প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন–এ এই কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানায়, পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৪,৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি চার্চের যাজকসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সম্মানী পাবেন।
প্রতি মসজিদে মোট ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ইমামের জন্য ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিনের জন্য ৩,০০০ টাকা এবং খাদেমের জন্য ২,০০০ টাকা। প্রতিটি মন্দিরে পুরোহিত ৫,০০০ এবং সেবাইত ৩,০০০ টাকা পাবেন। বৌদ্ধবিহারে অধ্যক্ষ ৫,০০০ এবং উপাধ্যক্ষ ৩,০০০ টাকা পাবেন। চার্চের জন্য পালক/যাজক ৫,০০০ এবং সহকারী যাজক ৩,০০০ টাকা করে পাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবে মসজিদে কর্মকর্তাদের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে বছরে দুইবার এক হাজার টাকা করে, এবং দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিনে দুই হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। তবে সরকারি ও অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলি এই সুবিধার বাইরে থাকবে।
চলতি অর্থবছরে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত এ সম্মানী দেওয়ার জন্য ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। পরবর্তী বছরে প্রতি অর্থবছরে ৪,৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হবে এবং ধারাবাহিকভাবে চার বছরের জন্য এই কার্যক্রম চালু থাকবে। সকল অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে এটি সম্প্রসারিত করা হবে।