Category: শিক্ষা

  • মডেল মাদ্রাসা হিসেবে গড়ে তোলা হবে নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসাকে

    মডেল মাদ্রাসা হিসেবে গড়ে তোলা হবে নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসাকে

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

    মাদ্রাসা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবিক ও কারিগরি জ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মো. মামুন মাহমুদ। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলীনূর খান, মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্য, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময় সভায় মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান এবং কারিগরি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের বাস্তবজীবনের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে আধুনিক ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সক্ষম হয়ে উঠবে।

    সভায় নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার মান আরও উন্নত করা, শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে জেলার অন্যতম আদর্শ ও মডেল মাদ্রাসা হিসেবে গড়ে তুলতে করণীয় নিয়ে মতামত গ্রহণ করা হয়।

    সভায় সংশ্লিষ্টরা মাদ্রাসাটির বর্তমান অবস্থা, শিক্ষার পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পিতভাবে শিক্ষার গুণগত মান, অবকাঠামো এবং কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো গেলে নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা জেলার একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

  • অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে ডাক্তারি পাস, সোনারগাঁওয়ের গর্ব ফাতেমা করিম মীম

    অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে ডাক্তারি পাস, সোনারগাঁওয়ের গর্ব ফাতেমা করিম মীম

     

    সোনারগাঁও ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি ;
    ইচ্ছাশক্তি আর মেধার জোড়ে নিজের স্বপ্নপূরণ করলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের সন্তান ফাতেমা করিম মীম। সব বাধা পেরিয়ে তিনি অর্জনে যুক্ত করলেন এমবিবিএস পাসের নতুন পালক, হয়ে উঠলেন পুরো এলাকার অনুপ্রেরণা।

    উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের রেজাউল করিম রাজা ও মুক্তি আক্তার দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে মীম দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই মেধার স্বাক্ষর রেখে আসা মীম ছিলেন অত্যন্ত বইপ্রেমী ও কৌতূহলী। মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর এইচএসসিতেও পান জিপিএ-৫। এরপর ঢাকার একটি স্বনামধন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে সফলতার সঙ্গে শেষ করেন এমবিবিএস।

    বুধবার সকালে পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ পেলে আনন্দে মেতে ওঠেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।

    মেয়ের এই অনন্য অর্জনে আবেগাপ্লুত বাবা রেজাউল করিম রাজা জানান, তাঁর মেয়ে ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিল। আজ মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন সত্যি হওয়ায় একজন বাবা হিসেবে তাঁর আনন্দের শেষ নেই।

    গর্বিত মা মুক্তি আক্তার বলেন, মীম ছোটবেলা থেকেই পড়ার প্রতি ভীষণ অনুরাগী ছিল। সময় পেলেই সে বইকে আপন করে নিত। সন্তানের এই একাগ্রতাই আজ তাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে উল্লেখ করে তিনি মেয়ে যেন একজন সৎ ও মানবিক চিকিৎসক হতে পারেন, সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    সদ্য চিকিৎসক হওয়া ফাতেমা করিম মীম তাঁর এই সাফল্যের পেছনের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, বাবা-মায়ের নিরলস সমর্থন এবং শিক্ষকদের পথপ্রদর্শন ছাড়া এই কঠিন পথ অতিক্রম করা সম্ভব হতো না। ডাক্তারি কেবল একটি ডিগ্রি নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি বড় দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, সারাজীবন যেন সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় নিজেকে নিষ্ঠার সঙ্গে নিয়োজিত রাখতে পারেন, সেটাই তাঁর মূল লক্ষ্য।

  • কওমি মাদরাসার সমন্বয় ও পাবলিক পরীক্ষা, ছয় বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত

    কওমি মাদরাসার সমন্বয় ও পাবলিক পরীক্ষা, ছয় বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত

    দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এসব বোর্ডের সনদকে সরকারি-বেসরকারি মাদরাসার নির্দিষ্ট দুটি পদে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে গেজেটের মাধ্যমে ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ২০১৮ সালে দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) সনদকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রির সমমান দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়। ওই আইনের আওতায় ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

    সিদ্ধান্ত নেওয়া ছয়টি বোর্ড হলো—বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ, তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ এবং জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ।

    সংসদে দেওয়া তথ্যে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ২৩ জুন ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় সহকারী মৌলভী (কারি) ও ইবতেদায়ি কারি পদে নিয়োগের কাম্য যোগ্যতা হিসেবে ওই ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    এর ফলে দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) ডিগ্রির পাশাপাশি ইলমে কিরাআত অথবা হিফজুল কোরআনের সনদধারীরাও নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে নিয়োগের সুযোগ পাবেন।

    সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর শিক্ষা কার্যক্রমে সমন্বয়, পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং সনদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে নতুন কাঠামো তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সোনারগাঁওয়ে আধুনিক শিক্ষার প্রত্যয়ে খোকা আইডিয়াল একাডেমির যাত্রা শুরু 

    সোনারগাঁওয়ে আধুনিক শিক্ষার প্রত্যয়ে খোকা আইডিয়াল একাডেমির যাত্রা শুরু 

    সোনারগাঁও ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    আধুনিক শিক্ষার প্রত্যয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে যাত্রা শুরু করলো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের তালতলা এলাকায়  ‘খোকা আইডিয়াল একাডেমি’ নামে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও স্টাফ নিয়োগের প্রক্রিয়ায় বুধবার বিকেলে এ যাত্রা শুরু হয়। 
    তবে আগামী জানুয়ারি থেকে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল কার্যক্রম শুরু হবে জানান প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।
    গত বুধবার বিকেলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়৷ শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পর ৪৩ জন শিক্ষক আবেদন করেন। লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে ১১ জন শিক্ষক নির্বাচিত হন। ইতোমধ্যে এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    তালতলা এলাকায় এসএম খোকা সেন্টারের নিচতলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী ও সৌদি প্রবাসী সোহেল আহমেদ খোকা।
    শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ গিয়াস উদ্দিন। শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন, মহজমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাকমিনা আক্তার, নয়াপুর কোয়ালিটি স্কুলের শিক্ষক জামিল হোসেন, শিক্ষানুরাগী মো. মানিক হোসেন, আমিনুল ইসলাম চন্দন, মো. শাহিন ভূইয়া, নুরুজ্জামান মিয়া ও শাহানূর আক্তার।
    শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডের প্রধান আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, এ অঞ্চলটি অনুন্নত হওয়ার কারনে ছেলে মেয়েরা শিক্ষার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। এ অঞ্চলে ভালো মানের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব রয়েছে। দক্ষ শিক্ষকদের মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়নের লক্ষ্য রয়েছে। আশা করি খোকা আইডিয়াল একাডেমি সেই অভাব পূরণ করবে।
    শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ বছর প্রাথমিক শাখায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২০২৭ সালে এর  কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটি উন্নীত করা হবে।
    খোকা আইডিয়াল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সোহেল আহমেদ খোকা বলেন, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে আমি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অঙ্গীকার করেছি। প্রাথমিকভাবে হাসপাতাল ভবনে কার্যক্রম শুরু করা হলেও আগামীতে খোকা আইডিয়াল একাডেমী নিজস্ব ভবন বা ক্যাম্পাস গড়ে তোলা হবে। এ অঞ্চলের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরনের জীবনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্ব পালন করে যাবে।
  • সোনারগাঁওয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    সোনারগাঁওয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

     

    সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ ও এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদকপ্রাপ্তদেরও সংবর্ধনা জানানো হয়।

    মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট ) বিকেলে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলীনূর খান, সোনারগাঁও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার, কাঁচপুর রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাইরুজ তাসনিম, সোনারগাঁও থানার ওসি আব্দুল বারিক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাঈদুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সরকার, সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন, সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব সাবেক জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব।

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাজাহান মিয়া, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর-ই ইয়াছিন নোবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাহিম, বাংলাদেশের শ্রেষ্ট শিক্ষক বি আর বিলকিস প্রমুখ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি আরও যত্নশীল হওয়ার অনুরোধ করেন।
    সভাপতির বক্তব্যে নির্বাহী কর্তকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, সংসদ সদস্যের আন্তরিক সহযোগিতা ও উৎসাহে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ১৩৫ জন এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৬৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদকপ্রাপ্তদেরও সংবর্ধনা জানানো হয়।
    অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • জাবির নারী হলে রাত ১১টার মধ্যে প্রবেশের নির্দেশ, দুই সংগঠনের প্রতিবাদ

    জাবির নারী হলে রাত ১১টার মধ্যে প্রবেশের নির্দেশ, দুই সংগঠনের প্রতিবাদ

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাহানারা ইমাম হলে ছাত্রীদের রাত ১১টার মধ্যে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়ায় প্রতিবাদ জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও নারী নিরাপত্তা মঞ্চ। সংগঠন দুটি এই সিদ্ধান্তকে ‘সান্ধ্য আইন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

    বুধবার হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হল সংসদের পঞ্চম সভার সিদ্ধান্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে রাত ১১টার মধ্যে হলে প্রবেশ করতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাত ১১টার পর কোনো ছাত্রী হলের বাইরে যেতে পারবেন না। ওই সময় হলের মূল প্রবেশদ্বারে তালা দেওয়া হবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে রাত ১১টার পর হলে প্রবেশের প্রয়োজন হলে গার্ডরুমে সংরক্ষিত রেজিস্টারে প্রয়োজনীয় তথ্য লিপিবদ্ধ করতে হবে।

