গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকায় একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নিহতরা হলেন শারমিন (৩৫), তার তিন মেয়ে মিম (১৫), মারিয়া (১২), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)। তারা গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হলেও কাপাসিয়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে পরিবারের কর্তা ফোরকান মিয়া। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের আগে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করা হতে পারে। এরপর গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী ও শিশুদের হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর ফোরকান মিয়া পালিয়ে যান এবং পরে মোবাইল ফোনে স্বজনদের হত্যার বিষয়টি জানান বলে জানা গেছে। এরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
শাহীনুর আলম, কাপাসিয়া থানার ওসি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নয়, তবে তদন্ত চলছে।
এই বর্বর হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়রা দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।