Category: Uncategorized

  • রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন

    রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন

    আমের মৌসুমে দেশের অন্যতম বিখ্যাত আমের অঞ্চল পুঠিয়া উপজেলা সফর করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সফরকালে তিনি রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী আমের স্বাদ ও বৈচিত্র্যে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

     

    https://images.openai.com/static-rsc-4/F8JMg8Mbf_sZrmUA4T1xe0YbgIg1bVK0h4yS6KdaNgtWpQCDfKxTAtRKJT-R81N4v2rGZuW4FznVBQ6nprJzWsORN20TSZJTad0G5zeafM3D9j4B7-r_m4oP3AkSw4mhOS6GHofbzz1NX4fJ7ZerxtSu1Kku5PGiyxluWuftdSzKXzm66aDrhqQTRNMawS0f?purpose=fullsize

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) মার্কিন দূতাবাস, ঢাকা তাদের ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রদূতের সফরের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, তিনি রাজশাহীর বিখ্যাত বানেশ্বর আমের বাজার ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জাতের আম পরিদর্শন করছেন এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছেন।

    সফরকালে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন রাজশাহীর আমের প্রশংসা করে বলেন, এখানকার আমের স্বাদ ও গুণগত মান সত্যিই অসাধারণ। স্থানীয়দের সঙ্গে আম নিয়ে আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে তিনি এ অঞ্চলের কৃষি ঐতিহ্য সম্পর্কেও ধারণা নেন।

    রাজশাহী দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী, ব্যবসায়ী ও ফলপ্রেমীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে এ অঞ্চলের আমের বাজারগুলো।

    মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। তারা আশা করছেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রাজশাহীর আমের পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পাবে।

  • আইটি খাত, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বাজেটে বড় কর ছাড়ের প্রস্তাব

    আইটি খাত, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বাজেটে বড় কর ছাড়ের প্রস্তাব

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাত, ফ্রিল্যান্সার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, স্টার্টআপ উদ্যোক্তা এবং টেলিযোগাযোগ খাতের জন্য একাধিক কর ছাড় ও প্রণোদনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

    বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, আইটিসহ সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয় করমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তরুণদের উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিতে সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয়ও কর অব্যাহতির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    স্টার্টআপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় পর্যায়ের সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতির পাশাপাশি সেবা আমদানি ও অফিস ভাড়া গ্রহণের ক্ষেত্রেও ১৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সুবিধা ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

    দেশীয় প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে কম্পিউটার প্রিন্টার, পোর্টেবল অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিন, ফ্ল্যাশ মেমোরি এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কম্পিউটার, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ও কর অব্যাহতি সুবিধা ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    মোবাইল ফোন উৎপাদন খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের কাঁচামাল আমদানিতেও কর সুবিধার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    টেলিযোগাযোগ খাতেও বেশ কিছু স্বস্তির বার্তা রয়েছে। বাজেটে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা খাতে উৎসে করের হার ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি সিমের ওপর আরোপিত ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা গ্রাহকদের জন্য মোবাইল সেবা আরও সহজলভ্য করবে বলে মনে করছে সরকার।

    ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আরেকটি বড় ঘোষণা হলো তাদের প্রদত্ত সেবার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব।

    তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এই ‘স্টার্ট-আপ তহবিল’ নারী উদ্যোক্তা, তরুণ উদ্ভাবক এবং প্রযুক্তিনির্ভর নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে।

    বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাত বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর, প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্রে রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই এ খাতের উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের জন্য বিশেষ সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।

  • রামিসা হত্যা মামলাসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের সব মামলার বিচার চলবে বিরতিহীনভাবে

    রামিসা হত্যা মামলাসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের সব মামলার বিচার চলবে বিরতিহীনভাবে

    আলোচিত রামিসা হত্যা মামলা-সহ নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ এবং হত্যা সংক্রান্ত সব গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার হাইকোর্টে বিরতিহীনভাবে চলবে বলে জানিয়েছেন রুহুল কুদ্দুস কাজল

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এ নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রামিসা হত্যা মামলার গুরুত্ব ও জনস্বার্থ বিবেচনায় হাইকোর্টে মামলাটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের একটি বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে। মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানিতে তিনি নিজেও রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেবেন।

