নতুন অধিনায়কত্বে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নতুন পথচলা শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পরপরই নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন লিটন কুমার দাস, যার অধীনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সাজিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গঠনে নতুন দর্শন নিয়েই এগোতে চায় তারা।
এই নতুন অধ্যায়ের প্রথম পরীক্ষা নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল-এর বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিটন জানান, সাময়িক সাফল্যের চেয়ে বিশ্বকাপ লক্ষ্যই এখন দলের মূল ফোকাস। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আগেভাগেই দল প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
দলের ভারসাম্য ধরে রাখতে এই সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা-কে। অধিনায়কের মতে, গুরুত্বপূর্ণ বোলারদের দীর্ঘমেয়াদে ফিট রাখতে রোটেশন নীতি জরুরি। সামনে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ থাকায় খেলোয়াড়দের উপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার দিকেই নজর দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে আধুনিক টি-টোয়েন্টির চাহিদা অনুযায়ী ব্যাটিং গভীরতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন লিটন। দলে থাকা অলরাউন্ডারদের পারফরম্যান্সের ওপর আস্থা রেখে তিনি মনে করেন, নিচের দিকের ব্যাটাররাও ম্যাচের গতি বদলাতে সক্ষম। তিনি শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং নতুনদের নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠনের কথা তুলে ধরেন।
লিটন আরও বলেন, বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষ দলগুলোর মতো গভীর ব্যাটিং লাইনআপ তৈরি করতে পারলে বাংলাদেশের টপ অর্ডার আরও স্বাধীনভাবে খেলতে পারবে। নয় নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং সক্ষমতা তৈরি করাই এখন তার অন্যতম লক্ষ্য।
সামগ্রিকভাবে, নতুন অধিনায়ক ও নতুন পরিকল্পনায় বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল নিজেদের নতুনভাবে গড়ে তোলার পথে হাঁটছে। এখন দেখার বিষয়, মাঠের পারফরম্যান্সে এই পরিবর্তনের প্রতিফলন কতটা দেখা যায়।