পূর্বাচলে নবনির্মিত বাংলাদেশ–চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় মোট ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বেচাকেনা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় ২২৪ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পেয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজকরা এসব তথ্য জানান। তারা জানান, এবারের মেলায় স্থানীয়ভাবে রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাতে মোট ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য বিক্রি হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।
রপ্তানি আদেশের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। এবারের মেলায় ১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৪ কোটি টাকার সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। এসব আদেশ এসেছে আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক থেকে।
মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।
এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মোট ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান ছিল। নির্মাণ কাঠামো, স্থাপত্য সৌন্দর্য, পণ্যের মান, সেবা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় নিয়ে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।
মেলায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পখাতের পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, আসবাব, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, প্রসাধন দ্রব্য, প্লাস্টিক ও হস্তশিল্পসহ নানা ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়।