সৌদি আরবের ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতিতে ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুনভাবে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে ইরানি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই যুদ্ধবহুল পরিবেশে রোনালদোর ভক্তদের মধ্যে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে আল নাসরে যোগদানের পর থেকে রিয়াদে অবস্থান করছিলেন রোনালদো। সম্প্রতি, ড্রোন হামলার ঘটনার পর তার ব্যক্তিগত বিমান সৌদি আরব ত্যাগ করেছে। যদিও বিমানে রোনালদো ছিলেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
রোনালদোর বিমানটির মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৭০ লাখ পাউন্ড, যা ‘উড়ন্ত প্রাসাদ’ হিসেবে পরিচিত। এটি বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক ব্যক্তিগত বিমান, যেটি ১৯ জন যাত্রী বহন করতে সক্ষম এবং বিরতিহীনভাবে ৭,০০০ মাইলেরও বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে।
সৌদি আরবে চলমান ড্রোন হামলার পর এই বিমান চলাচল রোনালদোর নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভক্তরা আশা করছেন, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং রোনালদো শিগগিরই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করবেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং খেলাধুলার এই বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত ঘটনা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও ব্যাপক মনোযোগ সৃষ্টি করেছে।