চুয়াডাঙ্গা: এম এ মামুন চুয়াডাঙ্গাঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর হাসদাহে বিএনপির জামায়াত সংঘর্ষে চাঞ্চল্যকর জামায়াত কর্মী হাফিজুর হত্যার মূল আসামি মেহেদী আটক হলেও জীবননগর ওসিির সাপ কথা আটক হয়নি। মাললার বিষয়ে জানান প্রক্রিয়াধীন। তবে, চুয়াডাঙ্গা গয়েন্দা তপ্তর থেকে জানানো হয় মেহেদীকে আটক করে জীবননগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। আটকের নাটকে রহস্যজনক বলে মনে করছে ভুক্তভোগীরা।
সোমবার (২রা মার্চ) চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর থেকে ডিবির সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে। এর পর দুপুরে মেহেদীকে জীবননগর থানায় সোপর্দ করে।
উল্লেখ্য গত শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ইফতারির পর জীবননগর হাসাদহ বাজারে বিএনপি সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে জামায়াতে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। এ হামলায় জামায়াতের ৩ কর্মী গুরুতর জখম ও আহত হয়। এদের মধ্যে হাফিজুর রহমান (৪৫) ও তার ছোট ভাই বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমানের (৪০) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে প্রথমে যশোর আড়াইশ বেড হাসপাতালে ভর্তি করলে তাকে রেফার্ড করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে থেকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়ে তাদের দুইভাইকে কাকরাইল আরোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে হাফিজুর রহমান (৪৫) মারা যায়। অপরদিকে নিহত হাফিজুরের ছোট ভাই মফিজুর রহমান বর্তমানে উক্ত হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন আছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এদিকে চুয়াডাঙ্গায় ডিবির ওসি মশিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রাম থেকে হাফিজুর হত্যার সাথে জড়িত সেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত আহবায়ক মেহেদী হাসানকে আটক করে জীবননগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
কিন্তুু মেহেদী আটকের বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি সোলাইমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিন মেহেদী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত নয় বলে জানান। এছাড়া তিনি আরো জানান, হাফিজুর হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।