    বিজ্ঞপ্তিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এর প্রতিবাদ জানায় জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও নারী নিরাপত্তা মঞ্চ।

    শুক্রবার দেওয়া বিবৃতিতে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট জানায়, নিরাপত্তার নামে নারী শিক্ষার্থীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ কোনো সমাধান নয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপদ সড়ক ও পথ, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা, নিরাপদ পরিবহন ও দায়িত্বশীল প্রহরার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    সংগঠনটির ভাষ্য, একজন নারী শিক্ষার্থী কখন হলে ফিরবেন, কোথায় যাবেন বা ক্যাম্পাসে কতক্ষণ অবস্থান করবেন—তা প্রশাসনের নির্ধারণ করার বিষয় নয়। অবিলম্বে জাহানারা ইমাম হলে আরোপিত সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে আবাসিক হলের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে তারা।

    অন্যদিকে নারী নিরাপত্তা মঞ্চও পৃথক বিবৃতিতে রাত ১১টার মধ্যে ছাত্রীদের হলে প্রবেশ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তকে ‘নারীবিদ্বেষী সান্ধ্য আইন’ হিসেবে উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে।

    সংগঠনটির অভিযোগ, রাত ১১টার পর হলের মূল ফটকে তালা দেওয়া, বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করা এবং জরুরি প্রয়োজনে গার্ডরুমের রেজিস্টারে কারণ লিখে রাখার বিধান শিক্ষার্থীদের চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের শামিল।

    নারী নিরাপত্তা মঞ্চের দাবি, নিরাপত্তার নামে নারী শিক্ষার্থীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ পিতৃতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের একটি রূপ। হল সংসদের ভোট ও নারী শিক্ষার্থীদের মতামত উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

    তারা জাহানারা ইমাম হলে আরোপিত সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার, ছাত্রী হলগুলোতে এ ধরনের বিধিনিষেধের পরিকল্পনা বাতিল এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ, প্রবেশদ্বার সংস্কার, কুইক রেসপন্স টিম ও জরুরি হটলাইন চালুর দাবিও জানিয়েছে নারী নিরাপত্তা মঞ্চ।

    এর আগে ২০১৪ সালে জাহানারা ইমাম হলে এবং ২০১৮ সালে একযোগে ছাত্রী হলগুলোতে একই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা হয়েছিল বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে সেসব উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল বলে দাবি তাদের।

  • প্রাথমিক শিক্ষার ওপর যথাযথ গুরুত্ব দিলে নারায়ণগঞ্জ থেকেও এসপি, ডিসি কিংবা সরকারের প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব- এমপি মান্নান

    প্রাথমিক শিক্ষার ওপর যথাযথ গুরুত্ব দিলে নারায়ণগঞ্জ থেকেও এসপি, ডিসি কিংবা সরকারের প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব- এমপি মান্নান

    সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের সাথে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।
    সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার  আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সরকার।
    প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার ওপর যথাযথ গুরুত্ব দিলে নারায়ণগঞ্জ থেকেও এসপি, ডিসি কিংবা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব। বর্তমান সময়ে গ্রাম এলাকা থেকে পড়াশোনা করে অনেকেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সচিবসহ উচ্চপদস্থ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শক্ত ভিত গড়তে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।
    সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান, সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, সোনারগাঁও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর- এ ইয়াছিন নোবেল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাহিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, আমি এবার আপনাদের থেকে শিক্ষার মান কেমন হয় তা সরাসরি দেখবো। সোনারগাঁয়ের কোন স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা কে কত নম্বর পেল, কোন স্কুলের রেজাল্ট ভালো হলো বা খারাপ করলো এবং কতগুলো বৃত্তি পেল তা কঠোরভাবে তদারকি করা হবে। সোনারগাঁওয়ে ১১৩টি প্রাইমারি স্কুল আছে, আমি চাই প্রতিটি স্কুলের সাথে পড়ালেখার একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হোক।
    ​শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তান মনে করে পাঠদানের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আপনারা যদি শিক্ষার্থীদের নিজের ছেলে-মেয়ে মনে করে লেখা-পড়া না করান, তবে আমাদের আগামী প্রজন্ম শিক্ষিত হবে না। জোরজবরদস্তি বা অত্যাচার করে ছাত্র-ছাত্রীদের শেখানো সম্ভব নয়, আপনাদের মন থেকে এই দায়িত্ববোধ অনুভব করতে হবে। আপনারা আন্তরিকভাবে পড়ালেখা করালে আমার পক্ষ থেকেও আপনাদের প্রতি বিশেষ সু-দৃষ্টি থাকবে।
    ​সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
    অনুষ্ঠান শেষে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশসেরা শিক্ষক ও বিভাগীয় সেরা শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
  • শিক্ষায় জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে সরকার: আমির খসরু

