ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত মাখোঁ–এর লিঙ্গপরিচয় নিয়ে অনলাইনে হয়রানির অভিযোগে প্যারিসে ১০ জনের বিচার শুরু হয়েছে।
গত জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ ও তাঁর স্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে মানহানির মামলা করেন। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এক গুজবে দাবি করা হয়, ব্রিজিত মাখোঁ জন্মসূত্রে পুরুষ ছিলেন—যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানায় এলিসি প্রাসাদ।
প্যারিসের ফৌজদারি আদালতে হাজির হওয়া আসামিদের মধ্যে আছেন ৮ জন পুরুষ ও ২ জন নারী, যাঁদের বয়স ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। দোষী প্রমাণিত হলে তাঁদের দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
ব্রিজিত মাখোঁকে ঘিরে শুধু এই গুজবই নয়, তাঁর ও প্রেসিডেন্ট মাখোঁর ২৪ বছরের বয়সের পার্থক্য নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা চলছে বহুদিন ধরেই।
ফরাসি আদালত বলেছে, এই বিচার অনলাইন হয়রানির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।