এমবাপ্পের সাত মিনিটের হ্যাটট্রিকে রিয়ালের রোমাঞ্চকর ৪-৩ জয়

চ্যাম্পিয়নস লিগে দুর্দান্ত এক রাত কাটালেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক এবং মোট চার গোল করে অলিম্পিয়াকোসের মাঠ থেকে রিয়াল মাদ্রিদকে এনে দিলেন শ্বাসরুদ্ধকর ৪-৩ গোলের জয়। ম্যাচের শুরু, মাঝামাঝি ও শেষ—তিন পর্যায়েই নাটকীয়তার জন্ম দেয় দুই দল, কিন্তু মঞ্চের সেরা তারকা ছিলেন এমবাপ্পেই।

অলিম্পিয়াকোসের ঝটকা শুরু

অ্যাথেন্সে ম্যাচের ৮ মিনিটেই চিকিনিয়োর গোল রিয়ালকে চাপে ফেলে দেয়। দ্রুতগতির আক্রমণে পাওয়া এই গোলের পরেই গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস, তবে মাঠের চিত্র বেশিক্ষণ একই থাকেনি।

সাত মিনিটে হ্যাটট্রিক: খেলার মোড় ঘোরান এমবাপ্পে

২২তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের থ্রু-পাস পেয়ে সমতায় ফেরান এমবাপ্পে।
মাত্র দুই মিনিট পর আর্দা গুলেরের ভাসানো ক্রসে দারুণ হেডে দ্বিতীয় গোল।
২৯তম মিনিটে কামাভিঙ্গার ডিফেন্স-ভেদী পাস পেয়ে ঠাণ্ডা মাথায় তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ফরাসি সুপারস্টার।

ম্যাচের এই সময়টায় রিয়ালের আক্রমণ এতটাই প্রবল ছিল যে অলিম্পিয়াকোসের ডিফেন্ডাররা যেন কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি।

বিরতির আগে দুর্ভাগ্য রিয়ালের

হাফটাইমে যাওয়ার আগে ভিনিসিয়ুসের একটি গোল ভিএআরে বাতিল হয়। পরে চুয়োমেনির শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারায় অতিথিরা।

দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের লড়াই

বিরতির পর ফের চাপে পড়ে রিয়াল।
৪৯তম মিনিটে মেহদি তারেমির গোল ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে অলিম্পিয়াকোসকে।

চতুর্থবার এমবাপ্পের জ্বলে ওঠা

৬০তম মিনিটে বক্সের ভিড়ে সুযোগ বুঝে নিখুঁত শটে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন এমবাপ্পে। আবারও দুই গোলের লিড পেয়ে অপেক্ষাকৃত স্বস্তি ফিরে পায় রিয়াল।

শেষ মুহূর্তে রোমাঞ্চ

৮৮তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল স্ত্রেফেজার ক্রস থেকে আয়ুব এল-কাবির গোল করে উত্তেজনা ফেরান। শেষদিকে পেনাল্টির দাবিও তোলে অলিম্পিয়াকোস, তবে রেফারি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
শেষ মুহূর্তের চাপ সামলেও তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল।

পয়েন্ট টেবিলে রিয়ালের অবস্থান

এই জয়ে রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগের পয়েন্ট টেবিলে উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে।


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *