যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, দলমত ও জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে এক করার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হলো খেলাধুলা। ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোকে স্বাবলম্বী ও স্বচ্ছল করা হবে। ক্রীড়াঙ্গণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ-এর সম্মেলনকক্ষে ক্রীড়া ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশন ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘ক্রীড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত এক বছরে দেশের ক্রীড়াঙ্গণের সফলতা, ব্যর্থতা ও বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করতে প্রতিটি ফেডারেশনকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফেডারেশনগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
ক্রীড়া ফেডারেশনের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের নির্বাচনের মাধ্যমে ফেডারেশনগুলোর আনুষ্ঠানিক নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।
মোঃ আমিনুল হক বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার কাজ করছে। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। এ জন্য প্রতিটি ফেডারেশনকে তাদের জাতীয় খেলোয়াড়দের তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে তাদের সহায়তা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, প্রতিভাবান খেলোয়াড় অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপরই শুরু করা হবে।
সভায় নিষ্ক্রিয় ফেডারেশনগুলোর সমস্যা চিহ্নিতকরণ, সমজাতীয় ফেডারেশন একীভূতকরণ, ক্রীড়া সামগ্রীর ওপর কর হ্রাস এবং তফসিলভুক্ত ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল খেলাধুলায় বিনিয়োগের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।