আজ শনিবার ভোরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে সাতটি বন্য এশিয়াটিক হাতি মারা গেছে। এ ছাড়া একটি হাতিশাবক আহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সময় হাতির পালটি রেললাইন পার হচ্ছিল।
ভারতীয় রেলওয়ের মুখপাত্র কপিঞ্জল কিশোর শর্মা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, ট্রেন চালক প্রায় ১০০টি হাতির দল দেখতে পেয়ে জরুরি ব্রেক চেপে ধরলেও ট্রেনটি হাতির পালটিকে ধাক্কা দেয়।
আজ শনিবার ভোরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে সাতটি বন্য এশিয়াটিক হাতি মারা গেছে। এ ছাড়া একটি হাতিশাবক আহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সময় হাতির পালটি রেললাইন পার হচ্ছিল।
ভারতীয় রেলওয়ের মুখপাত্র কপিঞ্জল কিশোর শর্মা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, ট্রেন চালক প্রায় ১০০টি হাতির দল দেখতে পেয়ে জরুরি ব্রেক চেপে ধরলেও ট্রেনটি হাতির পালটিকে ধাক্কা দেয়।
দুর্ঘটনাস্থলটি আসামের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার (৭৮ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে একটি বনাঞ্চল। রাজ্যের রেলপথগুলোতে প্রায়ই হাতিরা যাতায়াত করে। তবে ভারতীয় রেলওয়ে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনাস্থলটি কোনো নির্দিষ্ট হাতির করিডোর নয়।
মায়ানমার সীমান্তবর্তী মিজোরাম রাজ্যের সাইরাং থেকে রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৬৫০ জন যাত্রী নিয়ে জাতীয় রাজধানী নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল।
শর্মা আরো বলেন, ‘যেসব বগি উল্টে যায়নি, সেই বগিগুলো নিয়ে ট্রেনটি আবার নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। লাইনচ্যুত পাঁচটি বগি থেকে প্রায় ২০০ যাত্রীকে অন্য একটি ট্রেনে গুয়াহাটিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।’
আসামে দ্রুতগতির ট্রেনের আঘাতে বন্যহাতির মৃত্যু বিরল নয়। এই অঞ্চলে আনুমানিক ৭ হাজার বন্য এশিয়াটিক হাতি বাস করে। ২০২০ সাল থেকে রাজ্যজুড়ে দ্রুতগতির ট্রেনের আঘাতে কমপক্ষে এক ডজন হাতি মারা গেছে।
সূত্র : এপি