাইতিকে উড়িয়ে স্বস্তির জয় ব্রাজিলের

    প্রথম ম্যাচের হতাশাজনক ড্রয়ের পর সমালোচনার মুখে পড়া ব্রাজিল অবশেষে ফিরেছে চেনা ছন্দে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড মাথেউস কুনহা-র জোড়া গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-এর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

    ব্রাজিল-এর এই জয়ে নকআউট পর্বের পথ অনেকটাই সহজ হয়েছে। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলা হাইতি-র টুর্নামেন্টে টিকে থাকার আশা কার্যত শেষ হয়ে গেছে।

    ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। ২৩তম মিনিটে ভিনিসিয়ুসের শট হাইতির গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বলে সহজেই জালে বল পাঠিয়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেন কুনহা। এরপর প্রথমার্ধেই ভিনিসিয়ুসের পাস থেকে দুর্দান্ত বাঁ পায়ের শটে দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার।

    প্রথমার্ধের শেষদিকে নিজেও গোলের দেখা পান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার গোলে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা।

    দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি ব্রাজিল। তবে রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ়, ফলে ম্যাচে ফিরতে পারেনি হাইতি।

    ম্যাচজুড়ে ভিনিসিয়ুস ও কুনহার বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে প্রথম ম্যাচে একাদশের বাইরে থাকা