    তিনি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স, ফৌজদারি আপিল এবং জেল আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতি একটি বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেছেন।

    আগামী রোববার থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা-র সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চে এসব মামলার বিচারকাজ শুরু হবে।

    সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নবগঠিত এই বিশেষ বেঞ্চ শুধুমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশ্লিষ্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশের অনুমোদন সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স এবং একই রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি ও নিষ্পত্তি করবে।

    আইনজীবী ও বিচারসংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বিশেষ বেঞ্চ গঠনের ফলে দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে।

  • ২০ জুলাই প্রকাশ হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল

    ২০ জুলাই প্রকাশ হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

    সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সরকারের প্রথম তিন মাসের কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এসএসসির ফলাফল আমরা ২০ জুলাই প্রকাশ করব। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এইচএসসি পরীক্ষার রুটিনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও ঘোষণা করা হয়েছে।”

    শিক্ষাব্যবস্থায় কারিকুলাম পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘লার্নিং গ্যাপ’ তৈরি হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শেখার ফলাফলভিত্তিক (লার্নিং আউটকাম বেজড) শিক্ষা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    এদিকে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে আয়োজনের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অধিকাংশের মতামত ছিল, রমজানের আগেই পরীক্ষা শেষ করা উচিত।

    তিনি বলেন, “আমরা ৭ জানুয়ারি পরীক্ষা শুরু করে ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা করেছি। এ বিষয়ে একটি রুটিনও প্রকাশ করা হয়েছে। আপাতত সেই সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় সেশনজট দূর করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নির্ধারিত মেয়াদের কোর্স নির্ধারিত সময়েই শেষ করার জন্য স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে সমন্বিতভাবে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    তার ভাষায়, “তিন বছরের কোর্স তিন বছরেই এবং পাঁচ বছরের কোর্স পাঁচ বছরেই শেষ করতে হবে। কোনো ধরনের অযৌক্তিক বিলম্ব বা সেশনজট রাখা হবে না।”

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময়সূচিও একইভাবে সমন্বয়ের চেষ্টা চলছে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট না হয়। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দ্রুত কর্মজীবনে যুক্ত করতে শিক্ষা ব্যবস্থার সময় ব্যবধান কমানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

  • মায়ের মরদেহ ৭ দিন পড়ে থাকার ঘটনা: ‘সফলতার সংজ্ঞা নয়, মানুষ হওয়ার শিক্ষা প্রয়োজন’

    মায়ের মরদেহ ৭ দিন পড়ে থাকার ঘটনা: ‘সফলতার সংজ্ঞা নয়, মানুষ হওয়ার শিক্ষা প্রয়োজন’

    রাজধানীতে এক বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর পর সাত দিন ধরে তার মরদেহ বাসায় পড়ে থাকার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মৃত নারীর সন্তানদের মধ্যে একজন সচিব, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও এমন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সমাজের মূল্যবোধ ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    এ ঘটনায় এক সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমাদের সমাজে সফলতার যে প্রচলিত সংজ্ঞা তৈরি হয়েছে, তা মানুষকে মানবিক মূল্যবোধ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, সমাজ ও পরিবার শিশুদের শেখায় কীভাবে বড় পদ-পদবি অর্জন করতে হবে, কিন্তু মানুষ হওয়ার শিক্ষা যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। তার মতে, একজন সচিব, ডাক্তার, প্রকৌশলী বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া ব্যক্তিগত সাফল্যের পরিচায়ক হতে পারে, কিন্তু মানবিক দায়িত্ববোধ ও পারিবারিক সম্পর্কের জায়গায় ব্যর্থতা থাকলে সেই সাফল্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

    লেখক তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ছোটবেলায় গৃহকর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় তার বাবা তাকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেছিলেন। সেই শিক্ষা তাকে মানুষের প্রতি সম্মান দেখানোর মূল্যবোধ শিখিয়েছে।

    তিনি দাবি করেন, বর্তমান সমাজে পেশাগত ও আর্থিক সাফল্যকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে মানবিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়ছে। পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    এ প্রসঙ্গে তিনি ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন উল্লেখ করে বলেন, আইন অনুযায়ী সন্তানদের ওপর বাবা-মায়ের দেখভালের দায়িত্ব রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই সেই দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ দেখা যায়।

