রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে দুদকের করা পৃথক দুই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
একই অভিযোগে শেখ হাসিনাকে তিন মামলায় মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পলাতক থাকায় তাঁর কিংবা পরিবারের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
গত ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শেষে আজকের দিন রায়ের জন্য নির্ধারিত ছিল। অভিযোগপত্র ও সাক্ষ্যে উঠে আসে, ক্ষমতায় থাকার সময় শেখ হাসিনা এবং তাঁর পরিবার প্লট বরাদ্দে যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা তথ্য দিয়ে পূর্বাচলের ছয়টি প্লট গ্রহণ করেন।
জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল—রাজউকের আওতাভুক্ত এলাকায় আগেই আবাসন সুবিধা থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করে মাকে প্রভাবিত করে ১০ কাঠার প্লট নেন এবং সরকারি জমি আত্মসাৎ করেন। পুতুলও রাজউকে আবেদন না করেই মায়ের কাছে অনুরোধ করে প্লট বরাদ্দ গ্রহণ করেন।
এ মামলাগুলোয় মোট তিনটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ৩১ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রাজউক ও গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। দেশি রাজনীতিতে এটি এ ধরনের সর্বশেষ উচ্চপ্রচারিত মামলার রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।