‘হিন্দি সিনেমাপ্রেমীরা যেন দীর্ঘদিন ধরে এমন এক প্রেমের গল্পের অপেক্ষায় ছিলেন, যা হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। ‘সাইয়ারা’ যেন সেই প্রতীক্ষারই পরিপূর্ণ উত্তর।
মুক্তির দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে এমন বিপুল সাফল্য অর্জন করে ‘সাইয়ারা’ ২০২৫ সালের সবচেয়ে সফল রোমান্টিক সিনেমাতে পরিণত হয়েছে। প্রচারণা নেই, সাক্ষাৎকার নেই— তবুও সিনেমাটি ব্লকবাস্টার!

এমনকি এই মুভি বড় বড় তারকাদের ব্লকবাস্টার সিনেমার রেকর্ডও ইতোমধ্যে ভেঙে দিয়েছে। অনেক দর্শক সিনেমা দেখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, কেউ কেউ জ্ঞান হারাচ্ছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ও পোস্ট ঘুরছে।
যদিও এই আবেগের ঢেউ সবার বেলায় এক রকম নয়। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুরকার প্রিন্স মাহমুদ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, সাইয়ারা মুভি দেখতে বসছি। শুনলাম পুরো উপমহাদেশ নাকি এই মুভি দেখে কাঁদতে কাঁদতে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা বানায় ফেলছে। এ কান্না কেবল লবণ ও জলের মিশ্রণ না। পিওর কান্না। যাই হোক, কান্নার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে এ মুহূর্তে না যাই।

তিনি আরও লিখেন, কেউ কি দয়া করে বলবেন, সাইয়ারা মুভির ঠিক কোন কোন জায়গায় আমাকে কাঁদতে হবে?
তার এই পোস্টে অনেকেই হেসে-খেলে মন্তব্য করছেন—আবার কেউ কেউ লিখেছেন, “দেখতে থাকুন, কান্না আপনা আপনি আসবে!”
সিনেমাটি ঠিক কীভাবে দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে এখনো চলছে আলোচনা। সমালোচক ও বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাইয়ারার আবেগঘন গল্প, ব্যতিক্রমধর্মী চিত্রনাট্য ও অননুমেয় উপস্থাপনা ভঙ্গিই দর্শকদের এতোটা নাড়া দিচ্ছে।
এক দিকে যখন বলিউডের অন্য সিনেমাগুলো কোটি কোটি টাকার প্রচারণা বাজেট নিয়েও মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন ‘সাইয়ারা’ যেন হয়ে উঠেছে নীরব বিপ্লবের নাম।

উল্লেখ্য, সিনেমাটি যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এই কান্নার রহস্য ভেদ করতে হলে দর্শকদের মতো প্রিন্স মাহমুদকেও পুরো সিনেমা শেষ করতেই হবে!