    লেখকের মতে, দেশের বিভিন্ন সংকট ও সামাজিক অবক্ষয়ের পেছনে কেবল অশিক্ষা নয়, বরং মূল্যবোধের সংকটও দায়ী। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা ও উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হওয়া মানেই মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ নিশ্চিত করা নয়।

    ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই পারিবারিক বন্ধন, বয়স্কদের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক মূল্যবোধের পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছেন।

  • আধ্যাত্মিক আবহে আসছে হাবিব, কায়া ও মুজার চমক

    আধ্যাত্মিক আবহে আসছে হাবিব, কায়া ও মুজার চমক

    দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও একসঙ্গে ফিরছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদকায়া। তাদের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছেন তরুণ সংগীতশিল্পী মুজা। তিন প্রজন্মের এই তিন শিল্পী একসঙ্গে নিয়ে আসছেন নতুন গান ‘কই রইলা রে’।

    নতুন গান প্রসঙ্গে হাবিব ওয়াহিদ বলেন, প্রায় ২২ বছর পর কায়ার সঙ্গে আবারও কাজ করতে পেরে তিনি ভীষণ রোমাঞ্চিত। গানটির রেকর্ডিং অনেক আগেই সম্পন্ন হলেও বর্তমান সময়ের সংগীতধারা ও আধুনিক অ্যারেঞ্জমেন্ট অনুযায়ী এটি তৈরি করা হয়েছে।

    তিন শিল্পীর একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে হাবিব জানান, এটি ভবিষ্যতে দারুণ একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, কায়ার মাধ্যমে সিলেটি গান দিয়েই তার সংগীতজীবনের শুরু হয়েছিল। অন্যদিকে মুজাও ছোটবেলা থেকেই কায়ার জনপ্রিয় অ্যালবাম ‘কৃষ্ণ’ ও ‘মায়া’ শুনে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।

    গানটির মূল গীতিকার ও সুরকার সিলেটের ফোক শিল্পী সৈয়দ দুলাল। এটি মূলত একটি রিমেক গান হলেও হাবিব ও মুজার অংশে নতুন কিছু কথা সংযোজন করা হয়েছে।

    গানটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে হাবিব বলেন, এটি একটি আধ্যাত্মিক ঘরানার গান। জীবনের ছোট ছোট সুন্দর মুহূর্তের মধ্য দিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্ব ও মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পাওয়ার বিষয়টি এতে তুলে ধরা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে প্রকাশিত ‘কৃষ্ণ’ অ্যালবামের মাধ্যমে বাংলা পপ ও লোকগানের ফিউশনে নতুন ধারা তৈরি করেছিলেন হাবিব ওয়াহিদ ও কায়া। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে প্রকাশিত ‘মায়া’ অ্যালবামও শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এই জুটির প্রত্যাবর্তনে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

    জানা গেছে, আগামী বুধবার (২৭ মে) হাবিব ওয়াহিদের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করা হবে।

  • ঈদযাত্রার প্রস্তুতি দেখতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    ঈদযাত্রার প্রস্তুতি দেখতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান আজ বৃহস্পতিবার ( ২১ মে) নৌপথে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি দেখতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন করেছেন।
    পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ফেরিঘাটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যানবাহন পারাপার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফেরিঘাটের পন্টুনের নিরাপত্তা বেষ্টনী উঁচু ও মজবুত করা হয়েছে। ফেরিঘাটে স্টপ গেট নির্মাণ করা হয়েছে। যাত্রী ওঠানামার জন্য পৃথক সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরি পারাপারের সময় বাস থেকে নেমে ফেরিতে ওঠার জন্য অনুরোধ জানান। একইসঙ্গে নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের কোনো অবস্থাতেই নৌকা বা ট্রলার হতে লঞ্চে উঠানামা না করার আহ্বান জানান।
    তিনি বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রতিটি লঞ্চে দৃশ্যমান স্থানে ডিজিটাল ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন নিশ্চিত করা হবে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ঈদুল-আযহার পূর্বের ৫ দিন এবং পরের ৫ দিন অর্থাৎ ২৩ মে হতে ০২ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দিন-রাত সার্বক্ষণিক বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। এছাড়া রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচলও বন্ধ রাখা হবে।
    তিনি বলেন, সদরঘাটে যাত্রীচাপ কমাতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলা ঘাট এবং পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট হতে লঞ্চ সার্ভিস পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কুড়িল বিশ্বরোড হতে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত বিআরটিসির শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হবে।

