রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের প্রধান ভোগান্তির নাম ছিল রিকশা। অল্প পথ গেলেই গুনতে হতো ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া। বিশেষ করে স্কুলশিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবক হলে সেই ভাড়া বেড়ে যেত দ্বিগুণ। তবে সেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো বৈদ্যুতিক শাটল বাস সার্ভিস।
এই নতুন বাহন এখন যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তির হাসি ফোটাচ্ছে। এক স্কুলশিক্ষার্থী আনন্দ প্রকাশ করে জানায়, “রিকশায় যেখানে ৪০–৫০ টাকা ভাড়া দিতে হয়, শাটলে সেখানে মাত্র ১০ টাকা। একসঙ্গে অনেকজন ওঠা যায়, নিরাপত্তাও বেশি।”
একজন অভিভাবকও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “ভাড়া সাশ্রয়ী, আর পরিবেশবান্ধব। তবে এটি যদি বৃহৎ আকারে চালু করা হয়, তাহলে বসুন্ধরার যাতায়াত ব্যবস্থায় সত্যিই পরিবর্তন আসবে।”
প্রাথমিকভাবে বসুন্ধরার ৩০০ ফিট মুখ থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের পকেট গেট পর্যন্ত দুটি শাটল বাস চালু হয়েছে। প্রতিটি বাস একসঙ্গে ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী বহন করতে পারে। এতে রয়েছে ছয়টি ব্যাটারি, যা একবার চার্জে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে সক্ষম।
পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলেও এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যাত্রীরা বলছেন, রাজধানীতে যদি এমন পরিবেশবান্ধব, স্বল্পমূল্যের বাহন ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তবে রিকশা নির্ভরতা কমবে এবং যাতায়াত হবে আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও স্বস্তিদায়ক।