ফারুক আহমেদ বলেন, “গত বছর দুর্ঘটনার পর সরেজমিন ও ড্রোনের মাধ্যমে আমরা পরিদর্শন করেছি। দুই মাস আগে আবারও পর্যালোচনা করা হয়েছে। নিরাপত্তাই এখন মূল লক্ষ্য। তবে নকশাগত ভুল, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার বা কাজ বুঝে না নেওয়ার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তের পরই বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।”
তিনি আরও জানান, কাজ বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের। সেখানে অদক্ষতার কারণে ঘাটতি থাকতে পারে।
লাইন-১ প্রকল্পে পরিচালক না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, দ্রুতই আরও চার থেকে পাঁচজন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হবে। স্থানীয় জনবলকে গুরুত্ব দিয়ে স্মার্ট ফাইন্যান্সিংয়ের দিকেও প্রতিষ্ঠানটি এগোচ্ছে।
রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোকে মেট্রোরেল পিলারে পোস্টার না লাগানোর আহ্বান জানিয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, “পিলারে পোস্টার লাগালে ফাটল বা ক্র্যাক শনাক্ত করা কঠিন হয়, এতে ঝুঁকি বেড়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বিনিয়োগের পরিমাণ অনুযায়ী মেট্রোরেল বিশ্বের সেরাদের কাতারে থাকার কথা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি হতাশাজনক। যারা অনিয়ম করেছে বা কাজ বুঝে নিয়েছে, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা উচিত। সরকারের তদন্ত শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করি।”