হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। আলোচনার পর গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎ, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সম্ভাবনা এবং গাজার ফিলিস্তিনি জনগণের কী হবে সে সম্পর্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন নেতানিয়াহু।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেছেন, গত ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র চাইবে না। নেতানিয়াহু তার পুরো রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিহত করার জন্য কাজ করেছেন এবং তিনি তা চালিয়ে যাবেন বলেও জানান।
নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, গাজা উপত্যকা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেবে, এমন দেশ খুঁজছে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা সক্রিয়ভাবে এমন দেশ খোঁজার জন্য কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
আর এ বিষয়টিকে ইসরায়েলিরা মাতৃভূমি থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় অভিবাসন’ বলে অভিহিত করছে। তবে তারা এটিকে জাতিগত নির্মূল হিসাবেও নিন্দা করেছে।
সম্প্রতি এ বিষয়টি নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় এখনও একটি আলোচনাকারী দল রয়েছে। আলোচনায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর দিকে কিছুটা অগ্রগতি হচ্ছে বলেও জানা যায়।
আলোচনার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, এ সপ্তাহেই যুদ্ধবিরতে হবে পারে। তবে হামাস বলছে, তারা একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি চান।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি আগের চেয়েও বেশি গতিশীল দেখা যাচ্ছে। আর এজন্য তিনি নিজেই সেই চুক্তিতে কাজ করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছেন।
কিন্তু নেতানিয়াহু বলছেন, গাজায় ইসরায়েলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য যতদিন না অর্জিত হবে সে পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।