    শিক্ষায় জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেবে সরকার: আমির খসরু

    দেশের অর্থনৈতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চশিক্ষার বিষয় ও পাঠ্যক্রম নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শুধু সনদ অর্জন নয়, শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার উপযোগী করে গড়ে তোলাই উচ্চশিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত।

    শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী উপাচার্যদের সংলাপের প্রথম দিনে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী জানান, আগামী বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, এর কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগের সুফল নিশ্চিত করতে হবে।

    আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান বাজারমুখী অর্থনীতিতে শিক্ষারও অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সক্ষমতা শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি দেশের শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় আরও সম্পৃক্ত হতে হবে।

    তিনি বলেন, গবেষণার ফলাফল যেন শুধু প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং জাতীয় উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য বেসরকারি খাতকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় অর্থায়ন এবং গবেষণালব্ধ ফল বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

  • রাকসু থেকে ২৪ লাখ টাকা উত্তোলন আম্মারের, হিসাব নেই ১৮ লাখের

    রাকসু থেকে ২৪ লাখ টাকা উত্তোলন আম্মারের, হিসাব নেই ১৮ লাখের

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দীন আম্মার। এর মধ্যে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার এখনো জমা দেওয়া হয়নি। বাকি ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দিয়েছেন তিনি।

    রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়ের বিবরণসংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

    নথি অনুযায়ী, বর্তমান রাকসু পরিষদ ৪২টি কর্মসূচির জন্য তহবিল থেকে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ নিয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার এখনো জমা পড়েনি। অবশ্য এর একটি অংশের কর্মসূচি এখনো চলমান রয়েছে।

    নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, জিএস সালাউদ্দীন আম্মার সাত ধাপে মোট ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে তিন ধাপে নেওয়া ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার কোনো ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি।

    এই অর্থের মধ্যে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় বুথ স্থাপনের জন্য গত ১৫ জানুয়ারি নেওয়া ৩ লাখ ২ হাজার টাকা, রাকসু সদস্যদের জানুয়ারি মাসের বাজেট বাবদ গত ২৭ জানুয়ারি নেওয়া ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং রাকসু সদস্যদের দাপ্তরিক খরচের জন্য গত ১৩ এপ্রিল নেওয়া ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা রয়েছে।

    এ বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাউদ্দীন আম্মার বলেন, রাকসুর মেয়াদের এখনো প্রায় দুই মাস বাকি। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অডিটের সব হিসাব ও বিল-ভাউচার জমা দেবেন তিনি।

    ভর্তি পরীক্ষার বুথের জন্য নেওয়া ৩ লাখ ২ হাজার টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, সেটি রাকসুর শুরুর দিকের বাজেট ছিল। পরে ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যোগ করার বিষয়টি জানা যায়। ফলে হিসাব সমন্বয় করে বিল তৈরিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে।

    রাকসু সদস্যদের জন্য নেওয়া অর্থের বিষয়ে আম্মার বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদকের হিসাব না আসায় সেটি জমা দেওয়া হয়নি। অন্য একটি অর্থের হিসাব জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে, জিএসের পর রাকসু থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ উত্তোলন করেছেন ক্রীড়া সম্পাদক মোছা. নার্গিস খাতুন। সাত ধাপে তিনি ১৫ লাখ ৭১ হাজার ৬২৬ টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে চার ধাপে নেওয়া ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ১২৬ টাকার বিল-ভাউচার জমা পড়েনি।

    অন্যদিকে, রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ছয় ধাপে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৩২৪ টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে ৯৯ হাজার ৯২৪ টাকার একটি কর্মসূচির ভাউচার জমা দিয়েছেন তিনি। বাকি ১২ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকার ভাউচার জমা হয়নি।

    রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, রাকসুর গঠনতন্ত্রে কোনো কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হিসাব জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ নেই। তবে প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী হিসাব সংরক্ষণের একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে।

    কিছু ভাউচার নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, সেগুলো সংশোধন করে দিতে বলা হয়েছে। জমা পড়া ভাউচারগুলোতে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অসংগতি পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

    রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, যেকোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিল-ভাউচারসহ আর্থিক হিসাব জমা দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয় করলে অবশ্যই বিল-ভাউচার জমা দিতে হবে এবং রাকসুকেও এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

  • নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

    নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

     

    নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
    নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) শহরের বিদ্যা নিকেতন হাইস্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

    অনুষ্ঠানে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ জন্য নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে।

    তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে পারে।

    অনুষ্ঠানে জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, কিশোরীদের মধ্যে এই টিকা গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    এ সময় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।