চব্বিশের জুলাই গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়ের ক্ষণগণনা শুরু হচ্ছে আজ। সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চত্বরে জড়ো হচ্ছেন দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকেই সংবাদ সংগ্রহে ট্রাইব্যুনালে আসতে শুরু করেন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে-বাইরে জমে উঠেছে সাংবাদিকদের ভিড়। বিবিসি, আল-জাজিরা, ডয়েচে ভেলে, এপি, সিএনএনসহ বিশ্বের খ্যাতনামা সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিরা রয়েছেন সেখানে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও অভিযুক্ত। তবে মামুন রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন।
জানা গেছে, ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ রায়ের দিন ঘোষণা করবেন।
এদিকে শেখ হাসিনার রায় ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আজ দেশব্যাপী লকডাউন কর্মসূচি দিয়েছে। আগুন, ককটেল বিস্ফোরণসহ নাশকতার আশঙ্কায় দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রায়ের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্রাইব্যুনালের ভেতরে-বাইরে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা। চারপাশে তৈরি করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বলয়। সাংবাদিকদেরও প্রবেশের আগে তল্লাশি করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।