    ঈদুল-আযহার পূর্বের ৩ দিন এবং পরের ৩ দিন অর্থাৎ ২৫ মে হতে ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফেরি পারাপারের সুবিধা পাবে।

    তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুবাহী নৌযানকে ঘাটে ভিড়ানোর জন্য কোনো ঘাট ইজারাদার বা তার লোকজন টানাটানি করতে পারবে না। এ জন্য সংশ্লিষ্ট নৌযানে

    কোন ঘাটে পশু আনলোড করা হবে তা দৃশ্যমানভাবে ব্যানারে উল্লেখ রাখতে হবে।
    উল্লেখ্য, নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ১৬১১৩, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, সরকারি তথ্য ও সেবা ৩৩৩, ফায়ার সার্ভিস ১০২, কোস্ট গার্ড ১৬১১১, নৌপুলিশ ০১৭৬৯-৭০২২১৫ এবং অপারেশন জিরো মিসিং ০১৩২০০০২১৭ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় কতৃক অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    পরিদর্শনকালে বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয় দপ্তর/সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ‘অগ্নিযোদ্ধাদের একটাই পণ, নিরাপদ রাখবো সম্পদ ও জীবন’ – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬। নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ১৯ মে সকাল ১০টায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ, পাসিং আউট প্যারেড ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।

    সকাল ১০ ঘটিকায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ড, পূর্বাচল, নারায়ণগঞ্জে পৌঁছালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক তাঁকে স্বাগত জানান। প্রধান অতিথি পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রথমেই বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং কেক কেটে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করে অভিবাদন মঞ্চে আরোহন করলে প্যারেড কমান্ডার জনাব ফয়সালুর রহমানের নেতৃত্বে পতাকাবাহী কন্টিনজেন্টসহ ৪টি কন্টিনজেন্টের সদস্যগণ তাঁকে সশ্রদ্ধ অভিবাদন জ্ঞাপন করে। মাননীয় প্রধান অতিথি প্যারেড পরিদর্শন করেন। এরপর স্টেশন অফিসার, ফায়ারফাইটার, ড্রাইভার, ডুবুরি ও নার্সিং অ্যাটেনডেন্টদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হওয়ায় ট্রেনিং কমপ্লেক্সের পিও কাম অ্যাডজুটেন্ট সাইদুল আলম চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

    শপথের পর বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে নির্বাচিত চৌকশ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চৌকশ পদক এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রাষ্ট্রীয় পদকে ভূষিত হয়েছেন মাননীয় প্রধান অতিথি তাদের মধ্য থেকে ২০ জনকে পদক পরিয়ে দেন। এরপর স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। তিনি মাননীয় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আরও আধুনিক, দক্ষ, মানবিক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে।”

    এরপর বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সিনিয়র সচিব জনাব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সাফল্যের সাথে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। ফায়ারফাইটারদের উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “দুর্ঘটনা-দুর্যোগে আপনারা সবার পাশে সবার আগে উপস্থিত হন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে মানুষ আপনাদেরকে দুঃসময়ের বন্ধু মনে করেন। আমি মনে করি, কর্মপ্রচেষ্টার এই ধারা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে আপনারা মানুষের আরো আস্থাভাজন হয়ে উঠবেন।”
    এরপর প্রধান অতিথির ভাষণ প্রদান করেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি। তিনি তাঁর ভাষণে অগ্নিদুর্ঘটনাসহ যেকোনো দুর্যোগে পেশাদারি মনোভাব, সাহস, ত্যাগ ও সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস জাতির আস্থা অর্জন করেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “সকল দুর্যোগে বিপদে পড়া মানুষের পাশে প্রথম ছুটে যাওয়া ‘স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত’ এই প্রতিষ্ঠানটি আমাদের একটি গর্বের বাহিনী হিসেবে স্বীকৃত।” সক্ষমতা বাড়ানোর সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার বিষয়েও তিনি তার আন্তরিক সদিচ্ছার কথা ব্যক্ত করেন।
    পরিশেষে “বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” জাতীয় ধ্বনি দিয়ে মার্চ পাস্টের মাধ্যমে প্যারেড শেষ করা হয়। প্যারেড শেষে মাননীয় প্রধান অতিথি কনটিনজেন্ট সদস্যদের সাথে ফটোসেশন পর্বে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন। সবশেষ তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

    অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থার সংস্থা প্রধানগণ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ, ফায়ার সার্ভিসের পরিচালকবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের বিভিন্ন পদবির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ, ভলান্টিয়ারগণ, ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন পদবির কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক

    ও অনলাইনের গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে ১৯ মে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ২০ মে থেকে ২২ মে তিন দিনব্যাপী সারাদেশে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। খবর ও ছবি: ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেল।

  • রাজধানীতে অনলাইন জুয়া চক্রের ৬ চীনা নাগরিকসহ ৯ জন গ্রেফতার

    রাজধানীতে অনলাইন জুয়া চক্রের ৬ চীনা নাগরিকসহ ৯ জন গ্রেফতার

    রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও অবৈধ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন চক্রের সঙ্গে জড়িত একটি বড় নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে ৬ জন চীনা নাগরিকসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন এম.এ (MA. Jie), ঝাং জিয়াহাও (Zhang Jiahao), লিও জিঞ্জি (Liu Jinjie), ওয়াং শিবো (Wang Shibo), চাং তিয়ানতিয়ান (Chang Tiantian), জেমস ঝু (James Zhu) এবং তাদের বাংলাদেশি সহযোগী মো. কাউসার হোসেন, মো. আব্দুল-কারিম ও রোকন উদ্দিন।

    ডিবি সূত্রে জানা যায়, সাইবার মনিটরিংয়ের সময় ফেসবুক, ইউটিউব, টেলিগ্রাম গ্রুপ ও বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার প্রচারণা ও ডিপোজিট বোনাসের প্রলোভন শনাক্ত করা হয়। এসব প্ল্যাটফর্মে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন চালানো হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয় গোয়েন্দারা।

    সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টর থেকে তিনজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তুরাগ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জন চীনা নাগরিককে আটক করা হয়।

    অভিযানে ৩টি ৬৪-পোর্ট ও ১টি ২৫৬-পোর্টবিশিষ্ট GSM/GPRS SIM Module (VoIP GSM Gateway) ডিভাইসসহ মোট ৫টি গেটওয়ে মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২৮০টি সিম কার্ড, ল্যাপটপ, ২০টি স্মার্টফোন, ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা, পাসপোর্ট, এনআইডি এবং একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা স্বীকার করেছে যে, তারা একাধিক এমএফএস সিম ব্যবহার করে গেটওয়ে ডিভাইসের মাধ্যমে শতাধিক সিম একসাথে পরিচালনা করত। এসব সিম ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণামূলক লেনদেন চালানো হতো।

    তদন্তে আরও জানা যায়, চক্রটি নিজস্ব জুয়ার পোর্টাল পরিচালনার পাশাপাশি প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে, বিশেষ করে চীনে পাচার করত।

    এ ঘটনায় গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ঢাকায় শুরু হলো ২৫তম আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সম্মেলন

    নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ঢাকায় শুরু হলো ২৫তম আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সম্মেলন

    বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের (NIOHC) ২৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলন আজ রাজধানীতে শুরু হয়েছে। ১১ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

    সম্মেলনে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থা (IHO)-এর প্রতিনিধিসহ নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশনের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে আয়োজনে নেতৃত্ব দেন।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি বলেন, নিরাপদ নৌ-চলাচল, সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বাংলাদেশকে আঞ্চলিক হাইড্রোগ্রাফিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন।

    তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামুদ্রিক গবেষণা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নির্ভুল সমুদ্র তথ্য ও মানসম্মত হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম অপরিহার্য। এ ধরনের সম্মেলনের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, কারিগরি দক্ষতা ও তথ্য বিনিময়ের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য বিনিময়, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থা (IHO)-এর অধীনে গঠিত ১৫টি আঞ্চলিক কমিশনের মধ্যে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশন অন্যতম। বাংলাদেশ ২০২৪-২০২৭ মেয়াদের জন্য এ কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।